ম্যাজিক শো থেকে শুরু...

শ্রীজিৎ সরকার

মেয়েটা শূন্যে ভেসে আছে৷ হাত-দুটো কাঁধ থেকে আর হাঁটু থেকে পা-দুটো ভেঙে, আলগাভাবে ঝুলে আছে৷ চুলগুলোরও একই অবস্থা৷ হলে কোনও হাওয়া বইছে না বলে সেগুলোও আর নিজেদের জায়গা থেকে নড়ছে না৷ সুদর্শন জাদুকর আধবোজা চোখে বিড়বিড় করছেন৷ তাঁর দু-হাত শূন্যে উঁচু হয়ে আছে৷ আঙুলগুলো প্রচন্ড শক্তিতে মাঝেমাঝেই ভাঁজ হয়ে যাচ্ছে, আর ঝিলমিলিয়ে উঠছে চকচকে রূপালি নেলপালিশ মাখা নখ৷ শক্তি প্রয়োগের চোটে ঋজু শিরদাঁড়াও যেন দুমড়ে-দুমড়ে যাচ্ছে৷ খুব ভারী কোনও জিনিসকে সর্বশক্তি দিয়ে ঠেলে উপরের দিকে তুলতে গেলে যেমন হয়— জাদুকরের মুখে ঠিক তেমন অভিব্যক্তি৷

পুরো অডিটোরিয়াম অন্ধকারে ডুবে রয়েছে৷ গোল স্পটলাইটটা ঠিক ভেসে থাকা মেয়েটা আর জাদুকরের ওপর স্থির হয়ে আছে৷ দর্শকরা হাঁ করে তাকিয়ে আছেন৷ সেইসঙ্গে তাঁদের বুকের মধ্যে একটা আশ্চর্য্য আলোড়ন— এই বোধহয় গেল মেয়েটা পড়ে...

বেশ কিছুক্ষণ চলল এইরকম৷ তারপর জাদুকর যেভাবে দেহটাকে

শূন্যে ভাসিয়ে তুলেছিলেন, তেমনভাবেই সেটাকে খুব ধীরে ধীরে নামিয়ে আনলেন৷ মেয়েটার দু-চোখে আলতো করে হাত বুলিয়ে কাটিয়ে দিলেন সম্মোহনের ঘোর৷ তারপর তাকে ধরে, আস্তে-আস্তে তুলে বসিয়ে দিলেন৷ মেয়েটা উঠে বসতেই স্পটলাইট নিভে গিয়ে মঞ্চের জোরালো আলোগুলো জ্বলে উঠল৷ রঙিন আলোয় যেন নতুন করে ঝিকমিকিয়ে উঠল জাদুকরের রঙচঙে পাথর, ঝিলমিলে জরি আর চকচকে চুমকিতে জমজমাট পাঞ্জাবি, পাগড়ি৷ মেয়েটা সবার দিকে তাকিয়ে একগাল হেসে দিল৷ বোধহয় বুঝিয়ে দিতে চাইল যে, ও সম্পূর্ণ সুস্থই আছে৷

জাদুকর আর তাঁর সহকর্মিণী এবার মাথা ঝুঁকিয়ে দর্শকদের দিকে বাও করলেন৷ এটা অবশ্য একটা ইঙ্গিতও বটে— ‘ভাসমান নারী’র খেলা আজকের মতো শেষ৷

দর্শকরা যেন সম্মোহিত না-হয়েও এতক্ষণ একটা ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলেন৷ এবার তাঁদের সম্বিত ফিরল৷ আর সঙ্গে-সঙ্গে সমবেত হাততালিতে ফেটে পড়ার মতো হল গোটা অডিটোরিয়াম৷

এই না হলে জাদু!

রাস্তাঘাটে আকচার যেগুলো দেখা যাচ্ছে, সেগুলো তো সব একেকটা ছেলেভোলানো গিমিক৷ ওসব তাসের কারসাজি, ফুলের রঙ বদলে দেওয়া, থলির মধ্যে জিনিসপত্র ঢুকিয়ে অদৃশ্য করে দেওয়া, টুপির থেকে খরগোশ বের করা— এসব কেউ দেখে নাকি আজকাল? উপযুক্ত জিনিসপত্র পেলে কত সাধারণ ঘরের বাচ্চারা ওসব করে দেখিয়ে দিতে পারবে৷

সবার মুখের অভিব্যক্তিতেই মুগ্ধতা৷ ভালোলাগা যেন কারোর কাটতেই চাইছে না৷

শুধু একজন বাদে৷ জাদু শেষ হতেই একদম শেষ রো-এর একেবারে কোণার দিকে বসে থাকা তার মুখে একটা ব্যঙ্গের হাসি ফুটে উঠল৷

কারণ?

কারণ গত দু-ঘন্টা ধরে ওই দেশবরেণ্য জাদুকর মঞ্চে যেগুলো

দেখিয়ে চলেছেন, সেগুলোও তার কাছে ওই ছেলেভোলানো গিমিকেরই সমান৷ সস্তা, খেলো৷ একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে এত কায়দা-কসরত করে এসব দেখাতে দেখে হাসি পাবে না? তবে আপাদমস্তক বোরখায় নিজেকে ঢেকে রাখায় কেউ আর তার হাসিটা দেখতে পেল না৷ এমনিতে তো তাকে কেউ বড় একটা পাত্তা দিচ্ছে না৷ আজকাল অনেক মুসলিম রক্ষণশীল ঘরের মেয়েরাও ম্যাজিক দেখতে আসে৷ আধুনিকতার ছোঁয়া বলে কথা! আর বোরখা পরে আসাতেও কোনও অস্বাভাবিকতা নেই৷ মানুষ বোরখা পরে প্রাপ্তবয়স্ক সিনেমা পর্যন্ত দেখতে চলে যাচ্ছে, ম্যাজিক তো কোন ছাড়... কিন্তু এ একা এসেছে৷ সাধারণত যারা বোরখা পরে আসে, তারা কোনও না-কোনও আত্মীয় বা আত্মীয়ার সঙ্গেই আসে৷ তবুও এসব কারোর চোখে পড়ছে না৷ কারণ আশপাশের মানুষদের কারোর এসব নিয়ে ভাবার সময়ই নেই৷ আর সময় থাকলেও বা ভাবতে যাবে কেন? সব দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ভুলে আড়াই-তিনঘন্টা বুঁদ হয়ে থাকার জন্যই তো পয়সা খরচ করে এখানে আসা৷

এবারের খেলা— ‘দ্বিখন্ডিতা নারী’৷

নামটা শুনলেই যেন মনের মধ্যে একটা আশ্চর্য রোমাঞ্চ জাগে! এর মধ্যেই সবকিছু মঞ্চের ওপর এসে গেছে— অস্ত্র, টেবিল, যাকে দু-ভাগ করা হবে সে, দু-জন বেশ শক্তিশালী মানুষ৷ জাদুকর নিজেও প্রস্তুত৷ খেলা শুরু হওয়ার আগেই দর্শকদের উত্তেজনার পারদ সাঁইসাঁই করে ওঠা-নামা করছে...

ঘৃণায় মুখ কুঁচকে উঠল কোণায় বসে থাকা তার৷

এটাও আবার ম্যাজিক?

টেবিলের মধ্যে যে আগের থেকেই একটা মেয়েকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে—এটা কে না-জানে! এরপর মঞ্চের মেয়েটাকে যখন শোয়ানো হবে, তখন তার পা-দুটো ঢুকে যাবে টেবিলের মধ্যে; আর টেবিলের ভিতরে থাকা মেয়েটার পা-দুটো বেরিয়ে আসবে বাইরে৷ কোমরটা ঢেকে দেওয়া হবে কিছু একটা দিয়ে, যাতে মনে হয় গোটাটাই আসলে একজনেরই শরীরের অংশ৷ এরপর কাটা, জোড়া— এসব পুরোটাই নাটক৷ যত্তসব সস্তার ভাঁড়ামো...

সে যত আশপাশের মানুষগুলোকে দেখছে, ততই অবাক হয়ে যাচ্ছে৷ এই দেখেই এদের এত আনন্দ? তাহলে আসল ম্যাজিক দেখলে এরা কী করবে? যতসব মাথামোটা, গর্দভের দল! এর থেকে পয়সা খরচ করে নাটক দেখতে গেলেই তো পারে৷

‘জাদু’... প্রকৃতির সবচেয়ে সূক্ষ্ম, সবচেয়ে উৎকৃষ্ট আর সবচেয়ে গোপন একটা দর্শন৷ হ্যাঁ, জাদু তো শুধু লোক-দেখানো ক্রিয়াকৌশল নয়; জাদু হল দর্শন৷ অভ্যাস করার আগে উপলব্ধি করতে হয়, বোঝার আগে জানতে হয়, আয়ত্ত করার আগে ভালবাসতে হয়৷ এতই সহজ তাকে পাওয়া?

প্রকৃতি কখনোই চায় না যে তার এই মহান শক্তিকে কেউ অধিগ্রহণ করুক৷ তাই সে তাকে যতটা যত্নে নিজের মধ্যে লুকিয়ে রেখে দেয়, একজন জাদুকরকে ঠিক ততটাই যত্নে আর সাবধানে তাকে খুঁজে বের করে নিয়ে আসতে হয়৷ এটাই তো একজন প্রকৃত জাদুকরের কাজ৷

সেখানে জাদুর নামে এই তামাশা?

সে দাঁতে দাঁত ঘষে মনে-মনে বলল, ‘তোমরা কী ভাবো নিজেদের? সর্বজ্ঞানী? আসলে তোমরা কেউ জাদুকর-ই নও৷ তোমরা সব একেকটা রঙচঙ মাখা ভাঁড়৷ ক্ষমতা থাকলে খোলাখুলি কাটো ওকে, তারপর জুড়ে দাও৷ তবে বুঝব... পৃথিবীর একমাত্র খাঁটি জাদুকর ছিলেন মহান অ্যাপোলোনিয়াস টায়ান্ন্যাউস৷ আর তোমরা হচ্ছ জাদুকর কূলের কলঙ্ক৷ শুধু আলোর মায়া, যন্ত্রের কারসাজি আর সস্তা হাতসাফাই... মন্ত্র নেই, কিচ্ছু নেই...’

তার মাথাটা আপনা-আপনিই গরম হয়ে উঠল৷

ওদিকে মঞ্চের উপর সম্মোহন-টম্মোহনের মতো প্রাথমিক ক্রিয়াকলাপের পর্ব শেষ৷ সেই মেয়েটি এখন হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে পড়েছে টেবিলের ওপর৷ আবার অডিটোরিয়ামের সব আলো নিভে গেছে৷ আর সেই স্পটলাইটটা আগের বারের মতোই উজ্জ্বল করে রেখেছে শুধু জাদুকর আর তাঁর সহকারী-সহকারিণীদের৷ দুটো খেলার মাঝখানে যেটুকু গুঞ্জন উঠেছিল, সেসব একদম থেমে গেছে৷ গোটা অডিটোরিয়াম জুড়ে এক হিরন্ময় নিস্তব্ধতা৷

জাদুকর দু-হাতে ধরে খুব সাবধানে করাতটা নামিয়ে আনছেন মেয়েটার পেটের কাছে৷ করাত চলার মৃদু শোঁ-শোঁ আওয়াজ শোনা যাচ্ছে৷ সবাই জানে এই জাদুর ফলাফল৷ দু-ভাগ করে কাটাও হবে, আবার আগের মতো জুড়েও দেওয়া হবে৷ কিন্তু তবু সবার বুকের মধ্যে যেন একটা অদৃশ্য কাঠঠোকরা ঠুকরেই যাচ্ছে৷ কী হবে... কী হবে...

বাচ্চারা হাঁ করে ফ্যালফেলিয়ে তাকিয়ে থাকল; প্রেমিকারা প্রেমিকের কাঁধে মুখ গুঁজে দিল; স্ত্রীরা, স্বামীদের হাত আঁকড়ে ধরল; অত্যধিক চিন্তাশীলরা নিজেদের হাতের আঙুল কামড়ে ধরল৷ হঠাৎ সব হিসাব ওলট-পালট...

করাত নির্দিষ্ট জায়গায় লাগতেই ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসল, আর কাটা ছাগলের মতো ছটফট করে উঠল মেয়েটা৷ তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসল কানের পর্দা চিরে দিয়ে যাওয়ার মতো একটা তীক্ষ্ণ আর্তচিৎকার৷

কিন্তু ততক্ষণে করাত আরও খানিকটা নেমে গেছে৷

ক্রিয়াকৌশল নকল হলেও করাতটা তো আসল৷ এরই মধ্যে তার চামড়া আর মাংসের স্তর ফালাফালা করে দেওয়া শেষ৷ এবার তবে কী? যকৃত? প্লীহা? অন্ত্র...?

জাদুকর কোনওমতে করাতটা সরিয়ে ফেললেন৷ বিপদ বুঝে, মঞ্চের পিছন থেকে কেউ একজন করাতের বিদ্যুত-সংযোগটা বন্ধ করে দিল৷ ঘুরতে থাকা খাঁজ-কাটা চাকাটা আস্তে-আস্তে থেমে গেল৷

এদিকে মেয়েটার হাতের আঙুলগুলো এখনও তিরতির করে কাঁপছে৷ তবে ছটফটিয়ে ওঠা পা-দুটোর সঙ্গে-সঙ্গে গলার আওয়াজও স্থির হয়ে গেছে৷ মঞ্চের ওপরের আলোগুলো সব একসঙ্গে জ্বলে উঠল৷ এদিক-সেদিক থেকে অনেক লোকজন উঠে পড়ল ডায়াসের উপর৷ ঝটপট টেবিল সরিয়ে ফেলল জাদুকরের সেই শক্তিশালী দু-জন সহকারী৷

তড়িঘড়ি পর্দা নেমে গেল৷

অডিটোরিয়াম জুড়ে গোলমাল শুরু হয়ে গেছে৷ অনেকেই চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে পড়েছে৷ সবাই উত্তেজিত হয়ে পড়েছে; সেইসঙ্গে যোগ হয়েছে আতঙ্ক আর কৌতূহল৷

কী হল ব্যাপারটা? রক্ত, চিৎকার, ছটফটানি— সব তো আসল বলেই মনে হল...

মাইকে কেউ একজন অ্যানাউন্স করছে— ‘দ্য শো হ্যাজ বিন পোস্টপন্ড ফর অ্যান এমার্জেন্সী পারপাস৷ দ্য অডিয়েন্স আর বিয়িং রিকোয়েস্টেড টু...’

গুঞ্জন এখন কোলাহল৷

শো আর হবে না? তবে কি মেয়েটা সত্যিই... আর টিকিটের টাকাগুলো? এখনও তো অন্তত ঘন্টাখানেক খেলা দেখানো বাকি৷

সে নিজের জায়গায় বসেই ছিল শান্ত হয়ে৷ তার মনের মধ্যে ম্যাজিক দেখতে না-পাওয়ার জন্য কোনও আক্ষেপ নেই৷ বরং একটা সত্যিকারের ম্যাজিক দেখাতে পেরে সে মনে-মনে খুব খুশি৷

সে মনে-মনেই বলল, ‘দেখলে তো আসল ম্যাজিক কাকে বলে? আমাকে আমার জায়গা থেকে তো নড়তে হলই না, হাত-পা নাড়াতে হল না পর্যন্ত৷ তবু আমার ম্যাজিক সাকসেসফুল৷ জীবনে আর কোনওদিন পারবে এই খেলা দেখাতে? সেই সাহস হবে তোমার? আমি জানি, হবে না৷ পারবে না তুমি৷ কারণ তুমি একটা ভাঁড়... তুমি একটা সং... তুমি মোটেই জাদুকর নও৷ তুমি জাদুর এ-বি-সি-ডি পর্যন্ত জানো না৷’

তার মুখে আবার একটা হাসি ফুটে উঠল— তবে সেটা ব্যঙ্গের হাসি নয়; পরিতৃপ্তির হাসি৷

সে সিট ছেড়ে উঠে দাঁড়াল৷ এবার বেরিয়ে যাওয়ার দরকার৷

ওদিকে উত্তেজনা আর গোলমাল ক্রমশ বাড়ছে৷ একদল এরমধ্যেই অডিটোরিয়াম ভাঙাও শুরু করে দিয়েছে৷ চেয়ার, পর্দা, এমার্জেন্সি এক্সিটের পাল্লা— হাতের কাছে যেটা পাচ্ছে, সেটাতেই নিজেদের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে৷

আসলে কি শো পোস্টপন্ড হয়? হয় না৷ এই তো, একটা শো থামতে না-থামতেই কেমন আরেকটা শো শুরু হয়ে গেল৷ এটাও কি কম রোমাঞ্চকর?

সে হাসতে-হাসতে অডিটোরিয়াম ছাড়ল, ‘হ্যাভ আ গুড এক্সপিরিয়েন্স মাই ডিয়ার ম্যাজিশিয়ান৷’

অধ্যায় ১ / ৪৩
সকল অধ্যায়
১.
ম্যাজিক শো থেকে শুরু...
২.
সকালের হেডলাইন
৩.
দুর্ঘটনার পরে
৪.
‘সে’ আছে আড়ালে
৫.
রাত এবং উপহার
৬.
আবার রহস্যময় অঘটন
৭.
নিঝুম দুপুরের আগন্তুক
৮.
একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব
৯.
শান্তির স্নান
১০.
কেমন আছে অনুরাধা?
১১.
নতুন দিনের প্রস্তুতি
১২.
স্বাগত আমার ঘরে
১৩.
আবার ম্যাজিক-শো
১৪.
বুবাই কোথায়
১৫.
আবার বাড়িতে ফেরা
১৬.
আয়না, ওয়াইন, পুতুল এবং...
১৭.
বিভীষিকাময় রাত
১৮.
কোকিল মানে বসন্ত; কোকিল মানে...
১৯.
আরেকটি ‘কেন’
২০.
সাফারি টাইম
২১.
ক্রিস্টাল-ক্লিয়ার ক্রিস্টাল বল শপ
২২.
ত্রুটি সংশোধন
২৩.
নখ কেন কালো
২৪.
স্বচ্ছ স্ফটিক; ঘোলা স্ফটিক
২৫.
ঢাকা থাক, থাক ঢাকা...
২৬.
বেড়ানোর ছবি
২৭.
বহুদিন পর; আবার!
২৮.
নিষ্ফলতার আক্রোশ
২৯.
একটুর জন্য...!
৩০.
অ-সাক্ষাৎ এবং সাক্ষাৎ
৩১.
‘সে’ ছিল, ‘সে’ আছে...
৩২.
একটা অন্যরকম রবিবার
৩৩.
প্রচেষ্টা এবং অভিজ্ঞতা
৩৪.
অন্তিম প্রস্তুতি
৩৫.
দৃশ্য এবং অদৃশ্য
৩৬.
কোন সে সুদূর অতীত হতে...
৩৭.
রইল বাকি এক
৩৮.
জানা এবং অজানা
৩৯.
সময় এসেছে কাছে
৪০.
ইট’স ফাইন
৪১.
ঘন হয়ে উঠেছে অন্ধকার
৪২.
শব্দটীকা
৪৩.
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জী

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%