সতের

প্রীতম বসু

গভীর রাত। চন্দননগরে এক অন্ধকার বন্ধ ছাপাখানার মেঝেতে বসে তিনজন মানুষ গুপ্তসমিতির গম্ভীর আলোচনায় রত। চারদিকে ডাঁই করা কাগজ, ছাপার কালি, ঘরের কোনে ছাপাখানার যন্ত্রপাতি, কালিমাখা কাঠের ব্লক। স্বদেশপ্রীতি বা ইংরেজ বিদ্বেষ বাড়াবার জন্য এখান থেকে নিজের পয়সায় পুস্তিকা ছাপাতেন ছাপাখানার মালিক রজনীপ্রসাদ সাহা। তিনি গতমাসে মানিকতলা থেকে ধরা পড়ে জেলে। কলকাতায় ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে তার সিডিশনের বিচার চলছে। তারপর থেকে ছাপাখানা বন্ধ। সদর দরজায় তালা। লাগোয়া পাশের বাড়ির ছাদ টপকে এ’বাড়িতে আসে গুপ্তসমিতির সদস্যরা। তিনজনের মধ্যে একজন প্রৌঢ়। তিনি একটা খাম তুলে যার হাতে দিলেন সে একজন বলিষ্ঠ যুবক।

‘এটা কী?’ যুবকটি বলল।

‘এতে তোমার টিকিট আর কিছু টাকা আছে।’

‘কীসের টিকিট?’

‘ট্রেনের। কলকাতা থেকে মাদ্রাজ, সেখান থেকে তুতিকোরিন।’ “তুতিকোরিন? কেন?’

“তুতিকোরিনে আমাদের সমিতির লোক তোমায় কলম্বো যাবার টিকিট দেবে। কলম্বো থেকে টি ভাস্কর নামে তোমার ফ্রান্সের মার্সাই বন্দর যাবার জাহাজের টিকিট কাটা হয়েছে।’

“আমি ফ্রান্সে গিয়ে কী করব?”

‘ওখানে প্যারিস ইণ্ডিয়ান সোসাইটির সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হয়ে আমাদের বিপ্লবের জন্য আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের বন্দোবস্ত করতে হবে,’ বৃদ্ধ তার কোমরে গোঁজা রিভলভারটা বের করল। ‘আমাদের অস্ত্র বলতে এইসব পুরানো, ভাঙা রিভলভার। এসব দিয়ে আমরা ইংরেজ তাড়াব?’

‘আপনারা অন্য কারুকে পাঠান।’

‘এ’কাজের সবচেয়ে উপযুক্ত লোক হিসাবে সমিতি তোমার কথাই ভেবেছে, প্রাণনাথ। তুমি অস্ত্রশস্ত্রের ব্যাপারটা খুব ভাল বোঝো, তাছাড়া তুমি অনর্গল ফরাসী আর ইংরাজি বলতে পার। তাছাড়া ইংরেজ তোমাকে আর তোমার বন্ধু মৃদঙ্গম দাসকে দেখলে পাগলা কুকুরের মত গুলি করে মারবে। তাই তোমার এখন দেশ ছেড়ে চলে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।’

‘আর মৃদঙ্গমের ব্যাপারে আপনারা কী ভেবেছেন?’

‘মৃদঙ্গম আমাদের গুপ্তসমিতির সদস্য না।’

‘আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু।’

‘প্রাণনাথ,’ প্রৌঢ় মুখ দিয়ে পুচ করে বিরক্তিসূচক আওয়াজ করল। ‘আমাদের গুপ্তসমিতির সদস্যদের মা-বাবা-ভাই-বন্ধু থাকে না। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য দেশমাতৃকার শৃঙ্খলমোচন। এখন আবেগ বা কল্পনাবিলাসের সময় না।’

এবার দ্বিতীয় ব্যক্তি মুখ খুলল, ‘তুমি ধরা পড়ে গেলে আমাদেরও বিপদ -‘ ‘কেন?’ প্রাণনাথ বিরক্ত। আপনার ভয় যে ইংরেজদের অত্যাচারের সামনে টিকতে না পেরে আমি আপনাদের নাম বলে দেব?”

‘আমি জানি তুমি কখনোই সেরকম কাজ করবে না,’ প্রৌঢ় ব্যাপারটাকে থামাবার চেষ্টা করল। ‘তবে মৃদঙ্গমকে আমরা সেভাবে চিনি না-’

‘আমি চিনি। আপনাদের আশঙ্কা অমূলক। কেননা তাহলে আপনারা এতদিনে ধরা পড়ে যেতেন। ‘

“মানে?”

*মৃদঙ্গমের ওপর জেলে অকথ্য অত্যাচার করা হয়েছে। তারপর তাকে জেলে খুন করা হয়েছে।’

‘কী বলছ কী?”

“আমার খবর নির্ভুল। শুধু জানি না যে মৃদঙ্গমকে কেন মারা হল?’

“ও ব্রিটিশদের প্রতিষ্ঠানের সামনে পিকেটিং করেছে –’ দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল।

“বাংলায় হাজার হাজার লোক পিকেটিং করে। তাদের অ্যারেস্ট করা হলে জেলের কয়েদীর লিস্টে তাদের নাম লেখা হয়। মৃদঙ্গমকে হত্যা করে ওর মৃতদেহ জেলের ভিতর জ্বালিয়ে চিতা ধুয়ে মুছে সাফ করে ওকে একদম নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। কয়েদীর লিস্টে ওর নাম পর্যন্ত নেই।’

“তুমি কীভাবে নিশ্চিত হচ্ছ?”

প্রাণনাথ ওর হলদে ক্যাম্বিসের ঝোলা থেকে একটা ছোট্ট মাটির ঘট বের করল।

‘এটা কী?” প্রৌঢ় জিজ্ঞাসা করল।

‘মৃদঙ্গমের চিতার ছাই।’

‘এটা তুমি কীভাবে পেলে?”

‘যে দিয়েছে সে সরকারী চাকুরী করে, তাই তার নামটা আলোচনা না হওয়াই বিধেয়। এটুকু জানলেই যথেষ্ট যে সে মৃদঙ্গমের খুব বিশ্বস্ত মানুষ। মৃদঙ্গম বুঝতে পেরে গেছিল যে ওকে জেলের ভিতরেই খুন করে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে।

তাই মৃদঙ্গম এঁকে অনুরোধ করেছিল ওর ছাই যেন আমার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।’

‘তোমার কাছে কেন?’

প্রাণনাথ একটু ভাবল। তারপর বলল, ‘আমি জানি না, আমাকেই কেন বাছল মৃদঙ্গম।’ প্রাণনাথের মুখ থমথমে। ওর নিশ্চয়ই কোনও উদ্দেশ্য আছে। আমি সেটাই বোঝার চেষ্টা করছি। আমি এটা কিছুতেই বুঝতে পারছি না ওকে কেন এত গোপনে হত্যা করা হল?’

প্রৌঢ় বলল, ‘তুমি আমাদের সমিতির একজন অত্যন্ত মূল্যবান সদস্য, প্রাণনাথ। তোমার কাছ থেকে আমরা আরও অনেক বড় কিছু আশা করি।

‘আমায় ক্ষমা করবেন, প্রাণনাথ বলল। খবরটা শোনার পর থেকে আমার রক্ত দ্বিগুণ গতিতে ধমনীতে ছুটে বেড়াচ্ছে। আমি এই চিতাস্থির ঘট ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছি যে ড্যানিয়েলকে হত্যা আমি করবই -‘

‘সেটা হঠকারিতা হবে, প্রাণনাথ। মাথা ঠাণ্ডা রাখ। তোমার বেঁচে থাকাটা দেশের স্বাধীনতার জন্য নিতান্তই দরকারি। তাছাড়া একথা সত্যি, সমিতির উপরমহল চায় না তুমি এখন এদেশে থাক। তোমার সঙ্গে থাকাটা বাকি সদস্যের পক্ষেও বিপজ্জনক।’

প্রাণনাথ তর্ক করতে গিয়েও থেমে গেল। ছাদের দরজায় টকটক শব্দ। প্রৌঢ় তাড়াতাড়ি রিভলভারটা হাতে তুলে নিল। একজন বিপ্লবী উঠে গিয়ে ছাদের দরজা একটু ফাঁক করে উঁকি মেরে তারপর দরজাটা খুলল। সর্বাঙ্গ চাদরে মুড়ে একজন ভিতরে ঢুকল।

‘সব তৈরি?” প্রৌঢ় বলল।

“খবর ভাল না,’ ছায়ামূর্তি বলল। ‘ড্যানিয়েল এখন পাগলা কুকুরের মত খেপে আছে। যাকে তাকে অ্যারেস্ট করছে। কাল সকালে হাওড়া স্টেশনে লাল পাগড়ি গিজগিজ করবে। প্রাণনাথকে ওখানেই গুলি করে মারা হবে।’

“ওরা জানল কীভাবে যে আমি হাওড়া স্টেশনে যাব?”

‘আমি জানিনা। তবে এটাই ভিতরের খবর।’

প্রৌঢ় বিপ্লবী হতবাক। তিনজন মুখ চাওয়াচাওয়ি করল।

“আমাকে এখন যেতে হবে। মৃদঙ্গমের শেষ ইচ্ছা পালন করতে হবে।’ তারপর প্রাণনাথ প্রৌঢ়কে বলল, ‘স্বাধীনতার লড়াই করছি আমরা, আগে আমাদের ঘরের ময়লা সাফ করতে হবে।’

প্রাণনাথ অন্ধকারে ছাদ টপকে বাইরে বেরিয়ে গেল। তিনজন বিপ্লবী হতভম্ব হয়ে ভাবতে লাগল কে খবরটা ফাঁস করল।

***

গোবিন্দ অধিকারী যখন বাড়ি ফিরল তখন দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেছে। মুখ শুকনো। এক হাতে টিউকলে পাম্প করে অন্য হাতে জলের ঝাপটা মারল মুখে-চোখে, হাত-পা ধুল। তারপর দাওয়ার বাতায় ঝোলানো গামছা দিয়ে মুখহাত-পা মুছে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘একটা লোকেরও কলজেতে দম নেই। সবাই জমিদারের ভয়ে লেজ গুটিয়ে ফেলেছে।’

‘কারুকে পেলেন না?’

‘নাঃ, কেউ আমাদের কীর্তনের দলে গান-বাজনা করতে রাজি না,’ গোবিন্দ অধিকারী নিরাশ। ‘জমিদারবাবুর পোষা গুণ্ডারা আশেপাশের সকল কীর্তনীয়াকে গিয়ে শাসিয়ে এসেছে। আমাদের দলে যে গাইবে তার দশা আমাদের দুর্গা পূজার একাদশীর দিনে যা করেছিল তাই করবে। অনেকে সেদিন উপস্থিত ছিল। অনেকে রঙ চড়িয়ে গল্প করেছে, মোটকথা – ‘

‘কী হল রে?” ছিদাম বায়েনের কাঁপা গলা।

‘জমিদার আমাদের কীর্তনের দল ভেঙে দিল বাবা,’ গোবিন্দ অধিকারী বলল। ‘আর আমাদের এদিককার সব বায়না জমিদারের গুণ্ডাদের ভয়ে ক্যানসেল হয়ে গেছে। হাতে একটাও কাজ নেই।’

‘নীলমাধবের ওপর ভরসা রাখ, কাজ ঠিক আসবে।’

“পদাবলী একটা কাজের সংবাদ এনেছে বাবা। কলকাতায় একটা শ্রাদ্ধে নামকীর্তন গাইতে হবে। কিন্তু পার্টি কীর্তনগানের খুব বড় সমঝদার। এলেবেলে কীর্তনীয়া একদম চলবে না। পেমেন্ট ভাল করবে। ভেবেছিলাম ওই অনুষ্ঠানটা পেলে হাতে ক’টা টাকা আসত।’

‘কিন্তু এজন্য পাকা গায়েন বায়েন আবশ্যক,’ ছিদাম বায়েন বলল।

‘হুঁঃ! পাকা,’ গোবিন্দ অধিকারী ব্যঙ্গের স্বরে বলল। ‘আমাদের দলে কাঁচারাও এখন কাজ করতে চাইছে না জমিদারের গুণ্ডাদের ভয়ে। পাকা পাই কোথায়?’ ‘কারুকে পেলি না?’

‘কেউ না। আশেপাশের গ্রামে সকলকেই শাসানো হয়েছে। জমিদার বদ্ধ পরিকর করতালতলীতে আমাদের কীর্তনের দলকে শেষ করে ছাড়বে। অনেক অনুনয় বিনয় করা সত্ত্বেও কেউ আসতে রাজি হল না। হাতে সময় কম, কাকে গিয়ে ধরি?’ এখন

ছিদাম বায়েন কিছুক্ষণ চুপ রইল, তারপর বলল, ‘একজন না করবে না।’

‘কে?’

‘গীত বায়েন।’

‘বাবা, তুমি এটা কী বলছ?’ গোবিন্দ অধিকারী তীব্র প্রতিবাদ করে উঠল।

‘এখন করতালতলীর কীর্তনকে বাঁচাতে হবে,’ ছিদাম বায়েন বলল। ‘পুরোনো কথা ভুলে যেতে হবেই।’

‘এত কিছুর পরেও গীত বায়েন আমাদের সঙ্গে এসে কাজ করবে?

‘আমার নাম করে সব খুলে বল, আমার বিশ্বাস কীর্তনকে বাঁচাতে ও রাগঅভিমান ছেড়ে বেরিয়ে আসবেই।’

‘আমি পারব না।’

‘নীলমাধব এই অজুহাতে তোকে একটা সুযোগ দিলেন। যা ওর কাছে। আমি বলছি তুই যা। গীত বায়েন একা সিংহের মত রাজসিকভাবে কীর্তনের আসর মাতিয়ে রাখতে পারে। তুই ওর কাছে যা, গিয়ে প্রায়শ্চিত্তটা করে ফেল।’

গোবিন্দ অধিকারী দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

“শোন, আর দেরি করিস না, কালই যা তুই।’

‘আমি কিছুতেই গীত বায়েনের কাছে গিয়ে ভিক্ষা চাইতে পারব না, বাবা। আমায় মাফ কর।’

‘আরেকবার ভেবে দেখ, গোবিন্দ।’

‘অসম্ভব!’

ছিদাম বায়েনের মুখ কালো হয়ে গেল। ‘দেখ, যা ভাল বুঝিস তুই। আমার চলাফেরার ক্ষমতা থাকলে আমি নিজেই যেতাম গীতের কাছে।’

‘আমার মাথায় এখন অনেক চিন্তা বাবা। কাল আমায় বিডিও সাহেব ডেকে পাঠিয়েছেন ওর অফিসে, গোবিন্দ অধিকারী বলল। ‘জানিনা ওর মতলবটা কী। জমিদার চন্দ্রকান্ত আর এই বিডিওর গলায় গলায় বন্ধুত্ব। জানিনা কাল কপালে কী আছে।’

পদাবলী বলল, ‘কাল আমি কি আপনার সঙ্গে যেতে পারি বিডিও অফিসে?’ “তুমি? তাহলে তো খুব ভাল হয়। আমি স্টেশনে থাকব। ওখান থেকে দু‘জনে একসঙ্গে যাব।’

পদাবলী ছিদাম বায়েনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্টেশনের দিকে এগোল। আজ ওর মাথায় অনেক চিন্তা। নাইট্রোজেন বলেছিল ছিদাম বায়েন নাকি ওকে সনাতন কীর্তনের দুটো লাইন বলেছিল, অথচ ছিদাম বায়েন যেরকম শক্ত গলায় বলল তাতে পদাবলীর মনে হচ্ছে ছিদাম বায়েন নাইট্রোজেনকে বলেনি। তবে নাইট্রোজেন কেন মিথ্যা কথা বলল? কিন্তু ছিদাম বায়েন যদি না বলে থাকে তবে নাইট্রোজেন সনাতন কীর্তনের ওই দুটো পদ জানল কোথা থেকে? নাইট্রোজেন কেন কথা লুকোচ্ছে?

সকল অধ্যায়
১.
প্রাককথন
২.
এক
৩.
দুই
৪.
তিন
৫.
চার
৬.
পাঁচ
৭.
ছয়
৮.
সাত
৯.
আট
১০.
নয়
১১.
দশ
১২.
এগার
১৩.
বারো
১৪.
তেরো
১৫.
চোদ্দ
১৬.
পনের
১৭.
ষোলো
১৮.
সতের
১৯.
আঠারো
২০.
ঊনিশ
২১.
কুড়ি
২২.
একুশ
২৩.
বাইশ
২৪.
তেইশ
২৫.
চব্বিশ
২৬.
পঁচিশ
২৭.
ছাব্বিশ
২৮.
সাতাশ
২৯.
আটাশ
৩০.
ঊনত্রিশ
৩১.
ত্ৰিশ
৩২.
একত্রিশ
৩৩.
বত্রিশ
৩৪.
তেত্রিশ
৩৫.
চৌত্রিশ
৩৬.
পঁয়ত্রিশ
৩৭.
ছত্রিশ
৩৮.
সাঁইত্রিশ
৩৯.
আটত্রিশ
৪০.
ঊনচল্লিশ
৪১.
চল্লিশ
৪২.
একচল্লিশ
৪৩.
বিয়াল্লিশ
৪৪.
তেতাল্লিশ
৪৫.
চুয়াল্লিশ
৪৬.
পঁয়তাল্লিশ
৪৭.
ছেচল্লিশ
৪৮.
সাতচল্লিশ
৪৯.
আটচল্লিশ
৫০.
ঊনপঞ্চাশ
৫১.
পঞ্চাশ
৫২.
একান্ন
৫৩.
বাহান্ন
৫৪.
তিপ্পান্ন
৫৫.
চুয়ান্ন
৫৬.
পঞ্চান্ন
৫৭.
ছাপ্পান্ন
৫৮.
সাতান্ন
৫৯.
আটান্ন
৬০.
ঊনষাট
৬১.
ষাট
৬২.
একষট্টি
৬৩.
বাষট্টি
৬৪.
তেষট্টি
৬৫.
চৌষট্টি
৬৬.
পঁয়ষট্টি
৬৭.
ছেষট্টি
৬৮.
সাতষট্টি
৬৯.
আটষট্টি
৭০.
ঊনসত্তর
৭১.
সত্তর
৭২.
একাত্তর
৭৩.
বাহাত্তর

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%