রতনতনু ঘাটী
হস্টেলে তুমি পড়ছ কি বসে
নাকি ঘুমে বুঝি কাদা
এখন রাত্রি এগারোটা বাজে
আমাকে ভাবছ দাদা?
এখানে এখন বৃষ্টির রাত
বাজ পড়ে কত-কত
পৃথিবীটা কেন ঝাপসা এত যে
আমার চোখের মতো।


না না, চোখ দুটো ঝাপসা নয়তো
ভুল কথা লিখেছি যে
চোখে জল নিয়ে এত কথা কেউ
লিখতে পারে কি নিজে?
তুমি ভালো আছ, বন্ধুরা সব
সব্বাই ভালো আছে
গত বছরের মতো এবারে কি
কাঁঠাল পেকেছে গাছে?
রামধনু উঠে এবারেও বুঝি
মিলিয়ে গিয়েছে মাঠে
কেয়াপাতারা কি নৌকোর মতো
পুকুরে সাঁতার কাটে?
তুমি এবারেও সাঁতার শেখোনি
‘কেয়াপাতাদের চেয়ে
তুমি খুব ভিতু’ যদি বলি আমি
বলবে, ‘‘দুষ্টু মেয়ে!’’
মাথায় গাট্টা দিলে দেখো আমি
আড়ি করে দেব ঠিক
তখন কিন্তু আড়ালে দাঁড়িয়ে
হাসবে না ফিকফিক!


সারামাঠ জুড়ে কাশফুলগুলো
সাজতে বসবে যেই
আমার পাঠানো পুজোর খবর
পেয়ে যাবে চিঠিতেই।
এবার পুজোয় কী কী দেবে তুমি?
জানি না তো অতশত
হস্টেল থেকে খুঁজে-খুঁজে এনো
খুশির গল্প যত।
যদি ভুল লিখি ঠিক করে নিয়ো
চিঠির বানানগুলি
ভালো থেকো আর ভালোবাসা নিয়ো,
ইতি ছোটো বোন তুলি!
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন