বাঘের সার্কাস

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

ডাক বাংলোর পাশের ময়দানে সার্কাস এসে গেছে৷ চন্দ্রাণী ইন্টারন্যাশনাল৷ প্রত্যেক বছর আসে৷ পেছন দিকেই জঙ্গল৷ জঙ্গলটার নাম রানির জঙ্গল৷ কোনো এক রাজার রানিকে চোখ বেঁধে এই জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে গিয়েছিল৷ কী সব বদমাইশ! গুলি করা উচিত৷ ঠিক হয়েছিল৷ যেমন কর্ম তেমন ফল৷ সেই রানি হয়ে গেল সাংঘাতিক ডাকাত৷ ডান হাত হল মোহন সর্দার৷ রানির মুখ কালো মুখোশে ঢাকা৷ পুরুষের পোশাক৷ কালো তেজী ঘোড়া৷ সেই ঘোড়া যখন পাথরের রাস্তা দিয়ে তীব্র বেগে ছুটত, ঘোড়ার পা দিয়ে খাঁই খাঁই করে আগুন ছিটকোত৷ আমার দাদুর কাছে শুনেছি৷ দাদু শুনেছিলেন তাঁর দাদুর কাছে৷ তাঁরা মিথ্যে কথা বলবেন কেন? জঙ্গলের সামনের পথ দিয়ে রাজার খাজনা গাড়ি যেত৷ লোহার চাকা লাগানো, কামান ফিট করা৷ ডাকাতরা সব গাছের ডালে বড় বড় জাল নিয়ে বসে থাকত৷ জালে বড় বড় হুক লাগানো৷ ঝপ ঝপ করে হুক লাগানো জাল পড়তে লাগল৷ রাজার সিপাইরা চেল্লাচ্ছে, বাবারে, মারে, বাঁচাও, বাঁচাও৷ কে বাঁচাবে! টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে জাল জড়ানো অবস্থায় দীঘির জলে৷ তিনটে পেল্লায় কুমির ছিল সেখানে৷ রানি তাদের নাম রেখেছিল, সোম, বুধ, শুক্কুর৷ এই সময় রাজা এক মস্ত ভুল করলেন৷ রানির কাছে ক্ষমা চাইতে এলেন৷ রানি কম ধুরন্ধর! যেখানে সার্কাস বসেছে. সেই খানে বিরাট তাঁবু লাগিয়ে রাজার সম্বর্ধনার আয়োজন করেছেন৷ নাচ, গান, খানাপিনা—রাজার বডিগার্ডরা খুব খেয়েছে৷ রানি অনেকদিন পরে রাজার পাশে বসে খুব খাইয়েছে৷ রাজার চোখ বুজে আসছে৷ রাজা ঘুমিয়ে পড়ল৷ সব রেডি করাই ছিল৷ কালো কাপড়ে চোখ বেঁধে রাজাকে বস্তায় পুরে অনেক অনেক দূরের একটা জঙ্গলে চালান করে দেওয়া হল৷ সেখানে কী নেই! কেঁদো বাঘ, ধেড়ে হাতি, অজগর, রামায়ণের আমলের এক ডজন রাক্ষস৷ একেই বলে বদলাবদলি৷ তারপর রানি কালো মুখোশ পরে যুদ্ধের পোশাকে কালো ঘোড়ার পিঠে চড়ে বসলেন৷ সঙ্গে আরো একশো দুর্ধর্ষ ঘোড়সওয়ার৷ গভীর রাত৷ শেয়াল ডাকছে৷ হাতিরা মটমট করে গাছের ডাল ভাঙছে৷ রানি অতর্কিতে রাজবাড়ি আক্রমণ করলেন৷ আধঘণ্টার মধ্যে দখল৷ রানি হলেন রাজা৷ কত ভালো ভালো কাজ করলেন৷ রানি জঙ্গলে যে বাড়িটায় থাকতেন ভেঙেচুরে পড়ে আছে৷ ভেতরে বাঘ-বাঘ গন্ধ৷ হাড়গোড়, মাথার খুলি৷ সেই রানির নামে রানিবাঁধ, ধর্মশালা, বিদ্যালয় কত কী!

আমি আর আমার ভীষণ বন্ধু অনিল সাইকেলে চেপে তাঁবু দেখে এলুম৷ বিউটিফুল! সবাই এসে গেছে, বাঘ মামা, ভল্লুক কাকু, হাতি দাদা, মিস্টার ক্লাউন, আকাশে ঝোলা দিদিমণিরা৷ ম্যানেজারকাকুর সঙ্গে আমাদের দুজনের খুব ভাব৷ কেন ভাব হবে না! ম্যানেজারকাকু ঝিঙে পোস্ত, লাউচিংডি, কচুরলতি, ধোঁকা খেতে ভালোবাসেন৷ আমার মায়ের রান্না যে একবার খেয়েছে সে জীবনে ভুলতে পারবে? আমার বাবার বন্ধু খ্রিস্টান কলেজের প্রিন্সিপ্যাল স্কটল্যান্ডের বাড়িটাই বিক্রি করে দিলেন! চার্চের পাশে দারুণ একটা বাংলো তৈরি করে আছেন৷ মায়ের হাতের সোনা মুগের ডাল, পোস্তর বডার লোভে৷ এই একমাস সার্কাস থাকবে৷ আমি রোজ দিয়ে আসব৷ বাপরে কী মোটা! হাসতে হাসতে বলেন, ‘ওই হাতিটা পালিয়ে গেলে এই হাতিটাকে দিয়ে কাজ চালান যাবে৷’ চমৎকার মানুষ৷ আমি খুব ভালোবাসি৷ যখন এখান থেকে চলে যান, আমি তখন লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদি৷ কোথায় না কোথায় চলে যাবেন৷ কে আমাকে দেশ-বিদেশের গল্প বলবে! আমি বলেছিলুম, ‘কাকু! আমাকে তোমার সার্কাসে নাও না, আমি একসঙ্গে দশ-বারোটা ডিগবাজি খেতে পারি৷’

কাকু বললে, ‘আর দু-তিন বছর পরে আরো কিছু টাকা জমলে আমি তোর কাছে ফিরে আসব৷ তখন তোতে আর আমাতে মিলে বই লিখব৷ কত কি লেখার আছে রে!’ প্রত্যেকবার কাকু আমাদের দুজনকে আর আমাদের দুই মাকে কিছু না কিছু দেবেনই৷ কিছুই করার নেই৷ যেমন বড় শরীর, সেইরকম বড় দিল৷ ভয় লাগে বাবা, কেউ যেন ভেবে না বসে, ‘আমার কি অনিলের লোভ আছে৷ আমরা কিচ্ছু চাই না৷ বেড়াতে চাই৷ দেশ-বিদেশ যাব৷ মানুষ দেখব, বাজার দেখব, রাত্তির বেলা আলোঝলমলে শহর দেখব৷ কারো সঙ্গে ভাব হবে, তার বাড়িতে যাব৷ পাহাড়, ঝরনা, নদী৷ কিছুদিনের জন্যে হারিয়ে যাব৷

কাকু পানামা গিয়েছিলেন৷ দুটো সিল্কের শার্ট এনেছেন৷ সে কী বাহার! আমরা দু’জনেই এক মত! জীবন থাকতে পরা যাবে না৷ তোলা থাকবে৷ সার্কাস নিয়ে মাইসোর গিয়েছিলেন৷ দুখানা পাগল করা শাড়ি৷ তাঁবু কমপ্লিট৷ তার-টার সব ঝুলে গেছে৷ মেয়েগুলো কী ঝগড়াই করতে পারে! ভাষা তো বোঝাই যায় না৷ হাঁউ মাউ খাঁউ৷ সব ক’টা স্প্রিং-এর মতো লাফাচ্ছে৷ ওদের মায়েরা ওদের কি খাইয়ে বড় করেছে? জানি না বাবা!

কাকু এবারে বিরাট একটা পাইথন এনেছে আমাজনের জঙ্গল থেকে৷ কী সুন্দর দেখতে! কিন্তু সাপ! ওই, দূর থেকে দেখতে হবে৷ তাও গা-টা কেমন ঘিন ঘিন করে৷ তলতলে, থলথলে৷ আস্ত একটা ছাগল গিলে খেয়ে ঘুমোতে চলে যাবে৷ শিকারকে স্রেফ পেঁচিয়ে ধরবে, দম বন্ধ হয়ে পগার পার৷ মেয়েটার নাম রুমকি৷ কোন দেশের কে জানে? সুন্দর দেখতে৷ অনিল বললে, আমাদের বোন হতে পারত! পেয়ারা, জামরুল, বিলিতি আমড়া কত কত খাওয়াতুম! রুমকি পাইথনটাকে গায়ে জড়িয়ে বসে আছে৷

ম্যানেজারকাকু বললে, ‘ওদের দুজনের মধ্যে খুব ভালোবাসা৷ রুমকিই দেখাবে পাইথনের খেলা! এবারের বিশেষ আকর্ষণ৷’

দুজন ক্লাউন সেজেগুজে রেডি৷ দুটো গাড়ি নিয়ে প্রচারে বেরোবে এখুনি৷ হালকা লাল রঙের পাতলা কাগজে ছাপা হ্যান্ডবিল বিলি করবে৷ আজ বেলা তিনটের সময় উদ্বোধন৷ একটু টেনশান তো হবেই৷ এতগুলো জন্তু৷ মানুষ! উদ্বোধন শো-তে বড় বড়, গম্ভীর গম্ভীর সব লোক আসবেন৷ সাংঘাতিক দেমাক৷ একজনকে আমরা দুজনেই সহ্য করতে পারি না৷ নাম রেখেছি সবজান্তা হালদার৷ টাকা হলে মানুষের জ্ঞান বাড়ে৷ তাই হয়েছে মনে হয়৷ কারো খারাপ হোক এমন চিন্তা করতে নেই৷ জানি, তবু করি৷ অনিল দারুণ দারুণ কথা বলে, আমি কী রকম যেন, বোঁদা মার্কা, ভোঁদা মার্কা৷ অনিল বলে, ‘চিন্তা ধুলোর মতো, না চাইলেও আসবে৷’ তাই ভাবি জঙ্গলের বাঘে না খাক, ওই ‘হামবড়া’ লোকটাকে সার্কাসের বাঘেও তো খেতে পারে!

খানিক ইংরিজি বাজনা বাজল৷ একগাদা গ্যাস বেলুন একসঙ্গে বেঁধে আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হল৷ শীতের দুপুর রোদ গাছের মাথায় চড়েছে৷ পিলপিল করে সব আসছে৷ ছেলেমেয়ে নিয়ে৷ কত রঙের সোয়েটার৷ মেয়েদের শীত করে না৷ পুলিশের বড়কর্তা এসেছেন, সঙ্গে একগাদা ছোট কর্তা৷ আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসেছেন৷ ম্যানেজারকাকু বিলিতি ড্রেস দিয়েছেন৷ বড়দের সম্বর্ধনা জানাচ্ছেন৷ কুমকুমদিদি প্রত্যেককে একটা করে লাল গোলাপ দিচ্ছেন৷ ছুটন্ত কালো ঘোড়ার পিঠে কুমকুমদি এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকেন৷ বাহাদুর মেয়ে বটে৷

শুরু হয়ে গেল৷ ফার্স্ট শো৷ হাতিদের নমস্কার৷ শুঁড়ের ডগায় দুলছে ফুলের মালা প্রথম দৃশ্যেই মাত৷ ম্যানেজারকাকুর দু-পাশে আমরা দুজন৷ আমাদের বাঁধা জায়গা৷ বাঘের খেলা দেখান সুলতানকাকু৷ টাইট সাদা পোশাক৷ সরু ছুঁচলো গোঁপ৷ চোখ দুটো সাংঘাতিক৷ তাকালেই মনে হবে বিদ্যুৎ ঝিলিক মারছে৷ কোন দেশের মানুষ! আবলুস কাঠের মতো গায়ের রং৷ ম্যানেজারকাকুর কানে কানে কী বললেন! তিনি উঠে তাঁর অফিস তাঁবুর দিকে চলে গেলেন৷ এদিকে মেয়েরা ট্র্যাপিজের খেলা শুরু করেছে৷ এই সময়টায় বুকের ভেতরটা কেমন গুডগুড করে৷ নীচে মোটা জাল পাতা থাকলেও ওই উঁচু থেকে আচমকা পড়ে গেলে একটা শক তো লাগবেই৷ তোদের কী দরকার বাবা এত বিপদের ঝুঁকে নেওয়ার৷ ঘরের মেয়ে ঘরে যা না৷ সংসারের কাজে মাকে সাহায্য কর৷

আমাদেরও ডাক পড়ল৷ কাকুর পাহাড়ের মতো শরীরটা যেন ভেঙে পড়েছে৷ সুলতানকাকু একটা টুলে গম্ভীর মুখে বসে আছেন৷ কাছে ডেকে ফিসফিস করে বললেন, ‘সর্বনাশ হয়ে গেছে৷ বাঘটা খাঁচা থেকে পালিয়ে গেছে৷ এ তো বলা যাবে না৷ আতঙ্ক ছড়াবে৷ পুলিশের বড় কর্তা বসে আছেন৷ আমাকে অ্যারেস্ট করে লক আপে৷ কাল সকালে সদরে চালান৷ আবার না বললেও বিপদ, মানুষ সাবধান হতে পারবে না৷ আজ আবার হাটবার৷ আমাকে আত্মহত্যা করতে হবে৷’

আমি বললুম, ‘একদম নার্ভাস হবেন না৷ আমরা আছি৷’

কাকু বললেন, ‘তোরা কী করবি, আর আমরাই বা কী করব! সামনের দুটো দাঁত পড়ে গেলেও নরম-নরম মানুষ খেতে খুব একটা অসুবিধা হবে না৷ এতক্ষণে শুরু করে দিয়েছে কি না কে জানে? এর পেছনে ষড়যন্ত্র আছে৷ সুলতানকে আমার সন্দেহ হচ্ছে৷’

সুলতান লাল চোখে তাকিয়ে বললে, ‘আমাকে ফাঁসাতে চাইছ?’

‘তোমাকে ফাঁসাব কী? আমি নিজেই তো ফেঁসে বসে আছি৷ পুলিশ তো ডাকতে হবে না, সামনের সারিতে সব বসে আছে৷’

অনিল বললে, ‘বিপদের সময় মাথা ঠান্ডা রাখতে হয়৷ নিজেদের মধ্যে ঝগডা করলে ব্যাপারটা ফাঁস হয়ে যাবে৷ তখন কী হবে ভেবে দেখেছেন? আমরা বাঘ বশীকরণের মন্ত্র জানি৷ সেই মন্ত্র পড়লে বাঘ পোষা কুকুরের মতো ন্যাজ নাড়তে নাড়তে চলে আসবে৷’

ম্যানেজারকাকু রাগের গলায় বললেন, ‘তা পড়ছ না কেন? চুপ করে বসে আছ?’

‘উত্তর দিক কোনটা? সেই দিকে মুখ করে বসে পড়তে হবে৷’

ম্যানেজারকাকু বললেন, ‘ছেলেবেলায় মাস্টারমশাই শিখিয়েছিলেন পুব দিকে, যেদিকে সূর্য ওঠে সেদিকে মুখ করে দাঁড়ালে, ডান দিকটা দক্ষিণ, বাঁ দিকটা উত্তর৷’

সুলতানকাকু বললেন, ‘যে দিকে মুখ করে বসে আছ সেই দিকটাই উত্তর৷’

‘তা হলে মন্ত্রটা পড়ি—একটু গঙ্গাজল হাতে নিতে পারলে ভালো হত৷ যাকগে, যা নেই, তা নেই৷’

আমরা কোরাসে মন্ত্র শুরু করলুম,

ওঁ দম্ দম্ দম্

এত জোরে দম্‌দম্‌ বলেছি সবাই চমকে উঠেছে৷ যেন বোমা ফাটল৷ কী করব! ওইটাই তো বীজমন্ত্র৷

ওঁ দম্ দম্ দম্

চন্দ্রবদন চন্দ্রকায়

শার্দূলবাহন দক্ষিণরায়

ঢাল তলোয়ার টাঙ্গি হস্তে

দক্ষিণরায় নমোহস্তুতে৷৷

ওঁ দম্ দম্ দম্৷

ম্যানেজারকাকু বললেন, ‘রেজাল্ট! কতক্ষণ পরে আসবে?’

সুলতানকাকু বললেন, ‘আসবে কী, এসে বসে আছে৷ বসে নেই শুয়ে আছে৷ আপনার ক্যাম্পখাটের তলায় শুয়ে আপনারই নতুন ডার্বি জুতো চিবোচ্ছে৷ আমি তখনই বলেছিলুম একেবারে কাঁচা চামড়ার জুতো৷ পরে বেরোলে বাঘ তাড়া করবে৷ ঠিক তাই হল৷’

ম্যানেজারকাকু বললেন, ‘চুপ করো৷ আমার প্রশ্ন হল, বাঘে কী করে কুকুর হয়ে গেল?’

‘ট্রেনিং-এর গুণে স্যার৷’

হঠাৎ অনিলের খেয়াল হল, ফিসফিস করে বললে, ‘দু-হাত দূরে বাঘ, বসে আছিস কী রে?’

দৌড়, দৌড়৷ সে কী দৌড়! অনেক রাতে মনে হল, ম্যানেজার কাকুকে খেয়ে ফেলেনি তো৷ সকালে গিয়ে দেখলুম, না খায়নি৷ তিনি ব্রেকফাস্ট খাচ্ছেন, খুব মন দিয়ে৷

সকল অধ্যায়
১.
সেই রাত
২.
হেডস্যারের মায়াজাল
৩.
রেখা
৪.
নিরঞ্জন স্যার
৫.
নবেন্দুর দলবল
৬.
জনার্দনের জরদার কৌটো
৭.
হাসি কান্না চুনি পান্না
৮.
রাবণবধ
৯.
হেডস্যারের সমাজসেবা
১০.
এক রাজার গল্প
১১.
রসবড়া
১২.
বাঘের সার্কাস
১৩.
সাইকেল বিভ্রাট
১৪.
দেশি সাহেব,বিলিতি নেড়ি
১৫.
বেত আর বাত
১৬.
এই সেই বাড়ি
১৭.
কাঁঠাল
১৮.
আমি অন্তহীন
১৯.
আনারকলির উপহার
২০.
আছে কোথাও
২১.
ঘুরঘুরে
২২.
অঞ্জলি
২৩.
অঙ্কই ভগবান
২৪.
দিদি
২৫.
সিঁড়ি
২৬.
পেয়ারা গাছ
২৭.
কণ্ঠস্বর
২৮.
সাটিন-ভেলভেট
২৯.
বন্ধু
৩০.
অরণ্যের উপকথা
৩১.
শেষ গোলাপ
৩২.
অনুসন্ধান
৩৩.
শান্তি
৩৪.
অংশীদার
৩৫.
টপ সিক্রেট
৩৬.
প্ল্যাটফর্ম
৩৭.
সাগর
৩৮.
রামুদা
৩৯.
হেডস্যার
৪০.
হেডস্যারের জুতো
৪১.
আলোর নিচেই অন্ধকার
৪২.
সে এক কাণ্ড
৪৩.
দাদুর কাঁঠাল
৪৪.
দাদুর ইঁদুর
৪৫.
দাদুর দ্বিতীয় ইঁদুর
৪৬.
দাদুর দাঁদানো বাঁত
৪৭.
দাদুর বেড়াল
৪৮.
দাদুর বাগান
৪৯.
অহিদার চোরধরা
৫০.
আমি ও টম
৫১.
টম আর দুলী
৫২.
বাবার বাবা
৫৩.
গোল
৫৪.
উদ্ধার
৫৫.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
৫৬.
দুখপাইয়ে তো সুখ লাগাইয়ে
৫৭.
জ্ঞানী
৫৮.
দিদি আর পিকলু
৫৯.
শেষ খাওয়া
৬০.
নির্জন বনপথ
৬১.
ঋণ শোধ
৬২.
নতুন ফসল
৬৩.
অরূপ যাত্রা
৬৪.
পয়সার ফয়সালা
৬৫.
ফানুস
৬৬.
বালির ওপর পোল
৬৭.
বাঘমারি
৬৮.
কুশলের সাইকেল
৬৯.
আমিই গোয়েন্দা
৭০.
ফেরা
৭১.
গোলকিপার
৭২.
সন্ধান
৭৩.
ফুল হয়ে ফোটার কালে
৭৪.
কৃপা
৭৫.
বড় বিল
৭৬.
রকেট
৭৭.
দুটো বেজে পাঁচ
৭৮.
সোনার হরিণ
৭৯.
বিচার
৮০.
অনাথ
৮১.
ভোলা
৮২.
আগুন
৮৩.
ডানাকাটা পাখি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%