বুড়ীর বাড়ি

খগেন্দ্রনাথ মিত্র

ভোম্বল হাঁফাতে হাঁফাতে চলেছে।

পথের দু-খারে খড়ের বাড়ি-ঘর। চালে চালে চাল কুমড়ো আর লাউয়ের গাছ। চাল-কুমড়ো গাছগুলোর কোন কোনটায় চাকা-চাকা হলদে ফুল ধরেছে, জালি পড়েছে। ফুলগুলো হাওয়ায় দুলছে। কোন কোন বাড়ির বার-উঠোনের শেষে ধানের মরাই, কারুর বাড়ির বাইয়ের দিকে গোয়াল।

রাস্তার ধারে এক জায়গায় আমতলায় কতকগুলো ছেলে জটলা করছিল। কয়েকজন একটা কুকুরের লেজের সঙ্গে লম্বা দড়ি দিয়ে একটা কানেস্তারা বাঁধছে। কুকুরটা বোকার মতো চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। ভোম্বলও দাঁড়িয়ে মজা দেখতে লাগলো।

ছেলেগুলো দড়ি বেঁধে কুকুরটাকে ছেড়ে দিলে। কুকুরটাও অমনি দিলে ছুট। সে যত ছোটে ততই টিনের ধমাধম আওয়াজ হয়। ছেলেগুলো হাসতে হাসতে হাততালি দিতে দিতে তার পিছনে ছুটতে লাগলো। ভোম্বল হেসেই সারা।

সে আবার চলতে লাগলো। যেতে যেতে একবার পিছন ফিরে দেখলো, কুকুরটা মাঠ দিয়ে লেজ তুলে ছুটছে। লেজে দড়িটা বাঁধা, কিন্তু কানেস্তারাটা নেই!

ভোম্বল আরও কিছুদুর গিয়ে পথের ধারে একটা বেত-ঝোপের কোলে বসে পড়লো। রাস্তাটার ওপারে খান দুই ছোট খড়ের ঘর। একটা চাল কুমড়ো গাছ লম্বা কঞ্চি বেয়ে একটার চালে লতিয়ে উঠেছে। বাড়িটার চারধারে অড়হর কাঠির বেড়া। সামনে একটু উঠোন—পরিষ্কার, তকতকে। আর, সেখান থেকে কিছু তফাতে অনেককালের একটা পুকুর —দাম-কলমী-হিন্‌চে ভরা। তার পাড়ে কয়েকটা নারকোল গাছ। ঐ যে পুকুরটার ভাঙা ঘাট দেখা যায়।

বেশ ঝিরঝিরে হাওয়া বইছে। কপালে তার ঠাণ্ডা স্পর্শ লাগছে। ক্ষুধায় ও ক্লান্তিতে ভোম্বলের দুচোখ ঘুমে জড়িয়ে আসছে। সে বাতাবী লেবুটা কোলে রেখে হাত দিয়ে নাড়তে নাড়তে দেখলে, ঘর দু'খানার ঐ কোণ থেকে এক বুড়ী কাকে যেন বকতে বকতে বেরিয়ে এলো। বুড়ীর চুলগুলো পাটের মতো সাদা, মুখে একটাও দাঁত নেই।

বুড়ী চেঁচিয়ে বললে,—“শুনছিস, হতভাগী, এটুকু খেয়ে যা। সারাদিন এর-ওর বেড়ার ধারে ঘুরবি, মারধোর খাবি। নোকে কয়, আমি তোরে খেতে দিইনে। কৈ? এলি? ও সুরো —সুরো! আর মুখপুড়ীর সাড়া নেই! এতক্ষণ পাড়া মাথায় করছিলি যে—”

ভোম্বল মনে করলে, বুড়ী বুঝি তার নাতনীকে বকছে। বুড়ী গুটি গুটি এসে পথের ওপর দাঁড়ালো, —ও সুরী-সৈরভী ধন –

এবার সাড়া পেলো—“হাম্ বা অ—আ।” সঙ্গে সঙ্গে ও পাশের ঝোপ-জঙ্গল থেকে হুড়মুড় করে বেরিয়ে এলো একটা সাদা রঙের গাই, তার পিছনে লাল রঙের বাছুর।

ওরই নাম সৈরভী? ভোম্বল আপন মনে হাসতে লাগলো। বুড়ী বললে, “ওরে, এই ফ্যানটুক খেয়ে যা—আর—”

সৈরভী বুড়ীর দিকে বড় বড় চোখে একবার ফিরে তাকিয়ে মাথা দুলিয়ে, কান ঘুরিয়ে লেজ তুলে ওধারে ঝিঙে ক্ষেতের দিকে দিলে দৌড়।

বুড়ী কাসির ফেন পথের ধারে ঘাসের উপর ঢেলে দিতে দিতে বকরবকর করতে লাগলো।

বুড়ী এতক্ষণ ভোম্বলকে দেখতে পায় নি। চোখ ও ভ্রু কুঁচকে ভোম্বলকে কিছুক্ষণ দেখলো। তারপর বললে,—“ওখানে বসে কে রে?”

ভোম্বল বললে,—“আমি।”

—“নাম কী?”

—“ভোম্বল।”

বুড়ী কানে হাত দিয়ে ঘাড় কাৎ করে জিজ্ঞেস করলে, —“কী বললি? টম্বোল?”

ভোম্বলের রাগ হলো, চেঁচিয়ে বললে, —“না—না—না—ভো-ও-ম বোল।”

বুড়ী বললে,—“তা যাই হোক! তুই ওখানে বসে কেন? সরে আয় — সরে আয়। ওখান থেকে সিদিন মস্ত এক কেউটে বেরিয়েছিল। রেধো মালোর ব্যাটা ছিমন্তটা আর একটু হলেই গিয়েছিল আর কী।”

ভোম্বল এক লাফে সেখান থেকে উঠে বুড়ীর সামনে এসে দাঁড়ালো। তারপর ঝোপটার দিকে সভয়ে তাকালো।

বুড়ী বললে—“কাদের ছেলে রে তুই?”

—“চাকী মশাইয়ের।”

—“চাকী মশাইয়ের? এ গাঁয়ে তো চাকী নেই। বাড়ি কোথায়?”

ভোম্বল বললে,—“সে তুমি চিনবে না।”

—“বলই না দেখি চিনতে পারি কী না—”

ভোম্বল বললে,— “সে-ই দুর্গাপুর।”

—“দুগ্‌গোপুর? দূগ্‌গোপুর: আর চিনি নে? রেলে যেতে হয়। আমার মেয়ের শ্বশুর বাড়ি ছিল ওখানে” —বলতে বলতে বুড়ীর শুকনো চোখ দুটো ছল-ছল করে উঠলো। তারপর বললে, —“তারা আর কেউ নেই। নাতিটাও চলে গেছে। তা তুই যে এ গাঁয়ে এসছিস? এখানে কেউ আছে নাকি?”

—“না”

—“তবে?”

ভোম্বাল উত্তর দিলে না।

বুড়ী বললে, —“বুজিছি। আমার নাতিটাও এমনি করতো—ঘরে থাকতে চাইতো না। তোরা সব বুনো-বাঁদর-ঘরে মন বসে না। তোর বাপ আছে?”

ভোম্বল মাথা নেড়ে বললে, —“না।”

—“মা?”

—“না।”

বুড়ী বলে উঠলো—“আ পোড়া কপালে! সব খেয়েছো? তবে আর তোরে ধরে রাখবে কে?”

তারপর ভোম্বলের খুব কাছে সরে গিয়ে তার থুৎনিতে হাত দিয়ে মুখের দিকে তাকিয়ে বললে,—“কিছুই খাস নি বুঝি? মুখখানা শুকিয়ে গেছে দেখছি। সেটাও এমনি না খেয়ে বনে-বাদাড়ে, পথে-ঘাটে ঘুরে বেড়াতো। চল—ঐ আমার ঘর। যাহোক চাড্ডি জলপান মুখে দিবি। চল—চল—”

ভোম্বল কিন্তু সেখান থেকে নড়লো না।

বুড়ী বললে,—“নজ্জা করিস নি। চল্‌-চল্‌” —বলতে বলতে ভোম্বলের হাত ধরে টানতে টানতে তার বাড়ির ভেতরে নিয়ে গেল।

বুড়ীর ঘরের দাওয়াটি বেশ নিকানো। এক কোণে রান্না হয়। হাঁড়িকুঁড়ি সব তখন তে-কাঠায় তোলা। খালি উননের পাশে এক বোঝা বাঁশকাঠ। তার পাশে একটা ছাই রঙের বেড়াল তপস্বীর মতো চোখ বুজে বসে ছিল। সে তাদের পায়ের শব্দে যেন অতিকষ্টে চোখ মেলে তাকিয়ে মিহিসুরে একবার ডাকলো —ম্যাও।

বুড়ী বললে —“তোমার আবার কী? একটু সবুর করো।” বলে দাওয়ায় উঠে দরজার শিকল খুলে ঘরে ঢুকলো। তারপর একখানা নলের চাটাই এনে দাওয়ায় পেতে ভোম্বালকে বললে, –“নে—উঠে এসে বোস।”

ভোম্বল তখনও ছেঁচতলায় দাঁড়িয়ে ছিল। বুড়ীর কথায় আস্তে আস্তে দাওয়ায় উঠে চাটাইয়ের ওপর বসলো।

বুড়ী আবার ঘরে ঢুকে একটা হাঁড়ি থেকে দু'কুনকো টাটকা মুড়ি একটা ধামীতে ঢাললো। তারপর শিকের হাঁড়ি থেকে বড় বড় দুটো নারকোল নাড়ু বার করে মুড়িগুলোর ওপর রেখে বাইরে এসে ভোম্বলের হাতে দিয়ে বললে—“খা মণি।”

ভোম্বল বুড়ীর হাত থেকে ধামীটা নিতে নিতে বললে, —“এই বাতাবীটা কী করবো, আজীমা?”

বুড়ী আহ্লাদে আটখানা হয়ে গেল। এক গাল হেসে বললে, “কী বলে ডাকলি?”

—‘“আজীমা।’”

বুড়ীর আনন্দ আর ধরে না। সে ভোম্বলের সামনে উবু হয়ে বসে পড়লো। হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলে —“ও লেবু তুই পেলি কোথায়?”

—“কুমোর-বাড়ির গাছে।”

—“মতে কুমোরের গাছের লেবু? খাস নে বাছা। সইবে না। তোরে আমি ভাল লেবু খাওয়াবো। ওটা ফেলে দে। অমন হাড়-কিপটে আমার সাড়ে তিনকুড়ি বছর বয়সেও দেখিনি।”

ভোম্বল লেবুটা কিন্তু ফেললো না, পাশে রেখে দিয়ে মুড়ি-লাড়ু, খেতে লাগলো! বুড়ী তাকে একটি ছোট কাঁসার ঘটিতে জল এনে দিলে। ঘটিটি রুপোর মতো ঝকঝক করছে। তারপর বললে,—“বসে বসে খা। আমি চারটে কলমী শাক তুলে আনি। আর দেখি গে যদি এক-আধটে ন্যাটা-পুটি পাই—”

ভোম্বলকে সে দুপুরে খেতে দিলে আউস-চালের রাঙাভাত, ঘন কলায়ের ডাল ও কাঁচা লংকা ফোড়ন দিয়ে কলমী শাক ভাজা। সে ল্যাটা বা পুঁটি কিছুই ধরতে পারে নি। ভাতের সঙ্গে একবাটি ঘন দুধও সে ভোম্বলকে দিলে। তার সরখানা ঠিক কাঁথার মতো পুরু... ওপরে গর্ত গর্ত। ভোম্বল দুধের সর খেতে খুব ভালবাসে। দুধটা সৈরভীর। পেট ভরে খেয়ে সে দুপুরে বেশ এক ঘুম দিলে উঠলো যখন, বাঁশবনের মাথায় বেলা গড়িয়ে গেছে।

বুড়ী বললে,—“মণি, তুই আমার কাছেই থাক! এই ঘর-বাড়ি, ঐ পুষ্করণী-বাঁশঝাড়টা আমার। বিঘে সাড়ে তিন ধেনো জমিও আছে। সব তোরে দেবো, বুঝলি?”

কিন্তু ভোম্বল এ সব নিয়ে কী করবে? সে যাবে সে–ই টাটানগর। সেখানে গিয়ে কত কাজ শিখবে। এখানে এই গাঁয়ে, ঐ মাঠে কী আছে? এখানে সবাই যেন ঘুমোচ্ছে। ধ্যেৎ।

সে বুড়ীর কথার কোনো জবাব না দিয়ে উঠোনে দাঁড়িয়ে মনে মনে ঠিক করতে লাগলো, কলকাতা কোন দিকে। ঐ দিকে! ঐ যেদিকে সূর্য অস্ত যাচ্ছে? সে মনে মনে ম্যাপের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে। তাই-ই। একবার কলকাতায় গেলে টাটানগর যাওয়া কিছুই কঠিন নয়। এখান থেকে রেলেও কলকাতা যাওয়া যেতে পারে। কিন্তু তাহলে সে খুড়ো-মশাইয়ের লোকজনের হাতে ধরা পড়বে। তিনি নিশ্চয় চারধারে লোক পাঠিয়েছেন। কোলকাতা কতদূরই বা? তাদের দুর্গাপুর থেকে মোটে একশ দশ মাইল। এখান থেকে না হয় একশ ত্রিশ মাইল হবে। সে হিসেব করে দেখলে রোজ যদি দশ মাইল করে হাঁটে, তাহলে তেরো দিনে কোলকাতায় গিয়ে পৌঁছবে। তবে আর ভয় কী?

ওদিকে মেঘে মেঘে আকাশ অন্ধকার করে এসেছিল। ঝড় ওঠে ওঠে। বুড়ী বললে—“কোথাও যাসনে। ভীষণ দেয়া নামবে।”

সৈরভী হাম্বা হাম্বা করতে করতে বাড়ি ছুটে এলো। বুড়ী তাকে ও বাছুরটাকে গোয়ালে পুরে মাটির গামলায় জাবন দিলে। সেদিন আর গোয়ালে সাঁজাল দিলে না। যে হাওয়া! এখনই হয়তো দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠবে।

ভোম্বল একটু এদিক-ওদিক ঘুরে এসে দাওয়ায় উঠে বসল। সন্ধ্যা হয়ে এসেছে। সন্ধ্যা উত্তরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেঘ ডাকতে লাগলো বিদ্যুত চোখ-ধাঁধানো ঝিলিক হানছে। হঠাৎ বৃষ্টি নামলো, এলোমোলো বাতাস বইতে লাগলো।

বুড়ী সে রাতে আর রাঁধলে না। ক্ষীরের মতো ঘন লাল দুধে মুড়ি, মর্তমান কলা ও আখের গুড় দিয়ে দুজনে ফলার করলে।

রাতে শুয়ে শুয়ে বুড়ী গল্প জুড়ে দিলে— “এক যে ছিল রাজা— তার সাত রানী।” কিন্তু গল্পটি বেশিদূর এগোলোনা, পাটরানীর ঘরের দরজায় পৌঁছতে পৌঁছতেই বুড়ীর নাক ডাকতে লাগলো। কিন্তু ভোম্বলের চোখে ঘুম আর আসে না।

ঘর অন্ধকার। বাইরে বৃষ্টি ঝরছে, ঝর, ঝর, সন্ সন্। পুকুরের ব্যাঙগুলো ডাকছে—ক্যা-কোঁ, কটর-কটর। তাদের সঙ্গে দাম-কলমী-হিঞ্চে বনে এক জোড়া ডাহুক-ডাহুকী যোগ দিলে—দেই দেই। সারা রাতের মধ্যে তাদের হাঁকাহাঁকি ও ডাকাডাকির বিরাম রইল না। তারা সকলে যেন পরামর্শ করে ভোম্বলের চোখের ঘুম কেড়ে নিলে। তার মন ছুটে গেল তাদের দুর্গাপুরে নদীতীরে।

সে–ই ও-পারে বন-ঝাউয়ে ঢাকা বিশাল বালুচর। তার শেষে আকাশের কোলবরাবর গাঁ। এ-পারে তাদের বাড়ি। পুব-দুয়ারী ঘরখানার জানালার ধারে এমনি বর্ষায় বসে সে যেন গান ধরেছে। ঝাউবনে, নদীর বুকে বাতাস লুটোপুটি করছে আর কি যেন কইছে…

ভোরের দিকে সব শান্ত হতে ভোম্বল ঘুমিয়ে পড়লো।

তারপর চুপিচুপি সকাল হলো! বুড়ি দেখলো ভোম্বল ঘুমোচ্ছে। সে পুকুর ধারে চলে গেল।

কিন্তু ফিরে এসে দেখে, চাটাই খালি, ভোম্বল নেই। মনে করলো, এখনই আসবে। কিন্তু ক্রমে রোদ উঠলো, মেঘ সরে গেল, ভোম্বল তবু ফিরে এল না। সে বেরিয়ে গিয়ে ফাঁকা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে কাঁপা গলায় ডাকলো—“টম্বো-ও-ল। ওরে টমবলা — আয় রে দাদা-ফিরে আয়—”

কিন্তু কোথায় তার ‘টম্বোল’? সে তখন আধ ক্রোশ দূরে মানিকপুরের পাকা সড়ক ধরে বরাবর পশ্চিম দিকে চলেছে। তার হাতে কঞ্চি, বগলে বাতাবী লেবু।

সকল অধ্যায়
১.
পলাতক
২.
অন্ধকারে
৩.
পথে
৪.
দেশছাড়া
৫.
শালুকডাঙায়
৬.
অদ্ভুত কীর্তি
৭.
বুড়ীর বাড়ি
৮.
যুদ্ধ
৯.
পাঠশালায়
১০.
কাছিমদহর হাটে
১১.
পুঁটিমারীর পথ
১২.
ভোজ
১৩.
যাত্রা
১৪.
পদ্মদিদির শ্বশুরবাড়ি
১৫.
কান্তিনগরে
১৬.
চরমাদারিপুরের বারোয়ারিতলায়
১৭.
নায়েব মশাইয়ের কাছারি বাড়ি
১৮.
চরমাদারীপুরের বাজারে
১৯.
জুতোর কারখানায় ও কাপড়ের দোকানে
২০.
বাদলার মেঘ ও সোনালী রোদ
২১.
নাটকের মহড়া ও পরের ঘটনা
২২.
পাগলাপাড়া ও দরগাবাড়ি
২৩.
দুই যোদ্ধা
২৪.
রাখাল ও ভোম্বলের স্বপ্ন
২৫.
গোরুর গাড়িতে
২৬.
নৌকো চলে
২৭.
ভাঙা হাটে
২৮.
কৃষ্ণপুরে নদীর কূলে
২৯.
সাতগেছে জোড়াবটতোলে
৩০.
দুর্গাপুরের পথে
৩১.
ঘরে ফেরার পরে
৩২.
পল্লীতে বন্ধুমহলে
৩৩.
কুলচারা গাঁয়ের পথে
৩৪.
কুলচারা গাঁ
৩৫.
নতুন কথা
৩৬.
আব্দুলপুরের মেলার পথে
৩৭.
নতুন পথ ধরে আগের লক্ষ্যে চলা
৩৮.
খোলসাপুরের পথে ও বন্ধুর বাড়ি
৩৯.
পথের শেষে
৪০.
মালঞ্চ গাঁয়ে
৪১.
জটা গাঁয়ের পথে
৪২.
চাটুয্যে বাড়ি
৪৩.
স্টেশনের পথে
৪৪.
স্টেশনে দুই আলাপি
৪৫.
হঠাৎ দেখা পথের মাঝে
৪৬.
বন্ধুর বাড়ি
৪৭.
চলার পথে
৪৮.
শুধু পথ আর পথ
৪৯.
টাটা নগরের পথে
৫০.
যাত্রা শেষ

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%