বোধিবৃক্ষ

চঞ্চলকুমার ঘোষ

হিউ-এন-সাঙ এসেছেন বুদ্ধগয়ায়। আট বছর আগে চিনদেশ থেকে যখন ভারতবর্ষের দিকে যাত্রা করেছিলেন, তখন থেকেই সমস্ত অন্তর জুড়ে কত তীব্র আকাঙ্ক্ষা কবে দর্শন করবেন সেই পবিত্র বোধিবৃক্ষ, যার নীচে বসে বোধিলাভ করেছিলেন ভগবান বুদ্ধ। অবশেষে তঁার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হল। ধীর পায়ে এসে দাঁড়ালেন বোধিবৃক্ষের নীচে। তীব্র আবেগে আর আনন্দে দু-চোখ বেয়ে জলের ধারা গড়িয়ে পড়ল। ভূমিতে শরীর মেলে দিলেন। পবিত্র স্পর্শে পবিত্র হোক দেহ-মন। বহুক্ষণ সেইভাবে রইলেন। হঠাৎ সমবেত মন্ত্রধ্বনিতে চেতনার জগতে ফিরে এলেন। ধীরে ধীরে মুখ তুলে তাকালেন।

তঁাকে ঘিরে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর দল। অপেক্ষাকৃত প্রবীণ এক সন্ন্যাসী করজোড়ে বললেন, আপনার আগমনে এই পবিত্র ভূমি আরও পবিত্র হল।

মৃদুস্বরে হিউ-এন-সাঙ বললেন, এই পবিত্র ভূমিতে এসে আমি ধন্য। সার্থক আমার জীবন।

এক তরুণ শ্রমণ হিউ-এন-সাঙ-এর সামনে নতজানু হলেন। আপনাকে দর্শন করে আমরাও ধন্য হলাম।

প্রবীণ সন্ন্যাসী বললেন, আমরা আপনারই জন্য প্রতীক্ষা করছিলাম।

হিউ-এন-সাঙ অনুভব করলেন তঁার আসবার আগেই তঁার কথা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ সমস্তই ভগবান বুদ্ধের করুণা। বললেন, এই বোধিবৃক্ষের কথা কিছু বলুন।

প্রবীণ সন্ন্যাসীর চোখে-মুখে দ্বিধা ফুটে উঠল। সামান্য ইতস্তত করে বললেন, আমরা বুদ্ধের ধ্যানজপ করি, শাস্ত্রচর্চা বিশেষ করি না। বোধিবৃক্ষের ইতিহাস সামান্যই জানি। শুনেছি এক বিধর্মী রাজা এই বৃক্ষ নষ্ট করতে চেয়েছিলেন। এর কাণ্ড-ডালপালা কেটে ফেলা হয়। এক ধার্মিক রাজা ভগবান বুদ্ধের নামে প্রার্থনা করতেই এক রাত্রির মধ্যে এই বৃক্ষ আগের রূপ ফিরে পায়।

‘কে সেই মহান ধার্মিক রাজা ?’ জিজ্ঞাসা করলেন হিউ-এন-সাঙ।

সকলেই নীরব। এর উত্তর কারোরই জানা নেই।

হিউ-এন-সাঙ আর কোনো প্রশ্ন করলেন না। নীরবে এগিয়ে গেলেন।

হিউ-এন-সাঙ-এর জীবনকথা পড়তে পড়তে এইখানে এসে থমকে গেল অমিতাভ। তঁার অন্তর জুড়েও তীব্র এক জিজ্ঞাসা_কে সেই মহান রাজা যাঁর স্পর্শে এক রাত্রে পুনর্জন্ম হল বোধিবৃক্ষের!

কম্পিউটার খোলে। গোটা বিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডার ছোট্ট এই বাক্সের মধ্যে এসে ধরা দিয়েছে। বোধিবৃক্ষ নিয়ে কত কথা লেখা।

যে-বৃক্ষের নীচে বসে ভগবান বুদ্ধ বোধিলাভ করেন সেটি ছিল অশ্বখ বা পিপুল গাছ। সেই সময় গাছটি ছিল কয়েক-শো ফুট উঁচু।

সম্রাট অশোকের সময় এই বোধিবৃক্ষ বন্দনা শুরু হয়। প্রবাদ আছে আগের জন্মে অশোক যখন শিশু ছিলেন একদিন পথের ধারে বসে খেলা করছিলেন। হঠাৎ দেখলেন, ভিক্ষাপাত্র নিয়ে চলেছেন ভগবান বুদ্ধ। অশোকের শিশু মনে এমন এক পবিত্রভাব জেগে উঠল, দান করবার জন্য কিছু না পেয়ে একমুঠো মাটি বুদ্ধকে ভিক্ষা দিলেন। মাটি-ভিক্ষা দিয়েছিলেন বলে পরের জন্মে অশোক বিরাট ভারতভূমির সম্রাট হলেন। প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন যেমন নিষ্ঠুর তেমনি অত্যাচারী। একসময় এই পাপ কাজের জন্য তঁার মনে অনুশোচনা জেগে উঠল। তখন এই বোধিবৃক্ষের নীচে বসে ভগবান বুদ্ধের উদ্দেশ্যে প্রার্থনা শুরু করলেন। সম্রাটের অদর্শনে ক্ষুব্ধ হয়ে এক রানি রাতের অন্ধকারে গাছটি কেটে ফেললেন। সম্রাট জানতে পেরে এই বোধিবৃক্ষের নীচে এসে অজ্ঞান হয়ে গেলেন। যখন জ্ঞান হল তিনি বললেন, যদি এই বোধিবৃক্ষে প্রাণ না আসে তিনি এখানেই প্রাণত্যাগ করবেন।

তখন এক হাজার কলসি দুধ এনে এখানে ঢালা হল। শ্রমণরা প্রার্থনা আরম্ভ করলেন। দেখা গেল মাটি ফুঁড়ে নতুন করে বোধিবৃক্ষ জেগে উঠছে। সম্রাট তখন এর চারিদিকে উঁচু প্রাচীর গেঁথে দিলেন যাতে কেউ এর কোনো ক্ষতি করতে না পারে।

শোনা যায় রাজা শশাঙ্ক এই বোধিবৃক্ষ সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেন। এমনকী এর শিকড়গুলি অবধি পুড়িয়ে দেন। এর কয়েক মাস পরে সিংহাসনে বসেন পূর্ণবর্মা। তিনি ছিলেন পরম ধার্মিক। তঁার চেষ্টায় আবার বেঁচে ওঠে বোধিবৃক্ষ।

এই বোধিবৃক্ষের কথা প্রথম জানা যায় ফা-হিয়েনের রচনায়। তিনি লিখেছেন_ ‘আমরা গয়া নগরে গেলাম। নগরটি জনশূন্য ও পরিত্যক্ত। দক্ষিণে কুড়ি লি গিয়ে যেখানে বোধিসত্ত্ব ছ-বছর তপস্যা করেছিলেন, সেখানে উপস্থিত হলাম। চারিদিকে গাছপালার জঙ্গল হয়ে আছে। এখান থেকে তিন লি পশ্চিমে গেলাম। সেখানে ভগবান বুদ্ধ স্নান করবার জন্যে নদীতে নামতেন। এর দুই লি উত্তরে সেই বৃক্ষ যেখানে বুদ্ধদেব পাথরের উপর বসে পূর্ব দিকে স্থির দৃষ্টিতে চেয়ে ছিলেন। সেখানে বসেই তিনি পরমান্ন খেয়েছিলেন। এখনও সেই বোধিবৃক্ষ আর পাথরটি রয়েছে। পাথরটি প্রায় ছ-ফুট চৌকো এবং দু-ফুট উঁচু। মধ্য ভারতের জলবায়ু এমনই, এখানে গাছ হাজার হাজার বছর বেঁচে থাকতে পারে।’

এর পর এসেছিলেন হিউ-এন-সাঙ। তিনি লিখেছেন, ‘দেওয়াল দিয়ে ঘেরা বোধিবৃক্ষের পরিসরের মাঝখানে বজ্রাসন। এই বজ্রাসনের উপর রয়েছে বোধিবৃক্ষ। এটি অশ্বখ গাছ। পুরাকালে বুদ্ধের সময়ে গাছটি কয়েক-শো ফুট উঁচু ছিল। তারপর গোটা গাছটাই প্রায় কেটে ফেলা হয়। আবার নতুন গাছ জন্মায়। তা সত্ত্বেও এখনও এটি চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ ফুট উঁচু। এই গাছের বাকল হলদেটে সাদা, পাতা গাঢ় সবুজ রঙের। কী শীত কী গ্রীষ্ম কোনো ঋতুতেই এর পাতা ঝরে না। সবসময় সেগুলি তেলতেলে চিকন। কখনো কোনো হেরফের নেই। প্রত্যেক বছর ভগবান বুদ্ধের নির্বাণের দিনটিতে পাতাগুলি হলদে হয়ে ঝরে পড়ে ও মুহূর্তের মধ্যে আবার নতুন পাতা গজিয়ে ওঠে এবং আগের চেহারায় ফিরে যায়। এই দিনটিতে নানান দেশের রাজা, প্রজা, ধর্মীয় অনুগামীরা দলে দলে সেখানে এসে জড়ো হন। বোধিবৃক্ষের গোড়ায় গন্ধ জল আর দুধ দিয়ে ধুয়ে দেওয়া হয়। সকলে স্তবগান করেন। ফুল ছড়িয়ে ধূপ-ধুনো জ্বালা হয়। রাতে মশালের আলোয় চারদিক আলোকময় হয়ে ওঠে।’

‘বুদ্ধত্ব লাভের পর ভগবান বুদ্ধ কৃতজ্ঞ ছিলেন বোধিবৃক্ষের কাছে। যার নির্মল ছায়ায় সাধনার ছ-টি বছর কেটে গিয়েছিল। বুদ্ধ যেখানে পায়চারি করতেন সেখান থেকে উত্তরে রাস্তার বাঁ-দিকে একটি বড়ো পাথর আছে। সেই পাথরের উপর একটি বুদ্ধমূর্তি রয়েছে। মূর্তির দৃষ্টি উপরের দিকে। বুদ্ধত্বলাভের পর তথাগত সাত দিন ধরে ওই বৃক্ষের দিকে চেয়ে ছিলেন, ওই সময় ক্ষণিকের জন্যেও তঁার দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নেননি।’

হিউ-এন-সাঙ যে-বোধিবৃক্ষ দেখেছিলেন তার একটি অংশ ছিল সিংহলের অনুরাধাপুরে। সম্রাট অশোকের কন্যা ভিক্ষুণী সংঘমিত্রা এটি ভারত থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে অনুরাধাপুরে এই চারা পোঁতা হয়। ধীরে ধীরে সেই চারাই বড়ো হয়ে উঠল। ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দে বৌদ্ধ ধর্ম প্রসারের জন্যে মহাবোধি সোসাইটি স্থাপন করলেন আচার্য অনাগারিক ধর্মপাল। তিনি অনুরাধাপুর থেকে বোধিবৃক্ষের একটি শাখা কেটে আনেন সারনাথে। এটি রোপণ করেন মূল গন্ধকুটি বিহারের পূর্বপ্রাঙ্গণে। এ ছাড়া সাঁচিতেও একটি চারা রোপণ করা হয়। আড়াই হাজার বছর ধরে রোদ, ঝড়, জল, মানুষের অত্যাচার সহ্য করেও বোধিবৃক্ষ এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে বেঁচে রয়েছে। থাকবে অনাগত কালেও, ভগবান বুদ্ধের প্রেম আর ত্যাগের কথা স্মরণ করে।

কম্পিউটার বন্ধ করে অমিতাভ। ভাবনার রেশটুকু ভেসে চলে। মন আবার ফিরে চলে।

হিউ-এন-সাঙ চলেছেন বোধিবৃক্ষের পূর্ব দিকে মহাবোধি বিহারে। একশো ষাট ফুট উঁচু এই বিহার। নীলচে রঙের ইটের উপর চুনের পলেস্তারা। দেওয়ালের গায়ে ছোটো ছোটো কুলুঙ্গি। প্রায় প্রতিটি কুলুঙ্গিতেই নানা রঙের মূর্তি বসানো। বিহারের দেওয়ালে খোদাই করা কারুকার্য।

প্রবেশদ্বার পেরিয়ে মূল বিহারে প্রবেশ করলেন হিউ-এন-সাঙ। প্রথমে বিরাট একটি কক্ষ। শান্ত নিস্তব্ধ। হিউ-এন-সাঙ-এর দুই দিকে বৌদ্ধ ভিক্ষু শ্রমণের দল। সেই কক্ষটি পেরিয়ে সামান্য উঁচুতে আরও একটি কক্ষ। সেই কক্ষ পেরিয়ে বিরাট একটি কক্ষ। একটিমাত্র জানলা দিয়ে যেটুকু আলো এসে কক্ষের মধ্যে পড়েছে তাতে গোটা কক্ষ জুড়েই আলো-আঁধারির খেলা। একজন শ্রমণ দীপ জ্বালাতেই গোটা কক্ষ আলোকময় হয়ে উঠল। হিউ-এন-সাঙ দেখলেন সামনে কাঠের বেদি, যেখানে সোনা-রুপার অলংকার ছাড়াও রয়েছে েছাটো-বড়ো বেশ কিছু মূর্তি। কক্ষের আরেকদিকে অবলোকিতেশ্বর, পুষা এবং মৈত্রেয়র দশ ফুট উঁচু রৌপ্যমূর্তি সাজানো। কিছুক্ষণ সেখানে বসে প্রার্থনা করলেন হিউ-এন-সাঙ। তঁার দু-চোখে জলের ধারা। একজন শ্রমণ বললেন, ‘আমি এই বিহারের কথা আমার গুরুর মুখে শুনেছি।’ হিউ-এন-সাঙ বললেন, আপনি বলুন কে সেই মহাত্মন, যিনি এই বিহার নির্মাণ করেছিলেন।

শ্রমণ বললেন, সম্রাট অশোক এখানে বিরাট এক চৈত্য নির্মাণ করেন। বর্তমান এই বিহারটি নির্মাণ করেন একজন ব্রাহ্মণ। শোনা যায় এই ব্রাহ্মণ হিমালয়ে গিয়েছিলেন তপস্যা করতে। সেখানে স্বপ্নাদেশ পেয়ে হিমালয় থেকে ফিরে এখানে এসে এই বিহার নির্মাণ করেন, এবং দৈব আদেশ অনুসারে ছ-মাসের জন্যে বিহারের দরজা বন্ধ করে বুদ্ধের মূর্তি গড়তে আরম্ভ করলেন। বলা হয়েছিল ছ-মাসের আগে কেউ দরজা খুলবে না। কয়েক জন সেই শর্ত ভেঙে দরজা খুলে কক্ষের ভিতর গিয়ে দেখলেন ব্রাহ্মণ শিল্পী অদৃশ্য হয়ে গিয়েছেন। বুদ্ধের অপূর্বসুন্দর এক মূর্তি তৈরি হয়েছে। শুধু বুকের উপর কিছুটা কাজ অসম্পূর্ণ। শর্তভঙ্গ হওয়ার জন্যে এই অসম্পূর্ণতা।

‘কে ছিলেন সেই শিল্পী?’ প্রশ্ন করলেন হিউ-এন-সাঙ।

‘তিনি স্বয়ং মৈত্রেয় বোধিসত্ত্ব। পরবর্তীকালে রাজা শশাঙ্ক এই বুদ্ধমূর্তি ভেঙে দিয়ে এখানে শিবের মূর্তি স্থাপন করবার আদেশ দেন। এই দায়িত্ব যে-রাজকর্মচারীর উপর দেওয়া হয়েছিল, তিনি এই মূর্তি নষ্ট না করে তার সামনে দেওয়াল গেঁথে দেন। সেই দেওয়ালে আঁকা হয় শিবের মূর্তি। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর আবার ভগবান বুদ্ধের মূর্তি বার করে আনা হল।

বিহারের সামান্য দূরে দুটি বুদ্ধের মূর্তি। দুটিই বোধিসত্ত্ব অবলোকিতেশ্বরের। তার একটি অর্ধেক মাটির মধ্যে বসে গিয়েছে।

হিউ-এন-সাঙ কিছু জিজ্ঞাসা করবার আগেই শ্রমণ বললেন, বলা হয় যেদিন এই দুটি মূর্তি মাটির মধ্যে সম্পূর্ণভাবে ডুবে যাবে, বুদ্ধের ধর্মও সেদিন ভারতবর্ষ থেকে লুপ্ত হবে।

হিউ-এন-সাঙ মূর্তির দিকে চেয়ে কেমন বিহ্বল হয়ে গেলেন। তারপর সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে আকুলভাবে কেঁদে উঠলেন। হায়! যেদিন ভগবান বুদ্ধ বোধিলাভ করলেন সেদিন সংসারচক্রে কীভাবে ঘুরছিলাম কে জানে। আজ মূর্তির শেষ অবস্থায় এখানে এসে পৌঁছোলাম। আমার কর্মফল কত খারাপ ছিল কে জানে! হিউ-এন-সাঙ-এর দু-চোখ বেয়ে চোখের জল গড়িয়ে পড়ছিল। তঁাকে ঘিরে থাকা বৌদ্ধ শ্রমণ ভিক্ষুর দল সকলেরই চোখ অশ্রুসজল।

প্রবীণ সন্ন্যাসী এগিয়ে এসে বললেন, হে ধর্মগুরু, আপনার ভক্তির কণামাত্রও যদি আমরা পেতাম, তবে ধন্য হয়ে যেতাম।

কোনো কথা বললেন না হিউ-এন-সাঙ। বেলা পড়ে আসছিল। গ্রীষ্মের প্রখর রোদে সকলেই ক্লান্তি অনুভব করছিলেন। প্রবীণ সন্ন্যাসী বললেন, চলুন ধর্মগুরু, আপনার সেবার ব্যবস্থা করেছি। সন্ধ্যায় প্রার্থনার পর আপনার ভ্রমণকথা শুনব।

সকল অধ্যায়
১.
গভীর গহন এক রাত
২.
আলোর পথে
৩.
প্রথম সকাল
৪.
রাত্রি শেষ
৫.
যাত্রা হল শুরু
৬.
সীমান্ত পথ
৭.
মৃত্যু উপত্যকা
৮.
মরুদ্যান
৯.
হামি
১০.
তুরফান
১১.
কুচা
১২.
বরফের দেশে
১৩.
ইশিক কুল
১৪.
সমরখন্দ
১৫.
লৌহকপাট
১৬.
বামিয়ান
১৭.
গান্ধার
১৮.
ছায়াগুহা
১৯.
পুরুষপুর
২০.
তক্ষশীলা
২১.
কাশ্মীর
২২.
শাকল
২৩.
জলন্ধর থেকে কুলু
২৪.
মথুরা
২৫.
কান্যকুব্জ
২৬.
অযোধ্যা থেকে কৌশাম্বী
২৭.
প্রয়াগ
২৮.
শ্রাবস্তী
২৯.
কপিলাবস্তু
৩০.
লুম্বিনী
৩১.
কুশীনগর
৩২.
বারাণসী
৩৩.
সারনাথ
৩৪.
বৈশালী
৩৫.
মগধ
৩৬.
শীলভদ্র বিহার
৩৭.
গয়া
৩৮.
বুদ্ধগয়া
৩৯.
বোধিবৃক্ষ
৪০.
মহাভিক্ষুণী
৪১.
রাজগৃহ
৪২.
মানসলোক
৪৩.
নালন্দা
৪৪.
ভারত পরিক্রমা
৪৫.
আবার নালন্দা
৪৬.
শরণাগত

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%