ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
গোদাবরী তীরে প্রতিষ্ঠানপুর নামক একটি নগর ছিল। কোনো এক সময়ে বিক্রমাদিত্য নামে একজন রাজা শাসন করতেন।

অন্যদিনের মতো, সেদিনও রাজাকে একটি ফল দিয়ে ভিক্ষু চলে গেল। না-জানি কীভাবে এক বাঁদর সেই দরবারে ঢুকে গেল। রাজা সেই ফল বাঁদরকে খেতে দিলেন। বাঁদর ফলটিকে খাচ্ছে হঠাৎ সেই ফল থেকে হিরের টুকরো নীচে পড়ে গেল।
রাজা তো অবাক। কোষাধ্যক্ষকে ডেকে বললেন, 'আমি তোমার হাতে প্রত্যেক দিন যে ফলগুলো দিয়েছি সেগুলো কোথায়?'
কোষাধ্যক্ষ রাজার প্রশ্নে বিস্মিত হল। বলল, 'মহারাজ, আপনার দেওয়া ফলগুলো আমি প্রত্যেক দিন জানালা দিয়ে খাজানা ঘরে ছুড়ে দিতাম। আপনি অনুমতি দিলে খাজানার দরজা খুলে ফলগুলোর কী অবস্থা হল দেখে আসতে পারি।'
রাজা অনুমতি দিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই কোষাধ্যক্ষ ফিরে এসে বলল, 'মহারাজ সমস্ত ফল পচে গেছে! কিন্তু সেখানে দেখে এলাম এক কাঁড়ি হিরা। তাকানো যায় না এত হিরার চমক।'
রাজা কোষাধ্যক্ষের সততায় মুগ্ধ হয়ে ওই সমস্ত হিরা ওকে উপহার দিলেন।
পরের দিন যথারীতি সেই ভিক্ষু যখন ফল দিয়ে ফিরে যাচ্ছিল তখন রাজা বললেন, 'ভিক্ষু, তুমি রোজ এমন অমূল্য উপহার কেন আমাকে দিচ্ছ? এর কারণ না বললে আমি নেব কী করে এই উপহার।'
এই কথা শুনে শান্ত স্বরে ভিক্ষু বলল, 'মহারাজ, আমি এক মন্ত্রের সন্ধানে আছি কিন্তু এক মহান বীর যোদ্ধার সাহায্য ছাড়া আমি সে মন্ত্র পেতে পারি না। তাই, আমি চাই আপনার সাহায্য, কারণ আপনি এক মহান বীর যোদ্ধা।'
রাজা সাহায্য করতে রাজি হলেন। ভিক্ষু বলল, 'আগামী কৃষ্ণা চতুর্দশীর রাত্রে আমি আপনাকে শ্মশানে পেতে চাই। আমি সেই শ্মশানের বটগাছের নীচে আপনার জন্য অপেক্ষা করব।'
'ভিক্ষু আমি অবশ্যই যাব।' রাজা কথা দিলেন। ভিক্ষু প্রসন্ন মনে ফিরে গেল।
কৃষ্ণা চতুর্দশীর দিনে সন্ধ্যা হতে-না-হতেই কালো বস্ত্র ধারণ করে বিক্রমাদিত্য হাতে তরবারি নিয়ে শ্মশানের দিকে এগিয়ে গেলেন।
ঘন কালো অন্ধকারে শ্মশান যেন ডুবে আছে। সেই অন্ধকারের বুকে চিতা জ্বলছে। আশেপাশে সর্বত্র মানুষের হাড় ছড়িয়ে রয়েছে। যেখানে-সেখানে মানুষের মাথার খুলি ছড়ানো। শেয়ালগুলো এক কোণ থেকে আর এক কোণ পর্যন্ত ডাকাডাকি করছে। ভূত আর বেতালের কত যে নাচানাচি!
রাজা বিক্রমাদিত্য ভিক্ষুকে খুঁজতে খুঁজতে শ্মশানে এসে পৌঁছালেন। বটগাছের নীচে দণ্ডায়মান ভিক্ষুকে দেখে রাজা বললেন, 'ভিক্ষু তোমার কথামতো আমি এসেছি। এবার বল কী করতে হবে।'
ভিক্ষু রাজাকে দেখে খুব খুশি হয়ে বলল, 'মহারাজ আপনি দয়া করে দক্ষিণ দিকে চলে যান। সেখানে আপনি এক সিমসুপা গাছ দেখতে পাবেন। ওই গাছে ঝুলছে এক মানুষের শবদেহ। সেই শবদেহ আপনি ঘাড়ে করে বয়ে আমার কাছে আসুন।'

নীচে পড়তেই শবদেহ থেকে ভেসে এল আঘাত-পাওয়া মানুষের কান্না। রাজা ভাবলেন, তাহলে তো এই দেহে প্রাণ আছে! তাড়াতাড়ি গাছ থেকে নেমে এসে বিগলিত করুণায় সেই দেহ ছুঁলেন। সাথে সাথে ভেসে এল অট্টহাসি।
রাজা জানতেন না যে শবদেহে বেতাল ছিল। তাই উনি প্রশ্ন করলেন, 'তুমি হাসছ কেন? চলো আমার সাথে।'
রাজার মুখ থেকে এই কথা বেরোতে না বেরোতেই শবদেহ গায়েব হয়ে গেল। পরক্ষণেই দেখা গেল যথারীতি গাছে ঝুলছে। রাজা আবার গাছে উঠে ওটা নীচে ফেলে দিলেন। কোনো কথা না বলে রাজা নীচে নেমে এসে শবদেহ কাঁধে ফেলে ওই শ্মশানের দিকে হাঁটতে লাগলেন।
তখন শবদেহের বেতাল বলল, 'মহারাজ তোমার মনোরঞ্জনের জন্য আমি একটি গল্প শোনাব, শোনো।' বেতাল গল্প বলা শুরু করল: প্রাচীন কালে অঙ্গদেশে যশঃকেতু নামে এক রাজা রাজত্ব করতেন। দেখতে ভারি সুন্দর ছিল ঠিক যেন মন্মথ। উনি নিজের পরাক্রম দিয়ে বল প্রয়োগ করে সমস্ত শত্রু রাজাদের হারিয়ে সমগ্র রাজ্যের ভার মন্ত্রী দীর্ঘদর্শীর হাতে সঁপে দিয়ে নিজে অন্তপুরে আনন্দ ভোগ করতে লাগলেন।
মন্ত্রী দীর্ঘদর্শী রাতদিন পরিশ্রম করে শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। মন্ত্রী দীর্ঘদর্শী ছিলেন রাজার খুব বিশ্বাসী পাত্র কিন্তু কিছু অধিকারী অভিযোগ করতে লাগল। ওরা আসলে মন্ত্রীকে ঈর্ষা করত। সেইজন্য ওরা প্রচার করতে লাগল যে মন্ত্রী রাজাকে ভোগলালসায় ডুবিয়ে দিয়ে নিজে রাজ্য শাসন করছেন।
মন্ত্রী দীর্ঘদর্শীর কানে যখন এই কথা গেল তখন উনি খুব দুঃখিত হয়ে নিজের স্ত্রীকে বললেন, 'রাজা নিজে সুখ ভোগের গোলাম হয়ে গেলেন আর আমি রাজ্যের সমস্ত ভার বহন করছি কিন্তু লোকে আমার বদনাম রটাচ্ছে, আমি নাকি খেয়ালখুশি মতো চলে লুণ্ঠন করছি। এ-কথা তো সত্য নয় তবুও বল কী করে এই বদনাম উপেক্ষা করতে পারি? কী করি বলতো?'
মন্ত্রীর স্ত্রী মেধাবিনী স্বামীকে বলল, 'আপনি তীর্থ দর্শনের নাম করে রাজার অনুমতি নিয়ে দেশভ্রমণ করতে চলে যান। এর ফলে আপনার নামে যে বদনাম রটেছে সেটা ঘুচে যাবে, মিথ্যা প্রমাণিত হবে। এবং রাজাকে নিজের হাতে শাসনভার তুলে নিতে হবে। ফলে রাজাও ভোগলালসা থেকে দূরে সরে যেতে পারবেন।'
দীর্ঘদর্শী সুযোগ বুঝে একদিন রাজাকে বললেন, 'মহারাজ আমি কিছুদিন তীর্থ দর্শন করে পুণ্য অর্জন করতে চাই আপনি দয়া করে যদি অনুমতি দেন তাহলে আমি যেতে পারি।' রাজা বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে এইসব রাজকার্যের ভেতর দিয়েই পূণ্য অর্জন করা যায়। কিন্তু মন্ত্রী সবিনয়ে বললেন, 'মহারাজ শরীরের শক্তি থাকতে থাকতে তীর্থ দর্শনে যাওয়ার ইচ্ছে আছে, বয়স বেড়ে গেলে আর তো সম্ভব হবে না।'
দীর্ঘদর্শী নিজের স্ত্রীকেও সাথে না নিয়ে এমনকী রাজাকেও তীর্থযাত্রার খবর না জানিয়ে একাই হঠাৎ একদিন চলে গেলেন। কিছুদিন যাওয়ার পর সমুদ্রতীরের পুণ্ড্র দেশে পৌঁছালেন। সেখানকার নিধিদত্ত নামে এক ব্যাবসাদারের সাথে তাঁর বন্ধুত্ব হয়। নিধিদত্তের ব্যাবসা নানান দিকে। একদিন তাকে সুবর্ণ দ্বীপে ব্যাবসার জন্য যেতে হয়েছিল। দীর্ঘদর্শীও নিধিদত্তের সাথে যেতে চাইলেন।

ফেরার পথে দীর্ঘদর্শী মাঝ সমুদ্রে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখলেন। এক ঢেউয়ের সাথে সমুদ্রের ভেতর থেকে এক অজানা বৃক্ষ উপরে জেগে উঠল। সেই গাছ ছিল সোনার আর তার ডালগুলো ছিল বাদামি আর ফলগুলো সব রত্ন। সেই গাছের চূড়ায় রত্ন শয্যায় এক অনুপম সুন্দরী বসে বসে গান করছিল। দীর্ঘদর্শীর চোখের সামনেই সেই বৃক্ষসমেত সুন্দরী জলে ডুবে তলিয়ে গেল।
'এ কেমন তরো গাছ! দেখে যেন মনে হয় এ বৃক্ষ ক্ষীরসাগরের কল্পকক্ষ। আর সেই সুন্দরী রমণী যেন স্বয়ং লক্ষ্মী।' দীর্ঘদর্শী বললেন।
দীর্ঘদর্শীকে বিস্মিত হতে দেখে নাবিকেরা বলল, 'আপনার কাছে এ দৃশ্য নতুন, তাই বিচিত্র লাগছে কিন্তু আমরা এই দেশে প্রত্যেক বার এই দৃশ্য দেখে আসছি।'
যাত্রা সমাপ্ত করে দীর্ঘদর্শী নিধিদত্তের কাছ থেকে অঙ্গ দেশে ফিরে এলেন।
দীর্ঘদর্শী রাজার অনুমতি না নিয়ে তীর্থযাত্রায় চলে যাওয়ায় রাজা যশঃকেতু বহু গুপ্তচর ছেড়ে রাজ্যের আনাচেকানাচে মন্ত্রীর খোঁজ করছিলেন। দীর্ঘদর্শীকে রাজধানীর দিকে আসতে দেখেই গুপ্তচরেরা রাজার কাছে ছুটে গিয়ে খবর দিল। সঙ্গেসঙ্গে রাজা যশঃকেতু দীর্ঘদর্শীর সামনে গিয়ে দু-হাত বাড়িয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে অন্তঃপুরে নিয়ে গিয়ে বললেন, 'তীর্থ যাত্রার ইচ্ছা মন্ত্রী তোমাকে এতখানি কঠোর করে দিয়েছে! যাক, এবার বল দেখি কোন কোন তীর্থে তুমি গিয়েছ, আর কী ধরনের বিচিত্র স্থান দর্শন করেছ?'
দীর্ঘদর্শী তীর্থযাত্রার সমস্ত খবর জানিয়ে মাঝ সমুদ্রে দেখা সেই অদ্ভুত বৃক্ষ এবং অনুপম সুন্দরীর কথা জানালেন।
এ-কথা শুনে রাজার মন সেই অপরূপ সুন্দরী রমণীকে দেখার জন্যে আকুল হয়ে উঠল। দীর্ঘদর্শীকে রাজা গোপনে বললেন, 'আমি সেই অপরূপ সুন্দরীকে দেখতে চাই, তা যদি না পারি তাহলে আমি বাঁচব না। তুমি আমাকে বাধা দিও না। আমি একাই যেতে পারব সেখানে। ইতিমধ্যে রাজকার্য সব তুমি একাই পরিচালনা কর। না, না আমাকে আর অন্য কোনো কথা বোঝানোর চেষ্টা করো না। এখন আমি তোমার কোনো কথা শুনতে রাজি নই।' এইসব কথা বলে রাজা মন্ত্রীকে যেতে বললেন।

পরের দিন যশঃকেতু রাজ্যের সমস্ত ভার মন্ত্রীকে দিয়ে তাপসের বেশে রাত্রে রাজমহল থেকে চলে গেলেন। শুরু হল রাজার যাত্রা। দেশ থেকে দেশে। এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। অবশেষে সমুদ্রতীরে। সেখানে লক্ষ্মীদত্ত নামে এক ব্যাবসাদারের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ। আলাপ পরিচয় হল। লক্ষ্মীদত্ত কেনা-বেচার কাজে সুবর্ণ দ্বীপে যাচ্ছিল, রাজাও তার সঙ্গে গেলেন। নৌকা যখন মাঝ সমুদ্রে তখন রাজা সেই বীণাধারিণী সুন্দরীকে দেখলেন। পর মুহূর্তে সুন্দরী সমুদ্রজলে ডুবে গেল। রাজাও ঝাপ দিল সমুদ্রে। সমুদ্রতলে এক বিশাল মহল। তার একটি ঘরে সুন্দর শয্যায় অপরূপ সুন্দরী শুয়ে আছে দেখলেন।
'কে আপনি? এই পাতালে এলেন কী করে? পোশাক তাপসের কিন্তু দেখে যেন মনে হয় আপনি রাজা।' বলল সুন্দরী।
'হে সুন্দরী আমি অঙ্গ দেশের রাজা যশঃকেতু। তোমার কথা এক বন্ধুর কাছ থেকে শুনেছি। তোমার জন্য রাজ্য ত্যাগ করে এই বেশ ধরে এখানে এসেছি। তুমি কে?' রাজা বললেন।
'আমি মৃগাঙ্ক সেন নামে এক বিদ্যাধরের কন্যা মৃগাঙ্কবতী। বাবা আমাকে এখানে ছেড়ে না-জানি কোথায় চলে গেছেন।' সুন্দরী বলল।
রাজা স্ত্রী হিসেবে তাকে গ্রহণ করতে চাইলেন। সুন্দরী একটি শর্ত দিল, 'প্রত্যেক মাসে দুটো অষ্টমী ও দুটো চতুর্দশীর দিন আমি তোমার কাছে থাকতে পারব না। তুমি কিন্তু জিজ্ঞেস করতে পারবে না আমি যাই কোথায়।'
রাজা রাজি হলেন। ওরা স্বামী-স্ত্রী হিসাবে দিন যাপন করতে লাগল। একদিন মৃগাঙ্কবতী বলল, 'আমি এক জরুরি কাজে যাব। এখানকার কুয়োতে ভুলেও নেমো না। ভূলোকে পৌঁছে যাবে।'

'স্বপ্ন, মায়া কিছুই নয়। আমার বাবার অভিশাপ ছিল। বাবা আমাকে ছাড়া খেতে বসতেন না। প্রত্যেক চতুর্দশী ও অষ্টমীতে আমি শিবের পূজা করতে যাই। একবার পূজা করতে করতে দিন কাটিয়ে দিয়েছিলাম। বাবা আমার অপেক্ষা করে এক ফোঁটা জলও গ্রহণ করেননি। তিনি রেগে গিয়ে আমাকে অভিশাপ দিলেন অষ্টমীতে এবং চতুর্দশীর দিন আমাকে এই রাক্ষস গিলে ফেলবে। আর ওর পেট চিরে আমাকে বেরিয়ে আসতে হবে। রাক্ষসকে যদি কেউ মেরে ফেলে তো আমি শাপমুক্ত হব। আগেকার সমস্ত বিদ্যা আমি ফিরে পাব। এখন আমি শাপমুক্ত। আমি বাবার কাছে ফিরে যাব, তুমি তোমার পথে ফিরে যাও।' মৃগাঙ্কবতী বলল।
রাজা দুঃখে গুমরে উঠলেন। আর একটি সপ্তাহ তাঁর সাথে কাটাতে বললেন। সুন্দরী রাজি হল। সপ্তম দিনে রাজা মৃগাঙ্কবতীকে কুয়োর কাছে নিয়ে গিয়ে আলিঙ্গন করতে করতে ওকে নিয়েই কুয়োতে ঝাঁপ দিলেন।
তারপর? দু-জনে যশঃকেতুর নগরের একটি কুয়ো থেকে বেরিয়ে এল। এই ঘটনা দীর্ঘদর্শী দেখল। সেইদিন রাত্রেই মন্ত্রী শয্যা নিল। মন্ত্রীর মৃত্যু হল।
বেতাল এই কাহিনি শুনিয়ে জিজ্ঞেস করল, 'মহারাজ, দীর্ঘদর্শীর মৃত্যু হল কেন? রাজা ফিরে রাজ্যের সমস্ত ভার নিজের হাতে নিয়েছেন বলে? নাকি সে নিজে পরমা সুন্দরীকে বিয়ে করতে পারল না— এই দুঃখে? আপনি আমার প্রশ্নের জবাব জানা সত্ত্বেও যদি না দেন আপনার মাথা টুকরো টুকরো হয়ে যাবে।'
বিক্রমাদিত্য বললেন, 'দীর্ঘদর্শীর মৃত্যু এই দুটো কারণে হয়নি। মন্ত্রী বুঝতে পেরেছিলেন যে, যে রাজা সাধারণ সুখ ভোগের মধ্যে ডুবে রাজ্যের সব ভার মন্ত্রীর ঘাড়ে চাপিয়ে তাকে দোষী করতে চলে গিয়েছিলেন, সেই রাজা এমন পরমা সুন্দরীকে পেয়ে আর রাজকার্য নেবেন কোনোদিন! তাহলে কি মন্ত্রী সারাজীবন অপমান সহ্য করে যাবেন। এই কারণে দীর্ঘদর্শীর অকালে মৃত্যু হল।'
রাজা বিক্রমাদিত্য মুখ খুলতেই সাথে সাথে বেতাল শবসহ গায়েব হয়ে আবার সেই গাছে ঝুলে পড়ল।

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন