চঞ্চলকুমার ঘোষ
কয়েক দিন পার হয়ে যায় হামির বৌদ্ধবিহারে।
ধর্মালোচনা শেষ করে নিজের কক্ষে বিশ্রাম করছিলেন হিউ-এন-সাঙ। কক্ষে প্রবেশ করেন এক তরুণ শ্রমণ।
‘প্রণাম আচার্য। তুরফান থেকে রাজপ্রতিনিধি এসেছেন। আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান।’
তুরফানের নামটুকু শোনা ছাড়া আর কিছুই জানেন না হিউ-এন-সাঙ। বললেন, কোথায় তুরফান ?
‘এখান থেকে পশ্চিমে। মরুভূমির একেবারে প্রান্তে। দুই দিকে পাহাড়।’
‘আমি এই বিহারে রয়েছি সেই সংবাদ তুরফানে কেমন করে পৌঁছলো।’
‘কয়েক দিন আগে তুরফানের এক বণিক এখানে এসেছিল। সম্ভবত সে আপনার উপস্থিতির সংবাদ দিয়েছে।’
কিছু ভাবলেন হিউ-এন-সাঙ। রাজপ্রতিনিধি কী উদ্দেশ্যে তঁার কাছে এসেছেন কিছুই জানেন না। তবে কী চিন সম্রাট কোনো সংবাদ পাঠিয়েছেন তাকে বন্দি করে নিয়ে যাবার জন্যে। একটা ভয় তঁাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। সে অল্পক্ষণের জন্য। নিজের মনকে শক্ত করলেন। তোমার ইচ্ছাই পূর্ণ হোক প্রভু। মুখ ফেরালেন শ্রমণের দিকে। বললেন, চলুন আমি তুরফানের রাজপ্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎ করব।
বিহারের অতিথিকক্ষে বসেছিলেন রাজপ্রতিনিধি। তরুণ বয়েস। হিউ-এন-সাঙকে দেখামাত্রই উঠে দাঁড়ালেন, প্রণাম ধর্মগুরু। তুরাফানের মহামান্য রাজা কু-এন-তাই আপনার দর্শনের জন্য ব্যাকুল হয়ে আছেন। তিনি আমাকে পাঠিয়েছেন আপনাকে যথাযোগ্য মর্যাদায় তুরফানে নিয়ে যাবার জন্য।
রাজপ্রতিনিধির কথায় দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়লেন হিউ-এন-সাঙ। তিনি মনস্থির করেছিলেন, পশ্চিমে যে পাহাড়ি উপত্যকা রয়েছে, সেই উপত্যকার পথ ধরে এগিয়ে যাবেন। কোনো রাজা-মহারাজার কাছে যাবার সামান্যতম ইচ্ছা ছিল না তঁার। বললেন, মহারাজকে আমার শ্রদ্ধা জানাবেন, আমি ভারতবর্ষের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছি। দীর্ঘ পথ। কোথাও অকারণে বিলম্ব করতে চাই না।
রাজপ্রতিনিধি বললেন, মহারাজ আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আপনার সাক্ষাৎ না পেলে তিনি আমার ওপর ভয়ংকর ক্রুদ্ধ হবেন। মহারাজ আমাকে বলেছেন আপনার মতো মহাজ্ঞানী ধর্মগুরুকে রাজ্যে এনে সম্মান না জানালে নিজের মর্যাদা রক্ষা হয় না।
হিউ-এন-সাঙ বুঝতে পারছিলেন মহারাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করে তঁার পক্ষে ভারতবর্ষে যাওয়া সম্ভব হবে না। অনিচ্ছাসত্ত্বেও বললেন, মহারাজের যখন একান্ত ইচ্ছা আমি তঁার কাছে যাব, কিন্তু আমার পক্ষে দুই-একদিনের বেশি থাকা সম্ভব হবে না।
রাজপ্রতিনিধি বললেন, মহারাজ আপনার যাত্রার সব ব্যবস্থা করবেন।
‘তাহলে আর বিলম্ব করতে চাই না। আপনি যাত্রার আয়োজন করুন।’
এবার আর পায়ে হেঁটে চলা নয়, রাজঅতিথি হিসেবে সুসজ্জিত ঘোড়ায় চড়ে যাত্রা শুরু হল।
হামি বৌদ্ধবিহারের সকলের চোখ অশ্রুসজল। হিউ-এন-সাঙ হামির মরুপ্রান্তরে এসে নতুন এক প্রাণের স্পর্শ দিয়ে গেলেন।
আবার সেই মরুভূমির পথ। তবে আগের মতো রুক্ষ নয়। মাঝে মাঝেই েছাটো েছাটো মরুদ্যান, অল্প মানুষের বসতি। বেশিরভাগ সময়েই মরুদ্যানে সকলে বিশ্রাম নেয়, সমস্ত রাত ধরে সকলে এগিয়ে চলে। জল, খাবারের কোনো অভাব হয় না। তবুও ক্লান্তি লাগে। মাঝে মাঝেই হিউ-এন-সাঙ জিজ্ঞাসা করেন, আর কত দূর রাজপ্রতিনিধি ?
‘আমরা অর্ধেক পথ পার হয়ে এসেছি মহামান্য ধর্মগুরু। আর একদিনের মধ্যেই আমরা তুরফান পৌঁছে যাব, সকলেই সেখানে আপনাকে দর্শন করবার জন্যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।’
সমস্ত দিন সকলে এগিয়ে চলে। প্রখর রোদের তাপ। হিউ-এন-সাঙ ভাবছিলেন ভারতবর্ষের কথা। সেখানকার প্রকৃতি পরিবেশ কেমন কিছুই জানা নেই তঁার। জানা নেই সেখানকার মানুষের ভাষাও। সকলের আগে সেই ভাষা শিক্ষা করতে হবে।
দিন ফুরিয়ে আসে। সন্ধের সামান্য আগে প্রথম চোখে পড়ে তুরফানের সীমা, আবছা সীমা রেখার।
রাজপ্রতিনিধি বললেন, আমরা এসে গিয়েছি ধর্মগুরু। আর এক প্রহরের মধ্যেই নগরের সীমানায় পৌছে যাব।
অল্পক্ষণ পরেই রাত্রি নামে। আকাশে দু-একটি করে তারা ফোটে। কেমন আত্মমগ্ন হয়ে যান হিউ-এন-সাঙ। বার বার মনে হচ্ছিল তিনি চলেছেন তঁার অাকাঙ্খিত তীর্থ দর্শনে। কতদিন আগে ভগবান বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সময়ের নদী পেরিয়ে আজও কি সেখানকার মানুষ ভগবান তথাগতকে পুজো করে, তঁার শাস্ত্র চর্চা করে, না সবকিছুই অতীত ! মহাত্মা ফা-হিয়েনের পর এমন একজনকেও পাননি যাঁর লেখা থেকে বর্তমান ভারতবর্ষের কথা জানতে পারেন।
ভাবনার গভীরে ডুবে গিয়েছিলেন হিউ-এন-সাঙ। হঠাৎ বিচিত্র শব্দে বাস্তবে ফিরে এলেন। হিউ-এন-সাঙ-এর পাশেই ঘোড়ায় চড়ে চলেছেন রাজপ্রতিনিধি। হিউ-এন-সাঙ বললেন, ও কীসের শব্দ ?
‘আমরা নগরের প্রান্তে এসে পড়েছি, আপনাকে স্বাগত জানাবার জন্যে নগরবাসী প্রতীক্ষা করছে।’
অন্ধকারের মধ্যে আলোর বিন্দু চোখে পড়ছিল। যতই এগিয়ে চলেছিলেন ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছিল আলো। বাজনার শব্দ বাড়ছিল। হিউ-এন-সাঙ জিজ্ঞাসা করলেন, আমাদের আসার সংবাদ নগরবাসী কেমন করে জানলেন ?
রাজপ্রতিনিধি বললেন, আমাদের দু-জন রক্ষী দ্রুতগামী ঘোড়ায় চড়ে আগেই নগরে পৌঁছে গিয়েছে।
আর কোনো কথা বললেন না হিউ-এন-সাঙ। অল্পক্ষণেই তঁারা নগরে প্রবেশ করলেন। হিউ-এন-সাঙ বিস্ময়ভরা চোখে চেয়েছিলেন। বেশ কয়েক-শো মানুষ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। সকলে সমবেতভাবে জয়ধ্বনি করতে থাকে। রাজকীয় পোশাক পরা একজন মানুষ সামনে এগিয়ে এলেন, প্রণাম ধর্মগুরু। আমি মহামান্য মহারাজ কু-এন-তাই-এর প্রধানমন্ত্রী। মহারাজ ও রাজপরিবারের সকলে আপনাকে দর্শন করবার জন্যে প্রার্থনাকক্ষে রয়েছেন। বহুদূর পথ ঘোড়ায় এসে ভীষণ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন হিউ-এন-সাঙ। আকাশের দিকে তাকিয়ে অনুভব করলেন, এখন মধ্যরাত্রি। এই সময়ে রাজপ্রাসাদে মহারাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবার সামান্যতম ইচ্ছাও ছিল না। বুঝতে পারছিলেন এখানে তঁার অভিমত মূল্যহীন। বললেন, চলুন।
প্রাসাদের সামনে এসে পৌঁছতেই চতুর্দিক থেকে বাজনার শব্দ শুরু হয়ে গেল। মহারাজ কু-এন-তাই জমকালো পোশাক পরে প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে এলেন।
হিউ-এন-সাঙ ঘোড়া থেকে নামতেই মহারাজ তঁার সামনে নতজানু হলেন। প্রণাম ধর্মগুরু, আমি বহু আগেই চিন থেকে যে সমস্ত বণিকরা এখানে আসে তাদের কাছে আপনার কথা শুনেছি। আপনার মতো মহাজ্ঞানী এই পৃথিবীতে আর কোথাও নেই। এ আমার মহা সৌভাগ্য আপনার দর্শন পেলাম। আজ থেকে আপনিই আমার গুরু। আসুন গুরুদেব সকলে আপনার জন্যে প্রতীক্ষা করছে।
বিশাল এক কক্ষে সুসজ্জিত আসনে গিয়ে বসলেন হিউ-এন-সাঙ। কয়েক জন শ্রমণ বৌদ্ধ সন্ন্যাসী এসে মন্ত্রপাঠ করতে থাকে। রাজসভার সকলে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে। মহারাজ সকলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন।
মহারািন তঁার সখীদের নিয়ে এসে হিউ-এন-সাঙ-এর বন্দনা শুরু করলেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলতে থাকে স্তব বন্দনা। রাত শেষ হয়ে এসেছিল। ক্লান্তিতে ভেঙে পড়ছিল শরীর। আর সহ্য করতে পারলেন না হিউ-এন-সাঙ। আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। মহারাজ দীর্ঘ পথশ্রমের পর এখন আমার বিশ্রামের বড়ো প্রয়োজন।
মহারাজ লজ্জিত কণ্ঠস্বরে বললেন, চলুন গুরুদেব, আমি নিজে আপনার বিশ্রামের আয়োজন করছি।
কয়েক দিন তুরফানে কেটে গেল। আতিথেয়তার কোনো ত্রুটি রাখেননি মহারাজ কু-এন-তাই।
এ ধরনের রাজকীয় ব্যবস্থার সঙ্গে কোনোদিনই পরিচিত নন হিউ-এন-সাঙ। কয়েক বারই মহারাজকে বলেছেন, আমি সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী। আপনি আমার সেবার জন্য যে আয়োজন করছেন তা সন্ন্যাসীর পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়।
মহারাজ করজোড়ে বলেন, এ আমার গুরুসেবা, আপনি এর থেকে আমাকে বঞ্চিত করবেন না আমার ইচ্ছা। আপনি তুরফানের সমস্ত বৌদ্ধ মঠ ও সন্ন্যাসীদের অধ্যক্ষের আসন গ্রহণ করুন। আমি চাই আপনার পরামর্শে বৌদ্ধধর্মের মহান আদর্শকে চারিদিকে ছড়িয়ে দিতে। দিকে দিকে তুরফানের জয় গৌরব ঘোষিত হবে।
হিউ-এন-সাঙ বললেন, রাজন, আমি কোনো সন্মান লাভ করবার জন্যে এই পথে যাত্রা শুরু করিনি। আমাদের দেশের ধর্মশাস্ত্র বেশিরভাগই অসম্পূর্ণ। আমি সেইসব শাস্ত্র উদ্ধার করবার জন্যে, ভগবান বুদ্ধের ধর্মমতকে অারও ভালোভাবে জানবার জন্যে মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে ভারতবর্ষে চলেছি। আমার মনের ইচ্ছা তথাগতের মহান শিক্ষায় শুধু ভারতবর্ষ নয়, চিন দেশও সমৃদ্ধ হোক। সেই কারণে আমি আর এখানে দেরি করতে চাই না। আপনি আমার যাত্রার ব্যবস্থা করুন।
গম্ভীর মুখে রাজা বললেন, আপনাকে গুরুর আসনে বসিয়েছি, আমি চাই সমস্ত জীবন আপনার সেবা করব। এ শুধু ইচ্ছা নয় আমার সংকল্প।
মুহূর্তের জন্য বিচলিত পড়লেন হিউ-এন-সাঙ, তারপরই মনকে শক্ত করে বললেন, আমাকে ভারতবর্ষে যেতেই হবে। বাধা দিয়ে কোনো লাভ নেই মহারাজ।
ভয়ংকর রাগে ফেটে পড়লেন মহারাজ কু-এন-তাই। আমি যা ইচ্ছা করি তাই পূরণ করি ধর্মগুরু। আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে গেলে অন্যরকম ব্যবহার করতে বাধ্য হব। দেখব তখন আপনি কেমন করে এখান থেকে যান। আমি জোর করে আপনাকে এখানে রেখে দেব আর না হলে চিনে ফেরত পাঠাব। ভালো করে ভেবে দেখুন আমার কথা শোনাই ভালো।
হিউ-এন-সাঙ শান্তভাবে বললেন, আমি ধর্মের জন্যে চলেছি। মহারাজ আমার হাড় ক-খানা রেখে দিতে পারেন, আমার অন্তর ইচ্ছার উপর আপনার কোনো ক্ষমতা নেই।
হিউ-এন-সাঙ-এর কথায় কান দিলেন না রাজা। আরও সম্মান যত্নের ব্যবস্থা করলেন।
এবার আর কোনো কিছুই গ্রহণ করলেন না হিউ-এন-সাঙ। শুধু খাবার নয়, জলও ত্যাগ করলেন। এক আসনে বসে শুধু বুদ্ধের নাম জপ করতে আরম্ভ করলেন।
একদিন, দু-দিন, তিনদিন কেটে গেল, চারদিনের দিন রাজা দেখলেন হিউ-এন-সাঙ-এর দেহ স্থির হয়ে গিয়েছে। ক্ষীণভাবে নিঃশ্বাস পড়ছে।
নিজের হঠকারিতায় এবার বিচলিত হয়ে পড়লেন রাজা। অনুভব করলেন ধর্মগুরুর প্রতি তিনি যে আচরণ করেছেন, তা মহা অধর্মের কাজ। নতজানু হয়ে বললেন, আমাকে মার্জনা করুন ধর্মগুরু। আমি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছি। আপনার ভারতবর্ষে যাবার সব ব্যবস্থা করছি। শুধু একটি অনুরোধ, যখন ভারতবর্ষ থেকে ফিরবেন আমার এই রাজ্যে কিছুদিন থাকবেন আর ভবিষ্যতে কোনো কল্পে যদি আপনি বুদ্ধত্ব প্রাপ্ত হন, তাহলে প্রসেনজিৎ, বিম্বিসারের মতো আমিও যেন আপনার সেবা করতে পাই।

হিউ-এন-সাঙ বললেন, ভগবান বুদ্ধের আশীর্বাদ হলে নিশ্চয়ই আপনার ইচ্ছা পূর্ণ হবে।
তুরফানে আরও কিছুদিন রয়ে গেলেন হিউ-এন-সাঙ। প্রতিদিন রাজপ্রাসাদের সামনে বসে ধর্ম উপদেশ দিতেন। রাজা, মহারানি, তুরফানের সব মঠের প্রধানরা, রাজকর্মচারীরা ছাড়াও সাধারণ মানুষরা হিউ-এন-সাঙ-এর উপদেশ শুনতেন। দেখতে দেখতে একমাস কেটে গেল। এবার তুরস্কের পথে যাত্রা।
মহারাজ কু-এন-তাই ধর্মগুরুর জন্যে রাজকীয় আয়োজন করলেন। তিরিশটা ঘোড়া আর চব্বিশ জন চাকর নিযুক্ত হল। আর পশ্চিম তুরস্কের সম্রাটের সভায় হিউ-এন-সাঙ-কে নিয়ে যাবার জন্যে একজন বিশেষ রাজকর্মচারী নিযুক্ত করা হল। সম্রাটের জন্যে নানান উপঢৌকন ছাড়াও চিঠি লিখলেন, ‘ধর্মগুরু বৌদ্ধধর্মের মূল গ্রন্থগুলির খোঁজে ব্রাহ্মণদের দেশে যাচ্ছেন। এই পত্রলেখককে সম্রাট যে দয়ার চোখে দেখেন, আশাকরি ধর্মগুরুকেও সেই দৃষ্টিতে দেখবেন।’

তুরফান-রাজ অশ্রুসজল চোখে ধর্মগুরুকে বিদায় দিলেন। ধর্মগুরুও ফেরবার সময় মহারাজ কু-এন-তাই-এর রাজ্যে তিন বছর থাকবার প্রতিশ্রুতি দিলেন। হিউ-এন-সাঙ যখন চোদ্দো বছর পর ভারতবর্ষ থেকে ফেরেন একথা তঁার স্মরণে ছিল কিন্তু ইতিমধ্যে তুরফান রাজার মৃত্যু হওয়ায় আর সেখানে যাননি।
হিউ-এন-সাঙ তুরফান থেকে যাত্রা করে প্রথম এসে পৌঁছোলেন কারাশার (অ-কি-নি) নগরে। সেখান থেকে কুচা শহরে।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন