কর্তব্য

ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বিক্রমাদিত্য ফিরে এলেন সেই গাছের কাছে। শব নামিয়ে কাঁধে ফেলে যথারীতি শ্মশানের দিকে হাঁটতে লাগলেন। তখন শবেস্থিত বেতাল বলল, 'রাজা, তুমি যে কাজ করছ তা যতই ছোটো কাজ হোক তুমিও নিশ্চয় বিজয়ের মতো জগতের কল্যাণ কামনা কর। তোমার পথ চলার পরিশ্রম লাঘব করার জন্য বিজয়ের কাহিনি শোনাচ্ছি। শোনো।'

বেতাল বিজয়ের কাহিনি শুরু করল

বিজয় ছিল মালবের রাজা মার্তণ্ডবর্মার একমাত্র পুত্র। উপনয়নের পর সে লেখাপড়া করার জন্য ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য দেশে-বিদেশে ঘুরে বেড়াতে লাগল। এক গুরু ধরে যুদ্ধবিদ্যা, রাজনীতি, ধর্মশাস্ত্র প্রভৃতি শিখে যুবাবস্থায় পৌঁছাল। একদিন গুরু বিজয়কে ডেকে বলল, 'শিষ্য, তোমার সমস্ত বিদ্যা অর্জনের পর্ব সমাপ্ত হয়েছে। তুমি এখন যুবক হয়েছ। যুবরাজ হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার সময় হয়েছে। এখন দেশে ফিরে গিয়ে রাজ্যশাসন কীভাবে করতে হয় সে অভিজ্ঞতা অর্জন কর। আশীর্বাদ করি দীর্ঘজীবন লাভ কর।'

বিজয় গুরুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে একা ঘোড়ায় চড়ে নিজের দেশে ফিরছিল। নিজের দেশের সীমানায় পা দিয়ে যত এগোতে লাগল একটি বিষয়ে ততই তার জ্ঞান বৃদ্ধি হতে লাগল। বিশেষ করে তারা ধারণা হল, তার বাবা নিজের দেশ অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে পরিচালনা করছে। সে বুঝতে পারল প্রজারা তার অত্যাচারে বিক্ষুব্ধ। তারা তার বাবাকে এবেলা-ওবেলা অভিশাপ দিচ্ছে। ছোটো ছোটো দলে ওরা রাজার বিরুদ্ধে নানা আলোচনা করছে। বিভিন্ন গ্রামের উপর দিয়ে ঘোড়ায় চড়ে সে যখন আসছিল তাকে দেখে গ্রামবাসীরা কৌতূহলী হল না।

শেষে বিজয় পথের সামনে যে পড়তে লাগল তাকেই বলল, 'আমি রাজার কাছে যাচ্ছি। রাজপ্রাসাদে যুবরাজের মতো একটা বড়ো পদে চাকরি পেয়েছি।'

বিজয়ের কথা শুনে এক বৃদ্ধ বলল, 'বাবা, মালব দেশের রাজপ্রসাদের প্রতি একদিন আমাদের ভক্তিশ্রদ্ধা ছিল। এখন আমাদের আর ওসব নেই। তোমার বয়সি যুবকেরা চম্পারণ্যে সেনাদের মতো তৈরি হচ্ছে। আজ না হোক কাল ওই যুবকদের নেতা সুধীর মালব দেশের সিংহাসনে বসবেই। মালব রাজাকে উৎখাত করার শুভ মুহূর্তের অপেক্ষায় আছে সুধীর। সুধীরের লোক ছদ্মবেশে রাজপ্রাসাদেও আত্মগোপন করে আছে। সুধীরের নির্দেশ পেলে ওরা যেকোনো মুহূর্তে রাজপ্রাসাদটাকে উড়িয়ে দিতে পারে। রাজপ্রাসাদ ভেঙে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে। একবার যদি সুধীর সিংহাসনে বসতে পারে তাহলে আর প্রজাদের দুঃখদুর্দশা থাকবে না। প্রজারা সুখে শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারবে।'

বুড়োর কথা শুনে দেশের অবস্থার একটা ছবি পরিষ্কার দেখতে পেয়ে বিজয় হতবাক হয়ে গেল। তারপর সে আর রাজপ্রাসাদের দিকে না গিয়ে সোজা রওনা দিল চম্পারণ্যের দিকে। ওই ঘন বনের মাঝখানে সে দেখল একটি নগর গড়ে উঠেছে। নগরের মতো সেখানে ঘন বসতি রয়েছে। কিন্তু নগরের মতো কোঠাবাড়ি নেই। নানা বয়সের লোক নেই। আছে শুধু যুবক। দু-এক-শো নয়, এক লক্ষেরও বেশি। ওরা পাহাড়ি অঞ্চলের অধিবাসীদের সঙ্গে মিশে ওদের যুদ্ধ করার শিক্ষা দিচ্ছে। রাজা খবর পেয়ে আজ পর্যন্ত যত লোককে ওই অঞ্চলে পাঠিয়েছিল তারা কেউ রাজপ্রাসাদে ফিরে যেতে পারেনি। সেখানকার যুবকদের কাছে ধরা পড়ে হয় প্রাণ হারিয়েছে আর না হয় যুবকদের কথামতো চলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রাণে বেঁচেছে। একজনও প্রাসাদে ফিরে আসতে পারেনি। শেষে রাজা এক সেনাবাহিনীকে ওই অঞ্চলে পাঠাল। ওই সেনাদল চম্পারণ্যে ঢোকার মুখে পাহাড়ের উপর থেকে পাথরের বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। বিরাট বিরাট পাথর অনেক উঁচু থেকে তাদের গায়ে পড়ায় সেই সৈনিকদলের প্রত্যেকে সেখানেই মারা গেল।

বিজয় চম্পারণ্যে ঢোকার মুখে হঠাৎ চার জন তার নাম-ধাম জিজ্ঞেস করল।

'আমার নাম বিনয়। আমি যোদ্ধা। অনেক রকমের যুদ্ধবিদ্যা আমার জানা আছে। আমি সুধীরের অধীনে সেনা হিসেবে থাকার উদ্দেশ্যে চম্পারণ্যে ঢুকছি।' বলল বিজয়।

যুবকেরা বিজয়কে এক বড়ো গুহার ভিতরে নিয়ে গেল। সেখানে সুধীর অন্য একজনের সঙ্গে কথা বলছিল। কাছাকাছি বসে বহু যুবক তার কথা মন দিয়ে শুনছিল। বিজয়ও তাদের পাশে বসে শুনতে লাগল। সুধীর বলল, 'রাজা মানে কী? রাজা কীভাবে হয়? যার ক্ষমতা বেশি সেই রাজা হয়ে যায়। যে রাজা প্রজাদের কাজ দেয়, খেতে দেয়, পরতে দেয়, শিক্ষা দেয় সেই রাজা টিকে যায়। যে রাজা শুধু ক্ষমতা দেখায়, খেতে দিতে পারে না, সে রাজা আসলে ক্ষমতাবান রাজা নয়। মার্তণ্ডবর্মা শুধু যে ক্ষমতাহীন রাজা তাই নয় তার বিবেকও নেই। তার বাবা এবং ঠাকুরদা যেহেতু রাজা ছিলেন অতএব তিনিও রাজা হয়ে গেলেন। মার্তণ্ডবর্মার ঠাকুরদাই ওদের বংশের প্রথম রাজা হন। প্রথমে তিনি সাধারণ দলপতি ছিলেন। তাঁর আমলের দুর্বল ও অত্যাচারী রাজাকে হত্যা করে তিনি রাজা হয়েছিলেন। মার্তণ্ডবর্মার বাবা বুদ্ধি এবং বল দুটোই প্রয়োগ করে দেশ শাসন করতেন। আজ আমরা যে মার্তণ্ডবর্মার অধীনে আছি উনি একদিকে যেমন আমাদের খেতে না দিয়ে মারছেন আবার অন্যদিকে আমাদের উপর অত্যাচারের নতুন নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করছেন। তাই এই অবস্থায় আমরা চুপ করে বসে থাকতে পারি না। বহু প্রজাকে রাজা মেরে ফেলেছে। এখন আমরা রাজাকে মেরে ফেলব। রাজাকে মেরে ফেলার পর যারা খুশি হবেন, যারা উৎসব করবেন তারা ঠিক করবেন দেশের শাসন কীভাবে হবে, কারা করবে।'

সুধীর এই ধরনের কথা অনেকক্ষণ ধরে বলল। ওর প্রত্যেকটি কথা যুবকরা যেন কান খাড়া করে শুনছিল। ওরা যেন তার কথাকে গিলছিল। ওই যুবকেরা বিজয়কে সুধীরের কাছে নিয়ে গেল। সুধীরের কাছে বিজয় নিজের পরিচয় গোপন করে নিজের নাম বিনয় বলে জানাল। সে জানাল যে মালব দেশের রাজার অধীনে রাজপ্রাসাদে একটি বড়ো পদে চাকরি করার জন্য সে যাচ্ছিল। কিন্তু পথে সুধীরের কথা শুনে সুধীরের উদ্দেশ্য জেনে সে সোজা চম্পারণ্যে এসেছে সুধীরের অধীনে থাকার জন্য।

সুধীর বিজয়ের যুদ্ধবিদ্যার পরিচয় পেয়ে পরীক্ষা করে দেখে খুব খুশি হয়ে বলল, 'আমাদের সেনাদলে নানা রকমের যুদ্ধবিদ্যায় নিপুণ বহু যোদ্ধা আছেন। কিন্তু তোমার মতন নিপুণ যোদ্ধা বেশি নেই। রাজার বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ যখন শুরু হবে তখন কিন্তু আমরা তোমাকে বিরাট দায়িত্ব দিতে চাই।'

বিজয় খুব খুশি হয়ে কী যেন বলতে গেল। এমন সময় দূর থেকে সুধীর সংকেত পেল। সঙ্গেসঙ্গে কোনো কিছু মোকাবিলার জন্য অনেকগুলো দলে নিজের সেনাদের ভাগ করে নিল। একটি দলের নেতৃত্ব দিল বিজয়কে। বিজয় রাজি হল।

রাজার সেনাদের মোকাবিলার জন্য সুধীরের সেনাও তৈরি ছিল। গভীর অন্ধকারে বিজয় বিভিন্ন শিবিরে ঘুরে বেড়াতে লাগল। ঘুরতে ঘুরতে রাজপ্রাসাদে এসে দরজায় টোকা মারল।

'কে?' ভেতর থেকে আওয়াজ এল।

'আমি যুবরাজ। বিজয় বর্মা।' বলল বিজয়।

দরজা খুলে গেল। দেখা গেল তরবারি উঁচিয়ে একটা সেনা দাঁড়িয়ে আছে।

'তরবারি নামাও। আমি শিক্ষালাভ করার জন্য বহু বছর বিদেশে ছিলাম। ফেরা পথে শত্রু সেনাদের মধ্যে পড়ে গেছি। রাজার কাছে যাচ্ছি। একটি সেনাকে পাঠাও।' বলল বিজয়।

দরজার কাছে অন্য এক সৈনিককে রেখে যে সৈনিক দরজা খুলেছিল সেই বিজয়কে এগিয়ে দিতে গেল। রাজার কাছে যে পাহারাদার ছিল সে বিজয়কে চিনতে পেরে নমস্কার করে বলল, 'কবে এলেন প্রভু?'

ছেলে এসেছে শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে মার্তণ্ডবর্মা উঠে এগিয়ে এল।

বিজয় বলল, 'বাবা, তোমার সঙ্গে আমার অত্যন্ত জরুরি কথা আছে। এখানে আর কারোর থাকার দরকার নেই। শুধু আমি আর তুমি থাকব।'

গোপন কক্ষে বসে মার্তণ্ডবর্মা বলল, 'যে কথা কালকে বললেও চলবে সে-কথা তুমি কালকে বল। এই মুহূর্তে যে কথা না বললেই নয় সে-কথা বল।'

'তুমি এই মুহূর্তে সিংহাসন ছেড়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাও। তা যদি না যাও তাহলে তোমার বাঁচার কোনো পথ নেই।' বিজয় বলল।

রাজা মার্তণ্ড ভীষণ রেগে গিয়ে বলল, 'তুমি আমার মৃত্যুকামনা করছ? আমি বেঁচে থাকতেই সিংহাসনে বসতে চাও? এত বছরে এই শিক্ষালাভ করেছ?'

'যদি তাই তোমার মনে হয় তবে তাই হোক। তুমি তো সরবে না, আমাকেই তোমায় সরাতে হবে।' বলে বিজয় তরবারি দিয়ে বাবাকে মেরে ফেলল।

কিছুক্ষণের মধ্যেই অন্তঃপুরের সবাই জেনে গেল যে রাজা মারা গেছে। ছোটাছুটি পড়ে গেল মন্ত্রী ও সেনাদের। আশ্চর্য রাজার মৃত্যুতে কেউ দুঃখপ্রকাশ করল না। কিছু লোক প্রশংসা করল।

সকাল পর্যন্ত নানারকম আলোচনা চলতে লাগল। সাতসকালে বিজয়কে রাজসিংহাসনে সাড়ম্বরে বসানো হল। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুধীরের সেনাদের মধ্যে দ্বিধা দেখা গেল। রাজা বিজয়বর্মা সাদরে সুধীরকে ডেকে পাঠাল। সুধীর প্রাসাদে এসে বুঝতে পারল যে বিজয় নিজের পিতাকে হত্যা করে রাজা হয়েছে। বিজয় ও বিনয় একই ব্যক্তি। এই অবস্থায় সুধীর বিজয়ের ওপর খুব খুশি হল। সুধীর বিজয়কে বলল, 'তুমি রাজা হয়েছ এটা আমাদের কাছে আনন্দের খবর। আশা করি তোমার অধীনে প্রজারা সুখে থাকতে পারবে।'

রাজা বিজয়বর্মা তৎক্ষণাৎ বলল, 'সে কাজ তোমাকে ছাড়া কিছুতেই করা যাবে না। তোমাকে এই দেশের সেনাপতি হতে হবে। তুমি আমাকে উপদেশ দেবে দেশের মঙ্গলের জন্য আমার কী করা উচিত?' সুধীর সম্মত হল।

গুরুর কাছে বিজয় দীর্ঘকাল ধরে যে অধ্যয়ন করেছিল তা বৃথা যায়নি। ন্যায় এবং ধর্ম রক্ষা করে বিজয় বহুকাল দেশ শাসন করে প্রজাদের আশীর্বাদ পেল।

বেতাল এই কাহিনি শুনিয়ে বলল, 'রাজা, দেশ শাসনের মূল মন্ত্র কী? কীসের জোরে রাজা দেশ শাসন করতে পারে? গুরুর আশীর্বাদের জোরে? সুধীরের মতো লোকের সাহায্যের জোরে? প্রজাদের প্রতি প্রীতি ও ভালোবাসার জন্যে? নাকি পিতার প্রতি বিদ্বেষের ফলে? আমার এই প্রশ্নের জবাব জানা সত্ত্বেও যদি না দাও তাহলে মাথা ফেটে চৌচির হবে।'

এই কথার জবাবে রাজা বিক্রমাদিত্য বললেন, 'প্রত্যেক রাজাই প্রজাদের ভালোবাসা চায়। ভালোবাসা কীভাবে পেতে হয় তাও জানে। কিন্তু প্রজাদের কীভাবে দীর্ঘদিন ভালো রাখতে হয় তারজন্য যে শিক্ষার প্রয়োজন তা বহু রাজার থাকে না। বিজয় শিক্ষালাভ করে দেশে ফিরল। সুধীরের কাছে গিয়ে তার চোখ ফুটে গেল। বুঝতে পারল দেশের মানুষের সত্যিকারের প্রতিনিধি সুধীর। তাকে ছাড়া দেশ শাসন করতে গেলে দেশের নাড়ির খবর জানা যাবে না। বিজয় তার বাবাকে মেরে ফেলত না। সে রাত্রে তার বাবা তার উপদেশ শুনল না। তার বাবাকে সুধীরের দল মেরে ফেললে রাজা হয়ে যেত সুধীর। তাই বাবাকে মেরে ফেলে সে রাজা হল এবং সুধীরকে সেনাপতি করল।

রাজা এভাবে মুখ খোলার সঙ্গে সঙ্গে বেতাল শব নিয়ে পালিয়ে আবার সেই গাছে উঠল।

সকল অধ্যায়
১.
গোড়ার কথা
২.
হেরফের
৩.
অন্যায় শাস্তি
৪.
বন্ধুত্ব
৫.
শাসক
৬.
চোরের সম্মান
৭.
সাধনা
৮.
রাক্ষস বিবাহ
৯.
প্রাণদান
১০.
পিতার ধর্ম
১১.
গরিবের দম্ভ
১২.
পরিবর্তন
১৩.
ঘুমন্ত রাক্ষস
১৪.
জনতার শক্তি
১৫.
ধর্মস্থাপনা
১৬.
প্রদর্শনী
১৭.
বিজয় চিহ্ন
১৮.
হারানাে সুযােগ
১৯.
কথা না রাখা
২০.
আসল কারণ
২১.
দেবতার রাগ
২২.
পুরুষদ্বেষিণী
২৩.
পরিবেশের প্রভাব
২৪.
মনের পরিবর্তন
২৫.
পরিশ্রমের ফল
২৬.
বন্ধুবিচ্ছেদ
২৭.
রাজকুমার
২৮.
সােনার অলংকার
২৯.
পর্দার আড়ালে
৩০.
বাপের ব্যাটা
৩১.
চোর ধরা
৩২.
যার ভাগ্যে যা
৩৩.
জ্যান্ত পিশাচ
৩৪.
কর্তব্য
৩৫.
তিন জন তিরন্দাজ
৩৬.
যখন যা হওয়ার
৩৭.
নরক থেকে ফেরা
৩৮.
চোখের ফাঁড়া
৩৯.
কে বড়ো দাতা
৪০.
রূপ লাগি
৪১.
ক্ষত্রিয়ের ধর্ম
৪২.
পরমাসুন্দরী
৪৩.
অযোগ্য ছেলে
৪৪.
বিরূপাক্ষের অবস্থা
৪৫.
গীতার কথা
৪৬.
প্রস্তাব
৪৭.
সাক্ষী
৪৮.
পাত্র বাছাই
৪৯.
সাধুর দণ্ড
৫০.
মণির ফল
৫১.
প্রতিশোধ
৫২.
অবিশ্বাস
৫৩.
বন্দি মুক্তি
৫৪.
সাধুর কৌটো
৫৫.
নকল সুধীর
৫৬.
পরিবর্তন

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%