ঊনত্রিশ

অনিরুদ্ধ বসু

কাভিয়া প্রিয়াঙ্কাকে বলল “ইউ মাস্ট হেল্প মি”

দুজন একই ব্যাচের। কাভিয়া ফার্স্ট হওয়ায় দ্য হেরাল্ড অফ ইন্ডিয়াতে চাকরি পেয়ে গেছিল। প্রিয়াঙ্কা সেকেন্ড ডিভিশন পাওয়ায় ‘সিনে সাউথ’-এ একটা চাকরি পায়।

“দ্রক্সা?”

“ইয়েস, দ্য মিউজিক অ্যারেঞ্জার। জাস্ট নিড অ্যান অ্যাপয়েন্টমেন্ট। নট অ্যাস এ জার্নালিস্ট। বাট অ্যাস মিউজিক লাভার লুকিং ফর এ ব্রেক। আই অলসো হ্যাভ এ প্রাইমারি ডিগ্রি ইন কর্নাটকি মিউজিক”

“কান্ট প্রমিস। উইল ট্রাই”

‘সিনে সাউথ’ সিনেমার মাঝারি গসিপ ম্যাগাজিন। সার্কুলেশন থাকলেও তেমন কিছু নয়। প্রিয়াঙ্কা ফিল্মি দুনিয়ার মিউজিক উইং কভার করে। তিরুপতিশ্বর মুখ তুলে চাইলেন। দ্রক্সা কাভিয়ার সঙ্গে দেখা করতে রাজি হল।

“আই অ্যাম ফ্রম কুন্নুর। দো অ্যান আইটি প্রফেশনাল, আই অ্যাম অলসো ট্রেইন্ড ইন কর্নাটকি মিউজিক। আই নো ইটজ ডিফিকাল্ট। বাট আই সাপোস ইউ মাইট ট্রাই টু গিভ মি এ ব্রেক ইন ইওর ইন্ডাস্ট্রি”

“হোয়াই? হোয়েন ইউ আর ওয়ার্কিং ইন দ্য আইটি?

মিনতি করল “মিউজিক ইজ মাই প্যাশন”

দ্রক্সা অবাক “আই অ্যাম নট এ মিউজিক ডিরেক্টর। জাস্ট এ মিউজিক অ্যারেঞ্জার"

“স্টিল অল মিউজিক ডিরেকটরস রিলাই অন ইউ। ডোন্ট দে?”

“টু সাম এক্সটেন্ট। আই অ্যাম মাইসেলফ এ বিট ডিপ্রেসড নাউ”

“হোয়াই?”

“ওয়ান অফ মাই বেস্ট মিউজিক্যাল কম্পোজিশনস উড নেভার সি দ্য লাইট”

“হাউ কাম?”

“হ্যাভ ইউ হার্ড অফ দ্য রিসেন্ট ডেথ অফ পৌরভি, দ্য রিনাউন্ড হিরোইন?”

“আই থিংক স্য ইট ইন দ্য টিভি”

“রুক্সা কমপোসড এ লাভলি টিউন, এ ভেরি পেপি নম্বর হুইচ আই অ্যারেঞ্জড অ্যান্ড রেকর্ডেড সো ভেরি ওয়েল। নাউ উইথ পৌরভিস ডেথ, দ্য প্রোডাকশন হ্যাস কাম টু এ হল্ট। গড নোস হোয়েন, ইফ অ্যাট অল, দ্যাট নম্বর উড সি দ্য ডে লাইট?”

“হাউ ডিড সি ডাই?”

"ডোন্ট নো। সি ওয়াজ এ বিজি আর্টিস্ট অ্যান্ড ডিড নট হ্যাভ লট অফ টাইম। আই সেন্ট দ্য রেকর্ডেড কম্পোজিশন ইন এ এমপিথ্রি প্লেয়ার, সো দ্যাট সি কুড হিয়ার হোয়েন ফ্রি। দিস উড হ্যাভ বিন এ মেজর হিট”

“হাউ ডিড সি ডাই?”

“গড নোস। এ বম্ব ব্লাস্ট ইন মহাবালিপুরম হোয়াইল অন এ আউটডোর শুট। নাউ আই হিয়ার দ্য ব্লাস্ট কেম ফ্রম সুইচিং অন দ্য এমপিথ্রি প্লেয়ার। নো ক্লু হাউ ইট হ্যাপেন্ড”

“ইউ গেভ হার দ্য মিউজিক?”

“নট মি পারসোনালি। আই হ্যান্ডেড ইট ওভার টু দ্য প্রোডাকশন কনট্রোলার”

“প্রোডাকশন কনট্রোলার? হোয়াটজ দ্যাট?”

“চন্দ্র নাইডু ওয়াজ দ্য প্রোডাকশন কনট্রোলার ফর দ্য মুভি। আই আস্কড হিম টু পাস ইট টু হার” দীর্ঘশ্বাস ফেলল দ্রক্সা।

“ইউ আর দ্য অ্যারেঞ্জার অফ লট অফ আদার সংস ইন আদার মুভিস” কাভিয়া কথাটা ঘুরিয়ে দিল “কুড ইউ ট্রাই মি সামহোয়ার এলস?”

পার্স থেকে সিডি দিয়ে বলল “হিয়ার আর সাম অফ মাই রেকর্ডিংস। ইফ ইউ কাইন্ডলি লিসন”

“সিওর। জাস্ট রাইট ইওর নেম অ্যান্ড মোবাইল অন দ্য সিডি। আই সিম টু লুজ পেপারস”

লিখে বেরিয়ে এল দ্রক্সার স্টুডিওর সাইড রুম থেকে। লাইনটা বুঝে গেছে। রুক্সার সুরে দ্রক্সার মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টে চন্দ্র নাইডুর হাত ঘুরে এমপিথ্রি প্লেয়ার পৌঁছেছিল পৌরভির কাছে।

এবারের গন্তব্য চন্দ্র নাইডু। খোঁজ নিয়ে জানা গেল চন্দ্র নাইডু চেন্নাইতে নেই। দিল্লি গেছে কাজে। হোম ওয়ার্ক করতে গিয়ে খোঁজ পেল, চন্দ্র নাইডু নতুন প্রোডাকশনে জয়েন করেছে। সেই কারণেই দিল্লি। প্রোডাকশনের নাম ‘অ্যাজ এন্টারটেনমেন্ট’। কিছুদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হওয়ার কথা। জোগাড়যন্ত্র করে দিল্লি-মুম্বাই হয়ে অবশেষে চেন্নাই।

মধুস্করার ওরায়ন বিউটি পার্লারে সাজিয়ে চন্দ্র নাইডুর অফিসে “হার্ড ইউ আর মেকিং এ নিউ মুভি?”

“নট মি। ইটজ ‘এজ এন্টারটেনমেন্ট’। আই অ্যাম দ্য প্রোডাকশন কনট্রোলার"

“আই অ্যাম ইন্টারেস্টেড ফর অ্যাক্টিং ইন মুভিস”

“দ্যাটজ নট ইন মাই হ্যান্ডস। অল ডিপেন্ডস অন দ্য প্রডিউসার অ্যান্ড দ্য ডিরেক্টর”

“ডোন্ট মিসটেক মি। আই ডোন্ট হ্যাভ দ্য ক্যারিসমা অফ এ হিরোইন। নাইদার দ্য লুকস। মে বি এনি সাইড রোল?” মুখটা করুণ “প্লিজ”

চন্দ্র নাইডুর মায়া হল মেয়েটির প্রতি “হ্যাভ ইউ ব্রট ইওর পোর্টফোলিও?”

ব্যাগ থেকে ছোট্ট অ্যালবাম বার করে চন্দ্র নাইডুকে দিল। অ্যালবাম উলটে বলল “এ বেবিস লুক। আই হার্ড ফ্রম দ্য ডিরেক্টর দেয়ার ইজ এ ক্যারেক্টার। আই উইল টক উইথ হিম। ক্যান ইউ লিভ দিস উইথ মি?”

“সিওর”

“দিস ইজ এ নিউ প্রোডাকশন কোম্পানি। ডোন্ট নো হোয়েদার দে ক্যান পে ইউ এ লট। বাট... নেভারদ্যলেস... দ্য প্রিভিয়াস প্রোডাকশন ওয়াজ অফ হাই বাজেট। নাউ ইট হ্যাস স্টপড”

“হোয়াই?”

“ডিডন্ট ইউ সি ইট ইন দ্য নিউস? দ্য হিরোইন অফ দ্য মুভি পৌরভি ডায়েড?”

“হাউ?”

“হার্ড ইট ওয়াজ এ বম্ব ব্লাস্ট ফ্রম অ্যান এমপিথ্রি প্লেয়ার”

“বম্ব ইন অ্যান এমপিথ্রি প্লেয়ার!”

“দ্যাটস হোয়াট আই হার্ড। ইটস মোস্ট আনফরচুনেট দ্যাট আই হ্যাড পাসড দ্য এমপিথ্রি প্লেয়ার। ইফ ওনলি আই হ্যাড নোন। আই উডন্ট হ্যাভ”

“ইউ ইওরসেলফ গেভ ইট টু হার?”

“নো। হাউ কুড আই গেট দ্য টাইম? উই ওয়ার শুটিং ইন মহাবালিপুরম। ইট ওয়াজ আউটডোর অন এ টাইট সিডুল। আই হ্যাড টু অরগ্যানাইজ এভরিথিং টু ফিনিশ দ্য শুট ইন টাইম। এলস এ লট অফ প্রডিউসারস মানি উড হ্যাভ বিন ওয়েস্টেড। পৌরভি ইজ এ ভেরি বিজি হিরোইন। লুসিং এ ডে উড মিন এ হিউজ এক্সেপেন্ডিচার টু দ্য প্রডিউসার। ইট উড হ্যাভ বিন ডিফিকাল্ট টু গেট পৌরভিস ডেইটস”

“হু গেভ হার দ্য এমপিথ্রি প্লেয়ার?”

“ডোন্ট নো। আই পাসড ইট অন টু দ্য বেল বয় কেষ্ট টু হ্যান্ড ইট ওভার টু হার”

“দ্যাটস পাস্ট। ইউ আর ব্যাক উইথ দিস নিউ ওয়ান। আই নিড এ রোল নো ম্যাটার হাউ ট্রিভিয়ল ইট মে বি”

“লিভ দ্য পোর্টফোলিও উইথ মি। ইওর নেইম অ্যান্ড নম্বর। লেটস সি হোয়াট আই ক্যান ড্যু ফর ইউ”

কাভিয়া উঠে পড়ল। যা জানার, জানা হয়ে গেছে। চন্দ্র নাইডু যদিও প্লেয়ারটা পাঠিয়েছে, ও ধরেই নিয়েছে রুক্সার গানটাই পাঠাচ্ছে। ওর ভেতর কী ছিল ও জানে না। একবার ভাবল। চন্দ্র নাইডুর হাতে আসার আগে কী বম্বটা ওখানে রাখা হয়েছে? ভাবতেই মনে হল, যে এ কাজ করিয়েছে সে এত কাঁচা কাজ করবে না। যদি পৌরভি টার্গেট হয়ে থাকে, এত হাত মারফত প্লেয়ারটা গেছে। যে কেউ সুইচ অন করলেই উদ্দেশ্য পন্ড। শেষ কিস্তিতেই এই খেলা।

কথা শুনে মনে হচ্ছে কেষ্টই শেষ কিস্তি।

মধুস্করার ফোন পেয়ে আশ্চর্য কাভিয়া। আশা করেনি তাকে ফোন করবে “ফ্রি টুনাইট?”

“ইয়েস”

“টুডে ইস মাই লেট সিস্টার্স বার্থডে। ইউ রিমাইন্ড মি অফ হার। মিস হার ভেরি মাচ। উইল ইউ হ্যাভ ডিনার উইথ মি?”

“সিওর”

“কাম ওভার টু মাই রেসিডেন্স অ্যাট দ্য বোট ক্লাব অ্যাট সেভেন ইন দ্য ইভিনিং। আই উইল কুক ফর ইউ। হোয়াট ডু ইউ প্রেফার? ফ্রেঞ্চ অর ইটালিয়ান?”

“হোয়াটেভার ইউ প্রেফার”

“মাই সিস্টার লাভড ফ্রেঞ্চ। সো ইট উইল বি ফ্রেঞ্চ টুনাইট”

“আইল বি রাইট দেয়ার”

বোট ক্লাবের বাড়িতে আসার পথে ক্রিস্ট্যাল গ্লাসের ফ্লাওয়ার ভাস কিনল। মধুস্করার হাতে দিয়ে বলল “ফর ইউ... ফ্রম ইওর আদার সিস্টার”

ফ্লাওয়ার ভসটা হাতে নিয়ে চোখ ছলছল “ওহ মাই! হাউ ক্যান দিস হ্যাপেন?”

“হোয়াট ম্যাম?” কভিয়া অবাক।

“মাই সিস গেভ মি এ সিমিলার ওয়ান অন হার বার্থডে, টু ডেইস বিফোর হার ডেথ?”

আবেগে বুকে জড়িয়ে ধরল কাভিয়াকে। ভাষাহীন অনুভূতিতে চোখে মুক্তোর কণা। নিঃশব্দ মুহূর্তগুলো অতীতের ফেলে আসা স্মৃতির শান্ত আশ্রয় নতুন ভাষা খুঁজে পাচ্ছে।

বেষ্টনী শিথিল। কাভিয়াকে সোফায় বসতে বলল “লাইক সাম ওয়াইন?”

কী করা উচিত বুঝতে পারছে না। মধুস্করা ততক্ষণে সেলার থেকে বোতল আনল। হাতে নিয়ে বলল “ভিনটেজ বরড্যু। ফ্রেঞ্চ ওয়াইন, উইথ ফ্রেঞ্চ ফুড”

ফ্রান্সের ভিনিয়ারডের অন্যতম বরড্যুর নাম শুনেছে। খাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি। ভিনটেজ মানে দামি। কাভিয়া ওয়াইনে চুমুক দেওয়ার আগে গ্লাস ঠেকিয়ে বলল “চিয়ার্স! ইফ আই কুড রিকিন্ডল ইওর সিস্টার্স মেমরি, ইট উড মেক মাই ডে”

“সি ওয়াজ দ্য ক্লোজেস্ট থিং ইন মাই লাইফ। আফটার হার ডেথ নাথিং ইজ দ্যাট ক্লোজ। সি ওয়াজ ভেরি ডিয়ার টু মি। আওয়ার মাদার ডায়েড হোয়েন উই ওয়ার ভেরি ইয়ং। সো সি ওয়াজ মাই অল - ফ্রেন্ড, ফিলসফার অ্যান্ড গাইড। আফটার হার ডেথ, আই হ্যাভ লস্ট মাই ওন লিটল ওয়ার্ল্ড। আই সিম টু বি কনফ্রন্টেড উইথ বম্ব ডেথস অল দ্য টাইম। ফার্স্ট দিস বম্ব ব্লাস্ট ইন ট্রেন। নাউ দ্য আদার ওয়ান উইথ পৌরভি।... উই ক্লাইমড টু সাকসেস টুগেদার”

“হাউ ডিড পৌরভি ডাই?”

“বম্ব ব্লাস্ট। আফটার দ্য প্যাক আপ উই ওয়ার চ্যাটিং ইন হার রুম। উই ডিসাইডেড টু টেক এ স্ট্রোল অন দ্য প্রাইভেট বিচ। অ্যাপ্রিসিয়েটিং দ্য বিউটি অ্যামিডস্ট দ্য মুনলাইট অ্যান্ড ফ্র্যাগনেন্স অফ দ্য সি ব্রিজ অ্যামিডস্ট নেচার। উই হ্যাড ড্রিফটেড এপার্ট। আই ওয়াজ অন দ্য ফোন হোয়েন আই স্য দিস ব্লাস্ট। ও মাই গস! ইট ওয়াজ হরেন্ডাস। দ্য থট অফ দ্য সিন, সেন্ডস চিলস ডাউন মাই স্পাইন”

“হাউ ডিড ইট হ্যাপেন?”

“সি হ্যাড ওনলি দ্য মোবাইল অ্যান্ড দ্য এমপিথ্রি প্লেয়ার, হুইচ আই স্য স্লিপ ইনটু পাজামা পকেটস ফ্রম দ্য লেদার পার্স। সি সেড সি ওয়ান্টেড টু হিয়ার দ্য সং। সি হ্যাড দ্য শুট নেক্সট ডে ফর দ্য সং সিকোয়েন্স। সি ওয়ান্টেড টু কম্পোজ ইট পারফেক্টলি”

কাভিয়া চুপচাপ শুনে যাচ্ছে। ওয়াইনটা সত্যি ভালো খেতে। এত দামি ওয়াইন খেতে পারবে আশাও করেনি। বেশি দেরি হলে ফিরতে মুস্কিল। কিছুক্ষণ পর মধুস্করা বলল “শ্যাল আই আস্ক দেম টু গেট দ্য ডিনার রেডি? স্পেশালি কুকড ফর ইউ”

“ইয়েস প্লিজ”

ডিনার দেখে চক্ষু চড়কগাছ। এলাহি আয়োজন। খেতে বসতে যাবে, এমন সময় মধুস্কারার ফোন। ওপাশ থেকে কেউ কিছু বলছে! কে? বোঝা গেল না।

মধুস্করার কণ্ঠস্বর “গ্রেট কেষ্ট। চালিয়ে যাও। রামালিঙ্গম ফিল্মস? ‘স্নেহাতিন্দে মাররাম’? গুড লাক”

অবাক হয়ে মধুস্করার দিকে তাকাল “হোয়াট ডিড ইউ সে?”

“ইট ওয়াজ ওয়ান অফ আওয়ার বেল বয়েস, ওয়ার্কিং উইথ আওয়ার ইউনিট ইন দ্য প্রিভিয়াস মুভি উইথ পৌরভি। এ বেঙ্গলি বয় কেষ্ট”

“ক্যান ইউ স্পিক বেঙ্গলি?’

“জাস্ট এ ফিউ ওয়ার্ডস”

“হোয়াটজ দ্য আদার ল্যাঙ্গুয়েজ ইউ সেইড?”

“মালায়ালি। ‘স্নেহাতিন্দে মাররাম’ মিনস ট্রি অফ লাভ। হি ওয়াজ আউট অফ জব আফটার ক্লোজার অফ দ্য ইউনিট। হি জাস্ট ইনফরমড দ্যাট হি হ্যাস নাউ গট এ জব ইন এ নিউ প্রোডাকশন অফ রামালিঙ্গম ফিল্মস, নেমড ‘স্নেহাতিন্দে মাররাম’। আই অ্যাম সো হ্যাপি। দিস পুওর পিপল লিভ অন এ মিগার ওয়েজ। ইফ এ প্রোডাকশন স্টপ্স, আনলেস দে গেট আনাদার জব, দেয়ার ব্রেড অ্যান্ড বাটার বিকামস এ বিগ কোয়েশ্চেন”

কোথা থেকে কোথাকার খবর বেরিয়ে এসেছে। পুলিসের বাপেরও ক্ষমতা ছিল না এই গল্প বার করে আনার। এত বড় ঝুঁকি নিয়ে রামাস্বামীকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে চাকরিটা দাঁওতে লাগিয়ে নেমে পড়েছে। সেনসেশনাল স্কুপ স্টোরি না দিতে পারলে চাকরি থাকবে না। তিরুপতিশ্বর রক্ষাকবচের মতো তাকে আগলে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। বুঝতে পারছে ভাগ্য তার পেছনে, সহায় হলে রোখে কে?

মধুস্করা হাতে করা এত রান্না পরম যত্নে বেড়ে দিচ্ছে। সেদিকে খেয়াল নেই। মাথায় একটাই চিন্তা। কী করে কেষ্টর দেখা পাবে ‘স্নেহাতিন্দে মাররাম’-এর সেটে?

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%