নাটকের মহড়া ও পরের ঘটনা

খগেন্দ্রনাথ মিত্র

গাছের মাথায় সূর্য নেমে পড়ল—নায়েবমশাই বেরোবার জন্য তৈরি হতে হতে ভোম্বলকে বললেন; “জামা-কাপড় পরে ঠাকুর দেখে এস। আজ নাটক হবে। দেখতে চাও তো রাতে খেয়ে-দেয়ে বগা কি স্বরূপের সঙ্গে যেও। হারাণেটার আবার এই সময় জ্বর হল—”

এখানে ঠাকুর দেখবার আগ্রহ ভোম্বলের নেই; দুর্গাপুর হলে সে বন্ধুদের সঙ্গে যেত বটে। এখানে বারোয়ারি হয় ঐ একখানি। তাও বারোয়ারিতলায় না আছে দোকান-পসার, না আছে তেমন হৈ-হল্লা! সব কেমন ফাঁকা-ফাঁকা। কিন্তু কাকা ঐ যে নাটকের কথা বললেন, ওটা দেখতেই হবে। তাদের দুর্গাপুরে নাটক হয় বটে; তবে পুজোর সময় হয় না। নাটকের চেয়ে তার ‘রিহার্সাল' দেখতে আরও মজা।

গতবারে দুর্গাপুরে হয়েছিল, ‘হরিশ্চন্দ্র।’ তার বন্ধু হরিদাস সেজেছিল ‘রোহিতাশ্ব।’

হরিদাসকে শৈব্যার কোলে শুয়ে থাকতে দেখে তারা সবাই উঠে দাঁড়িয়ে বলাবলি শুরু করেছিল, “ঐ হরে—ঐ যে—ঐ শুয়ে—কি রকম করছে—”

আর, চারধার থেকে বড়রা তাদের ধমক দিচ্ছিলেন, “এই, সব বোস্! ছোঁড়াগুলো বড় গোল করছে তো। যে না বসবে তাকে বার করে দেব।”

কিন্তু কে কার কথা শোনে?

তাদের মধ্যে একজন তো ডেকেই উঠল, “এই হরিদাস!” ডেকেই সে খিল্‌খিল্ করে হাসতে লাগল। তাকে বিজয়দা বার করে দেন আর কি!

আশুদা সেজেছিলেন, 'শৈব্যা’। অমন কালো মানুষ কিন্তু পাউডারে হয়ে গিয়েছিলেন, মেম। কিন্তু ভোম্বল ভেবেই পায় না, পুরুষেরা মেয়ে সাজে কি করে? তার মেয়েলী গলায় কথা বলতেই গায়ের ভেতর কেমন করে ওঠে! সে সাজতে চায় ভীম, অর্জুন, কর্ণ। মেয়ে কি সাজবে? ধ্যেৎ!

কিন্তু এখানে কিসের পালা হবে? মনে করল, পালাটির কথা কাকাকে একবার জিজ্ঞেস করে। তাঁর ও তার মধ্যে যে ব্যবধান ছিল, আজ দুপুরে যেন তা অনেক কমে গেছে। সে যেন বয়সে হঠাৎ বেড়ে উঠেছে; তার কাকাও যেন তাকে আর তত ছোট করে দেখচেন না।

তাকে যখন কেউ শিশুর মতো ভাবে, তার বুদ্ধি ও শক্তিতে আস্থা রাখে না, তখন সে ক্ষুন্ন হয়। সেজন্যে তার মনে কখনও অবাধ্য হবার ইচ্ছা, কখনও অশ্রদ্ধা জাগে। সে চায় একটি পূর্ণ মানুষের মতো ব্যবহার। কত কি যে তার কাছ থেকে আড়াল করে রাখা হয়। কিন্তু শেষ অবধি কিছুই তার চোখে ঢাকা থাকে না।

সে নায়েবমশাইকে জিজ্ঞেস করল “কিসের পালা হবে?”

নায়েমশাই বললেন, “রাণা প্রতাপ।”

—“রাণা প্রতাপ?”- ভোম্বল উল্লসিত হয়ে উঠল। রাণা প্রতাপও সে দেখেচে। ওই রাণা প্রতাপেই আছে “এ বর্শার দাগ আমার।” এখনও কোন-কিছু নিয়ে কোন বন্ধুর সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব হলে সে গম্ভীর কণ্ঠে বলে, “এ বর্শার দাগ আমার। সাধ্য থাকে প্রমাণ কর।”

নায়েবমশাই কাপড়-চোপড় পরে, গলায় চাদর দিয়ে, হাতে লাঠি নিয়ে বেরিয়ে গেলেন। সঙ্গে গেল স্বরূপ। জামা-কাপড়-জুতো পরে ভোম্বল একাই চলল বারোয়ারিতলায়। সে চলল, বাড়ির পিছনের সরু-মোটা পথটি ধরে। সে পথে বারোয়ারি তলায় পৌঁছনো যায় কিনা সে চিন্তাও করল না।

দু-পাশে কচু, ভাঁট, কালকাশুন্দি, শিয়ালকাঁটা ও দাঁতছোলার রাজ্য। তার মাঝে দু’টি চারটি হাতীশুড়, পাথরকুচি ও ধুতরো। এক জায়গায় ছিল কয়েকটা আপাং। তার শিষে কাঁটা। পথের এক ধারে ছিল কয়েকটা আমগাছ। তাদের ডাল থেকে ঝুলছে গুলঞ্চ। একটার ডালে ছিল পরগাছা। পরগাছার পাকা ফল দিব্যি মিষ্টি লাগে। আর এক জায়গায় ছিল পাশাপাশি দু'টি আশ-শেওড়া। গাছ দুটি জড়িয়ে উঠেছিল বনকলমী ও ঝুমকোলতা। জায়গাটা স্যাঁৎসেঁতে। বুনো ও মেটে গন্ধে বাতাস ভারী।

খানিক দূর গিয়ে সে দেখলে, বাঁ-ধারে একটা ডোবা। তার পাড়ে ঘন বাঁশঝাড়। একদিকে একখানি খড়ের বাড়ি। বাড়ির ওধারে কয়েকটা নটকানা গাছ, চাল ছাড়িয়ে উঠেচে। বাড়ির ভেতর থেকে একটা পায়েচলা পথ নেমে এসেছে ডোবার জল অবধি। সেখানে বসে একটি বউ কড়া মাজচে, ওপর দাঁড়িয়ে কাঁদচে একটা পেট-মোটা কালো উলঙ্গ শিশু। তার কোমরে ঘুনসী। তাতে একটি পয়সা। আর বাড়ির ঘাটের ভিতরে চিৎকার করছে একটা স্ত্রীলোক।

বউটি চোখ তুলে ভোম্বলের দিকে কয়েকবার এমনভাবে তাকালে যেন তাকে দেখে খুব আশ্চর্য হয়ে গেছে। একটি লোক ডালপালা সুদ্ধ একটা ডাল কাঁধে নিয়ে ওধারের জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এল। ডালটি কাঁধে নিয়ে সে চলল বাড়িখানির দিকে। তার ধুতিখানি হাঁটুর ওপর গুটিয়ে পরা, ডান হাতে ধারালো দা। ডোবার জলে তার ও ডালটার ছায়া তার সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে চলেছে এবং ঢেউয়ে ঢেউয়ে দুলচে।

ভোম্বল চলল আরও এগিয়ে। পথটি গেছে ডাইনে-বাঁয়ে ঘুরে কোন বাড়ির পিছন, কোন বাড়ির পাশ, কোন বাড়ির সমুখ দিয়ে, বাকস ও রাঙচিত্রার ভাঙা বা আধভাঙা বেড়ার কোলে কোলে, বড় বড় গাছের সেখানে তলায় তলায়। সামনে এক জায়গায় খানিকটা ফাঁকা ছিল। সেখানে পড়েছে শেষবেলার পড়ন্ত রোদ। একখানি বাড়ির বেড়ায় ছিল মোটা জিউলি ও সজনে গাছ। দু’টির গা থেকে আঠা বেরিয়ে গুড়িতে স্বচ্ছ ও রঙিন-কাঁচের মতো আটকে আছে, কতকটা গোড়ায় ঝরে পড়েছে। ভোম্বল খানিকটা শুকনো আঠা তুলে খেতে যাবে এমন সময় সেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেন এক ভদ্রলোক, গাঁয়ের ভদ্রলোক।

দু'জনেই পরস্পরকে দেখে অবাক।

ভদ্রলোকটি ভোম্বলকে জিজ্ঞেস করলেন, “তোমার বাড়ি দুর্গাপুর, নয়? তুমি ভোম্বল নয়?”

ভোম্বল মাথা ঝাঁকিয়ে বললে, “হাঁ।”

ভদ্রলোকটি এগিয়ে এসে কতকটা কৌতূহল, কতকটা রুক্ষতার সঙ্গে জিজ্ঞেস করলেন, “এখানে কি করচ?”

ভোম্বলও রুক্ষ হয়ে উঠল, বললে, “কি আবার করব?—যাচ্ছি”

তিনি বললেন, “কোথায়?”

ভোম্বল উত্তর না দিয়েই চলতে লাগল।

তিনি বললেন, “ওহে শোন–শোন। তোমার কাকা, মানে নায়েবমশাইয়ের সঙ্গে দেখা করেচ?”

ভোম্বল একবার ভাবলে, বলে, “না; করি নি। আপনি তাঁকে খবর দিন গে।” কিন্তু পরক্ষণেই মনে পড়ল, উনি পদ্মদিদির বর। আসবার পথে ওঁদের বাড়িতেই একটি রাত সে খুব যত্নে ছিল। তাই বললে, “আমি তাঁর কাছেই তো থাকি।”

ভদ্রলোকটি বললেন, “ব–টে! তা হলে সুবোধ হয়েচ?”

ভোম্বল বিরক্ত হয়ে হাতের আঠাটুকু ফেলে দিয়ে যেমন চলছিল তেমনি চলতে লাগল। সে ভাবতে লাগল, পদ্মদিদি অমন চমৎকার, তাঁর কথাবার্তা কত মিষ্টি ও সুন্দর কিন্তু তাঁর বর অমন কাটখোট্টা কেন? এবার যদি উনি কিছু বলেন তো সে দেবে জব্দ করে।

কিন্তু ভোম্বল খানিক দূর যেতে না যেতেই তিনি তার পাশ দিয়ে সাইকেল হাঁকিয়ে চলে গেলেন। সাইকেলের পিছনে ক্যারিয়ারে নারকোল দড়ি জড়িয়ে বাঁধা হাত দুই লম্বা, বেশ মোটাগোছের একটি মানকচু, ফ্রেম থেকে ঝুলছে ন্যাকড়া দিয়ে মুখবাঁধা একটি ছোট নতুন হাঁড়ি। তাই হাঁটু ফাঁক করে পাদল চালাচ্ছেন। হ্যানডেলেও যেন কালো বেগুনের মতো কি ঝুলছে। উনি বোধ হয় কুটুমবাড়ি থেকে চিটেঝুড়িগাঁয়ে ওঁর নিজের বাড়ি চলেছেন।

আরও খানিক গিয়েই ভোম্বল উঠল বড় রাস্তায়। তার সামনেই রাস্তার ওপারে একটি ছোট মুদির দোকানের এক অংশে একখানি তক্তায় আলকাতরা দিয়ে লেখা 'চরমাদারীপুর বুজুম ফ্রেণ্ডস্ থিয়েটার ক্লাব'। তার পিছনে একখানি ছোট, পুরনো, ইট বার করা একতলা দালান। তার সামনে, শান-ফাটা একটি চওড়া রোয়াক। রোয়াকের সামনে খানিকটা ফাঁকা জায়গা। সেখানে ও ক্লাব ঘরের দরজায় ছেলে-বুড়োর এক কৌতূহলী জনতা। ঘরের মধ্যে তখনও রিহার্সাল চলচে।

ভোম্বল এক পা এক পা করে সেদিকে এগিয়ে গেল, কিন্তু একেবারে কাছে গেল না। তার কেমন সংকোচবোধ হল। সেখান থেকেই তার চোখে পড়ল, ভেতরে অনেক লোক—অ্যাকটিংয়ের আওয়াজ আসছে। কিন্তু কে অ্যাকটিং করছে তা দেখতে পেল না।

কে একজন বলে উঠল, “স্টেজে এই রকম করলেই হয়েছে। প্লে একদম মারডার। উচ্ছারণ এখনও ঠিক হল না। বল; বড়। ড়—ড়– ডয়ে শূন্য ড়। আচ্ছা মুশকিলে পড়া গেছে! একজন চন্দ্রবিন্দু বাদ দিচ্ছে, একজন অযথা চন্দ্রবিন্দু লাগাচ্ছে। উনি বলছেন, নিচ্ছয়। ইনি আবার—”

উত্তর হল, “দেখবেন, বোকাদা, চড়মাদাড়িপুড়ের এই প্লে-ই দশখানা গাঁ মাৎ কড়ে দেবে। দেখবেন কি ডকম ক্ল্যাপ আড় ক্যাপিটালের ধুম। স্টেজে ‘মেড়ে' দেবো। আমি সেবাড় স্টাড়ে—"

“রাখো তোমার স্টাড়। ওদিকে আটটায় প্লে—এখনও রিহার্সাল। নাও, আর একবার বলে শেষ কর। স্টেজে—” কিন্তু ভোম্বল শেষ কথাগুলো শুনতে পেল না, একটা হাসির হল্লায় তা চাপা পড়ল তারপরই ঘর থেকে হাসতে হাসতে বেরিয়ে এল তিনটি যুবক। তার এসে ঘরের পাশে দাঁড়াল। তাদের মধ্যে একজন সিগারেট ধরাল তিনজনেরই গায়ে গেঞ্জি, ধুতি ফেরতা দিয়ে পরা, মাথার চুল দু’আনা চোদ্দআনি অনুপাতে ছাঁটা এবং লম্বা বাঁকা টেরি।

তিনজনেই ভোম্বলের দিকে এমনভাবে তাকাল যেন মনে মনে বলছে, “কে রে তুই?”

মুদিও এমন করে তার দিকে তাকিয়েছিল যেন, সে মনে মনে জিজ্ঞেস করছে, “এ ছেলেটা এল কোথা থেকে? কার ছেলে?”

ভোম্বল আর সেখানে দাঁড়াল না। পথের যে দিকে একটু বেশী লোকজন ও ছেলেমেয়ে সেজে-গুজে যাচ্ছিল তার অনুমান হল, সেই দিকেই বারোয়ারিতলা। সে-ও চলল সেই দিকে।

চলতে চলতে সে ছেলেমেয়ে ক'টিকে লক্ষ্য করতে লাগল। একটি ছেলের গায়ে লাল কামিজ, গলায় রঙিন রুমাল বাঁধা। সে কোঁচার মুড়ো ধরে একটু খুঁড়িয়ে হাঁটছে। তার পাশে পাশে চলেছে একটি মেয়ে। তার গায়ে রঙিন ঘাগরা, কানে মাকড়ি, নাকে নোলক, পায়ে মোটা মল, কোমরে সেফটিপিন দিয়ে ঝাড়নের মতো করে একখানি পাড় দেওয়া রুমাল আঁটা। তার একটু পিছনে চলেছে লাল ডুরে-পরা ছোট একটি মেয়ে। তারও কানে মাকড়ি, নাকে নোলক মাথায় ছোট্ট একটু খোঁপা। তার ডুরেখানি কোমর থেকে খুলে গেল। সে থমকে দাঁড়িয়ে কাপড়খানি হঠাৎ দু’হাতে কোন রকমে সামলে নাকি-সুরে বলে উঠল, “ওঁ—দিদি –”

ঘাগরা-পরা মেয়েটি পিছন ফিরে তার কাছে এগিয়ে এসে তার গালে ঠাস করে একটি চড় করে বললে, “মা তখন কত করে বারণ করলে, ‘কাপড় সামলাতে পারবি নি, পরিস নি।’ তা শোনা হল না। থাক ওমনি দাঁড়িয়ে। আমি পারব না—”

ডুরে-ধরা মেয়েটি হাঁ করে কেঁদে ফেললে। ঘাগরা-পরা মেয়েটি অমনি রাস্তার মাঝখানেই হাঁটুগেড়ে বসে ঠোঁট চেপে তাকে ডুরেখানি পরাতে লাগল।

ভোম্বল তাদের ছাড়িয়ে হন হন করে এগিয়ে যেতে লাগল। আগে আগে চলছিল দুটি চাষী-বউ। তাদের পরনে লাল কলকা পেড়ে শাড়ি, হাতে রুপোর চুড়ি। একজনের কোলে একটি উলঙ্গ ছেলে। ছেলেটির গায়ে ডোরাদার ছিটের কামিজ। তাদের পাশে পাশে চলেছে, হাতে বাঁশের লাঠি, গলায় চাদর, হাঁটুর ওপর ধুতি-পরা খালি পা একটি লোক।

কাঁচা-পাকা রাস্তাটির দু'পাশে আম-কাঁঠালের গাছ ও বাঁশঝাড়। পড়ন্ত রোদে গাছের ছায়া পথে পড়েছে আড় হয়ে। একটা গাবগাছের তলায় এক ঝাঁক ছাতারে বসে নিজেদের মধ্যে বিষম ঝগড়া বাধিয়েছিল। ভোম্বল তাদের তাড়া দেবার জন্যে একটা ঢিল খুঁজতে লাগল, পেল না। সে হাততালি দিলে। তবুও ছাতারেগুলো ঝগড়ায় এমন মত্ত যে, শব্দ তাদের কানেই গেল না।

ভোম্বল তাদের দিকে তাকাতে তাকাতে এগিয়ে চলল। রাস্তার মোড়ে পৌঁছেই ভোম্বলের মনে পড়ল, সকালে এখান দিয়েই সে গিয়েছিল বাজারে। তখন এখানে কিছুই ছিল না, এখন বসেছে একটা পান-সিগারেটের দোকান। কয়েকটা লোক দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে পান চিবুচ্ছে, মুঠো করে সিগারেট ধরে টানচে। তার বয়সী দু’টো ছেলে এসে এক প্যাকেট সিগারেট কিনে তাড়াতাড়ি পাশের বড় বড় গাছগুলোর আড়ালে চলে গেল। ওরা লুকিয়ে সিগারেট খাবে। ভোম্বলও একবার লুকিয়ে সিগারেট খেয়েছিল। শেষে মুখের গন্ধ ঢাকতে পেয়ারার পাতা চিবিয়েছিল, এলাচ-লবঙ্গও খেয়েছিল। তবু কি গন্ধ যায়? গন্ধ গেল তো ভয় যায় না।

মোড় ঘুরেই ডানদিকে বারোয়ারিতলা। ভোম্বল সেখান থেকেই দেখলে স্টেজ বাঁধা হচ্ছে। স্টেজের সামনে ভিড়। সে-ও তাড়াতাড়ি গিয়ে সেখানে দাঁড়াল।

সকল অধ্যায়
১.
পলাতক
২.
অন্ধকারে
৩.
পথে
৪.
দেশছাড়া
৫.
শালুকডাঙায়
৬.
অদ্ভুত কীর্তি
৭.
বুড়ীর বাড়ি
৮.
যুদ্ধ
৯.
পাঠশালায়
১০.
কাছিমদহর হাটে
১১.
পুঁটিমারীর পথ
১২.
ভোজ
১৩.
যাত্রা
১৪.
পদ্মদিদির শ্বশুরবাড়ি
১৫.
কান্তিনগরে
১৬.
চরমাদারিপুরের বারোয়ারিতলায়
১৭.
নায়েব মশাইয়ের কাছারি বাড়ি
১৮.
চরমাদারীপুরের বাজারে
১৯.
জুতোর কারখানায় ও কাপড়ের দোকানে
২০.
বাদলার মেঘ ও সোনালী রোদ
২১.
নাটকের মহড়া ও পরের ঘটনা
২২.
পাগলাপাড়া ও দরগাবাড়ি
২৩.
দুই যোদ্ধা
২৪.
রাখাল ও ভোম্বলের স্বপ্ন
২৫.
গোরুর গাড়িতে
২৬.
নৌকো চলে
২৭.
ভাঙা হাটে
২৮.
কৃষ্ণপুরে নদীর কূলে
২৯.
সাতগেছে জোড়াবটতোলে
৩০.
দুর্গাপুরের পথে
৩১.
ঘরে ফেরার পরে
৩২.
পল্লীতে বন্ধুমহলে
৩৩.
কুলচারা গাঁয়ের পথে
৩৪.
কুলচারা গাঁ
৩৫.
নতুন কথা
৩৬.
আব্দুলপুরের মেলার পথে
৩৭.
নতুন পথ ধরে আগের লক্ষ্যে চলা
৩৮.
খোলসাপুরের পথে ও বন্ধুর বাড়ি
৩৯.
পথের শেষে
৪০.
মালঞ্চ গাঁয়ে
৪১.
জটা গাঁয়ের পথে
৪২.
চাটুয্যে বাড়ি
৪৩.
স্টেশনের পথে
৪৪.
স্টেশনে দুই আলাপি
৪৫.
হঠাৎ দেখা পথের মাঝে
৪৬.
বন্ধুর বাড়ি
৪৭.
চলার পথে
৪৮.
শুধু পথ আর পথ
৪৯.
টাটা নগরের পথে
৫০.
যাত্রা শেষ

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%