জলন্ধর থেকে কুলু

চঞ্চলকুমার ঘোষ

িচনাভুক্তি থেকে কয়েক-শো কিলোমিটার পথ পেরিয়ে হিউ-এন-সাঙ এসে পৌঁছোলেন জলন্ধর। (বর্তমান পাঞ্জাবের জলন্ধর শহর)। সময়টা ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দ। তখন বর্ষা নেমেছে। বৌদ্ধ ভিক্ষুদের নিয়ম ছিল বর্ষাকালে কোনো সংঘারামে অবস্থান করতে হয়। এই সময় মূলত শাস্ত্রচর্চা ধ্যান জপ করা হত। ভগবান বুদ্ধ বহুবার বৈশালী, রাজগৃহে বর্ষাবাস করেছেন। এক ভিক্ষুর কুঠিতে রয়ে গেলেন হিউ-এন-সাঙ। দু-জনে শাস্ত্রচর্চা করতেন। অন্য সময় ধ্যান করতেন।

এই পর্যন্ত এসে বইটা বন্ধ করল অমিতাভ। আসলে হিউ-এন-সাঙ-এর কথা পড়তে পড়তে তার মনও ভেসে গিয়েছিল সেই দূর অতীতে। এমন একজন মানুষ কি আজকের পৃথিবীতে পাওয়া যাবে ? এমন অধ্যবসায়, নিষ্ঠা, গভীর বিশ্বাস। কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকে। একসময় টেবিলের ওপর রাখা আরেকটা বই তুলে নেয়। একালের এক তরুণী যিনি হিউ-এন-সাঙ যে পথ ধরে ঘুরেছেন সেই পথ পরিভ্রমণ করেছেন। তিনি লিখেছেন হিউ-এন-সাঙ যে পথ ধরে ঘুরেছেন সেই পথ আমাকে চিনিয়েছিলেন আলেকজান্ডার কানিংহাম। তিনি সেকাল আর একালের মধ্যে সেতুবন্ধন করেছেন। ইতিহাসের এক-একটা অজানা পৃষ্ঠা শুধু মানুষের সামনে তুলে এনেছেন তাই নয়, প্রতি পদক্ষেপে তার সত্যতা যাচাই করেছেন।

আসলে এদেশের মানুষ যতখানি আবেগ আর জনশ্রুতিকে ইতিহাসের আধার হিসেবে দেখেছে  ; যুক্তি, অনুসন্ধান, বাস্তবতাকে, কোনোদিনই ততখানি গুরুত্ব দেয়নি। কানিংহাম প্রথম হিউ-এন-সাঙ-এর যাত্রাপথ অনুসন্ধানের কাজ শুরু করেন। কেমন আশ্চর্য লাগে অমিতাভের। এমন একজন মানুষ, অথচ তঁার সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানে না। কম্পিউটার খোলে। কত তথ্য রয়েছে কানিংহাম সম্পর্কে। কানিংহামের বাবা ছিলেন স্কটল্যান্ডের কবি, পণ্ডিত মানুষ। কানিংহাম (১৮১৪–১৮৯৩)-এর জন্ম ইংল্যান্ডে। সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে অল্প বয়সে ভারতে আসেন। এখানেই পুরাতাত্ত্বিক জেমস প্রিন্সেপ-এর সঙ্গে পরিচয় হয়। ক্রমশই ভারতের পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তঁার উপর দায়িত্ব পড়ে ভারতের কোথায় কোন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন আছে তা খুঁজে বার করবার। প্রধানত তঁারই চেষ্টায় সারনাথের ধ্বংসস্তূপ খুঁড়ে আবিষ্কার হয় সম্রাট অশোকের সময়ের নানান নিদর্শন। খুঁজে পাওয়া যায় অশোকস্তম্ভ, অশোকের নানান শিলালিপি। হিন্দুমন্দির, যেগুলি ভেঙে বা তার উপরেই মুসলমানরা মসজিদ বা দরগা তৈরি করেছিল। তঁার নিরন্তর প্রচেষ্টায় ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সূচনা হল। তিনিই হন প্রথম ডিরেক্টর জেনারেল (১৮৭০-৮৫)। তিনি হিউ-এন-সাঙ-এর যাত্রাপথের সঠিক অবস্থান নির্ণয় করেন। শুধু তাই নয়, হিউ-এন-সাঙ ভারতে কোথায় কতদিন ছিলেন তারও মাস বছরের একটা তালিকা তৈরি করেন। তঁার লেখা বুদ্ধিস্ট মনুমেন্টস অব সেন্ট্রাল ইন্ডিয়া, এনসেন্ট জিওগ্রাফি অব ইন্ডিয়া। এ ছাড়াও তঁার বহু রচনা ভারত ইতিহাসের বহু অজানা অধ্যায়কে তুলে ধরেছে।

ভারতের ইতিহাস অথচ সেই ইতিহাসের সন্ধান করতে ভারতীয়দের চেয়ে বিদেশিদের উপরেই বেশি নির্ভর করতে হয়েছে। হিউ-এন-সাঙ, ফা-হিয়েন, ইৎ সিং, শুধু ভারত পরিক্রমা করেননি, লিখেছেন সে-যুগের কত কথা। হারিয়ে যাওয়া এক যুগের ছবি।

আবার বই খোলে অমিতাভ।

জলন্ধরে বর্ষাকাল কাটিয়ে আবার চলেছেন হিউ-এন-সাঙ। এবার হিমালয়ের পার্বত্য পথ ধরে এসে পৌঁছোলেন কুলুতা রাজ্যে। কোথায় এই কুলুতা রাজ্য ? কানিংহামের মতে প্রাচীন কুলুতা আজকের কুলু (হিমাচল প্রদেশ)।

হিউ-এন-সাঙ লিখেছেন কুলুতার আয়তন চোদ্দো-পনেরো লি। চারদিকে পাহাড়। পাহাড়ের গায়ে সবুজ বন। মাঝে মাঝেই ফলের খেত। রং-বেরঙের ফুলে চারদিক ভরে আছে। প্রচুর ওষধি গাছ। প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকতে হয় বলে মানুষজনের আচরণ একটু উগ্র। তবে তারা সৎ, ধার্মিক। এখানে বহু বৌদ্ধবিহার ছাড়াও রয়েছে হিন্দুমন্দিরও।

একটি বৌদ্ধ বিহারে রয়ে গেলেন হিউ-এন-সাঙ।

হাতের বইটা আবার বন্ধ করে অমিতাভ। খোলা জানলা দিয়ে আকাশের দিকে তাকায়। টুকরো টুকরো সাদা মেঘ ভেসে চলেছে। ঠিক যেন হিমালয়ের ওপর জমে থাকা বরফের স্তূপ। কয়েক বছর আগে সে গিয়েছিল কুলু। দু-চোখ ভরে দেখেছিল প্রকৃতির কী অপার সৌন্দর্য। মন ভেসে চলে দূর অতীত থেকে বর্তমানে। মেলাতে চেষ্টা করে হিউ-এন-সাঙ-এর দেখা কুলুতা আর আজকের কুলু। সিমলা থেকে গিয়েছিল কুলু। সিমলার সেই সমৃদ্ধি নেই কুলুর। এ যেন রাজরানির পাশে গ্রাম্যবধূ। বলা হয় ‘ভ্যালি অব গডস’_ঈশ্বরের ভূমি। আজকের নয় এ কুলু। মহাভারতে আছে এর কথা। পুরাণে বলা হয় দেবতারা নিত্য বিরাজ করেন। পঞ্চপাণ্ডব এখানে তিন বার এসেছিল। প্রথম এসেছিল জতুগৃহের পর। হীনবুদ্ধি দুর্যোধন চেয়েছিল জতুগৃহের আগুনে পঞ্চপাণ্ডবকে পুড়িয়ে মারতে। ভাগ্য সুপ্রসন্ন বলে আগেই সব জানতে পারে পাণ্ডবরা। জতুগৃহে আগুন লাগিয়ে গোপনে পালিয়ে যায়। মারা পড়ে অন্যজন। নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে ঘুরতে থাকেন পাণ্ডবরা। একদিন এখানেই ভীমের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় হিড়িম্বার। রাক্ষসকন্যা হিড়িম্বাকে বিয়ে করেন ভীম। তঁাদের পুত্র জন্মায় ঘটোৎকচ।

দশেরার দিন কুলুতে গিয়েছিল অমিতাভ। সেদিন নববধূর মতোই সেজে উঠেছিল কুলু। চারদিকে কত রঙের পতাকা। আকাশে নীল আলোর খেলা। এত নীল, মনে হয় কেউ যেন দোয়াতের কালি ছিটিয়ে দিয়েছে আকাশময়। একটু বেলা হতেই শুরু হল উৎসব। দূর দূর গ্রাম থেকে মানুষরা আসেন। সঙ্গে ঢুলিতে থাকে গ্রামের দেবতা। নানান সাজে সকলে সেজে আছে। দেবতারাও সেজেছেন, মানুষও সেজেছে। নগরের প্রান্তে জড়ো হয়েছে সকলে। কত মানুষের ভিড় চারদিকে। বেলা হতেই শুরু হয় শোভাযাত্রা। সকলের আগে থাকেন ভীমপত্নী হিড়িম্বা। তঁার পেছনে অন্য দেব দেবী। মজার ব্যাপার হল হিড়িম্বা দেবী হলেও উপেক্ষিত থেকে যান পাণ্ডবরা। হয়তো এখানকার মানুষের যুগ-যুগান্তরের ক্ষোভ তাদের কন্যা হিড়িম্বা বিবাহিত স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও পাণ্ডবরা কখনোই তাকে রানির মর্যাদা দেননি। আর হিড়িম্বাপুত্র ঘটোৎকচ, তাকে তো মৃত্যুযজ্ঞে আহুতি দেবার জন্যেই অর্জুন আর কৃষ্ণ ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন কুরুক্ষেত্রে। কর্ণের হাতে মৃত্যু হল ঘটোৎকচের। আর আনন্দ উল্লাসে ফেটে পড়লেন কৃষ্ণ। কারণ যে অমোঘ অস্ত্রে কর্ণ ঘটোৎকচকে হত্যা করেন, তা তিনি রেখেছিলেন অর্জুন বধের জন্যে। ঘটোৎকচের জীবনের বিনিময়ে রক্ষা পেলেন অর্জুন।

পার্বত্য জাতির এক বীরের প্রতি এই অবিচারটুকু মেনে নিতে পারেননি সেখানকার মানুষরা। তাই তঁাদের দেবতা ভীম-অর্জুন কৃষ্ণ নয়, তিনি রাম।

দিনের আলো ফুরিয়ে এলে শুরু হয় রামের বিজয়-উৎসব। রাবণের প্রতীকরূপী ঘাসে আগুন লাগানো হয়। এ অশুভ শক্তির বিনাশ, শুভ শক্তির জয়। হিউ-এন-সাঙ-এর সময়ে হয়তো এই উৎসবের প্রচলন হয়নি সেখানে। তাই তার লেখায় এর কোনো উল্লেখ নেই।

কানিংহাম লিখেছেন হিউ-এন-সাঙ কুলুতে এসেছিলেন ১ আগস্ট ৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে। ছিলেন এক মাস। তঁার ইচ্ছা ছিল উত্তরে লাহুল রাজ্যে যাবেন। তিব্বতের সীমান্তে লাহুল বৌদ্ধ ধর্মের পীঠস্থান। রয়েছে অসংখ্য গুম্ফা। দিবারাত্র সেখানে উচ্চারিত হচ্ছে ভগবান বুদ্ধের স্তব বন্দনা। মনের প্রবল ইচ্ছা। সকলের মুখে শুনেছেন ভীষণ দুর্গম সেই প্রান্তর। বহু জায়গায় পথ বলে কিছু নেই। বছরের বেশিরভাগ সময়েই বরফে ঢাকা পড়ে থাকে চারদিক। স্থানীয় মানুষরা সকলে নিষেধ করে। তবু যাত্রা করেন হিউ-এন-সাঙ।

দুর্গম পাহাড়ের চড়াই ভেঙে এগিয়ে চলা। সরু পায়ে চলা পথ। একদিকে গভীর খাদ। মনে হয় সেখানে মৃত্যু ওত পেতে রয়েছে। মুহূর্তের জন্যেও বিচলিত হন না হিউ-এন-সাঙ। জানেন মৃত্যু জীবনের অনিবার্য পরিণতি। আর যা অনিবার্য তাকে কীসের ভয়। তা ছাড়া মৃত্যু তো দেহের ক্ষয় নয়, সে এক পরিণতি। যখন শ্রীনগরে ছিলেন একদিন আচার্য ধর্মকীর্তিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, মৃত্যু কী ?

আচার্য বলেছিলেন মৃত্যু নয়, বলো জীবন কী ? মৃত্যু জীবনের অনেক রূপের এক রূপ। এক মানসিক প্রক্রিয়ার প্রবাহ। এই প্রক্রিয়াই এক জন্ম থেকে আরেক জন্মে প্রবাহিত হয়। দুটো আলাদা প্রদীপ। সম্পূর্ণ ভিন্ন তার সত্তা। তবু এক প্রদীপের শিখা থেকে আরেক প্রদীপ জ্বালানো যায়। ঠিক তেমনি এক জীবন থেকে আরেক জীবন সৃষ্টি হয়। যেমন দুই নারী-পুরুষের মিলনে সন্তান জন্ম নেয়। যদিও সকলেই স্বতন্ত্র, ভিন্ন। এইভাবে জন্ম থেকে জন্মান্তরে এক ধারাবাহিকতার স্রোত বয়ে চলেছে। সেখানে মৃত্যু বলে কিছু নেই। আছে অনন্ত জীবনের প্রবাহ।

চলতে চলতে থমকে গিয়েছিলেন হিউ-এন-সাঙ। সামনে সবুজ উপত্যকা। গালিচার মতন সবুজ ঘাসে ভরে রয়েছে চারিদিক। সমস্ত প্রান্তর ঘিরে মালার মতো পাহাড়ের সার। সঙ্গী পথপ্রদর্শক বলল, এখানে বহু প্রাচীন এক গুম্ফা আছে। আমি বহুদিন আগে দেখেছিলাম।

হিউ-এন-সাঙ জিজ্ঞাসা করলেন, কত দূর ?

‘এই উপত্যকা পার হলেই। খুব বেশি দূর নয়।’

কৌতূহল অনুভব করলেন হিউ-এন-সাঙ। বললেন, চলো সেখানে যাব।

উপত্যকা পার হয়ে আবার চড়াই শুরু হয়েছে। পথ বলে কিছু নেই। এক পাথর থেকে আরেক পাথরে পা ফেলে এগিয়ে যেতে হচ্ছে। পাহাড়ের গায়ে বড়ো বড়ো গাছ। মাঝে মাঝে ঝরনা। কিছু দূর গিয়ে গভীর খাদ। তার পাশে খানিকটা সমতলভূমি। সেখানে অনেকখানি জায়গা জুড়ে রয়েছে গুম্ফা। বিরাট তার আয়তন। দূর অতীতে কেউ এই গুম্ফা নির্মাণ করেছিলেন। এখন সর্বত্রই ধ্বংসের চিহ্ন। এখানে-ওখানে আগাছা। সামনে চওড়া চাতাল। তার মাঝে বড়ো বেদি। কাঠের দরজা ভেঙে কাত হয়ে রয়েছে। সার সার ঘর। উঠান পেরিয়ে দরজার সামনে এসে দাঁড়ালেন হিউ-এন-সাঙ।

কক্ষের ভেতর আবছা আলো-অন্ধকারের খেলা। তার মধ্যে চোখে পড়ছে বিচিত্র এক মূর্তি বেদির উপর বসানো। সন্তর্পণে কক্ষের মধ্যে ঢুকলেন হিউ-এন-সাঙ। ভেতরে ভ্যাপসা গন্ধ। আগাগোড়া জীর্ণ। এক কোণে পাথরের বেদির উপর ভয়ংকর চেহারার একটা মূর্তি। মূর্তির চোখে এক জাস্তব হিংস্রতা। মুখ ফিরিয়ে নিলেন হিউ-এন-সাঙ। এমন হিংস্র পিশাচিমূর্তি আগে কখনো দেখেননি। সঙ্গী মানুষটি পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। তার চোখে-মুখেও ভয়ের ছায়া। চাপা গলায় বলল, শুনেছি এই গুম্ফায় যে-লামা থাকতেন তিনি পশুবলি দিতেন। তাদের রক্তে বাইরের চাতাল লাল হয়ে উঠত।

কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন হিউ-এন-সাঙ। এ তঁার বিশ্বাসের অগম্য। যিনি ভগবান বুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী তিনি কী করে জীব হত্যা করেন ? ধীর পায়ে পাশের কক্ষে ঢুকলেন। খাঁ খাঁ করছে চারদিক। তার পাশের কক্ষেও এক দানবমূর্তি।

নিজের মধ্যে কষ্ট অনুভব করছিলেন হিউ-এন-সাঙ ! বেরিয়ে এলেন উন্মুক্ত প্রান্তরে। মাথার উপর নীল অনন্ত আকাশ। চারদিকে সবুজ বন। বুক ভরে নিশ্বাস নিলেন। আস্তে আস্তে ভূমির ওপরেই নতজানু হলেন। তারপর ধীর কণ্ঠে বললেন, আমি অন্ধকার চাই না, আমাকে আলোর পথে নিয়ে চলো প্রভু।

সকল অধ্যায়
১.
গভীর গহন এক রাত
২.
আলোর পথে
৩.
প্রথম সকাল
৪.
রাত্রি শেষ
৫.
যাত্রা হল শুরু
৬.
সীমান্ত পথ
৭.
মৃত্যু উপত্যকা
৮.
মরুদ্যান
৯.
হামি
১০.
তুরফান
১১.
কুচা
১২.
বরফের দেশে
১৩.
ইশিক কুল
১৪.
সমরখন্দ
১৫.
লৌহকপাট
১৬.
বামিয়ান
১৭.
গান্ধার
১৮.
ছায়াগুহা
১৯.
পুরুষপুর
২০.
তক্ষশীলা
২১.
কাশ্মীর
২২.
শাকল
২৩.
জলন্ধর থেকে কুলু
২৪.
মথুরা
২৫.
কান্যকুব্জ
২৬.
অযোধ্যা থেকে কৌশাম্বী
২৭.
প্রয়াগ
২৮.
শ্রাবস্তী
২৯.
কপিলাবস্তু
৩০.
লুম্বিনী
৩১.
কুশীনগর
৩২.
বারাণসী
৩৩.
সারনাথ
৩৪.
বৈশালী
৩৫.
মগধ
৩৬.
শীলভদ্র বিহার
৩৭.
গয়া
৩৮.
বুদ্ধগয়া
৩৯.
বোধিবৃক্ষ
৪০.
মহাভিক্ষুণী
৪১.
রাজগৃহ
৪২.
মানসলোক
৪৩.
নালন্দা
৪৪.
ভারত পরিক্রমা
৪৫.
আবার নালন্দা
৪৬.
শরণাগত

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%