মেঘনাদবধ

দীনেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

মাইকেল মধুসূদন দত্ত

কুশাসনে ইন্দ্রজিত পূজে ইষ্টদেবে

নিভৃতে; কৌষিক বস্ত্র, কৌষিক উত্তরী,

চন্দনের ফোঁটা ভালে, ফুলমালা গলে।...

যথা ক্ষুধাতুর ব্যাঘ্র পশে গোষ্ঠগৃহে

যতদূত, ভীমবাহু লক্ষ্মণ পশিলা

মায়াবলে দেবালয়ে। ঝনঝনিল অসি

পিধানে, ধ্বনিল বাজি তূণীর-ফলকে,

কাঁপিল মন্দির ঘন বীরপদভরে।

চমকি মুদিত আঁখি মেলিলা রাবণি।

দেখিলা সম্মুখে বলী দেবাকৃতি রথী—

তেজস্বী মধ্যাহ্নে যথা দেব অংশুমালী!

সাষ্টাঙ্গে প্রণমি শূর, কৃতাঞ্জলিপুটে,

কহিলা, ''হে বিভাবসু, শুভ ক্ষণে আজি

পূজিল তোমারে দাস, তেঁই, প্রভু, তুমি

পবিত্রিলা লঙ্কাপুরী ও পদ অর্পণে!

কিন্তু কি কারণে, কহ, তেজস্বি, আইলা

রক্ষ:কুলরিপু নর লক্ষ্মণের রূপে

প্রসাদিতে এ অধীনে? এ কি লীলা তব,

প্রভাময়?'' পুন: বলী নমিলা ভূতলে।

উত্তরিলা বীরদর্পে রৌদ্র দাশরথি;—

''নহি বিভাবসু, আমি, দেখ নিরখিয়া,

রাবণি! লক্ষ্মণ নাম, জন্ম রঘুকুলে!

সংহারিতে, বীরসিংহ, তোমায় সংগ্রামে

আগমন হেথা মম; দেহ রণ মোরে

অবিলম্বে।'' যথা পথে সহসা হেরিলে

ঊর্ধ্বফণা ফণীশ্বরে, ত্রাসে হীনগতি

পথিক, চাহিলা বলী লক্ষ্মণের পানে।

সভয় হইল আজি ভয়শূন্য হিয়া!...

বিস্ময়ে কহিলা শূর, ''সত্য যদি তুমি

রামানুজ, কহ, রথি, কি ছলে পশিলা

রক্ষোরাজপুরে আজি? রক্ষ: শত শত,

যক্ষপতিত্রাস বলে, ভীম অস্ত্রপাণি,

রক্ষিছে নগর-দ্বার; শৃঙ্গধরসম

এ পুর-প্রাচীর উচ্চ; প্রাচীর উপরে

ভ্রমিছে অযুত যোধ চক্রাবলীরূপে;—

কোন মায়াবলে, বলি, ভুলালে এ সবে?

মানবকুলসম্ভব, দেবকুলোদ্ভবে

কে আছে রথী এ বিশ্বে, বিমুখয়ে রণে

একাকী এ রক্ষোবৃন্দে? এ প্রপঞ্চে তবে

কেন বঞ্চাইছ দাসে, কহ তা দাসেরে,

সর্বভুক? কি কৌতুক এ তব, কৌতুকি?

নহে নিরাকার দেব, সৌমিত্রি; কেমনে

এ মন্দিরে পশিবে সে?...''

উত্তরিলা দেবাকৃতি সৌমিত্রি কেশরী,—

''কৃতান্ত আমি রে তোর, দুরন্ত রাবণি!

মাটি কাটি দংশে সর্প আয়ুহীন জনে!

মদে মত্ত সদা তুই; দেব-বলে বলী,

তবু অবহেলা, মূঢ়, করিস সতত

দেবকুলে! এত দিনে মজিলি দুর্মতি;

দেবাদেশে রণে আমি আহ্বানি রে তোরে!''

এতেক কহিয়া বলী উলঙ্গিলা অসি

ভৈরবে! ঝলসি আঁখি কালানল-তেজে,

ভাতিল কৃপাণবর, শক্রকরে যথা

ইরম্মদময় বজ্র! কহিলা রাবণি,—

''সত্য যদি রামানুজ তুমি, ভীমবাহু

লক্ষ্মণ; সংগ্রাম-সাধ অবশ্য মিটাব

মহাহবে আমি তব, বিরত কি কভু

রণরঙ্গে ইন্দ্রজিৎ? আতিথেয় সেবা,

তিষ্ঠি, লহ, শূরশ্রেষ্ঠ, প্রথমে এ ধামে—

রক্ষোরিপু তুমি, তবু, অতিথি হে এবে।

সাজি বীরসাজে আমি। নিরস্ত্র যে অরি,

নহে রথীকুলপ্রথা আঘাতিতে তারে।

এ বিধি, হে বীরবর, অবিদিত নহে,

ক্ষত্র তুমি, তব কাছে;—কি আর কহিব?''

জলদ-প্রতিম স্বনে কহিলা সৌমিত্রি,—

''আনায় মাঝারে বাঘে পাইলে কি কভু

ছাড়ে রে কিরাত তারে? বধিব এখনি,

অবোধ, তেমতি তোরে! জন্ম রক্ষ:কুলে

তোর, ক্ষত্রধর্ম, পাপি, কি হেতু পালিব

তোর সঙ্গে? মারি অরি, পারি যে কৌশলে!''

কহিলা বাসবজেতা, (অভিমন্যু যথা

হেরি সপ্ত শূরে শূর তপ্তলৌহাকৃতি

রোষে!) ''ক্ষত্রকুলগ্লানি, শত ধিক তোরে,

লক্ষ্মণ! নির্লজ্জ তুই। ক্ষত্রিয় সমাজে

রোধিবে শ্রবণপথ ঘৃণায়, শুনিলে

নাম তোর রথীবৃন্দ! তস্কর যেমতি,

পশিলি এ গৃহে তুই; তস্কর-সদৃশ

শাস্তিয়া নিরস্ত তোরে করিব এখনি!''...

চক্ষের নিমিষে কোষা তুলি ভীমবাহু

নিক্ষেপিলা ঘোর নাদে লক্ষ্মণের শিরে।

পড়িলা ভূতলে বলী ভীম প্রহরণে,

পড়ে তরুরাজ যথা প্রভঞ্জনবলে

মড়মড়ে! দেব-অস্ত্র বাজিল ঝনঝনি,

কাঁপিল দেউল যেন ঘোর ভূকম্পনে!

বহিল রুধির ধারা! ধরিলা সত্বরে

দেব-অসি ইন্দ্রজিৎ;—নারিলা তুলিতে

তাহায়! কার্মুক ধরি কর্ষিলা; রহিল

সৌমিত্রির হাতে ধনু:! সাপটিলা কোপে

ফলক; বিফল বল সে কাজ সাধনে!

যথা শুণ্ডধর টানে শুণ্ডে জড়াইয়া

শৃঙ্গধরশৃঙ্গে বৃথা, টানিলা তূণীরে

শূরেন্দ্র! মায়ার মায়া কে বুঝে জগতে!

চাহিলা দুয়ার পানে অভিমানে মানী।

সচকিতে বীরবর দেখিলা সম্মুখে

ভীমতম শূল হস্তে, ধূমকেতুসম

খুল্লতাত বিভীষণে—বিভীষণ রণে!

''এত ক্ষণে''—অরিন্দম কহিলা বিষাদে—

''জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিল

রক্ষ:পুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব

এ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,

সহোদর রক্ষ:শ্রেষ্ঠ? শূলীশম্ভুনিভ

কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী?

নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?

চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?

কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরু জন তুমি

পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে,

পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে,

লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে।''

উত্তরিলা বিভীষণ; ''বৃথা এ সাধনা,

ধীমান! রাঘবদাস আমি? কি প্রকারে

তাঁহার বিপক্ষ কাজ করিব, রক্ষিতে

অনুরোধ?'' উত্তরিলা কাতরে রাবণি;—

''হে পিতৃব্য, তব বাক্যে ইচ্ছি মরিবারে!

রাঘবের দাস তুমি? কেমনে ও মুখে

আনিলে এ কথা, তাত, কহ তা দাসেরে!

স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;

পড়ি কি ভূতলে শশী যান গড়াগড়ি

ধূলায়? হে রক্ষোরথি, ভুলিলে কেমনে

কে তুমি? জনম তম কোন মহাকুলে?

কে বা সে অধম রাম? স্বচ্ছ সরোবরে

করে কেলি রাজহংস পঙ্কজ-কাননে;

যায় কি সে কভু, প্রভু, পঙ্কিল সলিলে,

শৈবালদলের ধাম? মৃগেন্দ্র কেশরী,

কবে, হে বীরকেশরি, সম্ভাষে শৃগালে

মিত্রভাবে? অজ্ঞ দাস, বিজ্ঞতম তুমি,

অবিদিত নহে কিছু তোমার চরণে।

ক্ষদ্রমতি নর, শূর, লক্ষ্মণ; নহিলে

অস্ত্রহীন যোধে কি সে সম্বোধে সংগ্রামে?

কহ, মহারথি, এ কি মহারথীপ্রথা?

নাহি শিশু লঙ্কাপুরে, শুনি না হাসিবে

এ কথা! ছাড়হ পথ; আসিব ফিরিয়া

এখনি! দেখিব আজি, কোন দেববলে,

বিমুখে সমরে মোরে সৌমিত্রি কুমতি!

দেব-দৈত্য-নর-রণে, স্বচক্ষে দেখেছ,

রক্ষ:শ্রেষ্ঠ, পরাক্রম দাসের! কি দেখি

ডরিবে এ দাস হেন দুর্বল মানবে?

নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রগলভে পশিল

দম্ভী; আজ্ঞা কর দাসে, শাস্তি নরাধমে।

তব জন্মপুরে, তাত, পদার্পণ করে

বনবাসী! হে বিধাত:, নন্দন-কাননে

ভ্রমে দুরাচার দৈত্য? প্রফুল্ল কমলে

কীটবাস? কহ তাত, সহিব কেমনে

হেন অপমান আমি,—ভ্রাতৃ-পুত্র তব?

তুমিও, হে রক্ষোমণি, সহিছ কেমনে?''

মহামন্ত্র-বলে যথা নম্রশির: ফণী,

মলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী

রাবণ-অনুজ, লক্ষি রাবণ-আত্মজে;

''নহি দোষী আমি, বৎস; বৃথা ভর্ৎস মোরে

তুমি! নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা

এ কনক-লঙ্কা রাজা, মজিলা আপনি!

বিরত সতত পাপে দেবকুল; এবে

পাপপূর্ণ লঙ্কাপুরী; প্রলয়ে যেমতি

বসুধা, ডুবিছে লঙ্কা এ কালসলিলে!

রাঘবের পদাশ্রয়ে রক্ষার্থে আশ্রয়ী

তেঁই আমি! পরদোষে কে চাহে মজিতে?''

রুষিলা বাসবত্রাস। গম্ভীরে যেমতি

নিশীথে অম্বরে মন্দ্রে জীমূতেন্দ্র কোপি,

কহিলা বীরেন্দ্র বলী,—''ধর্মপথগামী,

হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতে

তুমি;—কোন ধর্ম মতে, কহ দাসে, শুনি,

জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি,—এ সকলে দিলা

জলাঞ্জলি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান যদি

পরজন, গুণহীন স্বজন, তথাপি

নির্গুণ স্বজন শ্রেয়:, পর: পর: সদা!

এ শিক্ষা, হে রক্ষোবর, কোথায় শিখিলে?

কিন্তু বৃথা গঞ্জি তোমা! হেন সহবাসে,

হে পিতৃব্য, বর্বরতা কেন না শিখিবে?

গতি যার নীচ সহ, নীচ সে দুর্মতি।''

হেথায় চেতন পাই মায়ার যতনে

সৌমিত্রি, হুঙ্কারে ধনু: টঙ্কারিলা বলী।

সন্ধানি বিন্ধিলা শূর খরতর শরে

অরিন্দম ইন্দ্রজিতে, তারকারি যথা

মহেষ্বাস শরজালে বিঁধেন তারকে!

হায় রে, রুধির-ধারা (ভূধর শরীরে

বহে বরিষার কালে জলস্রোত: যথা,)

বহিল, তিতিয়া বস্ত্র, তিতিয়া মেদিনী!

অধীর ব্যথায় রথী, সাপটি সত্বরে

শঙ্খ, ঘণ্টা, উপহার পাত্র ছিল যত

যজ্ঞাগারে, একে একে নিক্ষেপিলা কোপে;

যথা অভিমন্যু রথী, নিরস্ত্র সমরে

সপ্ত রথী অস্ত্রবলে, কভু বা হানিলা

রথচূড়, রথচক্র; কভু ভগ্ন অসি,

ছিন্ন চর্ম, ভিন্ন বর্ম, যা পাইলা হাতে!

কিন্তু মায়াময়ী মায়া, বাহু-প্রসরণে,

ফেলাইলা দূরে সবে, জননী যেমতি

খেদান মশকবৃন্দে সুপ্ত সুত হতে

করপদ্ম-সঞ্চালনে! সরোষে রাবণি

ধাইলা লক্ষ্মণ পানে গর্জি ভীম নাদে,

প্রহারকে হেরি যথা সম্মুখে কেশরী!

মায়ার মায়ায় বলী হেরিলা চৌদিকে

ভীষণ মহিষারূঢ় ভীম দণ্ডধরে;

শূল হস্তে শূলপাণি; শঙ্খ, চক্র, গদা

চতুর্ভুজে চতুর্ভুজ; হেরিলা সভয়ে

দেবকুলরথীবৃন্দে সুদিব্য বিমানে।

বিষাদে নিশ্বাস ছাড়ি দাঁড়াইলা বলী

নিষ্কল, হায় রে মরি, কলাধর যথা

রাহুগ্রাসে; কিম্বা সিংহ আনায় মাঝারে!

ত্যজি ধনু:, নিষ্কোষিলা অসি মহাতেজা:

রামানুজ; ঝলসিলা ফলক-আলোকে

নয়ন! হায় রে, অন্ধ অরিন্দম বলী

ইন্দ্রজিৎ, খড়গাঘাতে পড়িলা ভূতলে

শোণিতার্দ্র। থরথরি কাঁপিলা বসুধা;

গর্জিলা উথলি সিন্ধু! ভৈরব আরবে

সহসা পূরিল বিশ্ব! ত্রিদিবে পাতালে,

মর্ত্যে, মরামর জীব প্রমাদ গণিলা

আতঙ্কে! যথায় বসি হৈম সিংহাসনে

সভায় কর্বূরপতি, সহসা পড়িল

কনক-মুকুট খসি, রথচূড় যথা

রিপুরথী কাটি যবে পাড়ে রথতলে।

সশঙ্ক লঙ্কেশ শূর স্মরিলা শঙ্করে!

প্রমীলার বামেতর নয়ন নাচিল!

আত্মবিস্মৃতিতে, হায়, অকস্মাৎ সতী

মুছিলা সিন্দূরবিন্দু সুন্দর ললাটে।

মূর্ছিলা রাক্ষসেন্দ্রাণী মন্দোদরী দেবী

আচম্বিতে! মাতৃকোলে নিদ্রায় কাঁদিল

শিশুকুল আর্তনাদে, কাঁদিল যেমতি

ব্রজে ব্রজকুলশিশু, যবে শ্যামমণি,

আঁধারি সে ব্রজপুর, গেলা মধুপুরে!

অন্যায় সমরে পড়ি, অসুরারি-রিপু,

রাক্ষসকুল-ভরসা, পরুষ বচনে

কহিলা লক্ষ্মণ শূরে,—''বীরকুলগ্লানি,

সুমিত্রানন্দন, তুই! শত ধিক তোরে!

রাবণনন্দন আমি, না ডরি শমনে!

কিন্তু তোর অস্ত্রাঘাতে মরিনু যে আজি,

পামর, এ চিরদু:খ রহিল রে মনে!

দৈত্যকুলদল ইন্দ্রে দমিনু সংগ্রামে

মরিতে কি তোর হাতে? কি পাপে বিধাতা

দিলেন এ তাপ দাসে, বুঝিব কেমনে?

আর কি কহিব তোরে? এ বারতা যবে

পাইবেন রক্ষোনাথ, কে রক্ষিবে তোরে,

নরাধম? জলধির অতল সলিলে

ডুবিস যদিও তুই, পশিবে সে দেশে

রাজরোষ—বাড়বাগ্নিরাশিসম তেজে!

দাবাগ্নিসদৃশ তোরে দগ্ধিবে কাননে

সে রোষ, কাননে যদি পশিস, কুমতি!

নারিবে রজনী, মূঢ়, আবরিতে তোরে।

দানব, মানব, দেব, কার সাধ্য হেন

ত্রাণিবে, সৌমিত্রি, তোরে, রাবণ রুষিলে?

কে বা এ কলঙ্ক তোর ভঞ্জিবে জগতে,

কলঙ্কি?'' এতেক কহি, বিষাদে সুমতি

মাতৃপিতৃপাদপদ্ম স্মরিলা অন্তিমে।

অধীর হইলা ধীর ভাবি প্রমীলারে

চিরানন্দ! লোহ সহ মিশি অশ্রুধারা,

অনর্গল বহি, হায়, আর্দ্রিল মহীরে।

লঙ্কার পঙ্কজ-রবি, গেলা অস্তাচলে।

নির্বাণ পাবক যথা, কিম্বা ত্বিষাম্পতি

শান্তরশ্মি, মহাবল রহিলা ভূতলে।

সকল অধ্যায়
১.
মাটি
২.
ভুতের গল্প
৩.
হর্ষবর্ধনের অশ্বরোগ
৪.
সেই মেয়েটি
৫.
বিদ্যাসাগরের ছেলেবেলা
৬.
গোয়েন্দা
৭.
ইতিহাস ছাড়িয়ে
৮.
যমালয়ে জীবন্ত মানুষ
৯.
ডাকিনীর ডাক
১০.
শত্রুতা
১১.
রেলে
১২.
অতু
১৩.
এক যে ছিল বাঘিনী
১৪.
দাওয়াই
১৫.
বিশ্বের বিস্ময় হেলেন কেলার
১৬.
ফুলের বিবাহ
১৭.
মংলুফলায় সোনা
১৮.
একটি গল্প করার মত গ্রাম
১৯.
লালমণি পাখি
২০.
প্লাবন
২১.
ছাত্র-সঙ্গীত
২২.
জয়-পরাজয়
২৩.
এখন শিউলি-বেলা
২৪.
আশ্বিনে
২৫.
ছড়া
২৬.
পোড়ো কুঁড়ে
২৭.
মা (উপন্যাস)
২৮.
গোর্কির ছেলেবেলা
২৯.
সেয়ানে সেয়ানে
৩০.
সুড়ঙ্গের রহস্য
৩১.
এক ঝাঁক গল্প
৩২.
কঙ্কাল
৩৩.
নতুন করে জাগো মা
৩৪.
বেতাল-পঞ্চবিংশতি
৩৫.
ভবঘুরের চিঠি
৩৬.
নিলাম দামী চশমা
৩৭.
শরৎ এল
৩৮.
কৈশোর
৩৯.
আলোর ডাকে
৪০.
অগ্রদূত
৪১.
টাকার কথা
৪২.
সাহস চাই!
৪৩.
ভোজবাড়ীর ব্যাপার
৪৪.
আবাহনী
৪৫.
এবার পূজায়
৪৬.
বামুনের স্বর্গবাস
৪৭.
মজার ধাঁধা
৪৮.
আংটির পাথর
৪৯.
মনমঞ্জুষা
৫০.
নিখিল বঙ্গ গরু সম্মেলন
৫১.
মিকি ডাক আর দিসনে
৫২.
মেঘনাদবধ
৫৩.
চৌধুরী-বাগ
৫৪.
জাদু বিদ্যা
৫৫.
বাবার চিঠি
৫৬.
গানের কথা
৫৭.
আমার প্রথম শিকার আভিযান
৫৮.
বিশ্বক্রীয়া ওলিম্পিক
৫৯.
বাংলার বন্যা
৬০.
শরতে
৬১.
আনন্দ আশ্বিনে
৬২.
টোটকা কিছু
৬৩.
জলদি করুন দাদা
৬৪.
কিশোর বিজ্ঞানীর আসর
৬৫.
সঙ্গীতের মৃত্যু
৬৬.
ছত্রপতি
৬৭.
মেঘ ও বৃষ্টি
৬৮.
মধুপালের আবির্ভাব

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%