বিশ্বের বিস্ময় হেলেন কেলার

দীনেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সুতপা চক্রবর্তী (আর্যকন্যা)

কুড়ি মাস বয়সের ফুটফুটে শিশুটি। কঠিন ব্যাধি তাকে পৃথিবীর সব রূপ গন্ধ থেকে বঞ্চিত করতে চলেছে একথা যেদিন জানা গেল সেদিন মা তার কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। বারবার বলছিলেন—কী হ'ল, কী হবে আমার! ডাক্তারকে বলেছিলেন—'আপনি জানেন না ডাক্তারবাবু ও যে কী মেয়ে ছিল। জন্ম অবধি চমৎকার, বুদ্ধিদীপ্ত। ওর সম্পর্কে এমন কথা ভাবতে আমার অবিশ্বাস্য লাগছে। কী ভয়ংকর আর কী মিথ্যে মনে হচ্ছে! ভাবছি এমন শিশুর কপালে করুণাময় কখনও এমন শাস্তি লিখতে পারেন?'

ডাক্তার মাথা নেড়েছিলেন। সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিলেন 'আমি সব জানি মিসেস কেলার। এরকম শিশু সত্যিই সচরাচর দেখা যায় না। কিন্তু করুণাময়ের কাজের ওপর আমাদের তো কিছু বলার নেই। তিনি যা নেবেন, কে বলতে পারে আবার হয়ত তা ফিরিয়েও দিতে পারেন—পৃথিবীতে কত দৈব ঘটনাই তো ঘটে। কিন্তু ডাক্তার হয়ে আমি তো সেই দৈবের প্রতি আপনাকে ভরসা রাখার উপদেশ দিতে পারিনে।'

ডাক্তার দৈবকে এড়িয়ে গিয়েছিলেন—কিন্তু দৈব ঘটনাই ঘটেছে মেয়েটির জীবনে। কেননা বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাময়ী ও বিদূষী হেলেন কেলারের জীবনে তাঁর শিক্ষয়িত্রী মিস সুলিভানের আবির্ভাব অনেকটা দৈব ঘটনা ছাড়া আর কি?

ক্যাপ্টেন আর্থার কেলার ও ক্যাথারিণ কেলার তাঁদের পরম গর্ব ও আদরের শিশুর অন্ধকার জীবন সত্যিই কল্পনা করতে পারছিলেন না। মনের যে দৃঢ়তা তাঁদের দুজনেরই চরিত্রের বৈশিষ্ট্য ছিল তা ক্রমেই ভেঙে যাচ্ছিল। জগতের কোন দৃশ্য তাঁদের শিশুর চোখে ধরা দেবে না, কোনদিন কোন ডাক পৌঁছোবে না তার কানে—কোন ডাকে সে দেবে না সাড়া, সে রইবে সঙ্গীহীন আপন মনের নির্জনতার মধ্যে—বিশ্ব সংসারে সকলের কাছে সে পাবে শুধু করুণা, এ চিন্তায় আকুল হয়ে উঠছিল তাঁদের মন। বেঁচে থাকার প্রতিটি মুহূর্ত মনে হচ্ছিল চরম অভিশাপের।

তবু এইভাবেই দিন কাটছিল। শিশু হেলেনের বয়স তখন সাত বছর। শ্রীমতী কেলার চার্লস ডিকেন্সের আমেরিকান নোটস পড়তে গিয়ে স্যামুয়েল গ্রিডলি হাউএর নাম পেলেন। ইনি ছিলেন বোষ্টনের অন্ধদের জন্য প্রতিষ্ঠিত পার্কিন্স ইনষ্টিট্যুটের প্রধান। শ্রীমতী কেলার জানতে পেলেন তিনি তাঁর কন্যার মতই আর একটি মেয়েকে পড়ায় এবং লেখায় সম্পূর্ণ সক্ষম করেছেন। হেলেনের ক্ষেত্রেও তা সম্ভব হবে এতটা আশা না করলেও শ্রীমতী ক্যাথারিণ কেলার সেদিন যেন অন্ধকারে আশার আলো দেখতে পেলেন। পার্কিন্স ইনষ্টিট্যুটের অধ্যক্ষের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করলেন। স্যামুয়েল হাউ-এর পরবর্তী যিনি ইনষ্টিট্যুটের প্রধান সেই মাইকেল অ্যানাগনস ঐ ইনষ্টিট্যুটেরই অন্যতম স্নাতক ২১ বছর বয়স্কা মিস সুলিভানকে পাঠালেন আলাবামায়। তিনি এলেন হেলেন কেলারের গৃহশিক্ষিকা হয়ে।

এরপরই সেই অনন্য ইতিহাস। কেলার এবং মিস সুলিভানের। সত্যি বলতে কি, মিস সুলিভানকে বাদ দিয়ে কেলারের কথা বলা যায় না। কেননা, হেলেন কেলার মিস সুলিভানেরই সৃষ্টি।

মিস অ্যানি সুলিভান আইরিশ পরিবারের মেয়ে। আটবছর বয়সে তিনি মাতৃহীন হন। তিনটি সন্তান রেখে তাঁর বাবা অন্যত্র চলে যান। প্রায় জন্মান্ধ ছিলেন অ্যানি। তাঁকে তখন পাঠিয়ে দেওয়া হ'ল ম্যাসাচুসেটস-এ একটি চক্ষু হাসপাতালে। এখানে এসে পার্কিন্স ইনষ্টিট্যুটের নাম তিনিও শোনেন। একদিন হাসপাতালের পরিচালকরা পরিদর্শনে এলে তিনি দৌড়ে তাঁদের একজনের কাছে গিয়ে তাঁর চোখ দুটি সম্পূর্ণ ভালো করে দেবার জন্য অনুনয় করেন। সে অনুনয় তাঁরা উপেক্ষা করেন নি। সম্পূর্ণ অন্ধ অবস্থায় অ্যানিকে পার্কিন্স ইনষ্টিট্যুটে আনা হল। ছ'বছর পরে যেদিন এখান থেকে মুক্তি পেলেন সেদিন তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন।

হেলেনের জন্ম ১৮৮০ সালে। কিন্তু হেলেন তাঁর সারাজীবন একটি দিনকেই জন্মদিন ব'লে মেনে এসেছেন—সে দিনটি হ'ল ১৮৮৭ সালের ৩রা মার্চ। My souls birth day ব'লে তিনি সর্বদাই এ দিনের উল্লেখ করতেন। কারণ, ঐ দিনই হেলেন মিস সুলিভানকে তাঁর শিক্ষয়িত্রী হিসেবে পেয়েছিলেন।

প্রথম দিকে হেলেনের অবস্থা দেখে মিস সুলিভানও হয়ত ভাবতে পারেন নি এর কাছে কতটা শিক্ষা তিনি পৌঁছে দিতে পারবেন। কেননা শিশু হেলেন তখন চিৎকার, কান্নাকাটি মারধোর আর লাথি মারাতে রীতিমত অভ্যস্ত। কিন্তু ধৈর্যের প্রতিমূর্তি সুলিভান। ঐ অশান্ত শিশুকে ধীরে ধীরে তিনি বশ করেছেন, তাঁর মনকে শিক্ষা গ্রহণের উপযোগী করেছেন, তারপর দিয়েছেন দীক্ষা।

৫ই এপ্রিল বাস্তব জগতের সঙ্গে হেলেনের প্রথম পরিচয়। শিশু হেলেনের আঙুল জলে ডুবিয়ে তার সম্পূর্ণ হাতটির ওপর দিয়ে জল ঢেলে দিলেন তাঁর শিক্ষিকা। তারপর হঠাৎ যে আঙুল দিয়ে তিনি আঘাত করছিলেন এবং যে শব্দ তিনি বারবার উচ্চারণ করছিলেন তার অর্থ হেলেনের কাছে স্পষ্ট হ'ল। 'ওয়াটার' বা জল কথাটি তিনি উপলব্ধি করলেন। এইভাবে আরও বহু উপলব্ধি। জ্ঞানের জগৎ ক্রমেই তাঁর কাছে এগিয়ে আসতে লাগল। হেলেন অ্যানিকে একদিন হাত দেখালেন—অ্যানি তাঁর হাতের তালুতে লিখলেন 'টিচার'। মুহূর্তে তার অর্থ ধ'রে নিতে হেলেনের দেরি হ'ল না।

এরপর বিস্ময়কর উন্নতি। ইংরিজিতে ব্রেইল শিক্ষায় হেলেন অভ্যস্ত হলেন—। শুধু ইংরিজি শিখেই মন ভরল না। শিখলেন গ্রীক, ল্যাটিন, ফ্রেঞ্চ, জর্মন। কর স্পর্শ করে সহজেই শিখলেন কথা বলতে। শিখলেন চারদিকে যা কিছু ঘটছে তা বুঝে নিতে—। এমন কি এ সম্পর্কে মতামত দিতেও সক্ষম হলেন। ১০ বছর বয়সে জানতে পেলেন এক বধির নরওয়ে বালিকার সাফল্যের কথা। নিজেও সাফল্য লাভে উৎসাহ বোধ করলেন। সফলও হলেন। তারপর মূক হেলেন সকলকে স্তম্ভিত করে একদিন বলে বসলেন—I am not a dumb now—আমি আর মূক নই।

স্কুলে গেলেও কেলারের সঙ্গ মুহূর্তের জন্য ছাড়েন নি মিস সুলিভান। ১৬ বছর বয়স থেকে হেলেন কেম্ব্রিজ, ম্যাসাচুসেটস ও হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা কলেজে পড়েন। আট বছর অশেষ পরিশ্রম করতে হয়েছে হেলেনের সঙ্গে তাঁকেও। মিস সুলিভান ছাত্রীর সঙ্গে ক্লাসে যেতেন, ক্লাসে যা পড়ানো হত তা বানান করে হাতে লিখে দিতেন। ১৯০৪ সালে র্যাডক্লিফ ও লড থেকে হেলেন স্নাতক হলেন। কলেজ জীবনেই তিনি লিখেছেন তাঁর প্রথম বই—দি ষ্টোরি অব মাই লাইফ (The story of my life)।

হেলেনের নিজের ভাষায় নিজের জীবনের বহু ঘটনা জানতে সাহায্য করে তাঁর এ বই। হেলেন লিখেছেন 'আমাদেরই এক পূর্বপুরুষ জুরিখ সহরে বধির ছাত্রদের শিক্ষার জন্য প্রথম একটি স্কুল করেছিলেন এবং বধিরদের শিক্ষা বিষয়ে একখানা বইও লিখেছিলেন। এ এক আশ্চর্য যোগাযোগ নয় কি?'

নিজে মূক বধির ও অন্ধ হ'লেও চারপাশে যা কিছু ঘটত তার প্রায় সবই বুঝতেন এ খবরও পাওয়া যায় তাঁর আপন কথায়। সেখানে তিনি বুড়ো কুকুরটার কথা, রাঁধুনীর মেয়ে মার্থার কথা, তার সর্বক্ষণের সঙ্গী পুতুল ন্যান্সীর কথা, ছোট্ট বোনটি মিলড্রেডের কথা বলেছেন। আর সকলের মত ছোট বোনকে প্রথম প্রথম ঈর্ষা করলেও অবশেষে সবটুকু স্নেহ মমতা গিয়ে পড়েছিল তারই ওপরে।

হেলেন লিখেছেন, তাঁকে ঈশ্বরের প্রতি, প্রকৃতি ও মানুষের প্রতি ভালবাসার শিক্ষা প্রথম দিয়েছিলেন বিশপ ব্রুকস। এরপর মিস সুলিভান ভালবাসার অর্থ তাঁকে হৃদয়ঙ্গম করান। সেদিনের কথা তিনি এইভাবে স্মরণ করেছেন : 'বাগানে কিছু ভায়োলেট ফুল ফুটেছিল। তার এক গুচ্ছ তুলে এনে আমি মিস সুলিভানকে দিতেই তিনি আমাকে চুমু খেতে চাইলেন। কিন্তু সে অবধি মা ছাড়া আর কারও চুমু আমি পছন্দ করি না। সুলিভান আমায় তখন জড়িয়ে ধরে আমার হাতের তালুতে ধীরে ধীরে বানান করে লিখলেন 'আমি হেলেনকে ভালবাসি।' তখনি জানতে চাইলাম ভালবাসা কাকে বলে। তিনি আমায় আরও কাছে টেনে আমার বুক দেখিয়ে বললেন ওখানে থাকে ভালবাসা। সেই প্রথম বুকের ভেতর আলোড়ন অনুভব করলাম।'

না ছুঁয়ে কোন কিছুর অনুভবের শিক্ষা এই প্রথম। এই প্রথম পরম রমণীয় এক সত্য উদভাসিত হ'ল তাঁর মনে। গাছপালা, পশুপাখি, সমুদ্র, পর্বত সর্বোপরি মানুষকে এই ভালবাসার মধ্যে দিয়ে অনুভব করলেন। সাহিত্য, ধর্মগ্রন্থ, ইতিহাস পাঠের মধ্যে দিয়েও মনকে ছড়িয়ে দিলেন আরও বৃহৎ অনুভবের মধ্যে। বিশ্বের বরেণ্য লেখক ও মনীষীদের মনের কাছাকাছি তিনি এসেছেন গ্রন্থপাঠের মধ্যে দিয়ে। সেক্সপীয়র, হোমার, গ্যেটে, রবীন্দ্রনাথ, শ, মার্কটোয়েন, আইনষ্টাইন, লুথার বুরবাঙ্ক এঁদের প্রত্যেকের রচনার সঙ্গে তাঁর ছিল বিশেষ পরিচয়। রবীন্দ্রনাথের ওষ্ঠে ও কণ্ঠে হাত রেখে রবীন্দ্রসংগীতও তিনি উপভোগ করেছেন। বাতাসের শব্দতরঙ্গে হাত রেখে তিনি যেমন সংগীতের রসাস্বাদন করতেন তেমনি হাতে ছুঁয়ে চিত্রকলা ও ভাস্কর্য শিল্পকেও অনুভব করতেন।

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কেলার নিজেকে বেশী করে উৎসর্গ করেছিলেন সমাজের নি:সঙ্গ বিকলাঙ্গ মানুষের সেবায়। আমেরিকায় অন্ধদের জন্য যে প্রতিষ্ঠান আছে তাতে তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। এর অর্থ-তহবিল গড়ে তোলার জন্য ছ'বার বিশ্ব পরিভ্রমণ করেছেন। সে সময় কলকাতায় এসে এখানকার অন্ধ বিদ্যালয়ের কাজও মনোযোগের সঙ্গে দেখেছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিকলাঙ্গদের জন্য কয়েকটি আইন প্রণয়নে আইনসভা ও কংগ্রেসে তিনি বিশেষভাবে চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধে যাঁরা দৃষ্টি হারান তাঁদের তিনি পরিসংখ্যান গ্রহণ ও তাঁদের সমস্যার বিবরণ সংগ্রহ করেন ইওরোপের নানা দেশ ঘুরে। ১৯৩১ সালে হেলেন কেলার পাঁচ হাজার ডলার মূল্যের পুরস্কার পেয়েছিলেন সমাজ সেবার স্বীকৃতি হিসেবে। পুরস্কারের সব অর্থ তিনি অন্ধদের সেবা প্রতিষ্ঠানে দান করেন। তিনি রুজভেল্ট পুরস্কারও পান। এছাড়া পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে নানা ভাবে সম্মানিত করা হয়েছে।

হেলেন কেলার জগতের বিস্ময়। কিন্তু তাঁকে এতটা অলৌকিক ও মহীয়সী করে তোলার কৃতিত্ব যাঁর, তিনি মিস অ্যানি সুলিভান। এঁদের দুজনকে নিয়ে তাই যে চলচ্চিত্রটি হয়েছে তার নাম 'দি মির্যাকল ওয়ার্কার।

সুলিভান শুধু হেলেনের শিক্ষয়িত্রীই ছিলেন না—ছিলেন আজীবনের বান্ধবী। বিয়ের পরও তিনি হেলেনকে ছেড়ে যান নি! তাঁদের এই পারস্পরিক সম্পর্ককে মনে করেই রোগশয্যায় অ্যানিকে একজন বলেছিলেন—'আপনি শীগগিরই ভাল হ'য়ে উঠুন—আপনাকে ছাড়া হেলেন বাঁচবে কীভাবে?'

শিক্ষয়িত্রী জবাব দিয়েছিলেন, 'তা হলে তো আমি সম্পূর্ণই ব্যর্থ হয়েছি।'

অ্যানি সুলিভান সত্যিই ব্যর্থ হননি—হেলেন কেলারের পরবর্তী জীবনের সাফল্যই সেকথা প্রমাণ করেছে।

হাসলে মানিক! হাসো খানিক!!

হর্ষবর্ধন

সার্কাসের এক খরগোশ আর এক সিংহ সেই সার্কাসের ক্যানটিনে ঢুকে দুখানা চেয়ার দখল করে বসলো।

'এক ডিশ ভেজিটেবল কারি দাও তো হে।' বয়কে হুকুম করলো খরগোশ—'কোনো মাংস টাংস নয় কিন্তু।'

বয় সিংহের দিকে ভ্রূক্ষেপ করে শুধালো—'আপনার বন্ধুর জন্যে কিছু চাই নে? ওর জন্যে কি আনবো বলুন?'

'কিচ্ছু না।'

'সে কি! ওর কি খিদে পায়নি না কি?'

খরগোশ জবাব দিল—'ওর খিদে পেলে কি এতক্ষণ আমি এখানে ওর পাশে বসে থাকতাম? সিধে ওর পেটে চলে যেতাম কখন!'

সকল অধ্যায়
১.
মাটি
২.
ভুতের গল্প
৩.
হর্ষবর্ধনের অশ্বরোগ
৪.
সেই মেয়েটি
৫.
বিদ্যাসাগরের ছেলেবেলা
৬.
গোয়েন্দা
৭.
ইতিহাস ছাড়িয়ে
৮.
যমালয়ে জীবন্ত মানুষ
৯.
ডাকিনীর ডাক
১০.
শত্রুতা
১১.
রেলে
১২.
অতু
১৩.
এক যে ছিল বাঘিনী
১৪.
দাওয়াই
১৫.
বিশ্বের বিস্ময় হেলেন কেলার
১৬.
ফুলের বিবাহ
১৭.
মংলুফলায় সোনা
১৮.
একটি গল্প করার মত গ্রাম
১৯.
লালমণি পাখি
২০.
প্লাবন
২১.
ছাত্র-সঙ্গীত
২২.
জয়-পরাজয়
২৩.
এখন শিউলি-বেলা
২৪.
আশ্বিনে
২৫.
ছড়া
২৬.
পোড়ো কুঁড়ে
২৭.
মা (উপন্যাস)
২৮.
গোর্কির ছেলেবেলা
২৯.
সেয়ানে সেয়ানে
৩০.
সুড়ঙ্গের রহস্য
৩১.
এক ঝাঁক গল্প
৩২.
কঙ্কাল
৩৩.
নতুন করে জাগো মা
৩৪.
বেতাল-পঞ্চবিংশতি
৩৫.
ভবঘুরের চিঠি
৩৬.
নিলাম দামী চশমা
৩৭.
শরৎ এল
৩৮.
কৈশোর
৩৯.
আলোর ডাকে
৪০.
অগ্রদূত
৪১.
টাকার কথা
৪২.
সাহস চাই!
৪৩.
ভোজবাড়ীর ব্যাপার
৪৪.
আবাহনী
৪৫.
এবার পূজায়
৪৬.
বামুনের স্বর্গবাস
৪৭.
মজার ধাঁধা
৪৮.
আংটির পাথর
৪৯.
মনমঞ্জুষা
৫০.
নিখিল বঙ্গ গরু সম্মেলন
৫১.
মিকি ডাক আর দিসনে
৫২.
মেঘনাদবধ
৫৩.
চৌধুরী-বাগ
৫৪.
জাদু বিদ্যা
৫৫.
বাবার চিঠি
৫৬.
গানের কথা
৫৭.
আমার প্রথম শিকার আভিযান
৫৮.
বিশ্বক্রীয়া ওলিম্পিক
৫৯.
বাংলার বন্যা
৬০.
শরতে
৬১.
আনন্দ আশ্বিনে
৬২.
টোটকা কিছু
৬৩.
জলদি করুন দাদা
৬৪.
কিশোর বিজ্ঞানীর আসর
৬৫.
সঙ্গীতের মৃত্যু
৬৬.
ছত্রপতি
৬৭.
মেঘ ও বৃষ্টি
৬৮.
মধুপালের আবির্ভাব

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%