সাতষট্টি

প্রীতম বসু

নাইট্রোজেনকে গ্রেফতার করতে পুলিশ এল না। কিন্তু নাইট্রোজেনের মুখ থমথমে। চরম অপমানিত বোধ করছেন। হরি বায়েনের মুখ দেখে আন্দাজ করা যায় না লোকটা কী ভাবছে। পদাবলী নাইট্রোজেনকে চিয়ার আপ করার জন্য বলল ‘একটা ভাল উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা এগোচ্ছি স্যার, দেখবেন জয় আমাদের হবেই।’ -

‘আমি নিশ্চিত নই। ছিদাম বায়েনও তো কো-অপারেট করে না। ওর ছেলে গোবিন্দ অধিকারী পছন্দ করে না যে আমরা করতালতলীতে যাই।’ ‘স্যার, আপনি ক্লাসে যে ধুলটের গল্পটা বলেছিলেন সেই গল্পটা কী আপনাকে ছিদাম বায়েন বলেছিল?”

‘না, ধুলটের গল্প আমাকে ছিদাম বায়েন বলেনি – বলেছিলেন আমার মা। আমার মা বৈষ্ণবী হয়ে সেই ধুলট নিজের চোখে দেখেছিলেন।’

“আপনার মা করতালতলীর ধুলটে যেতেন?”

‘সেই ঘটনাবহুল ধুলটে গেছিলেন। প্রাণনাথ কীর্তনীয়ার ঘটনা মায়ের নিজের চোখের সামনে ঘটেছিল। তাই তো আমি কোনও প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও ওই বিষয়ে গবেষণা করতে সারা বাংলার কীর্তনীয়াদের মধ্যে ঘুরে বেড়িয়েছি।’

‘স্যার, আপনি কি কখনো করতালতলী গিয়ে ছিদাম বায়েনের কাছে কুমুদরঞ্জনের সম্পত্তি দাবী করেছিলেন?’

প্রশ্নটা শুনে নাইট্রোজেন চমকে উঠলেন। তারপর মলিন হেসে বললেন, ‘সম্পত্তি দাবী করি নি, তবে পিতৃ-পরিচয় দাবী করেছিলাম।’

“মানে?”

“কুমুদরঞ্জনের ছেলে মৃদঙ্গম দাস আমার মা প্রতিমাদেবীকে বিয়ে করেছিলেন।

‘মৃদঙ্গম আপনার বাবা!’ পদাবলী যারপরনাই বিস্মিত।

‘হ্যাঁ,’ নাইট্রোজেন শান্তভাবে বললেন।

‘তাহলে মৃদঙ্গম সে খবর জমিদারগোঁসাই বা মন্দিরাকে জানায়নি কেন?”

‘কুমুদরঞ্জন জানতেন না যে তাঁর ছেলে সশস্ত্র স্বদেশী বিপ্লব করে এবং গ্রামের কিছু ধনীদের হত্যা করেছে। জানলে ঘৃণায় হতাশায় আত্মহত্যা করতেন। আমার মায়ের শ্বশুরমশাই ছিলেন ডুমুরজলার জমিদার রমনীমোহন নাগ। মা‘র কাছে শুনেছি উনি মানুষ ভাল ছিলেন না, খুব অত্যাচারী ছিলেন, ইংরেজদের

গোলামী করতেন। ইংরেজদের জন্য তার জমিতে আফিম চাষ করা হত। একরাতে স্বদেশী ডাকাতরা তার জমিতে চড়াও হয়ে ক্ষেত জ্বালিয়ে দেয় এবং জমিদারবাড়িতে ঢুকে জমিদারের থেকে সিন্দুকের চাবি চায়। কিন্তু জমিদার ওই স্বদেশীদের দলের মধ্যে বাবাকে দেখে চিনে ফেলেছিলেন - আরে, তুমি কুমুদের ছেলে মৃদঙ্গম না? তুমি এই ডাকাতের দলে? বলে জমিদার রমনীমোহন অবাক হয়ে চেঁচিয়ে ওঠেন। বাবার দলের একজন বলল এ আমাদের চিনে ফেলেছে একে আর বাঁচিয়ে রাখা যাবে না। রিভলভারের গুলিতে জমিদারকে মেরে যখন ওরা বেরিয়ে আসছে তখন বাবা দেখল জমিদারের বিধবা পুত্রবধূকে। সদরে দাঁড়িয়ে সে কাঁদছিল। সে বাবাকে কাতর অনুরোধ করে বলল আমাকেও আপনারা মেরে ফেলুন। এবার আমাদের সম্পত্তি গ্রাস করতে জ্ঞাতিরা আমায় বাড়ি থেকে বের করে দেবে, আর আমায় সমাজ ছিঁড়ে খাবে। বাবা তখন মাকে জমিদারবাড়ি থেকে সঙ্গে নিয়ে গেছিল। অনুতাপবশতঃই হোক বা ভালবাসার জন্যই হোক, বাবা চন্দননগরে এক বাবাজীর আখড়ায় মাকে নিয়ে গিয়ে মালাচন্দন করে বিয়ে করেছিল। মা সেই বাবাজীর আশ্রয়ে থাকতেন।’

‘কিন্তু আপনার বাবা আপনার মায়ের পরিচয় কেন প্রাণনাথের কাছে দেন নি?”

“তাহলে বাবা যে প্রাণনাথের বাবার হত্যাকারী সেই পরিচয়ও ফাঁস হয়ে যেত। আর বাবা যখন জেলে তখনও মা‘র পরিচয় দিতে পারেনি, তাহলে মা‘র ওপর পুলিশ অত্যাচার করত দলের খবর বের করার জন্য।’ ‘আপনার মা‘র কী হল?

‘মা চন্দননগরের সেই বলরাম গোঁসাইয়ের আখড়ায় রয়ে গেলেন। ওখানে আমার জন্ম হল। আমি সেই আখড়াতেই বড় হয়ে উঠলাম।’

‘আপনি কেন এসব কথা ছিদাম কর্তাকে বলেন নি?

‘আমি বলেছিলাম। বাবা-মা‘র ছবিও দেখিয়েছিলাম। কিন্তু ওরা বিশ্বাসই করল না। ছিদাম বায়েন বললেন যে ওনার মৃদঙ্গমদাদা নাকি অহিংস আন্দোলন করতেন, উনি কিছুতেই মানুষ খুন করতে পারেন না। আমায় কোর্টে যাবার জন্য হুমকি দিল।’

“আপনি কোর্টে গেলেন না কেন?”

‘তাহলে আমার মা‘র চরিত্র নিয়ে অনেক টানা হেঁচড়া হত। কিন্তু আমি জানি আমি কুমুদরঞ্জনের বংশধর, তাই করতালতলী থেকে কীর্তন মুছে যাবে এটা আমি কিছুতেই সহ্য করতে পারি নি। তাই আমি যতটা পেরেছি তোমাদের সাহায্য করেছি। কিন্তু কখনো করতালতলীতে ফিরে যেতে পারি নি।’

“আপনাকে হুমকি দিয়েছিল কে? গোবিন্দ অধিকারী?

‘হ্যাঁ। তবে ওর দোষ নেই। ও অবশ্য ভেবেছিল আমি ধোঁকাবাজ। তাই রাগের চোটে কথাগুলো বলেছিল।’

—ওই গোবিন্দ অধিকারী লোকটা প্রচণ্ড বদমাশ, হরি বায়েন বিরক্তমুখে এবার মন্তব্য করল। ‘আমার তো ওর সঙ্গে কাজ করার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা ছিল না। রতি এমনভাবে ধরল। না এলে এসব ঝামেলায় পড়তেই হত না।’

‘গোবিন্দ অধিকারী তো কীর্তনের ভালর জন্য-পদাবলী ওর কথা শেষ করার আগেই হরি বায়েন বলে উঠল- ‘কীর্তনের ভাল চাইলে ও দাদার মত একজন প্রতিভাবান কীর্তনীয়াকে শেষ করে দিত না। দাদার মুখ চেয়ে আমি কোনও কথা বলিনি। যদি সকলকে জানাতাম যে জমিদার অখিলরঞ্জন নীলমাধবের মন্দিরে বিলীন হয়ে যায় নি, ওকে খুন করা হয়েছিল, তবে গোবিন্দ অধিকারীরা আজ করতালতলীতে থাকতে পারত না।’

‘মানে?’ পদাবলীর কাছে বিস্ময়ের পর বিস্ময়। জমিদার অখিলরঞ্জন খুন হয়েছিল?’ “হ্যাঁ।”

‘কে? কে খুন করেছিল?’

‘ছিদাম বায়েন।’

‘ছিদাম বায়েন?’ পদাবলীর কপালে অনেকগুলো ভাঁজ জেগে উঠল।

‘হ্যাঁ। গভীর রাতে ছিদাম বায়েন নীলমাধবের মন্দিরের ভিতরে অপেক্ষা করছিল জমিদার অখিলরঞ্জনের জন্য। বুড়ির কথামত গভীর রাতে অখিলরঞ্জন একলা এলেন মন্দিরে সনাতন কীর্তনের রহস্য উদ্ধার করে মন্দিরের নিচ থেকে প্রাণনাথ কীর্তনীয়ার মৃতদেহ আবিষ্কার করতে। তাহলেই তার রায়বাহাদুর হওয়ার স্বপ্ন সফল হবে। আর তখনই মন্দির থেকে বেরিয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করে ছিদাম বায়েন।

‘কিন্তু আপনার দাদা ছিদাম বায়েনের কথাটা কারুকে না বলতে কেন দিব্যি দিয়েছিলেন?”

‘কারণ তাহলে গোবিন্দ অধিকারী দাদাকে রঙ্গনা বাঈয়ের কঙ্কণ চুরির অপরাধে পুলিশে দেবে বলে হুমকি দিয়েছিল। আমি সেকথা মানতে পারিনি। কিন্তু দাদা নিজের মাথার দিব্যি দিয়ে নিয়েছিল। এই নিয়ে আমার সঙ্গে দাদার তুমুল ঝগড়া হয়েছিল। আমি দাদার বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলাম।’

‘কিন্তু আপনার দাদা এই খুনের কথাটা জানলেন কীভাবে? ছিদাম বায়েন নিজে এটা বলেছে?’

‘না।’

- “তবে?”

‘সেদিন অন্ধকারে সেখানে আরেকজন উপস্থিত ছিল। জলার পাড়ে গভীর রাতে অন্ধকারে কেয়াঝোপের মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে ছিল ছিদাম বায়েনের বাবা ভুবন জমাদার, হাতে একটা তল্লাবাঁশ। জল থেকে গোরা-দানো উঠলেই ও বাঁশ মারবে দানোর মাথায়। ও দেখল অন্ধকারে জলের পাড়ের মেঠোপথ দিয়ে একটা আলো এগিয়ে আসছে। প্রথমে ভেবেছিল গোরা-দানোর আলো। শ্বাস বন্ধ করে বসে রইল ভুবন জমাদার। আলোটা কাছে আসতেই চিনতে পারল সে। গোরা-দানো নয়। জমিদার অখিলরঞ্জন, এক হাতে টর্চ আর অন্য হাতে পিস্তল। হনহন করে মন্দিরের দিকে যাচ্ছে। জমিদার এত রাতে? জমিদার মন্দিরের সিঁড়িতে পৌছোতেই মন্দির থেকে বেরিয়ে এল এক ছায়ামূর্তি। তাকেও চিনল ভুবন জমাদার। তার ছেলে ছিদাম। বাঁ হাতে রিভলভার। ছিদামের ডান হাতের আঙুলগুলো কোতোয়ালিতে ছেঁচে দিলেও বায়েনদের বাঁ হাতের আঙুলগুলো সাপের ফনার মত আলাতলাতে ছোবল মেরে মেরে পুরুষ্টু হয়ে থাকে। ছিদাম সময় নষ্ট না করে জমিদারের বুক লক্ষ্য করে দু‘বার গুলি চালাল। জমিদার মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। ছিদাম জমিদারের টর্চটা মন্দিরের ভিতর ঢুকিয়ে দিয়ে মন্দিরের দরজা ভেজিয়ে দিল। তারপর নিচে নেমে এসে জমিদার অখিলরঞ্জনের দেহটাকে পাঁজাকোলা করে তুলে চৈতন্যপুখুরীর বাঁধানো ঘাটে নিয়ে গেল। ওখানে একটা ডিঙি আগাশি দিয়ে বাঁধা। ছিদাম মৃতদেহ নিয়ে ডিঙিতে উঠল আর তারপর লগি ঠেলে ডিঙি নিয়ে জলার মধ্যে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।’

‘এসব কথা আপনার দাদাকে ‘

‘আমাদের দুর্ভাগ্য শুরু হয়েছিল যখন আমার দাদাকে বুড়ো ভুবন জমাদার এই গল্পটা বলেছিল।’

‘গীত বায়েনকে ভুবন জমাদার এই গল্প বলেছিল? কখন বলেছিল?” ‘শেষ জীবনে ভুবন জমাদার পুরো উন্মাদ হয়ে গেছিল। ওকে কাছি দিয়ে ঘরে বেঁধে রাখতে হত। ছিদাম বায়েনের আখড়ার ছাত্র ছিলাম আমরা। আমার দাদা ওকে খাবার খাইয়ে দিত, মাথার চুলে তেল মাখিয়ে স্নান করাতো, যত্নআত্তি করত, তাই ভুবন জমাদার দাদাকে খুব ভালবাসত। দাদার সেবাযত্নে ভুবন জমাদার অনেক শান্ত হয়ে গেছিল। একদিন দাদাকে ও এই গোপন কথাটা বলে।’

‘তারপর?”

‘দাদা শুনে ঘাবড়ে যায়। দাদা চুপচাপ কথাটা গোবিন্দ, আমায় আর ছিদাম গোঁসাইকে বলে। সব শুনে গোবিন্দ বলে ওটা পাগলের প্রলাপ। ছিদাম গোঁসাইও অস্বীকার করে যে সে এই খুন করেছে। গোবিন্দ বলল যে আমরা এই কথা যেন পাঁচকান না করি। আমরা মেনেও নিয়েছিলাম, কিন্তু ওই যে বললাম গোবিন্দের খুব কুটিল মন, ও আমাদের বিশ্বাস করল না। ভুবন জমাদারের ঘরে দাদার যাওয়া বন্ধ করে দিল। তারপর থেকে দেখলাম ভুবন জমাদার সারাদিন কেমন নেতিয়ে পড়ে থাকত। দাদা ভুবন জমাদারকে খুব ভালবেসে ফেলেছিল। দাদার সন্দেহ হল যে গোবিন্দ তার দাদুকে কড়া ডোজে আফিম খাইয়ে রাখছে। তাই সে দাদাকে খাবার নিয়ে যেতে দেয় না। একদিন সন্ধ্যাবেলা এ নিয়ে আখড়ায় দাদার সঙ্গে গোবিন্দের খুব কথা কাটাকাটি হল। পরের দিন নামকীর্তন ছিল মধুতলার রাজবাড়ীতে। সেখানে সেদিন রঙ্গনা বাঈয়ের ঘর থেকে সোনার দুটো ভারী কঙ্কণ চুরি হল। সেই সোনার কঙ্কণ দুটো পাওয়া গেল দাদার উত্তরীয়তে, গিঁট বাঁধা অবস্থায়। আমি জানি দাদা এ কাজ করতেই পারে না, কেউ দাদার ক্ষতি করার জন্য সোনার দুটো কঙ্কণ চুরি করে দাদার উত্তরীয়তে ঢুকিয়ে রেখেছে। দাদা অনেক কাকুতি মিনতি করল, কিন্তু ছিদাম বায়েন দাদার কথা বিশ্বাস করল না। দাদাকে আখড়া থেকে বের করে দিল। দাদার সঙ্গে সঙ্গে আমিও বেরিয়ে এলাম। আমি জানতাম আমাদের দলে একমাত্র কে এই দুষ্কর্ম করাতে পারে।’

‘গোবিন্দ অধিকারী, পদাবলী বলল। ‘কিন্তু কেন করেছে সেটা এখন বুঝতে পারলাম। যাতে জমিদারের হত্যার কথাটা আপনারা কারুকে না বলতে পারেন তার ব্যবস্থা করে রাখল। জমিদার অখিলরঞ্জন কীভাবে নীলমাধবের মন্দিরে অদৃশ্য হয়ে গেল সে রহস্যের সমাধান হল, কিন্তু আমার শুধু একটা প্রশ্ন মনে রয়ে গেল যে ছিদাম বায়েন গুলি ভরা পিস্তল পেল কোথা থেকে?”

হরি বায়েন আর রতি বেরিয়ে যাওয়ার পর পদাবলী ঘড়ি দেখল। নাইট্রোজেনকে বলল, ‘আজ একবার করতালতলী যেতে হবে। স্টেশনের কাছাকাছি মনু সেনের দলবল থাকতে পারে। তাই ঘুরপথে যাব। রাতটা ছিদাম বায়েনের বাড়িতেই কাটাব।’

‘যাওয়াটা কি দরকারি?’

“ইন্দুমতি বাঈয়ের সঙ্গে কথা বলে নিমন্ত্রণ জানাব। ধুতরোহাটের শ্মশানে ভজন ডোমকে বলব ওঁকে ধুলটে নিয়ে আসতে। মা-মেয়ের মিলনের একটা চেষ্টা করছি।’ পদাবলী উঠল। বাকি উদ্দেশ্যটা নাইট্রোজেনকে বলা যাবে না।

একটা পাঁচ ব্যাটারির টর্চ কিনতে হবে।

সকল অধ্যায়
১.
প্রাককথন
২.
এক
৩.
দুই
৪.
তিন
৫.
চার
৬.
পাঁচ
৭.
ছয়
৮.
সাত
৯.
আট
১০.
নয়
১১.
দশ
১২.
এগার
১৩.
বারো
১৪.
তেরো
১৫.
চোদ্দ
১৬.
পনের
১৭.
ষোলো
১৮.
সতের
১৯.
আঠারো
২০.
ঊনিশ
২১.
কুড়ি
২২.
একুশ
২৩.
বাইশ
২৪.
তেইশ
২৫.
চব্বিশ
২৬.
পঁচিশ
২৭.
ছাব্বিশ
২৮.
সাতাশ
২৯.
আটাশ
৩০.
ঊনত্রিশ
৩১.
ত্ৰিশ
৩২.
একত্রিশ
৩৩.
বত্রিশ
৩৪.
তেত্রিশ
৩৫.
চৌত্রিশ
৩৬.
পঁয়ত্রিশ
৩৭.
ছত্রিশ
৩৮.
সাঁইত্রিশ
৩৯.
আটত্রিশ
৪০.
ঊনচল্লিশ
৪১.
চল্লিশ
৪২.
একচল্লিশ
৪৩.
বিয়াল্লিশ
৪৪.
তেতাল্লিশ
৪৫.
চুয়াল্লিশ
৪৬.
পঁয়তাল্লিশ
৪৭.
ছেচল্লিশ
৪৮.
সাতচল্লিশ
৪৯.
আটচল্লিশ
৫০.
ঊনপঞ্চাশ
৫১.
পঞ্চাশ
৫২.
একান্ন
৫৩.
বাহান্ন
৫৪.
তিপ্পান্ন
৫৫.
চুয়ান্ন
৫৬.
পঞ্চান্ন
৫৭.
ছাপ্পান্ন
৫৮.
সাতান্ন
৫৯.
আটান্ন
৬০.
ঊনষাট
৬১.
ষাট
৬২.
একষট্টি
৬৩.
বাষট্টি
৬৪.
তেষট্টি
৬৫.
চৌষট্টি
৬৬.
পঁয়ষট্টি
৬৭.
ছেষট্টি
৬৮.
সাতষট্টি
৬৯.
আটষট্টি
৭০.
ঊনসত্তর
৭১.
সত্তর
৭২.
একাত্তর
৭৩.
বাহাত্তর

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%