ছয়

প্রীতম বসু

‘স্যার, গড়াণহাটি কী?’

পদাবলীর নাক দেখে নাইট্রোজেন শিউরে উঠলেন। ‘এটা কীভাবে হল?’ অনেক বড় গল্প। সব বলছি,’ পদাবলী বলল। ‘কিন্তু আগে বলুন, স্যার, গড়াণহাটি কী?”

‘এত রাতে গড়াণহাটি!’ প্রফেসরের বিস্মিত দৃষ্টি।

নাইট্রোজেন স্যারের বাড়িতে আলো জ্বলছিল দেখে পদাবলী মরিয়া হয়ে দরজার ঘন্টি বাজিয়েই দিয়েছিল। তারপর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েই এই প্রশ্ন।

“এসো এসো, ভিতরে এসো।’ পদাবলীকে ভিতরে নিয়ে গেলেন প্রফেসর। বেতের সোফা দেখিয়ে বললেন, ‘বোসো বোসো।’

পদাবলী ভিতরে ঢুকে বসল। প্রফেসরের কফি টেবিলে একটা গীতগোবিন্দ আধখোলা। ডাইনিং রুমে আলো জ্বলছে না। বৈঠকখানার আলোয় আবছা আলোকিত।

নাইট্রোজেন বসতে বসতে বললেন, ‘কীর্তনের পাঁচটা ঘরানা আছে। গড়াণহাটি, মনোহরসাই, রেনেটি, মন্দারণী আর ঝাড়খন্ডী। ওসব ছাড়। অ্যাকসিডেন্ট হয়েছিল?” 1

“ছিদাম বায়েনের বাড়ি থেকে আসছি।”

“আচ্ছা! করতালতলী গেছিলে? দেখা হল ছিদাম বায়েনের সঙ্গে?’ “দেখা হল কী বলছেন স্যার। ছিদাম বায়েনকে এক কলি কীর্তনও শুনিয়ে এলাম।”

কিন্তু নাকে চোট লাগল কীভাবে?”

পদাবলী এবার সংক্ষেপে ঘটনাটা বলল।

‘এখন এপাড়ায় ডাক্তার পাবে না। তবে মনে হচ্ছে ব্লিডিং বন্ধ হয়ে গেছে। তোমাকে বলেছিলাম জমিদারবাড়ি যেও না। ওরা বিপজ্জনক খুনে। ওষুধ খেয়েছ কিছু?’

‘না।’

“আমি দেখছি,’ প্রফেসর অন্ধকার ডাইনিং রুমে গেলেন। ফ্রিজ থেকে বরফের ট্রে বের করে প্রফেসর মোচড় দিয়ে দু‘টুকরো বরফ একটা বাটিতে নিয়ে করে ফিরে এলেন। ‘বরফ নাকে চেপে রাখ।

পদাবলী কোনও কথা বলল না। নাকে বরফ চেপে ধরতে গিয়ে বেশ ব্যথা লাগল। ভালই চোট লেগেছে। ছেলেটার গায়ে অসুরের মত জোর।

প্রফেসর আবার ডাইনিং রুমে গেলেন। আবার ফ্রিজের আলো। এবার ফিরে এলেন এক হাতে একটা প্লেটে দুটো রসগোল্লা, অন্য হাতে একটা কাচের বাটিতে ঘুগনি। তারপর আবার ভিতর থেকে একটা কাচের গ্লাসে জল নিয়ে টেবিলে রাখলেন। “খাও, বিজয়ার পর এলে। ঘুগনিটা রান্নার মাসি বানিয়েছে, ভাল হয়নি। কিন্তু এটা খেয়ে এই পেইনকিলারটা খেয়ে নাও।’ নাইট্রোজেন ওষুধ দিলেন।

“ওঃ, পদাবলী ভুলেই গেছিল। উঠে দাঁড়িয়ে স্যারকে প্রণাম করার জন্য মাথা নিচু করতেই নাক, চোখ ব্যথায় টনটন করে উঠল।”

“থাক থাক,” স্যার ওকে হাত ধরে বসিয়ে দিলেন সোফায়।

পদাবলী ঘুগনির বাটিতে চামচ ডুবিয়ে মুখে ঢোকাল। এর চেয়ে সকালের স্টেশনের বাসি ঘুগনির স্বাদ হাজার গুণ ভাল ছিল। অখাদ্য ঘুগনি। কিন্তু ওষুধটা পেটে পড়া দরকার। খিদেও পেয়েছে খুব। পদাবলী গোগ্রাসে গিলতে লাগল।

‘কীর্তন শুনিয়ে এলে! কিন্তু তুমি কীর্তন জানলে কীভাবে?”

‘ঠাম্মা ঠাকুরঘরে গাইত, ছোট ছিলাম খুব। যেটুকু মনে ছিল ইনিয়ে বিনিয়ে গেয়ে এলাম।’ খাওয়া শেষ করে পদাবলী ওষুধটা মুখে ফেলে ঢকঢক করে জল খেল।

‘আর জল খাবে?”

‘না ঠিক আছে।”

‘কোন পদ গাইলে?”

*অরুণিত চরণে রণিত মণিমঞ্জির -

‘আধ আধ পদচলনি রসাল। তথা রাগ। আহা,’ নিজেই শেষ করলেন নাইট্রোজেন। ‘শেষে গোবিন্দদাস-চিতে নিতি নিতি বিহরতি, ইহ নাগরবর তরুণ তমাল। আহা! গোবিন্দদাস কবিরাজের অমর সৃষ্টি।’ তারপর স্বগতোক্তি করলেন, ‘অমর আর কীভাবে বলি। আমাদের বাংলায় ক’জন এসব শোনে আজকাল। কিন্তু, তোমার সাহস তো কম না, ছিদাম বায়েনের সামনে! তারপর? তারপর কী হল?”

- “ ছিদাম বায়েন কীর্তন শুনে বলল ওটা নাকি গড়াণহাটি। আমাকে বলল কাল এসে কয়েকটা গড়াণহাটি শোনাতে। এখন আচ্ছা বিপদে পড়েছি! আমি কীর্তনের “ক” ও জানিনা। তারপর ছিদাম বায়েন বলল ও নাকি আমার পরীক্ষা নেবে। দেখবে আমার পেটে কীর্তনের সম্বন্ধে কতখানি বিদ্যে। তারপর ও ভাববে আমায় প্রাণনাথ কীর্তনীয়া সম্বন্ধে কিছু বলবে কিনা। আমায় বলুন স্যার, আমি এখন কী করি? আমায় আপনি কীর্তনের সম্বন্ধে কিছু শিখিয়ে দেবেন?” ফটোটা দেখে চিনতে পারল ছিদাম বায়েন?”

‘নাঃ,’ পদাবলী বলল। ‘তবে মনে হচ্ছে ও কিছু গোপন করছে।’ পদাবলী ঠাম্মার প্রসঙ্গটা এর মধ্যে আনল না। গোবিন্দ অধিকারীর সাবধানবাণী মেনে চুপ রইল। আর তাছাড়া মন্দিরা আর মধুরিমা দু‘জন আলাদা মানুষ। জল ঘোলা করে লাভ নেই এখানে। আচ্ছা মুশকিলে পড়েছি! কাল আমি গিয়ে কী বলব, স্যার?’

‘আমাদের কয়েক শ’ বছরের কীর্তনের ইতিহাস, আমি কি একরাতে তোমায় এই ওষুধের মত গিলিয়ে শিখিয়ে দিতে পারি?’ নাইট্রোজেন চিন্তিত মুখে বললেন।

“তাহলে?”

তাহলে আবার কী? যা কিছু সত্যি, তাই সততার সঙ্গে বোলো। বি ইয়োরসেলফ।’

“লোকটা গড়াণহাটির ফ্যান। আপনি অন্তত আমায় আপাততঃ গড়াণহাটির সম্বন্ধে কিছু শিখিয়ে দিন। কীভাবে বুঝব কোন কীর্তন গড়াণহাটি আর কোন গান মনোহরসাই আর কোনটাই বা রেনকোট-টেনকোট যা যা বললেন তাই?’

“গড়াণহাটি কীর্তনের স্রষ্টা শ্রীনরোত্তম দত্ত। নিশ্চয়ই এই মানুষটার নাম শোননি?”

“না।”

“নরোত্তম ঠাকুর খেতুরীর জমিদারপুত্র। আবাল্য চৈতন্যদেবের অনুরক্ত ছিলেন। কুড়ি বছর বয়সে গৃহত্যাগ করে বৃন্দাবনে চলে যান এবং শ্রীজীব গোস্বামীর শিক্ষায় বৈষ্ণব শাস্ত্রে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। ইনি বৃন্দাবনে বিখ্যাত হরিদাস স্বামীর থেকে সঙ্গীত শিক্ষা করেন।

পদাবলী হরিদাস স্বামীরও নাম শোনেনি। শিক্ষকরা ছেলে চরিয়ে খায়, পদাবলীর চোখের দিকে তাকিয়ে বোধহয় নাইট্রোজেন বুঝতে পারলেন। “হরিদাস স্বামী সেকালের ভারতের অদ্বিতীয় সঙ্গীতপারঙ্গম ছিলেন। হরিদাস স্বামীর একজন ছাত্র ছিলেন সম্রাট আকবরের বিখ্যাত সভা-গায়ক তানসেন, অন্যজন নরোত্তম ঠাকুর। দুই ছাত্রই অতুলনীয়। তানসেন ধ্রুপদ সঙ্গীতকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছিলেন, আর শ্রীনরোত্তম ঠাকুর বাংলার কীর্তনে ধ্রুপদ প্রভাবিত এক নতুন ঘরানার সৃষ্টি করলেন। তার নাম হল গড়াণহাটি।’

‘আশ্চর্য!’ পদাবলী বলল। ‘আমরা তানসেনকে নিয়ে নাচানাচি করি আর এই নরোত্তম ঠাকুরের নাম পর্যন্ত জানতাম না??

আমি ‘এরকমই আমাদের এই দুর্ভাগা বাংলাদেশ। তানসেন দীপক রাগে আগুন জ্বালিয়ে দিতেন, মল্লার রাগিনীতে শুকনো আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরিয়ে দিতেন, ধানী রাগে একবার আকবরের দরবারের গৃহসজ্জা ধানী রঙে রঞ্জিত করেছিলেন এটা বাঙালি বিশ্বাস করবে, কিন্তু আমাদেরই বাংলার ঘরের বিখ্যাত কীর্তনীয়া অবধৌত দাস ময়নাডালে শ্রীমহাপ্রভুর বিগ্রহের সামনে মহাপ্রভুর বিবাহোৎসব গানের সময় শ্রীবিগ্রহের অঙ্গে ধর্মবিন্দু দেখা দিয়েছিল এবং বিগ্রহের উত্তরীয় সিক্ত হয়ে গেছিল এটা বললে বাঙালি নির্দ্বিধায় বলবে গুল। গেঁয়ো যোগীকে বাঙালি সহজে ভিক্ষা দেয় না। তার একটা বিদেশি সার্টিফিকেট লাগে। যাক গে, বাকিটা শোন, প্রফেসর বললেন। ‘চৈতন্যমহাপ্রভু যখন জীবিত ছিলেন সেসময় কীর্তন পপুলারিটির তুঙ্গে ছিল। চৈতন্যদেবের ওপর ভক্তিতে ব্ৰাহ্মণ চণ্ডাল এক মিলন উৎসবে মেতে উঠেছিল

যত ছিল নাড়া বেনে সব হল কীত্তুনে

কাচি ভেঙে গড়ালে কর্তাল।

বাংলার মাটিতে তিনি কৃষ্ণপ্রেমের এমন জোয়ার এনেছিলেন যে সেই জোয়ারে শান্তিপুর ডুবুডুবু, নদে ভেসে যায়। বাংলার বিভিন্ন বৈষ্ণবগোষ্ঠী মহাপ্রভুর ছত্রছায়ায় এক হয়ে কীর্তন গাইত। কিন্তু চৈতন্যমহাপ্রভুর অন্তর্ধানের পর বাংলার চৈতন্যপন্থীরা বিভিন্ন ভাগে ভেঙে গেল। অদ্বৈত আচার্যের এক গোষ্ঠী, নিত্যানন্দের আরেক গোষ্ঠী, শ্রীখণ্ডের গৌরনাগরবাদী গোষ্ঠী, গদাধর পণ্ডিতের অনুগামী “গদাই-গৌরাঙ্গ” বৈষ্ণবগোষ্ঠী, বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর ভক্ত গোষ্ঠী, বৃন্দাবনের বৈষ্ণব গোষ্ঠী, গৌড়ীয় বৈষ্ণব, সহজিয়া বৈষ্ণব সম্প্রদায় সব আলাদা পথে চলতে লাগল। বাংলায় কীর্তনগান তখন এক বড় আঘাত পেল। তখন নরোত্তম ঠাকুর এদের এক করার চেষ্টা করলেন। নরোত্তম ঠাকুর ১৫৮১ খৃষ্টাব্দে নিজের জন্মস্থান খেতুরিতে এক ফাল্গুনী পূর্ণিমায় শ্রীগৌরাঙ্গ, শ্রীবল্লভীকান্ত, শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীব্রজমধু, শ্রীরাধারমণ ও শ্রীরাধাকান্ত এই ছয়টি বিগ্রহ স্থাপন করে মহাসমারোহে এক বৈষ্ণব মহাসম্মেলনের অনুষ্ঠান করলেন। এটাই বাংলার বিভিন্ন বৈষ্ণবগোষ্ঠীর সর্ব্বপ্রথম মহাসম্মেলন। বাংলার সমস্ত কীর্তনের দলকে ওখানে নিমন্ত্রণ করলেন। সেখানে নরোত্তম ঠাকুর ধ্রুপদী সঙ্গীত মিশিয়ে এক নতুন কীর্তন গানের ঘরানা শুরু করলেন। খেতুরি “গড়াণহাটি” পরগনায় অবস্থিত ছিল, তাই খেতুরির সেই কীর্তনগান “গড়াণহাটি” কীর্তন বলে পরিচয় লাভ করল।’

“আর মনোহরসাই?”

গড়াণহাটি হল বরেন্দ্র কীর্তন বা উত্তরবঙ্গের কীর্তন, তেমন মনোহরসাই হল রাঢ়ী কীর্তন। ভাগীরথীর পশ্চিমকে বলা হত রাঢ়। সঙ্গীতের পীঠভূমি রাঢ়দেশের এক নিজস্ব সঙ্গীতের ধারা ছিল। এখানকার তিনটি কেন্দ্র ছিল শ্রীখণ্ড, কান্দরা আর ময়নাডাল। খেতুরির উৎসব থেকে ফিরে এসে জ্ঞানদাস, মনোহর, কান্দরার বিখ্যাত মঙ্গলঠাকুরের পৌত্র বদন, শ্রীখণ্ডের রঘুনন্দন আর ময়নাডালের নৃসিংহ মিত্র ঠাকুর মিলে রাঢ়ের কীর্তনের সংস্কার করেন এবং তার নাম দেন মনোহরসাই। কান্দরা মনোহরসাই পরগনার অন্তর্ভুক্ত ছিল তাই এই কীর্তনের ঘরানার নাম হল মনোহরসাই। পরে অবশ্য শ্রীখণ্ড আর কান্দরা বর্ধমান জেলায় চলে গেছে।’

“ছিদাম বায়েন বললেন যে আজকাল আর গড়াণহাটি শোনা যায় না। সেটা কেন?”

“গড়াণহাটি গাওয়া কঠিন, কিছুটা ধ্রুপদী তালিম লাগে। আর অত বিলম্বিত লয়ে উচ্চাঙ্গসংগীত শুনিয়ে কীর্তনের আসরে দর্শককে বেঁধে রাখা কঠিন। মনে রেখো, এরা অধিকাংশই ছিল গ্রামের নিরক্ষর মানুষ, এদের মনে ভক্তিভাব আনার জন্য অনেক সহজ কীর্তন হল মনোহরসাই। মনোহরসাই গড়াণহাটির তুলনায় হালকা গান। এই ঢঙ আসরের উপযোগী। তাই লীলাকীর্তন গানে মনোহরসাই কীর্তন গ্রামে গ্রামে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।’

“তাহলে কীভাবে বুঝব কোনটা গড়াণহাটি আর কোনটা মনোহরসাই?

“সে তোমায় এত অল্প সময়ে শেখানো সম্ভব না। আগে তোমাকে কালকের জন্য একটা গড়াণহাটি কীর্তন সাপ্লাই করি। তুমি কি আর কোনও কীর্তন জানো? মনে করার চেষ্টা করো তো? তোমার ঠাম্মা আর কী গান গাইতেন সেটা কি মনে পড়ে?”

“অত ছোটবেলায় ঠাম্মার গান শুনতাম, ঠিক মনে নেই, পদাবলী ভাবতে লাগল। মনে মনে ডুব লাগাল অতীতে, বেশ দেখতে পাচ্ছে ঠাম্মার ঠাকুরঘরের পিতলের রাধাকৃষ্ণ, পাশে ঊর্ধ্ববাহু শ্রীচৈতন্যের ফটো। ঠাকুমা গাইছেন। পদাবলী বলল, ‘আরেকটা গান ছিল-দামিনী দাম দমন রুচি দরশনে – দূরে গেও দরপকি দাপ - -

পদাবলীর কথা শেষ করার আগে ‘আহা আহা’ করে উঠলেন নাইট্রোজেন। “বড় দশকোশী তালের গান। ঝাখি ঝাখি ঝাখি ঝা ঝাখি ঝাখি ঝাখি ঝাগুরু – তারপর তালের বোল অসমাপ্ত রেখে বললেন। ‘এটাও গড়াণহাটি। শোন কুসুমকিয়ে কিয়ে গনিয়ারে - প্রাতর অরুণ সন্তাপ - তোমার ঠাম্মা নিশ্চয়ই কীর্তনীয়া ছিলেন।’

“না, না, বাড়িতে ঠাকুরঘরে একা একাই গাইতেন।’

‘জগদানন্দ পণ্ডিতের লেখা কীর্তন এটা। “দ” এর অনুপ্রাসে ভরা। জগদানন্দ পণ্ডিতের লেখায় খুব অনুপ্রাস আর কাব্যালংকার থাকত।”

পদাবলী মনে কিছুটা শান্তি অনুভব করল। কালকের হোমওয়ার্কটা হয়ে রইল। দশকোশী, জগদানন্দ পণ্ডিত, গড়াণহাটি কীর্তন। কাল কাজে আসবে।

‘নাকের এই ছিরি না হলে বলতাম এক কলি গাও তো, ছিদাম বায়েনের সামনে কাল গাইবে, একটু রিহার্সাল হয়ে যাক। কিন্তু এখন বাড়ি যাও। রেস্ট দরকার।’

পদাবলীর নাকটা টনটন করে উঠল। ‘চলি স্যার। মেসের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। আমার অবশ্য বলা আছে। পুজোর ছুটির সময় রেস্ট্রিকশন কম। পদাবলী উঠে দাঁড়াল।

‘গুড লাক,’ নাইট্রোজেন বললেন। ‘কাল কী হল একবার জানিয়ে যেও। আমি ন’টার মধ্যে শুতে চলে যাই। কিন্তু তোমার জন্য জেগে থাকব।”

পদাবলী রাস্তায় নামল। ছিদাম বায়েন ফটোদুটো কেন নিজের কাছে রেখে দিল? তবে কি এই ছবিটাই প্রাণনাথ কীর্তনীয়ার ছবি? আর প্রাণনাথ কীর্তনীয়ার ছবি কেন ওর ঠাম্মার কাছে রাখা? ঠাম্মা কি তাহলে প্রাণনাথ কীর্তনীয়াকে চিনত?

সকল অধ্যায়
১.
প্রাককথন
২.
এক
৩.
দুই
৪.
তিন
৫.
চার
৬.
পাঁচ
৭.
ছয়
৮.
সাত
৯.
আট
১০.
নয়
১১.
দশ
১২.
এগার
১৩.
বারো
১৪.
তেরো
১৫.
চোদ্দ
১৬.
পনের
১৭.
ষোলো
১৮.
সতের
১৯.
আঠারো
২০.
ঊনিশ
২১.
কুড়ি
২২.
একুশ
২৩.
বাইশ
২৪.
তেইশ
২৫.
চব্বিশ
২৬.
পঁচিশ
২৭.
ছাব্বিশ
২৮.
সাতাশ
২৯.
আটাশ
৩০.
ঊনত্রিশ
৩১.
ত্ৰিশ
৩২.
একত্রিশ
৩৩.
বত্রিশ
৩৪.
তেত্রিশ
৩৫.
চৌত্রিশ
৩৬.
পঁয়ত্রিশ
৩৭.
ছত্রিশ
৩৮.
সাঁইত্রিশ
৩৯.
আটত্রিশ
৪০.
ঊনচল্লিশ
৪১.
চল্লিশ
৪২.
একচল্লিশ
৪৩.
বিয়াল্লিশ
৪৪.
তেতাল্লিশ
৪৫.
চুয়াল্লিশ
৪৬.
পঁয়তাল্লিশ
৪৭.
ছেচল্লিশ
৪৮.
সাতচল্লিশ
৪৯.
আটচল্লিশ
৫০.
ঊনপঞ্চাশ
৫১.
পঞ্চাশ
৫২.
একান্ন
৫৩.
বাহান্ন
৫৪.
তিপ্পান্ন
৫৫.
চুয়ান্ন
৫৬.
পঞ্চান্ন
৫৭.
ছাপ্পান্ন
৫৮.
সাতান্ন
৫৯.
আটান্ন
৬০.
ঊনষাট
৬১.
ষাট
৬২.
একষট্টি
৬৩.
বাষট্টি
৬৪.
তেষট্টি
৬৫.
চৌষট্টি
৬৬.
পঁয়ষট্টি
৬৭.
ছেষট্টি
৬৮.
সাতষট্টি
৬৯.
আটষট্টি
৭০.
ঊনসত্তর
৭১.
সত্তর
৭২.
একাত্তর
৭৩.
বাহাত্তর

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%