রতনতনু ঘাটী
তিনজন মামা, ইটাহারে ছিল বাড়ি
তার আগে বিনপুর
পূজাপার্বণে হত না বিশেষ যাওয়া
কলকাতা থেকে দূর।
পুজোর সময় চিঠি লিখতেন বাবা
মাও লিখতেন খামে,
‘‘এবার আসিস, ভাগ্নেও ডেকেছে রে!’’
তিন মামাদের নামে।
মামারাও লিখে পাঠাতেন আমাদের,
‘‘তোরাই আসিস চলে!’’
ডাক-বিভ্রাটে সেচিঠি আসত হাতে
কালীপুজো পার হলে।

এভাবে হত না কারও যাওয়া-আসা
পুজো এসে চলে যেত
ভাল থাকা আর ভালোবাসাটাসা সব
চিঠিতেই পেতে হত!
ক’ বছর পরে যাওয়া হবে ভেবে মা যে
কর দেখছেন গুনে,
ছোটো মামা বুধে, মঙ্গলে মেজো মামা
বড়ো মামা নেপচুনে
মামারা এখন পৃথগন্ন তাই
আলাদা আলাদা বাড়ি
লিখেছেন ডাকে, ‘‘পুজোয় সবাই তোরা
চলে আয় তাড়াতাড়ি!’’
সে-চিঠি পেয়েই বাবা গিয়েছেন খোঁজে
কম ভাড়াটাড়া হলে
মহাকাশযান নিয়ে আজ আমরাই
মামাবাড়ি যাব চলে।

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন