বরফের দেশে

চঞ্চলকুমার ঘোষ

চলছেন হিউ-এন-সাঙ। যেদিন চিন থেকে বার হয়েছিলেন, সেদিন ছিলেন একা, সহায় সম্বল বলে কিছু ছিল না। এখন তিনি চলেছেন রাজার মতো। সঙ্গে উট, ঘোড়া, বিশ জন চাকর।

স্বয়ং রাজা, মন্ত্রী, বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর দল নগরের সীমান্ত পর্যন্ত তঁাকে অনুগমন করেন।

প্রসন্ন মনেই এগিয়ে চলেছেন হিউ-এন-সাঙ। এর পরের শহর পোহলুকা প্রায় তিনশো কিলোমিটার পথ।

মাঝে মাঝে মরুদ্যান, েছাটো েছাটো গ্রাম। যদিও পথের প্রয়োজনীয় সবকিছুই দিয়ে দিয়েছেন রাজা তুখারীয়। তবুও প্রয়োজনীয় জলটুকু মরুদ্যান থেকে সংগ্রহ করে নিচ্ছিলেন হিউ-এন-সাঙ। নিজের জন্যে ভাবেন না তিনি। এতগুলো মানুষ তঁার সঙ্গী। তাদের জন্যেই ভাবনা।

অনেকখানি পথ পার হয়ে এসেছিলেন। একজন পথপ্রদর্শক বলল, ধর্মগুরু সামনে একটা েছাটো মরুভূমি পার হয়েই তিয়ানশান পর্বতমালার কাছে পো-লো-কি নগরে পৌঁছে যাব।

শেষ রাত থেকে সকলে একটানা পথ চলেছে। সূর্য এখন পশ্চিম দিকে। পথশ্রমে ক্লান্তির ছায়া তাদের চোখে-মুখে। সামনে একটি েছাটো গ্রাম। লোকজন নেই, পরিত্যক্ত বাড়িঘর, অল্প গাছপালা, েছাটো েছাটো টিলা।

হিউ-এন-সাঙ বললেন, এখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম করে তারপর আবার যাত্রা করব।

প্রত্যেকেই হিউ-এন-সাঙ-এর কথায় সম্মত হয়। একে একে ঘোড়া থেকে নেমে আসে সকলে। ভাঙা ঘরের ছায়ায় গিয়ে বসে। আচমকা কানে আসে ঘোড়ার খুরের শব্দ। গাছপালার ফাঁকে চোখে পড়ে ঠিক যেন ধুলোর ঝড় উঠেছে। মুহূর্তে ভয়ের ছায়া ফুটে ওঠে সকলের চোখে-মুখে। কারও বুঝে উঠতে অসুবিধে হয় না এরা তাতার দস্যুর দল। সকলে প্রচণ্ড ভয়ে বলে ওঠে, এখন কী হবে ধর্মগুরু ?

হিউ-এন-সাঙ বললেন, ভগবান তথাগতর নাম করো। তিনিই আমাদের রক্ষা করবেন।

গাছের ফাঁক দিয়ে এবার স্পষ্ট চোখে পড়ে ঘোড়ায় চড়ে এগিয়ে আসছে তাতার দস্যুরা। প্রত্যেকেরই হাতে বর্শা আর কোমরে তলোয়ার।

মরুভূমির কয়েক-শো হাত আগে এসেই বিরাট চেহারার একজন চিৎকার করে কিছু বলে। সম্ভবত দলের সর্দার। সকলে ঘোড়া থামায়। বেশ কিছু ঘোড়ার পিঠে কাপড়ের পোঁটলা। সর্দার বলে ওঠে, মাল নামিয়ে সকলে ভাগ করে নাও।

সঙ্গে সঙ্গে দস্যুদের মধ্যে হইচই শুরু হয়ে গেল। একটা পোঁটলা খুলতেই কয়েক জন দস্যু একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সবাই লুটের মাল কেড়ে নিতে চায়। অল্পক্ষণেই নিজেদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়ে গেল। দু-চারজন ছিটকে আসে। মরুদ্যানের দিকে। দেখতে পায় হিউ-এন-সাঙ-এর সঙ্গীদের। সেদিকে কারও ভ্রূক্ষেপ থাকে না। সকলেই তখন লুটপাট করতে ব্যস্ত। সর্দার চেঁচিয়ে ওঠে। থমকে যায় সকলে। মারামারি থামাও, ডেরায় গিয়ে মাল ভাগ হবে।

সকলেরই যেন আশাভঙ্গ হয়। সর্দারের হুকুম কেউ আর কিছু বলে না। আবার ঘোড়া ছোটায়। মরুদ্যানের সীমানা পার হয়ে অল্পক্ষণেই দূরে মিলিয়ে যায়।

একজন চিৎকার করে ওঠে, দস্যুরা চলে গিয়েছে। আর ভয় নেই। কোনো কথা বলেন না হিউ-এন-সাঙ। শুধু আকাশের দিকে মুখ তুলে অস্ফুটে বলেন, সবই তোমার ইচ্ছা তথাগত।

আবার শুরু হল পথ চলা। তিনদিন চলার পর এসে পৌঁছলেন তিয়ানশান পর্বতমালার প্রান্তে। আর মরুভূমির উত্তাপ নেই। বাতাসে কনকনে হিমেল স্পর্শ। সামনে বিশাল বিশাল পর্বতের সারি। অধিকাংশই বরফে সাদা হয়ে আছে।

পথপ্রদর্শক এগিয়ে আসে। ধর্মগুরু, এই পর্বতমালার মধ্যে দিয়ে বোদাল গিরিপথ গিয়েছে। আমাদের সেই পথ ধরে যেতে হবে। শুনেছি ভয়ংকর দুর্গম সেই গিরিপথ। খুব কম মানুষই এই গিরিপথ পার হয়ে অন্য প্রান্তে ঈশিক কূলে পৌঁছতে পারে।

হিউ-এন-সাঙ একপলক উপস্থিত সকলের দিকে তাকালেন। সকলেরই চোখে-মুখে ভয়ের ছায়া। এই দুর্গম পথ পেরিয়ে তারা কেমন করে এগিয়ে যাবে।

হিউ-এন-সাঙ বললেন, তোমরা দীর্ঘ পথ আমার সঙ্গে এসেছ। এবার তোমরা নিজের রাজ্যে ফিরে যাও। আমি একাই এগিয়ে যাব।

মুহূর্তে স্তব্ধতা নেমে আসে হিউ-এন-সাঙ-এর সঙ্গীদের মধ্যে। সকলে এ-ওর দিকে তাকায়। স্পষ্ট দ্বিধা। যে মানুষটিকে তারা পরম শ্রদ্ধায় ধর্মগুরুর আসনে বসিয়েছে, তঁাকে ছেড়ে যেতে হবে।

বেশ কিছুক্ষণ কেটে যায়। হিউ-এন-সাঙ অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। সমবেত সকলের মধ্যে থেকে একজন এগিয়ে আসে।

‘ধর্মগুরু, পথ যতই ভয়ংকর হোক আমি আপনাকে ত্যাগ করব না।’

হিউ-এন-সাঙ বললেন, মৃত্যু হতে পারে।

‘আপনার সঙ্গী হয়ে যদি মৃত্যুও হয় তবুও আমি ফিরে যাব না।’

মুহূর্তে যেন এক উদ্দীপনার স্রোত বয়ে যায়। সকলে সমস্বরে বলে ওঠে, আমরা আপনাকে ত্যাগ করে কোথাও যাব না।

হিউ-এন-সাঙ বললেন, ভগবান বুদ্ধ নিশ্চয়ই আমাদের রক্ষা করবেন। আর এখানে অপেক্ষা করতে চাই না। দিনের আলো ফুরিয়ে আসার আগেই আমাদের যতদূর সম্ভব এগিয়ে যেতে হবে।

এতদিন ছিল মরুভূমির সমতল প্রান্তর। এইবার শুরু হল বন্ধুর পাহাড়ি পথ। চড়াই-উতরাই। যতই তারা পাহাড়ি পথের মধ্যে দিয়ে চলেছে, বরফের মতো কনকনে হাওয়া এসে চোখে-মুখে ঝাপটা মারছে। ক্রমশই পথ বলে আর কিছু নেই। পাথরের খাঁজে খাঁজে পা ফেলে এগিয়ে চলেছে সকলে। কোথাও কোথাও কয়েক হাত দূরেই গভীর খাদ। মুহূর্তের অসতর্কতায় হারিয়ে যেতে হবে। হিউ-এন-সাঙ সঙ্গীদের দিকে তাকালেন। প্রায় সকলেই ক্লান্ত বিধ্বস্ত। প্রবল ঠাণ্ডায় কুঁকড়ে গিয়েছে। দিনও ফুরিয়ে এসেছে। বললেন, আজ এখানেই সকলে বিশ্রাম করো।

পরদিন ভোর হতেই আবার যাত্রা শুরু হল। অল্প কিছুদূর যেতেই থমকে গেল সকলে। সামনে যত দূর চোখ যায় শুধু বরফ আর বরফ। কেউ যেন চারপাশের পাহাড়, মাটি, খাদ, গিরিখাদ সব জুড়ে সাদা রঙের প্রলেপ বুলিয়ে দিয়েছে।

পদপ্রদর্শক চিৎকার করে ওঠে, ওই বরফের ওপর দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সকলে সাবধান, সামান্য অসতর্ক হলেই মৃত্যু।

অজানা ভয়ে বুকের মধ্যে যেন কাঁপন ওঠে। তবু আর পিছিয়ে যাবার উপায় নেই। সামনে এগিয়ে চলেছেন হিউ-এন-সাঙ। প্রতিটি পদক্ষেপে বলছেন, ওম মণিপদ্মে হুম, ওম মণিপদ্মে হুম।

ক্রমশই বরফ বাড়তে থাকে। সকলেই গরম পোশাকে সারা শরীর ঢেকে নিয়েছে। তবুও ঠাণ্ডায় জড়িয়ে আসছে শরীর। ঘোড়াগুলো আর চলতে পারছে না। নরম বরফের স্তূপ। কখনো হাঁটু পর্যন্ত ডুবে যায়, তখন টেনে তুলতে হয় শরীর। ভারী বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

অনেকে থমকে যায়, আর্তনাদ করে ওঠে, আর চলতে পারছি না। পথপ্রদর্শক চিৎকার করে ওঠে, এখানে থামার অর্থই মৃত্যু। সকলকে এগিয়ে যেতে হবে।

ঘোড়ার দলও যেন আর চলতে চায় না। মাথা নাড়ায়, ক্ষীণ কণ্ঠে ডেকে ওঠে। তাদের টেনে নিয়ে চলে সকলে।

একদিন-দু-দিন-তিনদিন কেটে যায়। একজন বরফের ওপরেই লুটিয়ে পড়ে। হিউ-এন-সাঙ ছুটে আসেন, তার কপালে হাত রাখেন। তার আগেই হিমশীতল বরফের দেশে চিরদিনের জন্যে ঘুমিয়ে পড়েছে মানুষটা।

বেশ কয়েকটা ঘোড়াও বরফের খাদে তলিয়ে যায়। কয়েক জন আকুল কণ্ঠে বলে ওঠে, কবে এই মৃত্যুপুরী পার হব ? কেউ কোনো উত্তর দেয় না। এর উত্তর তো কারোরই জানা নেই। মৃত্যুর আতঙ্কে সকলে বিহ্বল।

কোনোদিকে প্রাণের কোনো চিহ্ন নেই। চারদিকে শুধু বিপদসঙ্কুল আকাশম্পর্শী পবর্তমালা। সৃষ্টির প্রথম থেকে এখানে বরফ জমেছে আর বরফের নদী হয়েছে। কোনোদিনই এ গলে না। শক্ত ঝকঝকে সাদা বরফের স্তূপ-বেশিক্ষণ চেয়ে থাকলে চোখ ঝলসে যায়। পথের ওপর বরফের পাহাড় ভেঙে ভেঙে পড়ে। কোনো কোনোটা একশো ফুট উঁচু, তো কোনোটা ত্রিশ-চল্লিশ ফুট চওড়া। এই পাহাড়ের স্তুপ পেরিয়ে যাওয়া যেন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়া। তার সঙ্গে বয়ে চলেছে অবিরাম তুষার ঝড়।

মোটা চামড়ার পোশাক টুপি-জুতো সব ভেদ করে শরীরের মধ্যে ঠাণ্ডার স্রোত বইছে। কোথাও একটুকরো শুকনো জায়গা নেই। পাথরের আড়ালে আগুন জ্বালিয়ে কড়াই উঁচু করে রান্না করতে হয়। তুষারের ওপরেই চামড়ার কম্বল বিছিয়ে রাতে ঘুমোতে হয়। সকলে যখন ঘুমিয়ে পড়ে, উঠে বসেন হিউ-এন-সাঙ। গাঢ় অন্ধকারের মধ্যে তারা ভরা আকাশের দিকে চেয়ে প্রার্থনা করেন, আমাদের তোমার চরণে সমর্পণ করেছি, সকলকে রক্ষা করো তথাগত।

বরফের বুকের ওপর দিয়ে হাঁটছিলেন হিউ-এন-সাঙ। তঁাকে ঘিরে সঙ্গীরা। কোথাও কোনো প্রাণের চিহ্ন নেই। শুধু হিমশীতল বাতাসের প্রবাহ। তারই মধ্যে ঘণ্টার ঢং ঢং আওয়াজ তুলে সারিবদ্ধভাবে এগিয়ে চলেছিল ঘোড়ার পাল। তার পাশে পাশে নিঃশব্দে হেঁটে চলেছে মানুষগুলো। অধিকাংশেরই চলার ক্ষমতা নেই। কোনোরকমে দেহটাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। সামনে পথপ্রদর্শক। উৎকণ্ঠায় সকলেই মাঝে মাঝেই প্রশ্ন করে আর কত দূর।

নিজেও কেমন বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল পথপ্রদর্শক। এই সীমাহীন বরফের দেশে কতদূর এসেছে তার কোনো হিসাব নেই। যেসব পথচিহ্ন তার জানা ছিল, তারও কোনো হদিস নেই। সম্পূর্ণ অনুমানের ওপর নির্ভর করে পথ চলছিল।

হিউ-এন-সাঙও অনুমান করতে পারছিলেন পথপ্রদর্শকের অসহায়তা। ধীরকণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন, আমরা পাঁচ দিন ধরে এই বরফের দেশে রয়েছি। তোমার কি মনে হয় আর দু-একদিনের মধ্যে এই প্রান্তর পার হয়ে যেতে পারব ?

‘হ্যাঁ ধর্মগুরু, আগে তিনবার আমি এই পথ অতিক্রম করেছি। কোনোবারই ছয় দিনের বেশি লাগেনি।

‘তার অর্থ আরও একদিন আমাদের এই পথে যেতে হবে।’

পথপ্রদর্শক মাথা নত করে জবাব দেয়, ধর্মগুরু আমি আপনার কষ্ট অনুভব করতে পারছি।

তাড়াতাড়ি হিউ-এন-সাঙ বললেন, আমার কষ্টের কথা ভাবছি না, সঙ্গীদের এই কষ্ট আমি সহ্য করতে পারছি না। আমার জন্যে তারা একে একে মারা পড়ছে। মূক পশুরা চলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে।

কিছুক্ষণ নীরব হয়ে থাকে পথপ্রদর্শক। এই ভয়ংকর প্রকৃতির সীমানা কখন পার হবে সঠিক হিসাব তারও তো জানা নেই। তবু বলল, আশা করি আমরা দু-একদিনের মধ্যেই এই বরফের প্রান্তর পার হয়ে যাব।

একটা গভীর খাদের প্রান্ত দিয়ে সকলে চলছিল। আচমকা একটা আর্তনাদ। সামান্য অসতর্কতায় একজন খাদের প্রান্তে এসে পড়েছিল। নরম বরফ পায়ের চাপে আলগা হয়ে যেতেই গড়িয়ে পড়ল মানুষটা। কেউ ধরবার আগেই তার দেহটা হারিয়ে গেল গভীর খাদের মধ্যে।

হায় হায় করে উঠলেন হিউ-এন-সাঙ। বুকের মধ্যে গভীর বেদনা, আর কত প্রাণ যাবে কে জানে!

বেলা গড়িয়ে আসে। মেঘলা আকাশ। এ মেঘে বৃষ্টি হয় না। তবু পথপ্রদর্শকের চোখে মুখে চিন্তার ছায়া ফুটে ওঠে। রাতের অন্ধকার নামার আগে যতদূর সম্ভব এগিয়ে যেতে হবে। মেঘলা আকাশে দিনেরবেলাতেই চারিদিকে অন্ধকার নেমে এসেছে। একবার যদি দিক ভুল হয় সমস্ত জীবন ঘুরেও পথের সন্ধান পাওয়া যাবে না। মুখ ফেরালো হিউএন-সাঙ-এর দিকে। একমনে তিনি প্রজ্ঞাপারমিতার মন্ত্র পাঠ করে চলেছেন। আশ্চর্য লাগছিল মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও মানুষটার মধ্যে মৃত্যু ভয় নেই।

কিছুদূর যেতেই অন্ধকার মেঘ কেটে গেল। কিছু একটা দেখেই চিৎকার করে ওঠে পথপ্রদর্শক। আমরা এসে গিয়েছি। সকলেই উত্তেজিত, আর কত দূর ? হাতের ইশারা করে পথপ্রদর্শক। সকলের চোখে পড়ে একটা পাহাড়। মাথার ওপরের দিকটা অনেকটা পিরামিডের মতো।

‘ওই পাহাড়টা পার হলেই আমরা পৌঁছে যাব ইশিক কুল।’

‘কী আছে সেখানে ?’ প্রশ্ন করে একজন।

‘ইশিক কুল বিরাট এক হ্রদ। েসখানে বরফ জমে না। শীতের সময়েও জলে ঢেউ ওঠে। লোকে বলে গরম হ্রদ।’

নতুন উদ্যমে এগিয়ে চলে সকলে। কিছুদূর যেতেই রাত নামে। পথপ্রদর্শক ডাক দেয়। ‘আজ রাতের মতো সকলে এখানে বিশ্রাম নাও। কাল সূর্যের আলো ফুটলেই আমরা রওনা হব। আশাকরি দুপুরের আগেই ইশিক কুল পৌঁছতে পারব।’

সকল অধ্যায়
১.
গভীর গহন এক রাত
২.
আলোর পথে
৩.
প্রথম সকাল
৪.
রাত্রি শেষ
৫.
যাত্রা হল শুরু
৬.
সীমান্ত পথ
৭.
মৃত্যু উপত্যকা
৮.
মরুদ্যান
৯.
হামি
১০.
তুরফান
১১.
কুচা
১২.
বরফের দেশে
১৩.
ইশিক কুল
১৪.
সমরখন্দ
১৫.
লৌহকপাট
১৬.
বামিয়ান
১৭.
গান্ধার
১৮.
ছায়াগুহা
১৯.
পুরুষপুর
২০.
তক্ষশীলা
২১.
কাশ্মীর
২২.
শাকল
২৩.
জলন্ধর থেকে কুলু
২৪.
মথুরা
২৫.
কান্যকুব্জ
২৬.
অযোধ্যা থেকে কৌশাম্বী
২৭.
প্রয়াগ
২৮.
শ্রাবস্তী
২৯.
কপিলাবস্তু
৩০.
লুম্বিনী
৩১.
কুশীনগর
৩২.
বারাণসী
৩৩.
সারনাথ
৩৪.
বৈশালী
৩৫.
মগধ
৩৬.
শীলভদ্র বিহার
৩৭.
গয়া
৩৮.
বুদ্ধগয়া
৩৯.
বোধিবৃক্ষ
৪০.
মহাভিক্ষুণী
৪১.
রাজগৃহ
৪২.
মানসলোক
৪৩.
নালন্দা
৪৪.
ভারত পরিক্রমা
৪৫.
আবার নালন্দা
৪৬.
শরণাগত

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%