ঊনসত্তর

প্রীতম বসু

অন্ধকারে বাড়ির দাওয়ায় বসে ছিল গোবিন্দ অধিকারী। মনে বড় উথালপাথাল চলছে। অন্ধকারে মশা পিন পিন করছে। এক হাত দিয়ে নিজের অন্য হাতে কয়েকটা চাপড় মেরে বিরক্ত হয়ে উঠে দাঁড়াবার সময় গেটের দিকে নজর পড়ল। একটা ছায়ামূর্তি আসছে।

‘কে রে?” গোবিন্দ অধিকারী বলল বটে কিন্তু সে চেনে এই ছায়া। ‘পদাবলী, এসো এসো। তোমার জন্য খুব চিন্তা হচ্ছিল।’

‘ছিদাম দাদুর সঙ্গে কথা ছিল।’

“চলো ভিতরে যাই এখানে বড্ড মশা।”

ঘরের ভিতর লণ্ঠনের পাশে তক্তপোষের ওপর বসে ছিল ছিদাম বায়েন। পদাবলীকে দেখে মুখে হাসি খেলে গেল। ‘তুই কত দিন আসিস না। তোর শরীর ঠিক আছে তো?”

পদাবলী মোড়া টেনে বসল। ‘আপনাদের একটা জিনিস দেখাই,’ পদাবলী ব্যাগের ভিতর থেকে রিভলভারের বিবর্ণ চামড়ার খাপটা বের করল। ‘দাদু, ভালভাবে দেখুন তো এটাকে চিনতে পারেন কিনা?”

ঘরের ভিতর যেন নীরবে বজ্রপাত হল। ছিদাম বায়েন পরমুহূর্তে চোখ কুঁচকে বলল, ‘চোখে ভাল দেখিনা। গোবিন্দ, দ্যাখতো পদাবলী কী দেখায় ওটা।’

গোবিন্দ অধিকারী আমতা আমতা করছিল, পদাবলী চামড়ার খাপটা গোবিন্দ অধিকারীর হাতে দিল, তারপর ছিদাম বায়েনের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এই চামড়ার খাপটার মধ্যে প্রাণনাথ কীর্তনীয়ার রিভলভারটা রাখা ছিল। দাদু আপনিই ওই রিভলভারটা সরিয়ে ছিলেন?’

গোবিন্দ অধিকারী এবার ঝাঁঝিয়ে উঠল, ‘কী উলটোপালটা বকছ। বাবা কেন পিস্তল সরাতে যাবে?”

‘জমিদার অখিলরঞ্জনকে গুলি করার জন্য,’ পদাবলী বলল। ‘আপনার সঙ্গে আমি পরে কথা বলছি গোবিন্দকাকা। ছিদামদাদু, আপনি অখিলরঞ্জনকে মেরেছিলেন কেন?’

“তোমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে?’ গোবিন্দ অধিকারী কথা শেষ হওয়ার আগে ছিদাম বায়েন শান্ত গলায় বলল, ‘হ্যাঁ। আমি জমিদার অখিলরঞ্জনের বুকে প্রাণনাথদাদার রিভলভার দিয়ে দুটো গুলি করেছিলাম। তারপর মৃতদেহ চৈতন্যপুখুরীর জলার অনেক ভিতরে নিয়ে গিয়ে পাঁকের ভিতর ডুবিয়ে রেখেছি।’

*আপনি তুলসীগাছ থেকে দুটো পাতা ছেঁড়ার আগে গাছের কাছে ক্ষমা চান, অথচ আপনি একটা মানুষকে মারলেন! কেন মারলেন জমিদারকে? ‘তুলসী গাছ জমিদার অখিলরঞ্জনের মত সমাজে বিষ ছড়ায় না। আমি বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলার আগে গাছের থেকে ক্ষমা চাইব না। জমিদার অখিলরঞ্জনের প্রজাদের অনেকে দুর্ভিক্ষের বছরে খেতে না পেয়ে বাধ্য হত জমিদারের থেকে দাদন নিতে। অতিরিক্ত দাদনের ফাঁদে ফেলে অখিলরঞ্জন প্রজাদের দিয়ে দায়শোধী আফিম চাষ করাতো। যারা রাজি হত না তাদের ভিটেমাটি ছাড়া করত ওই জমিদার। বিঘের পর বিঘে শুধু আফিম চাষ। প্রাণনাথদাদাকে মারবার জন্য ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিল জমিদার। শুধু রায়বাহাদুর খেতাবের জন্য মানুষ মারতে এতটুকু হাত কাঁপত না জমিদার অখিলরঞ্জনের। প্রাণনাথদাদাকে যখন ধুলট উৎসবে নীলমাধবের মন্দিরে ধরতে পারল না তখন আমাকে থানায় গ্রেফতার করে আমার ওপর খুব অত্যাচার করিয়েছিল জমিদার অখিলরঞ্জন। কথা বের করার জন্য আঙুলগুলো হামান দিস্তেতে ছেঁচত। আর কখনো যাতে আমি খোল না বাজাতে পারি সে ব্যবস্থা করেছিল জমিদার। আমার থেকে কথা না বের করতে পেরে আমাকে ছেড়ে দিল, কিন্তু লেঠেল পাঠিয়ে অখিলরঞ্জন মন্দিরাদিদিকে একদিন তুলে নিয়ে গিয়ে নিজের বাড়ির গুমঘরে আটকে রাখল। গোঁসাইজ্যাঠাকে লেঠেল এসে বলল যে প্রাণনাথদাদার খবর দিলে তবেই মেয়েকে ফেরত পাবে। আমার আর উপায় ছিল না। মন্দিরাদিদি আমার জন্য প্রতি বছর যমের দুয়ারে কাঁটা দিত। তাকে যে জল্লাদ আটকে রেখেছে তাকে আমি তো যমের দুয়ার দেখিয়ে দেবই।’

‘বুড়ি কীর্তনীয়াকে আপনি পাঠিয়েছিলেন জমিদারবাড়িতে?”

‘হ্যাঁ। ও গিয়ে বলল যে প্রাণনাথ কীর্তনীয়া মন্দিরের নিচে লুকিয়ে আছে। সে ওই পথ দেখিয়ে দেবে জমিদারকে। জমিদার অনেক রাতে এল আর তখন আমি ওকে গুলি করে হত্যা করি। এজন্য আমার কোনও আফশোস নেই। মৃদঙ্গমদাদা বলত আমি মঞ্জরী। মঞ্জরী রাধিকার কষ্ট সহ্য করতে পারে?

কথাটা পদাবলীর বুকে গেঁথে গেল। মঞ্জরীরা বোধহয় এরকমই হয়। সেদিন রতি গাড়ি থেকে পড়ে চোট পেতে ওর নিজের অবচেতনের মঞ্জরী ক্রুদ্ধ হয়ে পরাশর সেনকে যাচ্ছেতাই বলে তিরস্কার করে এসেছে। রতিকে যদি সত্যি কেউ অপহরণ করতে চাইত তবে পদাবলী নিশ্চিত যে রতিকে বাঁচাতে সে নিজে জটায়ু হয়ে দাঁড়াতে এতটুকু মনে দ্বিধা রাখত না।

“আপনি আপনার মন্দিরাদিদিকে খোঁজেন নি?’

‘খুঁজব না! চারদিকে লোককে বলে রেখেছিলাম। নিজেও খুঁজেছি। কিন্তু পাই নি। মন্দিরাদিদি মধুরিমা নামেই আত্মগোপন করেছিল বোধহয়। আর হয়তো গর্ভধারণ করে লোকসমক্ষে আসতে চায় নি।’

‘গোবিন্দকাকা, আপনি আপনার বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে আমাকে ক্রমাগতঃ মিথ্যে কথা বলে গেছেন।’

“আমার কোনও উপায় ছিল না। এই সত্য যদি কখনো জমিদার চন্দ্রকান্তের কানে যেত তবে সে আমাকে আর বাবাকে জ্যান্ত পুঁতে ফেলত চৈতন্যপুখুরীর পাঁকের ভিতর।’

আপনি গীত বায়েনকে বিশ্বাস করতে পারেন নি। আপনি কীর্তনের শ্বাসরুদ্ধ করে দিয়েছিলেন গীত বায়েনের মত প্রতিভাবান বায়েনকে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে কীর্তনের দল থেকে বের করে দিয়ে। গীত বায়েন ওই কঙ্কণ চুরি করে নি। ওই চুরিটা আপনি নিজে করিয়েছিলেন, তাই না? বলুন এটা সত্যি কিনা?”

গোবিন্দ অধিকারী মস্তক অবনত করে নিরুত্তর।

“আমাদের প্রফেসর নীতিশ নাগকে তো আপনি ভালই চেনেন, তাই না?” গোবিন্দ অধিকারী মৌন।

“ওনাকে আপনি হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, করতালতলীতে এলে ওকে জলার নিচে পুঁতে ফেলবেন! বলুন বলেছিলেন কিনা?’ গোবিন্দ অধিকারী নিরুত্তর। ‘কেন বলেছিলেন?’

‘কাগজে ওর লেখাটা পড়ার পর আমার মনে হল কীর্তনকে বাঁচাবার জন্য একে থামান দরকার। প্রাণনাথ কীর্তনীয়াকে উপকথা করে বাঁচিয়ে রাখলে লোকেরা ভক্তিতে কীর্তন গাইবে। কিন্তু এই অধ্যাপক সন্দেহ করেছিলেন যে প্ৰাণনাথ কীর্তনীয়া কোনও গুপ্ত পথে পালিয়েছিল। নীলমাধবের মন্দিরের নিচের গুপ্ত পথ বের করে ফেললে সনাতন কীর্তনের মাহাত্ম্য নষ্ট হয়ে যেত। তাই কীর্তনের মঙ্গলের জন্য - “

‘কীর্তন কি এতই ঠুনকো যে একটা মিথ্যার আশ্রয় ছাড়া সে আজ বাঁচতে পারবে না? যদি তাই হয় তবে কীর্তনের বেঁচে থাকার কোনও প্রয়োজন নেই।’ পদাবলী তিরস্কার করে বলল।

*আমার অন্যায় হয়ে গেছিল,’ গোবিন্দ অধিকারী এবার ভেঙে পড়ল। ‘কম বয়সে রক্ত গরম ছিল। আমি এত বড় পাপী যে নীলমাধব আমার গলায় তাঁর নামকীর্তন পর্যন্ত শুনতে চান না, তাই আমায় শাস্তি দিয়েছেন।’

পদাবলীর এবার লোকটার জন্য মায়া হল। লোকটা কখনো নিজের স্বার্থে কারোর ওপর কোনও অন্যায় করেনি। গীত বায়েনকে ঠকিয়েছে নিজের বাবার স্বার্থে, নাইট্রোজেনকে হুমকি দিয়েছে কীর্তনের মহিমার স্বার্থে। এ চাইলে জমিদার চন্দ্রকান্তের সঙ্গে হাত মেলাতে পারত, কিন্তু তা করেনি। পদাবলী বলল, ‘ঠিক আছে, আমি প্রফেসরকে বুঝিয়ে বলব সব। ওঁর কাছ থেকে একবার ক্ষমা চেয়ে নেবেন।”

‘ঠিক আছে,’ গোবিন্দ অধিকারী বলল। ‘তুমি যা বলবে তাই হবে।” “কাল থেকে কুমুদরঞ্জনের ভিটা সারাবার কাজ শুরু হবে। ওখানে কীর্তনের মিউজিয়াম হবে।’

‘মিউজিয়াম?” ছিদাম বায়েন অবাক। ‘কীসের মিউজিয়াম?”

‘কীর্তনের মিউজিয়াম। ওখানে কীর্তনের সব বড় বড় দিকপালদের ফটো রাখা হবে। ভিডিওতে দেখানো হবে পুরোনো দিনের কীর্তন - গড়াণহাটি, মনোহরসাই, রেনেটি-এসব। এখনকার স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে কীর্তনের গৌরবের দিনগুলোর। প্রাণনাথ কীর্তনীয়া আর ছিদাম বায়েন থাকবে সেই বিখ্যাত কীর্তনীয়াদের সারিতে।”

‘নীলমাধবের অশেষ করুণা, গোবিন্দ অধিকারীর দু‘চোখ অশ্রুসিক্ত।

আপ্লুত ছিদাম বায়েন এগিয়ে এসে পদাবলীকে জড়িয়ে ধরল। বায়েনের ডান হাতের তর্জনী থেকে অনামিকা পর্যন্ত থেঁতলানো। মন্দিরাদিদির প্রতি বিশ্বস্ততার নীরব সাক্ষ্য। মঞ্জরীসাধক। ছিদাম বায়েনের বুকের উষ্ণতার মধ্যে পদাবলী আবেশে চোখ বুজল।

‘একটা বড় কাজ বাকি রয়ে গেছে রে,’ ছিদাম বায়েন বলল। ‘ওটা আমি আজই শেষ করতে চাই।’

“কী কাজ?” পদাবলী বলল।

‘ওটা এখানে হবে না,’ ছিদাম বায়েন কাঁপা কাঁপা গলায় বলল। ‘আমাকে একটু গোঁসাইজ্যাঠার বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবি?”

‘এখন! এই অন্ধকারে?’ গোবিন্দ অধিকারী আপত্তি জানাল। ‘ওই বাড়ি সাপখোপের বাসা। কাল সকাল হলে তোমায় নিয়ে যাব।’

‘না না, আমাকে যেতে হবেই, তুই না যেতে চাইলে আসিস না। ছিদাম বায়েন দেওয়ালে ঝোলানো কাপড়ের ব্যাগটা কাঁধে তুলে দরজার দিকে এগোল। ‘কী যে তোমার হয়না বাবা মাঝে মাঝে!’ গোবিন্দ অধিকারী বিরক্ত। ‘একবার জেদ ধরলে সেটা তুমি করবেই। দাঁড়াও, একটা মশাল জ্বালাই।’ ‘আমার সঙ্গে টর্চ আছে,’ পদাবলী বলল।

আগুন দরকার। সাপ টর্চকে ভয় পায় না।’ গোবিন্দ অধিকারী একটা পাটকাঠির ওপর ন্যাকড়া জড়িয়ে কেরোসিনে চুবিয়ে নিল। দেশলাই পকেটে নিয়ে বলল, ‘চল। কিন্তু তাড়াতাড়ি ফিরে আসব।’

ছিদাম বায়েন পদাবলীর কাঁধে বাহু ছড়িয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলল গোঁসাইজ্যাঠার বাড়ির দিকে। গোবিন্দ অধিকারী চলল পাশে পাশে।

জমিদারগোঁসাইয়ের বাড়ির কাছে এসে গোবিন্দ অধিকারী মশাল জ্বালল। ভাঙা পাঁচিলের দরজা খোলাই ছিল। তিনজনে ধীরে ধীরে ভিতরের উঠোনে এসে দাঁড়াল। পদাবলী কিছুক্ষণ আগেই এখানে এসেছে, ওর আর প্রথমবারের মত অস্বস্তি লাগছিল না।

‘দাঁড়া!” ছিদাম বায়েন আগাছা ভরা উঠোনের মাঝামাঝি একটু খোলা জায়গায় দাঁড়াল। ছিদাম বায়েন ঘাড় ঘুরিয়ে চারদিকে তাকাল। তারপর চোখ বন্ধ করে একটা দীর্ঘ শ্বাস নিল। তারপর কাঁধের ব্যাগটা কাঁধ থেকে নামিয়ে পদাবলীর হাতে দিয়ে বলল, ‘এটা তোর, এটা তুই ধর।’

“এটা কী?” পদাবলী ব্যাগের ভিতর হাত চালাল। এক তাড়া কাগজ। মশালের স্ট্যাম্প পেপারের অনেকগুলো পৃষ্ঠা।

আলোয় পদাবলী দেখল কোর্টের , *এই বাড়ির দলিল দস্তাবেজ, ছিদাম বায়েন বলল। ‘তুই জমিদার কুমুদরঞ্জনের বংশের আসল উত্তরাধিকারী। আমি তো দেবোত্তর সম্পত্তি রক্ষা করছিলাম গোঁসাইজ্যাঠার হয়ে। গোবিন্দকে সেদিন কলকাতা পাঠিয়েছিলাম উকিলের কাছে লেখাপড়া করার জন্য। জমির দলিল আমি আবার তোর নামে লিখে দিয়েছি। এই মন্দির, ধুলটডাঙা, চৈতন্যপুখুরী তার আসল মালিকের কাছে ফিরে গেল। আমি এখন দায়মুক্ত।’ পদাবলী স্ট্যাম্প পেপারগুলো দেখল। সে বিস্ময়ে অভিভূত - স্ট্যাম্প পেপারে সমস্ত জমিজমা ছিদাম বায়েন তার নামে লিখে দিয়েছে। ছিদাম বায়েন এবার দু‘হাত আকাশের দিকে তুলে আকাশের অজস্র তারার দিকে তাকিয়ে চেঁচিয়ে বলল, ‘গোঁসাইজ্যাঠা, দেখতে পাচ্ছ। এ তোমাদের বংশধর। প্রাণনাথদাদা আর মন্দিরাদিদির পৌত্র। তোমার সম্পত্তি তোমার বংশধরের হাতে সঁপে দিলাম। এবার আমি তোমাদের কাছে চলে যেতে পারব।’ তারপর ছিদাম বায়েন হাঁটু গেড়ে মাটিতে বসে সেই মাটিতে হাত বোলাতে লাগল, আর সেই ধুলো নিয়ে মাথায় মাখতে লাগল। অতীতে ফিরে গেছে ছিদাম বায়েন। ওর মন্দিরাদিদির কাছে। বিড়বিড় করে বলে চলেছে কুয়া ভাঙ্গুম, কুয়া ভাঙ্গুম- -

সকল অধ্যায়
১.
প্রাককথন
২.
এক
৩.
দুই
৪.
তিন
৫.
চার
৬.
পাঁচ
৭.
ছয়
৮.
সাত
৯.
আট
১০.
নয়
১১.
দশ
১২.
এগার
১৩.
বারো
১৪.
তেরো
১৫.
চোদ্দ
১৬.
পনের
১৭.
ষোলো
১৮.
সতের
১৯.
আঠারো
২০.
ঊনিশ
২১.
কুড়ি
২২.
একুশ
২৩.
বাইশ
২৪.
তেইশ
২৫.
চব্বিশ
২৬.
পঁচিশ
২৭.
ছাব্বিশ
২৮.
সাতাশ
২৯.
আটাশ
৩০.
ঊনত্রিশ
৩১.
ত্ৰিশ
৩২.
একত্রিশ
৩৩.
বত্রিশ
৩৪.
তেত্রিশ
৩৫.
চৌত্রিশ
৩৬.
পঁয়ত্রিশ
৩৭.
ছত্রিশ
৩৮.
সাঁইত্রিশ
৩৯.
আটত্রিশ
৪০.
ঊনচল্লিশ
৪১.
চল্লিশ
৪২.
একচল্লিশ
৪৩.
বিয়াল্লিশ
৪৪.
তেতাল্লিশ
৪৫.
চুয়াল্লিশ
৪৬.
পঁয়তাল্লিশ
৪৭.
ছেচল্লিশ
৪৮.
সাতচল্লিশ
৪৯.
আটচল্লিশ
৫০.
ঊনপঞ্চাশ
৫১.
পঞ্চাশ
৫২.
একান্ন
৫৩.
বাহান্ন
৫৪.
তিপ্পান্ন
৫৫.
চুয়ান্ন
৫৬.
পঞ্চান্ন
৫৭.
ছাপ্পান্ন
৫৮.
সাতান্ন
৫৯.
আটান্ন
৬০.
ঊনষাট
৬১.
ষাট
৬২.
একষট্টি
৬৩.
বাষট্টি
৬৪.
তেষট্টি
৬৫.
চৌষট্টি
৬৬.
পঁয়ষট্টি
৬৭.
ছেষট্টি
৬৮.
সাতষট্টি
৬৯.
আটষট্টি
৭০.
ঊনসত্তর
৭১.
সত্তর
৭২.
একাত্তর
৭৩.
বাহাত্তর

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%