আছে কোথাও

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

গভীর রাতে নদীর ধারে যখন একা একটা কুকুর দীর্ঘস্বরে ডেকে ওঠে তখনই আমি বুঝতে পারি রাতের রহস্য জমছে৷ অন্ধকারের নাচদুয়ারে আসর বসছে৷ ছুটে গেলে কিছুই দেখতে পাব না৷ চওড়া ফিতের মতো একটা নদী জলের কথা শুনছে৷ ওপারে আলোর সারি৷ জ্বলতে জ্বলতে চোখে জল এসে গেছে৷ জীবন্ত চরিত্র হয়ে উঠেছে৷ রাতের প্রহরী৷ মরা চটকলের কালো চিমনি বেগুনি আকাশের গায়ে ধোঁয়ার অতীত খুঁজছে৷ হারিয়ে যাওয়া হাজার শ্রমিক আর ফিরবে না৷ ভোঁ ভোঁ বাঁশি বাজবে না৷ যন্ত্র চিরুনি সোনালি পাটের জট ছাড়িয়ে বিদেশি খোঁপা বাঁধবে না৷ সব নিস্তব্ধ৷ সার্চলাইটের আলো৷ লম্বা লম্বা ছায়া৷ বন্ধ গুদাম৷ অচল যন্ত্রপাতি! উইভিং মেশিনের তলায় এক জোড়া হাওয়াই চপ্পল৷ একটু আলো, একটু অন্ধকার৷ একটা ছেঁড়া মাদুর৷ একটা গামছা ঝুলে থাকতে থাকতে শক্ত হয়ে গেছে৷ একজোড়া কাচের চুড়ি৷ হারিয়ে যাওয়া কোনও প্রেমকাহিনি৷

জলের ওপর নিথর দুটো নৌকো৷ ছায়া ছায়া দু’চারজন মানুষ৷ গুজগুজ কথার শব্দ৷ আগুনের ফোঁটা বড় হচ্ছে, ছোট হচ্ছে৷ ঠোঁটের বিড়ি৷ শ্বাসের টান৷ একটু একটু কাশি৷ সবাই কত সংযত৷ পাত্র-ভরা তরল রাত যেন ছলকে না যায়! সবাই তাকিয়ে আছে দক্ষিণের দিকে৷ বহু দূরে সমুদ্র৷ জোয়ার আসছে৷ নদী দক্ষিণে চলতে চলতে হঠাৎ স্রোত ঘুরিয়ে উত্তরমুখী হবে৷ রুপোর মাছ লাট খেতে খেতে আসবে৷ অলস মানুষেরা অন্ধকারে নড়ে চড়ে উঠবে৷ শীত শীত বাতাস৷ শিকারি নৌকো দুটো পিছলে নেমে যাবে জলে৷

একটা কিছু লেখা আছে বাড়িটার গায়ে৷ দেয়ালে লেখা উঁচু উঁচু অক্ষরে৷ একটা-দুটো অক্ষর চেনা গেলেও, বাকি সব ‘কাল’ ঘষে, মেজে দিয়েছে৷ বিরাট একটা বাগানের চিহ্ণ পড়ে আছে৷ বাড়িটার মাথার ওপর বিশাল একটা গম্বুজ৷ নদীর ধার থেকেই দেখা যায়৷ গম্বুজের খোলে ঠাসা অন্ধকার৷ সন্ধের সময় টুকরো টুকরো বাদুড় উড়ে যায়৷

প্রায় ভাঙা, ব্রিটিশ আমলের ঢালাই গেটের সামনে থমকে দাঁড়ালে একটা ছায়া যেন দৌড়ে আসে৷ বিশাল একটা জার্মান শেফার্ড ডগ৷ ডাকতে চায়৷ দেহ নেই বলে কণ্ঠ নেই৷ তবু যেন ডাক শোনা যায় কারণ কুকুরের ডাক কানে ধরা আছে৷ একটা মোটরগাড়ির খোলস মুখ থুবড়ে পড়ে আছে গতির স্মৃতি নিয়ে৷ পেছনের জরাজীর্ণ আসনে কোনও মেয়েলি জিনিস পড়ে থাকতে পারে৷ শেষ আরোহীর ভুলে ফেলে যাওয়া৷ লেসের হ্যান্ডব্যাগ৷ মেড ইন বার্মা৷ সুগন্ধ জড়ানো সিল্কের রুমাল৷ সুন্দরীর গালের স্পর্শ-রোমাঞ্চ৷ পৃথিবীতে একবার এলে সব তুলে নিয়ে ফিরে যাওয়া যায় কি? গদি-আঁটা চেয়ার থেকে উঠে গেলেও চাপটা পড়ে থাকে৷ বিছানা থেকে উঠে গেলেও চাদরটা কুঁচকে থাকে৷ চওড়া দালানে চাঁদের আলোয় বিশাল একটা বেতের চেয়ার৷ যথেষ্ট বৃদ্ধ৷ হাতের চাপে মচ শব্দ৷ ঘরের দেয়ালের ধূসর অয়েল পেন্টিং-এ যে-ভদ্রলোক প্রায় অস্পষ্ট, তিনি এই চেয়ারে হয়তো বসে আছেন৷ চাঁদের আলোয় স্নান করছেন৷ পশ্চিমের নদীর দিকে তাকিয়ে আছেন৷ মায়াবী রাত৷ হাতের ওপর ফরসা আর একটা হাত৷ চাঁপার কলির মতো আঙুল৷ অনামিকায় হীরের আংটি৷ ধারালো মুখ, ধারালো নাক, পাতলা ঠোঁট৷ যত কথা, ভেসে গেছে অতীতে৷ পড়ে আছে নিস্তব্ধতা৷

এই রাত কি সত্যিই নিস্তব্ধ? দোতলার হলঘরে সারেঙ্গি কি বাজছে না! ফরাসে তাকিয়া৷ তিনটে ঝাড়লণ্ঠন, সিলিং-এর যে-হুক থেকে ঝুলত, সেই হুক তিনটে তো রয়েছে৷ একটা কিছু থাকলে আর-একটারও তো থাকা হয়৷ স্ত্রী মারা গেলে স্বামী কি আইবুড়ো হয়ে যায়! স্বামী মারা গেলে স্ত্রী কি কুমারী? জলের জালাটা নেই৷ অনেকদিন নেই৷ মেঝের দাগটা আছে৷ জালাটার দাগ৷ যতদিন দাগটা থাকবে, ততদিন জালাটাও থাকবে৷ যতদিন স্বামী অথবা স্ত্রী থাকবেন, ততদিন উভয়েই থাকবেন৷ ধ্বনির প্রতিধ্বনির মতো৷

বাবুর্চিখানায় সেই কবে শেষ রান্না হয়েছিল? এমন কিছু ইতিহাস নয় যে মনে রাখতে হবে৷ তবু কেমন যেন একটু গন্ধ৷ একটা সসপ্যান ঝুলছে৷ যে-কোনও মুহূর্তে নেমে আসতে পারে উনুনের আগুনে৷ এক চামচ মাখনের সিরসির করে গলে যাওয়া৷ ফুট, ফুট দুটো শব্দ৷ শিক্ষিত হাতের ডিমভাঙা৷ স্নেহ মাখা প্যানে হড়কে গেল একজোড়া ডিমের কুসুম৷ সকাল হয়েছে বুঝি! বারান্দায় রোদের লুকোচুরি৷ ভারী চেহারার কেউ একজন বসে আছেন৷ দূরে মাঠের দিকে তাকিয়ে৷ ক্যান্টনমেন্টের ব্রিগেডিয়ার সাহেব ঘোড়া ছোটাচ্ছেন৷ সামনের পথে ওই যে কিশোরটি যাচ্ছে, এক মাথা কোঁকড়া কোঁকড়া চুল, ওর নাম পলাশ৷ ওর বাবা মিলিটারি ডাক্তার৷ বারান্দার রেলিং-এ হাতির দাঁতের হাতলওলা একটা ছড়ি ঝুলছে৷ সূর্য-রঙের এক জোড়া কুসুম, দুধ-সাদা প্লেট, রুপোর চামচে, স্বচ্ছ কাপে সোনালি চা, হালকা বাদামি রঙের টোস্ট৷ কুড়কুড় শব্দ৷ এক ঝলক শীতের বাতাসের কাঠবিড়ালির মতো লুটোপুটি৷ ভার্জিনিয়া টোব্যাকোর গন্ধ৷ কাঠের সিঁড়ি৷ জুতোর শব্দ৷ হাঁটতে হাঁটতে শতাব্দী, মাঠ পেরিয়ে, টিলা পেরিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল৷ ক্যালেন্ডারে নতুন পাতা৷ বাইরে নতুন, নতুন মুখে, নতুন নতুন কথা৷

সটান একটা রাস্তা৷ পশ্চিম থেকে পুবে চলে গেছে৷ সে যেন যাচ্ছে তো যাচ্ছেই, দুপাশে কত কী দেখতে দেখতে৷ পথটা পুব দিকের শেষ মাথায় একটা গঞ্জে এসে খানিক দিশাহারা৷ রেল-স্টেশন৷ সস্তার সিনেমা হল৷ খেলার মাঠ, মেলার মাঠ, মিটিং-এর মাঠ৷ বাজার, দোকান৷ পাঁচমিশেলি মানুষ, পাঁচমিশেলি কথা৷

পশ্চিমের নির্জন দিকে বাঁ-পাশের সেই দোকানটার ঝাঁপ বন্ধ৷ বহুদিন বন্ধ৷ খাবার দোকান ছিল৷ উনুনে মরা ছাই৷ অস্পষ্ট সাইনবোর্ড৷ বাঁশের বেঞ্চ৷ লম্বা৷ সকাল এসে রোজ ফিরে ফিরে চলে যায়৷ কুয়াশার ভোর আসে এক গেলাস গরম চায়ের সন্ধানে৷ কচুরি, শিঙাড়ার গন্ধ বাতাসে ভাসে না৷ বাঁশের বেঞ্চে সেই সব বিশিষ্ট মানুষরা বসে বসে গল্প করেন না—শিক্ষক, সাংবাদিক, জেলা অফিসের করণিক৷ হঠাৎ এসে হাজির হন না বিখ্যাত সেই মোক্তার৷ দোকানটার পাশেই লম্বা একটা কদম গাছ৷ প্রতি বর্ষায় ফুল আসে৷ সেই সব মানুষ কেন আসেন না!

সত্যিই কি আসেন না! মরা উনুনে আগুন পড়বে৷ গাছ বেয়ে ধোঁয়া উঠবে পাকিয়ে পাকিয়ে৷ বাঁধের কাজের মজুররা চটজলদি চা খেয়ে, গল্প করতে করতে চলে যাবে বাঁধের দিকে৷ সাইকেলে চেপে খবরের কাগজ আসবে৷ দর্জির দোকানে কল চলবে৷ নানা রঙের কাটা কাপড় মেঝেতে জমতে থাকবে৷ শিক্ষকমশাই রবীন্দ্রনাথের কথা বলবেন৷

বাঁশের ওই মাচাটায় অকারণে কিছুক্ষণ বসে থাকা যায়৷ উলটো দিকের বাড়ির ছোট্ট মেয়েটি বড় হতে হতে, বিয়ে হয়ে বরের সঙ্গে দূর কোনও দেশে চলে গেছে৷ গানের মাস্টারমশাই তাকাতে তাকাতে প্রৌঢ় হয়ে গেলেন৷ প্রেম শুকোতে শুকোতে তেজপাতা হয়ে গেছে৷

রাতে একা বাড়িটায় থাকতে পারবেন? চৌকিদারের সন্দেহ! একা কোথায়! যাদের দেখছি তারা তো আছেই৷ যাদের দেখছি না তারাও আছে৷ পা চলে গেলে পায়ের ছাপটা যাবে কোথায়! কালো কালো ছিট ধরা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বড়বাবুর দাড়ি কামানোটা আয়নার ভেতর ঢুকে গেছে৷

কেয়ারি করা বাগানটা নষ্ট হয়ে গেছে অবহেলায়৷ বড় বড় গাছগুলো আছে৷ চাঁপা গাছে ফুল এসেছে৷ গন্ধরাজ গাছে বুলবুলির বাসা৷ ঝোপের আড়ালে অবহেলার গোলাপ গাছে একটি সাদা গোলাপ৷ অপেক্ষা করে আছে, সেই হাত, সরু সরু আঙুল৷ একটু স্পর্শ৷ গাছ থেকে উঠে যাওয়া খোঁপায়৷ আয়নাকে প্রশ্ন, ‘কেমন দেখাচ্ছে আমায়?’

সে তখন অনেক রাত! নদীতে স্টিমারের ভোঁ৷ ছোট ছোট মাছধরা নৌকোকে সাবধান করছে৷ প্যাঁচা ডাকছে৷ ওপরের ঘরে নানা রকম শব্দ৷ খালি বাড়িতে শব্দ থাকে৷ বন্ধ ঠাকুরঘরে সিংহাসনে বিগ্রহ৷ বহুদিন পূজা পাননি৷ দেবতা বেরিয়ে গেছেন, পড়ে আছে পুতুল৷

বৃদ্ধ খাট কথা কইছে৷ ক’টা বাজল হে? এ তো ফুলশয্যার খাট! উঠে যাও৷ নববধূ এসে বসবে, লাজুক মুখে মালা পরে৷ রাত কথা কইতে কইতে ঘুমিয়ে পড়বে৷ যখন জাগবে, তখন ভোর৷ রাত, দিন হয়ে উঠে দাঁড়াবে৷ আবার দিন, রাত হয়ে শুয়ে পড়বে৷ দুটো মলাটের মাঝখানে মানুষের মহাকাব্য৷ মলাটের একদিকে আলো, একদিকে কালো৷ এ-আকাশে উদয়, ও-আকাশে অস্ত৷

ডান দিকের সরু পথটা সাপের মতো এঁকে বেঁকে একসময় ঘামতে ঘামতে, ক্লান্ত হয়ে গড়িয়ে নদীতে ঢুকে গেছে৷ ঘাটের পইঠা বেয়ে পা নামছে, উঠছে৷ নরম পা, শক্ত পা৷ যখন উঠছে, অনুসরণ করে আসছে জলসিক্ত পদচিহ্ণ৷ কিছু দূর আসার পর চিহ্ণ ফেলে পা এগিয়ে যাচ্ছে৷ শুকনো পা৷

ছোট্ট শিব মন্দিরে পাথরের শিবলিঙ্গ৷ বহু রকমের শব্দ-মিশ্রিত জল ঢালা৷ কেউ চাইছে জীবন, কেউ চাইছে মৃত্যু৷ গাছের ছায়ায় ন্যুব্জ বৃদ্ধ৷ ঢেউয়ের আঘাতে কচুরিপানা যেমন ডাঙায় উঠে পড়ে, প্রবাহ থেকে সামান্য দূরে, গতিহারা—ঠিক সেইরকম৷ বৃদ্ধ বসে আছেন৷ পাশে শুয়ে আছে লাঠিটা৷ লাঠির ইচ্ছে বৃদ্ধকে কোনও স্নেহের আশ্রয়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায়৷ শেষ মাঘে স্ত্রী মারা গেছেন৷ ইটের দেয়ালঘেরা স্নেহহীন অবস্থান৷ ছোট্ট জানলার বাইরে শ্যাওলা ধরা পাঁচিল৷ একটা সাপের খোলস পাঁচিলের গায়ে লম্বা হয়ে ঝুলছে৷ ঘরের কুলুঙ্গিতে লক্ষ্মীর পাঁচালি৷ সিঁদুর কৌটো৷ ছোট্ট ঘটে শুকনো আম্রপল্লব৷

লাঠিটা নাতির মতো বারে বারে বলছে, ‘বাড়ি চলো না, আমার যে খিদে পেয়েছে!’ প্রাইমারি স্কুলের ধারে বেড়ার বাইরে একটা ছাগলের কসরত চলেছে৷ উঁচুতে ঝুলে থাকা একটা পাতাকে মুখের নাগালে আনার করুণ চেষ্টা৷ পাতাটা বারে বারে জীবন ফিরে পাওয়ার আনন্দে ঢলঢল করছে৷ জীবন-মৃত্যুর সীমানায় বাতাসে দোল খাচ্ছে৷ আজ বেঁচে গেলেও কাল কী হবে! যখন ঝরা-পাতার কাল আসবে! সপরিবারে ঝরে যাবে৷ রেখে আসবে নতুন পাতার প্রতিশ্রুতি৷

মাঠের মাঝখানে বেলুনওয়ালা৷ তার লাঠিতে ঝুলছে, দুলছে লাল, নীল, হলদে, সবুজ বেলুন৷ এক দল শিশু ঘিরে আছে৷ মহা কলরব! কচি কচি হাত ওপরে তুলে নৃত্য৷ দাও, দাও৷ চাওয়া আর পাওয়ার মাঝখানে ‘চাকতির’ বাধা৷ এক টাকা, একশো টাকা, কোটি টাকা৷ বেলুনগুলো শিশুদের হাতে যাওয়ার জন্যে ছটফট করছে৷ যেতে পারলেই ভরা বাতাসের আনন্দ সার্থক হবে৷ স্বাধীনতা নেই৷ অর্থনীতির সুতোয় বাঁধা পরাধীনতা৷

এইভাবে পৃথিবীর বাজারে কত হীরে কিরণ বিকীর্ণ করতে করতে দ্যুতি হারিয়ে আবার কয়লা হয়ে যাবে৷ সুন্দরীর অনামিকা খুঁজে পাবে কি? কত প্রেম ভাষাহীন! কত চাওয়া পাওয়া হবে না! কত আশা শুধুই দীর্ঘশ্বাস!

কাঠের সিঁড়ি ভেঙে দোতলায়, তিনতলায়, ছাতে৷ সেই গম্ভীর গম্বুজ৷ নীচের দিকে আলো, ওপর দিকে কালো৷ টুকরো টুকরো অন্ধকার বাদুড় হয়ে ঝুলছে৷

সকল অধ্যায়
১.
সেই রাত
২.
হেডস্যারের মায়াজাল
৩.
রেখা
৪.
নিরঞ্জন স্যার
৫.
নবেন্দুর দলবল
৬.
জনার্দনের জরদার কৌটো
৭.
হাসি কান্না চুনি পান্না
৮.
রাবণবধ
৯.
হেডস্যারের সমাজসেবা
১০.
এক রাজার গল্প
১১.
রসবড়া
১২.
বাঘের সার্কাস
১৩.
সাইকেল বিভ্রাট
১৪.
দেশি সাহেব,বিলিতি নেড়ি
১৫.
বেত আর বাত
১৬.
এই সেই বাড়ি
১৭.
কাঁঠাল
১৮.
আমি অন্তহীন
১৯.
আনারকলির উপহার
২০.
আছে কোথাও
২১.
ঘুরঘুরে
২২.
অঞ্জলি
২৩.
অঙ্কই ভগবান
২৪.
দিদি
২৫.
সিঁড়ি
২৬.
পেয়ারা গাছ
২৭.
কণ্ঠস্বর
২৮.
সাটিন-ভেলভেট
২৯.
বন্ধু
৩০.
অরণ্যের উপকথা
৩১.
শেষ গোলাপ
৩২.
অনুসন্ধান
৩৩.
শান্তি
৩৪.
অংশীদার
৩৫.
টপ সিক্রেট
৩৬.
প্ল্যাটফর্ম
৩৭.
সাগর
৩৮.
রামুদা
৩৯.
হেডস্যার
৪০.
হেডস্যারের জুতো
৪১.
আলোর নিচেই অন্ধকার
৪২.
সে এক কাণ্ড
৪৩.
দাদুর কাঁঠাল
৪৪.
দাদুর ইঁদুর
৪৫.
দাদুর দ্বিতীয় ইঁদুর
৪৬.
দাদুর দাঁদানো বাঁত
৪৭.
দাদুর বেড়াল
৪৮.
দাদুর বাগান
৪৯.
অহিদার চোরধরা
৫০.
আমি ও টম
৫১.
টম আর দুলী
৫২.
বাবার বাবা
৫৩.
গোল
৫৪.
উদ্ধার
৫৫.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
৫৬.
দুখপাইয়ে তো সুখ লাগাইয়ে
৫৭.
জ্ঞানী
৫৮.
দিদি আর পিকলু
৫৯.
শেষ খাওয়া
৬০.
নির্জন বনপথ
৬১.
ঋণ শোধ
৬২.
নতুন ফসল
৬৩.
অরূপ যাত্রা
৬৪.
পয়সার ফয়সালা
৬৫.
ফানুস
৬৬.
বালির ওপর পোল
৬৭.
বাঘমারি
৬৮.
কুশলের সাইকেল
৬৯.
আমিই গোয়েন্দা
৭০.
ফেরা
৭১.
গোলকিপার
৭২.
সন্ধান
৭৩.
ফুল হয়ে ফোটার কালে
৭৪.
কৃপা
৭৫.
বড় বিল
৭৬.
রকেট
৭৭.
দুটো বেজে পাঁচ
৭৮.
সোনার হরিণ
৭৯.
বিচার
৮০.
অনাথ
৮১.
ভোলা
৮২.
আগুন
৮৩.
ডানাকাটা পাখি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%