কুশলের সাইকেল

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

অমরবাবু মানে অমর বসু আমাদের ব্যাকরণ পড়াতেন৷ ব্যাকরণ যতটা নীরস, অমর-সার তার চেয়েও নীরস ছিলেন৷ চেহারাটা ছিল কোষো পেয়ারার মতো৷ আমরা নাম রেখেছিলুম সব্যসাচী-সার৷ ডান হাত, বাঁ-হাত, দুটোই সমান চলত৷ বেত আর ডাস্টার দুটোই চালাতেন অক্লেশে৷ আর একটা কী? বাদ দিতেন না কাউকে৷ ফার্স্ট থেকে লাস্ট বেঞ্চ, সবাই গোল আলু, ঠিকরে আলু৷ আঁচড়, শুধু কামড়টাই বাদ যেত৷ আমরা বলাবলি করতুম, আর একটু বয়স বাড়লে ক্লাসে আমাদের কামড়েও দিতে পারেন৷ তবে একটাই কথা—সব্যসাচী-সারের বয়স বাড়লে আমাদেরও বয়স বাড়বে৷ বছরের পর বছর ফেল না করলে আমরা পাশটাশ করে বেরিয়ে যাব৷ তখন যাকে কামড়াবেন, তাকে কামড়াবেন, আমাদের দেখার দরকার নেই৷

অমর-সারের ছেলের নাম কুশল৷ কুশল আমাদের সঙ্গেই পড়ে৷ ফার্স্ট বেঞ্চে বসে৷ ভালো ছেলে৷ ফার্স্ট-সেকেন্ড হয়৷ অঙ্কে আর ইংরিজিতে ভীষণ ভালো৷ কুশলের তেমন অহঙ্কার নেই৷ আমাদের সঙ্গে মেশে৷ মুখ গোমড়া করে বসে থাকে না৷ কুশলের চোখ খুব খারাপ৷ পুরু লেন্সের চশমা চোখে৷ কাচের আড়ালে বড়-বড় চোখ দুটো ঝকঝক করে৷ কুশল একটু তড়বড়-তড়বড় করে কথা বলে৷ কথা বলার সময় হাত নাড়ে খুব৷ ছেলেটা খুব সরল৷ আমার সঙ্গে খুব বন্ধুত্ব৷ স্কুল ছুটির পর ক্লাসরুমে বসে দুজনে অনেকক্ষণ গল্প করি৷ তার কাছে আমি আবার অঙ্ক বুঝে নিই৷ যে-অঙ্ক আমি জীবনে কষতে পারব না, কুশল তা নিমেষে করে ফেলে৷

যে-কুশল কখনও স্কুল কামাই করে না, সে পর-পর তিনদিন ক্লাসে আসছে না৷ ব্যাপারটা কী হল! অমর-সারকে ভয়ে-ভয়ে জিগ্যেস করলুম, ‘স্যার, কুশল কেন আসছে না?’

‘কুশল কেমন আছে কুশল জানে, আমাকে জিগ্যেস কোরো না৷’ ভয়ে পালিয়ে এলুম৷ আমার আর-এক বন্ধু অপূর্বকে বললুম, ‘কুশলের কী হল বল তো?’

‘চল না ছুটির পর দেখে আসি৷’

‘সার যদি মারেন!’

‘কারও বাড়ি গেলে মারে! মারামারি সব ক্লাসে৷’

স্কুল থেকে প্রায় এক মাইল হবে কুশলদের বাড়ি৷ খেলার মাঠ, বোসদের ঝিল, বরফকল, হরেনবাবুর কাঠকল পেরিয়ে, শ্মশানের পাশ দিয়ে, নদীর ধারে বাড়িটা৷ বড়লোকদের বড়-বড় বাগানবাড়ি, সারাদিন ঝিম মেরে থাকে৷ সেইরকম দুটো বাগানবাড়ির মাঝখানে অমর-সারের বাড়ি৷ বেশ বড় একটা উঠোন৷ উঠোনের মাঝখান একটা কামিনী গাছ৷ লাল দালান৷ পেছনেই নদী৷ বাড়িটা বেশ শান্ত৷ আমরা ডাকছি, ‘কুশল, কুশল!’ কোনও সাড়া নেই৷ সময়টা বিকেল-বিকেল৷ কৃষ্ণকলির ঝোপে, সাদা, হলুদ, নীল ফুল ফুটেছে৷ কামিনীর ডালে চড়াইপাখির ঝাঁক গল্প করছে৷ আবার ডাকলুম—‘কুশল’! আমরা এই প্রথম কুশলদের বাড়িতে আসছি৷ অমর-সারের ভয়ে আগে কখনও আসিনি৷ বেশ ভয়-ভয় করছে৷ এইবার একটু জোরে ডাকলুম, ‘কুশল৷’ মায়ের মতো দেখতে এক মহিলা বেরিয়ে এলেন, ‘তোমরা কে বাবা?’

‘আমরা কুশলের বন্ধু৷ কুশল কেন স্কুলে যাচ্ছে না মাসিমা?’

‘কুশল তো হাসপাতালে৷’

‘হাসপাতালে? কেন কী হয়েছে?’

‘তোমরা জানো না!’

‘কোন হাসপাতালে মাসিমা?’

‘জেলা হাসপাতালে৷’

‘কী হয়েছে কুশলের?’

‘কুশলকে আর চেনা যাচ্ছে না৷ চুনের গামলায় পড়ে গেছে৷’

আমি আর অপূর্ব দুজনে বোকার মতো মুখের দিতে তাকালুম৷ কুশলের মা বললেন, ‘আমার আর দাঁড়াবার সময় নেই বাবা, আমি এখন কুশলকে দেখতে যাচ্ছি৷ তোমরা আসবে তো এসো৷’

হাসপাতালের বিছানায় কুশল শুয়ে আছে৷ গোটা শরীর সাদা ব্যান্ডেজে জড়ানো৷ মুখেও ব্যান্ডেজ৷ শুধু নাকের একটুখানি আর চোখ দুটো বেরিয়ে আছে৷ কুশল চিত হয়ে শুয়ে আছে৷ মনে হচ্ছে একটা বোয়াল মাছ৷ চোখ দুটো গুলির মতো জ্বলজ্বল করছে৷ নাকটা মাছ ধরার ফাতনার মতো জেগে আছে৷ ব্যান্ডেজের ভেতর থেকে কুশল একটা কিছু বলার চেষ্টা করল৷ কাচের জানালায় ডুমো মাছি আটকে গেলে যেমন বুজুর-বুজুর শব্দ হয়, সেইরকম একটা শব্দ ছাড়া কিছুই বোঝা গেল না৷

আমি আর অপূর্ব দুজনে দুটো টুলে বসলুম৷ কুশলের বিছানা ঘেঁষে৷ কুশলের মা বসে আছেন মাথার কাছে৷ ছেলের চুলে হাত বুলোচ্ছেন৷ চুল ছাড়া শরীরে আর কোনও অংশ তো খোলা নেই৷ অপূর্ব বলল, ‘তুই কী করে এমন হয়ে গেলি কুশল?’ কুশল কাচের গায়ে মাছির গলায় যা বলল, সেটা হল, কুশলের অনেকদিনের ইচ্ছে, সাইকেল চালানো শিখবে৷ অমরসার বারবার সাবধান করেছিলেন, ‘কুশল, টেস্ট পরীক্ষার আগে সাইকেল-মাইকেল নিয়ে মেতো না৷ পরীক্ষার পর তুমি নর্দমায় পড়ো খানায় পড়ো আমার কিছু বলার নেই৷’ কুশল বাবার কথা অমান্য করেছে৷

‘তা লোকে তো সাইকেল নিয়ে খানায় পড়ে, তুই চুনের গামলায় পড়লি কী করে?’

বুজুর-বুজুর করে ব্যান্ডেজের তলা থেকে কুশল বলে গেল, ‘আমার ছোটমামার একটা সাইকেল আছে৷ যেমন বড়, তেমন ভারী৷’

‘তাতে তোর কী?’

‘ছোটমামা অনেকদিন থেকে বলছিলেন, কুশল, সাইকেলটা শিখে রাখ, ব্যাটাছেলের সাইকেল-শেখা খুব দরকার৷ অনেক উপকারে লাগবে৷’ বললেন, ‘একমাস সাইকেলটা ধরে হাঁট৷ সাইকেলটা পাশে নিয়ে মাইলের পর মাইল হাঁট৷ সাইকেলটা তোর পাশে থাকতে-থাকতে বেশ পোষ মেনে যাবে৷ তারপর হঠাৎ একদিন তার ওপর চেপে বসবি৷

‘তা তুই হাঁটলি?’

‘সেই হাঁটতে গিয়েই তো এই কাণ্ডটা হল৷ ঘোষালদার দোকান চুনকাম হবে, পয়লা বৈশাখ এসে গেল৷ গোরুর জাবর খাওয়ার বড় গামলায় চুন ভেজানো ছিল৷ গামলাটা ছিল পথের পাশে৷ সাইকেলটা মাঝে-মাঝে আমাকে হ্যাঁচকা টান মারছিল৷ আমিও টান মারছিলুম৷ টানাটানি চলছিলই৷ গামলাটার কাছে এসে সাইকেলটা লগবগিয়ে শুয়ে পড়তে চাইল৷ আমিও মারলুম টান৷ সাইকেলটা আমার ঘাড়ের ওপর শুয়ে পড়ল, আমিও শুয়ে পড়লুম চুনের গামলায়৷ সবাই এসে যখন উদ্ধার করল তখন আমি চুনে ভিজে সপসপে হয়ে গেছি৷’

সাতদিন পরে কুশল স্কুলে এল৷ রংটা বেশ ফরসা দেখাচ্ছে৷ চোখ দুটো কোনওক্রমে বেঁচে গেছে৷ চুন ঢুকে গেলে আর কিছু করা যেত না৷ নাকে ঢুকে গেলেও সাঙ্ঘাতিক ব্যাপার হতো৷ কুশল বলল, ‘সাইকেলটার ওপর ভয়ংকর প্রতিশোধ নোব৷’

‘কীভাবে নিবি?’

‘হাফ প্যাড্ল, ফুল প্যাডলের মধ্যে যাব না৷ একেবারে সিটে চেপে বসব৷ প্যাডলে পা৷ ব্যাপারটার মধ্যে হাতি-ঘোড়া কিছু নেই৷ শুধু ভোলার ব্যাপার৷’

‘ভোলার ব্যাপার, মানে?’

‘মানে, ভুলতে হবে যে, আমি সাইকেল চেপে আছি৷ ভুলতে হবে যে আমি সাইকেল চালাতে জানি না৷ পৃথিবীর বড়-বড় মানুষ বড় হয়েছে কীভাবে জানিস? ভয়কে জয় করে৷ দুটো কথা মনে রাখবি, পারিব না, এ-কথাটি বলিও না ভাই, এটা হল প্রথম কথা৷ দ্বিতীয় কথা হল, আমি ভয় করব না ভয় করব না, দু-বেলা মরার আগে মরব না ভাই মরব না৷’

‘এতেই হয়ে যাবে?’

‘হয় কী না দেখবি চল৷’

কুশলের সঙ্গে কুশলের মামার বাড়িতে গেলুম৷ কুশল আমাদের ম্যাজিক দেখাবে৷ সাইকেল চালানো না শিখেই পাকা চালিয়ের মতো সাইকেল চালাবে৷ স্রেফ দুটো কথার ওপর নির্ভর করে, ‘পারিব না এ কথাটি’ আর ‘আমি ভয় করব না৷’ কুশল সাইকেলটা বাড়ি থেকে রাস্তায় বের করে আনল৷ বেশ তাগড়া, শক্তপোক্ত একটা সাইকেল৷ কুশলের মেজোমামা লম্বা মানুষ, তাই সিটটা বেশ উঁচু করা৷ রাস্তাটা সোজা পুব থেকে পশ্চিমে চলে গেছে৷ পশ্চিমে গঙ্গা৷ রাস্তাটা গঙ্গার ঘাটে গিয়ে শেষ হয়েছে৷ সেকালের জমিদারদের করা ঘাট৷ একটু ভেঙে এলেও বেশ সুন্দর৷ বিশাল চাতাল৷ ধাপে-ধাপে পইঠা নেমে গেছে জলে৷ রাস্তাটা নির্জন৷ তেমন লোক চলাচল নেই৷ দু-পাশে বাগানবাড়ি, প্রাচীন মন্দির৷ বড়-বড় গাছ৷ বেশ স্নিগ্ধ, শান্ত পরিবেশ৷

কুশল বলল, ‘আজ তোদের আমি দেখাতে চাই, কী দেখাতে চাই?’

‘সাইকেল চড়া৷’

‘না, সাইকেল চড়া নয়, আজ প্রমাণ করব, মানুষের মনই সব৷ মনই সব করে৷ যে জীবনে কখনও সাইকেল চড়েনি, সে সাইকেলে চড়ে চালাতে-চালাতে চলে যাবে৷’

কুশল একটা রকের কাছে সাইকেলটাকে নিয়ে এল৷ গম্ভীর মুখে বলল, ‘একটু বেআইনি হচ্ছে, মানে, রকে উঠে সিটে বসব৷ প্যাডেলে পা রেখে সাইকেলে চড়া, প্রথমেই পারব না৷ পড়ে মরব৷ অনেক পেকে গেলে তবেই ওভাবে চড়া যায়৷ আশা করি এতে তোমাদের আপত্তি হবে না৷’

আমরা বললুম, ‘না-না, এতে আমাদের কোনও আপত্তি হবে না৷’

কুশল রক থেকে বীরের মতো সাইকেলের সিটে উঠে বসল৷ বসে আমাদের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এইবার আমি আমার মনকে বলব, মন! তুমি কাঁচা নও, পাকা সাইকেল চালক৷ তুমি সাইকেলে ভূপর্যটন করে এসেছ৷ তুমি সাইকেল চড়ে পৃথিবীতে এসেছ, সাইকেল চড়েই স্বর্গে যাবে৷’

কুশল প্যাডেলে পা রেখে চাপ দিল৷ ডান দিকে হাতল ঘুরিয়ে লগবগ করে রাস্তায় নেমে পড়ল৷ আমরা ভয়ে চোখ বুজিয়ে ফেললুম৷ কুশল পড়বে, সাঙ্ঘাতিকভাবে পড়ে হাড়গোড় চুরমার করে ফেলবে৷ চোখ খুলে দেখি, কুশল অনেকটা দূরে চলে গেছে৷ সাঁই-সাঁই করে গঙ্গার দিকে চলেছে৷ আমরা পেছন-পেছন দৌড়চ্ছি৷ কুশল উল্কার মতো সামনে ছুটছে৷ রাস্তা শেষ৷ কুশল ঘাটের চাতালে৷ আমরা চিৎকার করছি, ‘নেমে পড়, নেমে পড়৷’ চাতাল শেষ করে কুশল সাইকেলসুদ্ধু লাফাতে-লাফাতে ঘাটের সিঁড়ি বেয়ে সোজা জলে নেমে গেল৷

আমরা কোনওরকমে কুশলকে টেনেটুনে জল থেকে তুললুম৷ ডান পা’টা ভেঙে গেছে৷ ডান হাত চুরমার৷ মনে আছে আমাদের, হাতপাতালে কুশলের জন্যে আলাদা একটা বেড রাখা হয়েছিল৷ কারণ, কুশল মনের জোরে সবকিছু করতে চাইত৷ তার ফলে দেহ কাবু হয়ে পড়ত৷ স্কুলে, কুশলের শেষ মনের জোর যা দেখেছিলুম, তিনতলা থেকে লাফিয়ে পড়া৷ কুশল দেখাতে চেয়েছিল, মনের জোরে মানুষ পাখির মতো উড়তেও পারে৷ সেবার তিন মাস শুয়ে ছিল হাসপাতালে৷

আজ, কুশল একজন বড় বিজ্ঞানী৷ আমেরিকায় থাকে৷ আমাকে আর অপূর্বকে হয়তো আর মনে নেই৷ এইটুকু জানি, কুশল মনের জোরেই বড় হয়েছে৷ অমর-সার হঠাৎ মারা গেলেন৷ কুশল নিজেকেই নিজে বড় করেছিল৷

সকল অধ্যায়
১.
সেই রাত
২.
হেডস্যারের মায়াজাল
৩.
রেখা
৪.
নিরঞ্জন স্যার
৫.
নবেন্দুর দলবল
৬.
জনার্দনের জরদার কৌটো
৭.
হাসি কান্না চুনি পান্না
৮.
রাবণবধ
৯.
হেডস্যারের সমাজসেবা
১০.
এক রাজার গল্প
১১.
রসবড়া
১২.
বাঘের সার্কাস
১৩.
সাইকেল বিভ্রাট
১৪.
দেশি সাহেব,বিলিতি নেড়ি
১৫.
বেত আর বাত
১৬.
এই সেই বাড়ি
১৭.
কাঁঠাল
১৮.
আমি অন্তহীন
১৯.
আনারকলির উপহার
২০.
আছে কোথাও
২১.
ঘুরঘুরে
২২.
অঞ্জলি
২৩.
অঙ্কই ভগবান
২৪.
দিদি
২৫.
সিঁড়ি
২৬.
পেয়ারা গাছ
২৭.
কণ্ঠস্বর
২৮.
সাটিন-ভেলভেট
২৯.
বন্ধু
৩০.
অরণ্যের উপকথা
৩১.
শেষ গোলাপ
৩২.
অনুসন্ধান
৩৩.
শান্তি
৩৪.
অংশীদার
৩৫.
টপ সিক্রেট
৩৬.
প্ল্যাটফর্ম
৩৭.
সাগর
৩৮.
রামুদা
৩৯.
হেডস্যার
৪০.
হেডস্যারের জুতো
৪১.
আলোর নিচেই অন্ধকার
৪২.
সে এক কাণ্ড
৪৩.
দাদুর কাঁঠাল
৪৪.
দাদুর ইঁদুর
৪৫.
দাদুর দ্বিতীয় ইঁদুর
৪৬.
দাদুর দাঁদানো বাঁত
৪৭.
দাদুর বেড়াল
৪৮.
দাদুর বাগান
৪৯.
অহিদার চোরধরা
৫০.
আমি ও টম
৫১.
টম আর দুলী
৫২.
বাবার বাবা
৫৩.
গোল
৫৪.
উদ্ধার
৫৫.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
৫৬.
দুখপাইয়ে তো সুখ লাগাইয়ে
৫৭.
জ্ঞানী
৫৮.
দিদি আর পিকলু
৫৯.
শেষ খাওয়া
৬০.
নির্জন বনপথ
৬১.
ঋণ শোধ
৬২.
নতুন ফসল
৬৩.
অরূপ যাত্রা
৬৪.
পয়সার ফয়সালা
৬৫.
ফানুস
৬৬.
বালির ওপর পোল
৬৭.
বাঘমারি
৬৮.
কুশলের সাইকেল
৬৯.
আমিই গোয়েন্দা
৭০.
ফেরা
৭১.
গোলকিপার
৭২.
সন্ধান
৭৩.
ফুল হয়ে ফোটার কালে
৭৪.
কৃপা
৭৫.
বড় বিল
৭৬.
রকেট
৭৭.
দুটো বেজে পাঁচ
৭৮.
সোনার হরিণ
৭৯.
বিচার
৮০.
অনাথ
৮১.
ভোলা
৮২.
আগুন
৮৩.
ডানাকাটা পাখি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%