পঁয়ত্রিশ

অনিরুদ্ধ বসু

শেষ পর্যন্ত মহাবলিপুরম না গিয়ে হায়দরাবাদের ট্রেন চেপে বসল কাভিয়া। রামালিঙ্গম ফিল্মসের ‘স্নেহাতিন্দে মাররাম’-এর শুটিং রামোজি ফিল্ম সিটিতে চলছে। পুরো ইউনিট ওখানেই কাজ করছে। সূত্র যখন হায়দরাবাদে, মাহাবালিপুরম গিয়ে কাজ নেই। হায়দরাবাদ স্টেশনে নেমে শুনল, রামোজি ফিল্ম সিটি প্রায় ১৬ মাইল। কোটির উইমেনস কলেজ বাস স্টপ থেকে ২০৬ নম্বর বাস ধরে পৌঁছে গেল। রিসেপশন থেকে টিকিট। দ্য হেরাল্ড অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্টারের কার্ড দেখিয়ে জানাল, ইন্টারভিউ নিতে এসছে।

রামোজি ফিল্ম সিটিতে প্রি-ডিসাইনড সেট আছে। ভাড়া নিলে সেট ডিসাইনিং খরচ বেঁচে যায়। ‘স্নেহাতিন্দে মাররাম’-এর ভিলেজ সিকোয়েন্সের শুটিং। সরু রাস্তা। দু-পাশে টালির চালের একতালা বাড়ি। তিনটে লাল সিঁড়ি উঠে দরজায় ঢুকেছে। ক্যামেরা, রিফ্লেক্টর, লাইট, সব সেট করে, শুটিংয়ের প্রস্তুতি চলছে। গ্রামের সিকোয়েন্স নিশ্চয়ই। সিনেমা যতই ইন্টারেস্টিং হোক না কেন, শুটিং ততটাই বোরিং। প্রত্যেকটা সিকোয়েন্স তিনবার তিন অ্যাঙ্গেল থেকে। সেটাও শট ওকে হলে। নইলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আগে শুটিং কভারেজ করতে গিয়ে বুঝেছে। যতক্ষন না শুটিং শেষ হল, বসে রইল কাভিয়া।

শেষ হতে বেল বয়কে জিজ্ঞেস করল “কেষ্ট”

“ইল্লে” মাথা নেড়ে চলে গেল।

অনেক খোঁজের পর কেষ্টর হদিস পাওয়া গেল। শট হয়ে গেছে। কেষ্ট বিশ্রামের জন্য উলটো দিকের টালির বাড়ির সিঁড়ির ওপর বসে জিরচ্ছে। কাভিয়া পাশে গিয়ে বসল।

“বাঙ্গাল কা?”

মাথা নাড়ল।

“কাঁহা সে?”

“বাঙ্গাল, মেদিনীপুর”

“ইতনা দূর কাম করনে কেও?”

“কেয়া করে মেমসাব? রোটিকে সিলসিলে মে। উধর সে ইধর কাম করনে মে জাদা তংখা মিলতা”

“কিতনে দিন ইয়ে লাইন মে?”

“চার সাল”

“পহলে কোই সিনেমা মে কাম কিয়া?”

“হাঁ। মহাবালিপুরম মে কাম কর রহা থা। পরন্তু উসকে হিরোইন পৌরভি ম্যাডাম মরনে কে বাদ সিনেমা বন্ধ হো গয়া”

“তব কেয়া করতে থে?”

“কুছ নেহি। বহতদিন কোই কাম নেহি থা। এক হপ্তে ভর খানা ভি মুস্কিল। সোচা থা, বাঙ্গাল লৌট যাউ। ফির ভগওয়ান কালীকে আশীর্বাদ মিলা। ইয়ে নয়ে সিনেমা মে কাম মিল গয়া”

“কোন ইউনিট আচ্ছা?”

“আগে ওয়ালে। মেমসাব লোগ দেখভালো করতে থে। থোরা-বহত রূপয়ে ভি দেতা থা”

“হিরোইন?”

“নেহি। ওহ লোগ তো বড়ে আদমি। উসকা বাল দেখনেওয়ালে মেমসাব মধুস্কারাজি। বহত আচ্ছে থে। মুঝে বহত পেয়ার করতে থে। মেরা দোস্তকো ভি উনহে নোকরি দিয়া”

“পৌরভি কৈসে আদমি থে?”

“বহত বড়া হিরোইন। উসে কাঁহা ফুরসত মেরে মাফিক ছোটামোটা নৌকর কে লিয়ে?”

“কভি ভেট হুয়া?”

“ঐসে তো কাম কে ওয়াক্ত চায় ওয়াগারা লা দেতা থা। পরন্তু একবারই হি করিব সে দেখা”

“কব?”

“প্রোডাকশন কন্ট্রোলার চন্দ্র নাইডু সাব উনহে গানেকে প্লেয়ার দেনে বোলা”

“দে আয়ে?”

“হাঁ। তভি তো উসে করিব সে দেখা। বহত বড়িয়া দেখনে”

“অপনে হাত সে প্লেয়ার দিয়া?”

“হাঁ, কেঁও? ইসলিয়ে উসকে নজদিক যা সকা”

“ঔর কোইকো শুননে নেহি দিয়া?”

মনে করার চেষ্টা করল “দিয়া থা। মেরে দোস্ত গোবিন্দ কো। উসে গানা শুননে কে বড়া শখ। পহলে তো ইনকার কিয়া। মেরে জিম্মেদারি পৌরভিজি কো দেনে। ফির ওহ জিদ করনে মে শুননে কে লিয়ে দিয়া। এক হি মুলুককে। না নেহি কর পায়ে”

“কৈসে গানা থা?”

“মালুম নেহি। হিরো চায় দেনে কে লিয়ে বোলা। চায় দে কর, লৌট আনে মে, প্লেয়ার লৌটা দিয়া। মালুম নেহি শুনা কেয়া? পুছনে কা ওয়াক্ত নেহি মিলা”

“কেয়া নাম উসকা?”

“গোবিন্দ”

“ওহ কাঁহা হ্যায়?”

“উসে নৌকরি নেহি মিলা। ইসলিয়ে বাঙ্গাল মে লৌট গয়া”

“মালুম কাঁহা রহতে হ্যায়?” মাথা নাড়ল কেষ্ট “মধুস্করা মেমসাব উসে নোকরি মে লায়া থা। সয়েদ জানে”

অ্যাসিস্ট্যান্ট কনট্রোলারের ডাক এসেছে। উঠে পড়ল। কাভিয়া ওর হাতে দুশো টাকা গুঁজে দিল “তুমহারে লিয়ে” পকেটে টাকা গুঁজে কাভিয়াকে সেলাম ঠুকে বেরিয়ে গেল।

ব্যাপারটা এখন পরিষ্কার। চন্দ্র নাইডু এমপিথ্রি প্লেয়ার কেষ্টকে দিয়েছিল, পৌরভিকে দেওয়ার জন্য। মাঝে কিছুক্ষণের জন্য গোবিন্দ নিয়েছিল। যখন কেষ্ট হিরোকে চা দিতে গেছিল, সেই সময় যা কিছু ঘটেছে। গোবিন্দর কাছে এমপিথ্রি প্লেয়ার বদলে বম্ব দেওয়া প্লেয়ার পালটে দেওয়া হয়েছে। মানে যে ধরনের এমপিথ্রি প্লেয়ার চন্দ্র নাইডু ওকে দিয়েছিল, একই রকমের প্লেয়ার বদলে দেওয়া। না হলে, কেষ্টর সন্দেহ হত। শুধু গোবিন্দ নয়, ওই ইউনিটে এমন কেউ যে শুধু গোবিন্দকে প্লেয়ার পালটে দেয়নি, প্লেয়ারের আকারও জানা। এমনকী ইউনিটের গতিবিধিও। যাতে নিশ্চিতভাবে পৌরভির কাছে পৌঁছয় তাও মনিটার করছিল। কে সে? কীভাবে হল? একমাত্র গোবিন্দই বলতে পারবে। গোবিন্দকে পাবে কোত্থেকে? মধুস্করাই বলতে পারবে।

মধুস্করাকে ফোন করতেই হাইহাই করে উঠল “হোয়ার হ্যাভ ইউ বিন?”

“আউট অন ওয়ার্ক। ক্যান আই মিট ইউ ওয়ান অফ দিস ডেস?”

“সিওর। আই ডোন্ট হ্যাভ মাই ডায়রি উইথ মি। আই অ্যাম ইন দ্য বাথ। কুড ইউ কল মি ইন হাফ অ্যান আওয়ার”

“বাই অল মিনস”

আধ ঘণ্টা পরে যখন ফোন করল, মধুস্করা বলল “স্যরি। চক আ ব্লক আনটিল স্যাটারডে। সানডে উড বি ফাইন। হ্যাভ সানডে লাঞ্চ উইথ মি”

ফোনটা রেখে বুক দুরু দুরু। এবার আসল পরিচয় দিতে হবে। নইলে মধুস্করা থেকে গোবিন্দ সম্বন্ধে কিছু বার করতে পারবে না। কী ভাবে? মধুস্করাই বা কী ভাবে নেবে? কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম। গোবিন্দর হদিস না পেলে, কার এই হাতসাফাই বোঝা যাবে না।

কনটিনেন্টাল লাঞ্চ। সুপ উইথ ব্রেড। চিকেন আউ-গ্র্যাটিন উইথ স্যালাড। কাভিয়া কনটিনেন্টাল প্রিয়।

মধুস্করা বলল “আই ইউসুয়ালি হ্যাভ এ লাইট লাঞ্চ। কনটিনেন্টাল ইজ মাই ফেভারিট। ডু ইউ লাইক ইট?”

মাথা নাড়ল কাভিয়া। লাঞ্চের চিন্তা বাইরে। মাথার মধ্যে কেবলই ঘুরপাক খাচ্ছে, কী ভাবে কথা পাড়বে?

“আন্না, ক্যান আই কল ইউ আন্না?”

“ইউ আর মাই সিস। হোয়াই উইল আই কল ইউ নাউ অ্যান দেন?”

এতক্ষণ কাভিয়াকে দেখেনি। কাভিয়ার দিকে চোখ পড়তেই চমকে উঠল। মুখটা কালো, দুশ্চিন্তায় ভরা। বর্ষার কালো মেঘ মুখে ছেয়ে। কোথাও নিশ্চয়ই প্রব্লেম...

চেয়ার ছেড়ে কাভিয়ার পাশে “হোয়াটস দ্য ম্যাটার ডিয়ার?”

কাঁপছে। মাথায় হাত, কান্নায় ভেঙে পড়ল কাভিয়া। মধুস্করা বুঝতে পারছে না, কাঁদছে কেন?

“আই হ্যাভ লায়েড টু ইউ। আই ডু নট ওয়ার্ক ফর এ আইটি ফার্ম। আই অ্যাম এ ভেরি জুনিয়ার জার্নালিস্ট অফ দ্য হেরাল্ড অফ ইন্ডিয়া”

কোনও কথা নেই। কাভিয়া খাবার টেবলে মুখ নিচু করে বসে। মধুস্করা সোফায় বসল। খাবার ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। নীরবতা ভেদ করে দেয়ালের কাকু ক্লক জানান দিল ওয়ান ও’ক্লক।

এক সময় মধুস্করা বলল “বাট হোয়াই?”

কাভিয়া ডাইনিং টেবল ছেড়ে মধুস্করার পাশে সোফায় “আই ওয়ান্টেড টু রাইট এ স্টোরি অন দ্য ডেথ অফ পৌরভি”

কিছুক্ষণের নিস্তব্ধতা। মধুস্করা বুঝতে পারছে কাভিয়া কেন মিথ্যে বলেছে। এ ছাড়া ওর কীই বা করার ছিল? জার্নালিস্ট বললে, মধুস্করা কী তাকে এনট্রি দিত? হারিয়ে যাওয়া বোনটিকে কি আবার ফিরে পেত? ছোট বোনকে সব সময়ই ক্ষমা করা যায়। নিজের বোন বেঁচে থাকলে তাকে কী সে ক্ষমা করত না? সত্যি চাই মিথ্যে, অজান্তে, কাভিয়া হারিয়ে যাওয়া বোনের জায়গা নিয়ে ফেলেছে। অস্বীকার করে কী করে?

“অ্যান্ড ডিড ইউ গেট দ্য স্টোরি?”

কাভিয়ার মুখ নিচু। মধুস্করার কথায় প্রাণ পেল। মধুস্করা তাকে ক্ষমা করে দিতেও পারে।

“ওয়েল সর্ট অফ... ইয়েস... ওনলি দ্য লাস্ট বিট ইজ মিসিং”

“হোয়াট ইজ দ্য স্টোরি?”

“পৌরভি ডায়েড অফ এ বম্ব ব্লাস্ট ফ্রম এ এমপিথ্রি প্লেয়ার। দ্য ফ্যাক্ট ইজ চন্দ্র নাইডু, দ্য প্রোডাকশন কনট্রোলার হ্যান্ডেড দিস প্লেয়ার টু এ বেল বয় নেমড কেষ্ট হু হ্যান্ডেড ইট ওভার টু পৌরভি”

“ইউ মিন চন্দ্র নাইডু প্লান্টেড দ্য বম্ব?”

“নট অ্যাট অল। দ্য প্লেয়ার হি গেভ টু কেষ্ট ওয়াজ দ্য ওয়ান উইথ দ্য সং। কেষ্ট ইজ নো ওয়ে রেসপনসিবল। ইন বিটুইন গিভিং দ্য প্লেয়ার, গোবিন্দ আনাদার বেল বয় অ্যান্ড এ ফ্রেন্ড অফ কেষ্ট, ওয়ান্টেড টু লিসন টু দ্য সং। হোয়াইল কেষ্ট ওয়েন্ট টু ডেলিভার টি টু দ্য হিরো, হি গেভ গোবিন্দ দ্য প্লেয়ার। ইট ইজ ডিওরিং দিস টাইম দ্যাট সামথিং মাস্ট হ্যাভ হ্যপেনড। সাম ওয়ান প্লেড ফাউল উইথ দ্য প্লেয়ার”

“বাট হাউ?”

“ওনলি গোবিন্দ ক্যান আন্সার। হি হ্যাস গন ব্যাক হোম। ইট মে বি, দ্যাট দ্য প্লেয়ার মে হ্যাভ বিন চেঞ্জড্ অ্যান্ড সাবস্টিটিউটেড উইথ এ সিমিলার বম্ব লেডেন প্লেয়ার”

“ওহ মাই গস! বাট হোয়াই উইল হি ডু দ্যাট?”

“হি ডিডন্ট। হি হ্যাস ডন দ্য যব অ্যাট দ্য ইন্সট্রাকশন অফ সাম ওয়ান আই ডোন্ট নো। বাট ইট ইজ অবভিয়াস, হি ওয়াজ দেয়ার ইন দ্যাট ইউনিট টু। হু ওয়াজ সাইলেন্টলি মনিটরিং দ্য প্রগ্রেস অফ দ্য প্লেয়ার অ্যান্ড লুকিং ফর দ্য ওপারচুন মোমেন্ট টু চেঞ্জ দ্য প্লেয়ার। সো দ্যাট ইট ডেফিনাইটলি রিচেস পৌরভি অ্যান্ড নো ওয়ান এলস। ওনলি গোবিন্দ ক্যান আইডেন্টিফাই হিম। আই গ্যাদার ইউ প্রকিওর্ড দ্য যব ফর হিম?”

পৌরভির বন্ধুত্বের স্মৃতি, একসঙ্গে বড় হওয়া, একসঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়া, এমনকী সেদিনের সন্ধের স্মৃতিও ভেসে উঠল। বন্ধুকে হারনোর আবেগ ছাপিয়ে গেছে মেয়েটার মিথ্যেকে। মধুস্করা অবাক। ভাবতে পারছে না মেয়েটা এত কাজ করে ফেলেছে। এ কাজ, কোনও পুলিস বা অন্য কেউ করতে পারত কী? অ্যামেজিং গার্ল! একটুও রাগ হচ্ছে না। চোখের সামনে ভেসে উঠল পৌরভির মুখ। কতদিনের বন্ধু, কত সুখ-দুঃখের সহচর। তার অর্ধসমাপ্ত নারীত্বের মধ্যেও মিশে পৌরভির দেহের স্পন্দন।

কাভিয়াকে জড়িয়ে ধরে বলল “মারভেলাস। ইউ হ্যাভ ডান হোয়াট মাই হার্ট অলওয়েজ ওয়ান্টেড। ইফ মাই সিসটার ওয়াজ অ্যালাইভ সি উড হ্যাভ কনগ্র্যচুলেটেড ইউ ফর দিস। কাম, লেটস হ্যাভ লাঞ্চ। দ্য ফুড ইজ গেটিং ফ্রোজেন”

ঠান্ডা চিকেন আউ গ্র্যাটিনটা চিবিয়ে বলল “মাই গস, ইটস কোল্ড। শ্যাল আই আস্ক দেম টু ওয়ার্ম ইট আপ ইন দ্য মাইত্রেুাওয়েভ?”

মাথা নাড়ল কাভিয়া “দ্যাটস ফাইন” ন্যাপকিন দিয়ে মুখ মুছে বলল।

মধুস্করা ফর্ক দিয়ে আউ-গ্র্যটিনটা মুখে পুরল “গোবিন্দা ওয়াজ রেফার্ড টু মি বাই মাই প্লাস্টিক সার্জেন ফ্রেন্ড ইন বেঙ্গল ডাঃ আশিস ব্যানার্জি । হি সেইড দিস ওয়াস এ পুওর নিডি বয় ফ্রম বেঙ্গল। আই টোল্ড চন্দ্র নাইডু। হি গেভ হিম এ ব্রেক”

“হোয়ার ইজ হি নাউ?”

“নো ক্লু”

“দ্যাটস হোয়াই আই সেইড ওনলি দ্য লাস্ট বিট ইজ মিসিং হুইচ ইউ ক্যান আন্সার”

“আই কান্ট। আই সাপোস ডাঃ ব্যানার্জি মে। বাট আই হ্যাভ এ ফিলিং ইভেন হি কান্ট। হি ক্যান গিভ এ ট্রেস অফ হিস হোয়ার-অ্যাবাউটস। ডু ইউ ওয়ান্ট দ্য নম্বর অফ ডাঃ ব্যানার্জি?”

“ইট ইজনট মাই পেরগেটিভ। আই উইল পাস ইট অন টু দ্য পুলিস টু টেক ইট ফ্রম হিয়ার। আই অ্যাম হ্যাপি আই ওন্ট লুজ মাই জব”

“হোয়াট হ্যাস ইওর জব গট টু ডু উইথ ইট?”

কাভিয়া আউ-গ্র্যাটিনটা চেটেপুটে খেয়ে বলল “হোয়েন আই টুক দিস অ্যাসাইনমেন্ট মাচ এগেনস্ট দ্য উইশ অফ মাই এডিটার, আই থ্রু এ চ্যালেঞ্জ, ইফ আই ডোন্ট কাম উইথ এ স্টোরি, হি ক্যান ভেরি ওয়েল কিক মি আউট অফ মাই যব। থ্যাংক গুডনেস আই ওন্ট লুজ মাই জব। ইটজ অল বিকজ অফ ইউ”

“ইউ ওন্ট। ইফ ইউ লুজ, ইট উইল বি এ বিগ লস নট ওনলি ফর ইওর পেপার, বাট অলসো ফর দ্য সোসাইটি”

ডেসার্টে ক্যারামেল কাস্টার্ড। দুজনে ভাবছে, কে এই বেল বয় গোবিন্দকে হাত করে বম্ব দেওয়া প্লেয়ার পালটাল?

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%