একচল্লিশ

প্রীতম বসু

গুলির আওয়াজ শুনে কুমুদরঞ্জন হন্তদন্ত হয়ে মন্দির থেকে বাড়ি ফিরে এলেন। মন্দিরের দরজা বন্ধ করে ভোগারতি করছিলেন। এমন সময় বাইরে এই উপর্যুপরি বন্দুকের গুলির আওয়াজে ভেবেছিলেন অখিলরঞ্জন পাখি শিকার করছে। তাই আরও নিবিষ্টভাবে আরতিতে মনোঃসংযোগ করেছিলেন। পরে দরজা খুলে হতভম্ব। তারপর ছুটতে ছুটতে এসেছেন। মন্দিরা তখন জলের কলসী হাতে হিস্টিরিয়া রুগীর মত কাঁপছে। সব কথা শুনে কুমুদরঞ্জন বললেন, ‘লোকটাকে মেরে ফেলল? কে এই লোকটা? ওকে প্রাণনাথ চেনে?” ‘জানি না, মন্দিরা বলল।

‘জানিনা নীলমাধব আমাদের কপালে আর কত ভোগান্তি লিখে রেখেছেন। আমি মন্দির বন্ধ করে এক্ষুনি ফিরে আসছি।’ কুমুদরঞ্জন বেরিয়ে গেলেন। মন্দিরা সদর দরজায় হুড়কো তুলে খড়ুটি ঘরের জানলায় এসে দাঁড়াল।

*মনে হয় ছেলেটা আমার খোঁজে এসেছিল,’ প্রাণনাথ বলল।

মন্দিরা ভয়ে ফ্যাকাসে - ‘ও জানল কীভাবে যে তুমি এখানে থাকতে পার?’ “আমাদের গুপ্তসমিতি আমাকে ফ্রান্সে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। আমি নিজে তাতে রাজি হই নি। ওদের কেউ কেউ জানে যে আমি এখানে। আমার কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে ওরা সম্ভবতঃ এই ছেলেটাকে পাঠিয়েছিল। আমার কাছে চন্দননগরে ওদের অনেক টাকাপয়সা লুকিয়ে রাখা আছে। সম্ভবতঃ সেই টাকার হদিশ জানতেই ছেলেটাকে পাঠিয়েছিল ওরা।’

“তুমি এই ছেলেটাকে চেন?”

‘না, আমি ওকে চিনি না।’

*তুমি বুঝতে পেরেছিলে যে ওই সন্ন্যাসীরা ছদ্মবেশে পুলিশ?”

‘হ্যাঁ।’

তুমি কি বুঝতে পেরেছিলে ও স্বদেশী বিপ্লবী?’

‘আমি আন্দাজ করতে পেরেছিলাম, প্রাণনাথ মলিন মুখে বলল। ‘কিন্তু আমার কোনও উপায় ছিল না।’

মন্দিরা প্রাণনাথের আহত চোখের দৃষ্টির দিকে তাকাল। তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘তুমি বাইরে গেলে তোমাকে ওরা ধরে ফেলবেই। যে কোনও নতুন মুখ দেখলেই ওদের সন্দেহ হচ্ছে। তোমাকে খুব সাবধানে থাকতে হবে।’

অল্পক্ষণের মধ্যেই কুমুদরঞ্জন ফিরে এলেন। মন্দিরা সদর দরজা খুলতেই উনি হাঁফাতে হাঁফাতে বললেন - ‘পুলিশ আসছে!’।

মন্দিরা ভিতরে ঢুকে ফ্যাকাসে মুখে প্রাণনাথকে বলল, ‘জানলা বন্ধ করে তুমি চোরা কুঠুরিতে লুকিয়ে পড়। ওরা হয়তো আরেকবার তল্লাশি করবে। দরজায় চারবার টোকা না শুনলে কিছুতেই পাটাতনের উপরে উঠে আসবে না।’ প্রাণনাথ তাড়াতাড়ি খাটিয়াটা কাত করে দেওয়ালে দাঁড় করিয়ে দিল। আড়ানি, বেতের কাঠা, ঠিলি, খাটিয়ার গায়ে এলোমেলো ভাবে রেখে ঘরের চারদিকে এক নজর চাহনি ছুঁড়ে নিল। তারপর ক্ষিপ্রপদে চোরা কুঠুরিতে নেমে গিয়ে মাথার ওপর পাটাতন টেনে দিল। মন্দিরা তাড়াতাড়ি খড়টির ভিতরে ঢুকে পাটাতনের ওপর বাখারি, লাঙল, চরকা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখে ঘরের দরজা টেনে তাতে তালা লাগিয়ে দিল। মন্দিরা এক লাফে দাওয়া থেকে উঠোনে নেমে গেল। কুঠুরির ভিতর ঘুটঘুটে অন্ধকার। বাইরের কথাবার্তার আওয়াজ আসছে না। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর প্রাণনাথ বুঝল মন্দিরার আশঙ্কা অমূলক নয়। ভারী জুতোর আওয়াজ মাথার ওপর চারপাশ থেকে আসতে লাগল। পুলিশ এসে গেছে। ওরা বাড়ি সার্চ করছে। এবার এদিকেও আসবে। খডুটি ঘরের বাইরের দরজার তালা খোলার আওয়াজ। প্রাণনাথের বুক ধকধক করতে লাগল। খডুটি ঘরের দরজা খুলে গেল। হিন্দিতে দু‘জন কথা বলছে। অবাঙালি পুলিশ। কিছুক্ষণ নড়াচড়া নেই, ওরা সম্ভবতঃ ভিতরে না ঢুকে দরজা থেকেই ভিতরে চোখ বোলাচ্ছে। মেঝেতে পায়ের ছাপ-টাপ নেই তো? প্রাণনাথ নিঃশ্বাস বন্ধ করে বসে রইল। কিছুক্ষণ পর আবার দরজায় তালা পড়ে গেল। প্রাণনাথ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।

এবার দরজায় চার বার টোকা। তারপর ভিতরে এসে প্রাণনাথের পাটাতন উপরে টানল মন্দিরা। প্রাণনাথ উপরে উঠে এল। মন্দিরা খাবার নিয়ে এসেছে। ‘সারা বাড়ি আবার তোলপাড় করে গেল,’ মন্দিরা বলল। “দাদার শ্রাদ্ধের ছবিটা সঙ্গে নিয়ে গেল। দাদার কোনও চিহ্নই ওরা বাড়িতে রাখতে চাইছে না। কেন কে জানে?”

‘কাকাবাবুর মনের অবস্থা কেমন?’

“বাবা খুব ভয় পেয়ে গেছে। একমনে জপমালা ঘুরিয়ে নীলমাধবের নাম জপ করে চলেছে।’

‘পুলিশ সন্দেহ করেছে যে আমি এখানে থাকতে পারি।’

‘হ্যাঁ। তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও। আমাদের আবার খুব সাবধানে থাকতে হবে।’

প্রাণনাথ তাড়াতাড়ি গিলতে লাগল। আজ খেতে একদম ইচ্ছে করছে না। ক্লান্ত লাগছে। সেই কোন সকালে ভুবনকাকা এসেছিল। তারপর এত কিছু। প্রাণনাথের খাওয়া শেষ হলে মন্দিরা এঁটো থালা তুলে নিল। ‘বাবা মায়ের খোলের খোঁজ করছিল।’

“আমি একজন খুব ভাল খোল তৈরির কারিগরকে চিনি, তার কাছে ছিদামকে পাঠিয়ে খোলটা ঠিক করিয়ে নেব। তুমি ছিদামকে একবার আমার কাছে পাঠাবে?”

‘এখন পাঠানো ঠিক হবে না। রাত হোক,’ মন্দিরা দরজার দিকে এগোল। ‘রাতে খাওয়ার পর আমি ছিদামকে পাঠাচ্ছি।’

রাতে খাওয়ার পর দরজায় চারটে টোকা। প্রাণনাথ বুঝল ছিদাম এসেছে। মন্দিরা ওকে ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে তালা লাগিয়ে দিল। প্রাণনাথ বলল, ‘ছিদাম, দুটো কাজ করতে হবে।’

“কী কাজ প্রাণনাথদাদা?”

‘প্রথম কাজ এই খোলটা তোমায় সারাতে হবে,’ প্রাণনাথ চামড়া কাটা খোলটা এগিয়ে দিল।

‘এখানে খোল বাঁধাবার মত ভাল কারিগর নেই,’ ছিদাম হতাশার সঙ্গে বলল। “মৃদঙ্গমদাদা শহর থেকে খোল বাঁধিয়ে নিয়ে আসত।’ “চন্দননগর গেছ তো তুমি?”

“হ্যাঁ, দু’বার। সঙ্গে বাবাও ছিল অবশ্য। মৃদঙ্গমদাদা যখন প্রথম কলেজ গেল তখন ওর ট্রাঙ্ক তো আমিই বয়ে নিয়ে গেলুম।’

‘ঠিক আছে। চন্দননগরের কাছে উলুডাঙা গ্রামে বিভাবরী দাসী খুব ভাল খোল বানায়। ওর কাছে এই খোল নিয়ে যাও। ও তোমার এই খোল বাঁধিয়ে দেবে। পারবে না?”

- ছিদামের ইজ্জতে লাগল – ‘কেন পারব না? আমি খোল বাঁধিয়ে এনে দেব। আর দ্বিতীয় কাজ?’

‘সেটা একটু কঠিন,’ প্রাণনাথ গলা নিচু করল। তারপর প্রাণনাথ ছিদামকে ওর পরিকল্পনাটা বোঝাল। তারপর বলল, ‘পারবে তো?”

ছিদামের চোখমুখে অস্বস্তি - ‘মন্দিরাদিদি জানতে পারলে ভীষণ রাগ করবে।’ ‘মন্দিরাদিদি জানবে যে তুমি খোল সারাতে যাচ্ছ।’

তাও ছিদামের অস্বস্তি গেল না। মন্দিরাদিদিকে মিথ্যা বলার কথা ছিদাম ভাবতেই পারে না। প্রাণনাথ ব্যাপারটা বুঝল। প্রাণনাথ খুব শান্তভাবে ছিদামকে বলল, ‘দেখ ছিদাম, মৃদঙ্গম আমার ওপর যে দায়িত্ব দিয়েছিল আমি তা পালন করেছি। এখন আমার উচিত আমার স্বদেশী বিপ্লবীদের দলে ফিরে যাওয়া। আমি ঈশ্বরবিশ্বাসী নই। ধুলট না হলে আমার কিছু আসে যায় না। কিন্তু ধুলট অনুষ্ঠান না হলে তোমার গোঁসাইজ্যাঠা আত্মঘাতী হবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেছেন। মন্দিরা সদ্য দাদাকে হারিয়েছে, ও যাতে আরেকটা মর্মান্তিক আঘাত না পায় তার জন্য আমি চেষ্টা করছি যাতে ধুলট উৎসবটা হয়। একমাত্র অখিলরঞ্জনই পারে এই ধুলট করাতে। একটু ঝুঁকি নিতেই হবে। তোমার মন্দিরাদিদি এসব জানলে ভয় পেয়ে রাজি হবে না। আমাদের হাতে আর কোনও উপায় নেই।’ … ‘সেকথাটা অবিশ্যি ঠিক বলেছ।’ ছিদাম চিন্তাগ্রস্ত মুখে বলল। ‘কিন্তু তুমি কি ধুলটের জন্য সত্যিই ধরা দেবে?”

‘পাগল!” প্রাণনাথ বলল। ‘তার চেয়ে সুখকর হবে ড্যানিয়েল ধুলটে এলে ওর মাথায় দুটো গুলি ঠুসে দেওয়া। এসব নিয়ে তুমি একদম দুশ্চিন্তা কোর না। আমার কোনও ক্ষতি করতে পারবে না ইংরেজ।’ প্রাণনাথ ছিদামকে আশ্বস্ত করল। ‘কিন্তু, খুব গোপনে এ কাজটা করাতে হবে, কেননা চারদিকে গুপ্তচর।’ ‘আমি কথা দিচ্ছি কেউ জানবে না। আমি কালই যাচ্ছি চন্দননগর,’ ছিদাম বলল। ‘মন্দিরাদিদি যদি এন্তাজ আর গ্যাদাকে বলে দেয় আমাকে ওদের পানসিতে ধুতরোহাটের ঘাটে ছেড়ে আসতে, তাহলে ট্রেন স্টেশন অনেক কাছে হয়ে যায়। না হলে অনেক সময় লাগে ঘুরপথে যেতে।’

‘আমি মন্দিরাকে বলব। তবে এখন যেতে হবে না, দীপাবলি-ভাইফোঁটা কেটে যাক, তারপর যেও। আর হ্যাঁ, বুড়িকে বোলো যে চন্দননগরের রঘু পটুয়াকে যদি সে চেনে তবে যেন একবার আমাদের এখানে পট দেখিয়ে গান গাইবার জন্য পাঠায়।’

- ‘বলব,’ ছিদাম বেরিয়ে গেল। এবার মন্দিরা ভিতরে ঢুকল “ছিদামকে কোথায় পাঠাচ্ছ?”

“খোল মেরামত করতে। এন্তাজ আর গ্যাদা কে?’

‘মাঝি। ওরা দুই ভাই খেয়া পারাপার করে।

“ওদের বিশ্বাস করা যায়?”

‘দাদার জন্য ওরা তুফানের রাতেও নদীতে পানসি নামিয়েছে। বাবা ওদের নৌকা কিনে দিয়েছিল। দাদা কী লিখে রেখে গেছে?”

‘আফিম চাষ। আমি মৃদঙ্গমের জন্য গর্ব অনুভব করি,’ প্রাণনাথ সংক্ষেপে মৃদঙ্গমের আফিম বিরোধী কর্মকাণ্ডের কথা বলল মন্দিরাকে। ‘মৃদঙ্গম শুধু ব্রিটিশদের আফিমের কারবার বন্ধ করার জন্যই সচেষ্ট ছিল না, ও পত্রিকায় লিখে সাধারণ মানুষকে এ ব্যাপারে সাবধান করতে চেয়েছিল। আফিম বিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিল মৃদঙ্গম, তাই ওকে ব্রিটিশরা সরিয়ে দিল। মৃদঙ্গমের এই লেখা লোকের মধ্যে বিলি হওয়া দরকার। আফিম আমাদের সমাজের কাছে এক বিষ। মৃদঙ্গম সেই বিষকে আমাদের ক্ষেত থেকে উপড়ে ফেলতে গিয়ে শহীদ হয়ে গেল। এই লেখাটা রঘু পটুয়ার কাছে পাঠাতে বলেছে। তুমি কি এই রঘু পটুয়াকে চেন?’

‘নাঃ, মন্দিরা মাথা নাড়াল। ‘বাবার কাছে প্রত্যেক বছর ঝুলনের সময় মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম থেকে পটুয়ারা আসে। এই পটুয়ারা তাঁতে বোনা লম্বা কাপড়ের ওপর কৃষ্ণলীলার বস্ত্রহরণ, নৌকাখণ্ড, কালীয়দমন এসবের আখ্যান এঁকে নিয়ে এসে তাই দেখিয়ে গান করে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়ায়। বাবা ওদের অনেক অর্থ সাহায্য করত। কিন্তু আমি পটুয়াদের ছোটবেলা খুব ভয় পেতাম কেননা এই সব পটের শেষে যমদূতের বা চিত্রগুপ্তের সহচরদের নানা বিভীষিকাময় মুখের ছবি থাকত। কিন্তু এই পটুয়াদের কারও নাম আমি জানতাম না। জানিনা দাদা এত মানুষ থাকতে কোনো পটুয়াকে কেন ওর কাগজ দিতে বলল?”

“আমি আন্দাজ করতে পারি,’ প্রাণনাথ বলল। ‘পটুয়ারা পটলিখা করে পটসংগীত রচনা করে গ্রামে গ্রামে পট দেখাতে যায়। ওদের পটে যে শুধু দেবদেবীর ছবি থাকে তা নয়, অনেক সামাজিক পালাও পটুয়ারা পটের মাধ্যমে প্রদর্শন করে। আমাদের স্বদেশী বিপ্লবীদের সম্বন্ধেও ওরা পটগীতি বানিয়েছে। ক্ষুদিরামের ফাঁসি খুব নাম করেছে। এটা একটা লোকশিক্ষার মাধ্যম। আমার মনে হয় মৃদঙ্গম চেয়েছিল এই পটের মাধ্যম ব্যবহার করে লোকের মধ্যে আফিমের সম্বন্ধে বিদ্বেষ জাগাতে আর ইংরেজদের এই কুকীর্তি সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ করতে। আমাদের গুপ্ত সমিতিগুলো আজকাল পটুয়াদের সাহায্য চায় স্বাধীনতা সংগ্রামের গল্প মানুষের কাছে পৌঁছোবার জন্য।’

‘কিন্তু পটুয়ারা এই গোপনীয়তা রাখতে পারবে?’

“তা পারবে। এটা ওদের পূর্বপুরুষদের পেশা। পটুয়ারা প্রাচীনকালের যমপট্টিক। হর্ষবর্ধনের সভাকবি বাণভট্টের “হর্ষচরিত”এ এদের কথা লেখা আছে। আরও আগে রচিত বিশাখ দত্তের “মুদ্রারাক্ষস” এ যমপট্টিকদের কথা লেখা আছে যে এরা নাকি চাণক্যের গুপ্তচরের কাজ করত। গান গেয়ে পট দেখিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খবর সংগ্রহ করত। গোপনীয়তা রক্ষা করতে এরা খুব পারদর্শী। আমার মনে হয় আমাদের খোঁজা উচিত রঘু পটুয়াকে কোথায় পাওয়া যায়।’

সকল অধ্যায়
১.
প্রাককথন
২.
এক
৩.
দুই
৪.
তিন
৫.
চার
৬.
পাঁচ
৭.
ছয়
৮.
সাত
৯.
আট
১০.
নয়
১১.
দশ
১২.
এগার
১৩.
বারো
১৪.
তেরো
১৫.
চোদ্দ
১৬.
পনের
১৭.
ষোলো
১৮.
সতের
১৯.
আঠারো
২০.
ঊনিশ
২১.
কুড়ি
২২.
একুশ
২৩.
বাইশ
২৪.
তেইশ
২৫.
চব্বিশ
২৬.
পঁচিশ
২৭.
ছাব্বিশ
২৮.
সাতাশ
২৯.
আটাশ
৩০.
ঊনত্রিশ
৩১.
ত্ৰিশ
৩২.
একত্রিশ
৩৩.
বত্রিশ
৩৪.
তেত্রিশ
৩৫.
চৌত্রিশ
৩৬.
পঁয়ত্রিশ
৩৭.
ছত্রিশ
৩৮.
সাঁইত্রিশ
৩৯.
আটত্রিশ
৪০.
ঊনচল্লিশ
৪১.
চল্লিশ
৪২.
একচল্লিশ
৪৩.
বিয়াল্লিশ
৪৪.
তেতাল্লিশ
৪৫.
চুয়াল্লিশ
৪৬.
পঁয়তাল্লিশ
৪৭.
ছেচল্লিশ
৪৮.
সাতচল্লিশ
৪৯.
আটচল্লিশ
৫০.
ঊনপঞ্চাশ
৫১.
পঞ্চাশ
৫২.
একান্ন
৫৩.
বাহান্ন
৫৪.
তিপ্পান্ন
৫৫.
চুয়ান্ন
৫৬.
পঞ্চান্ন
৫৭.
ছাপ্পান্ন
৫৮.
সাতান্ন
৫৯.
আটান্ন
৬০.
ঊনষাট
৬১.
ষাট
৬২.
একষট্টি
৬৩.
বাষট্টি
৬৪.
তেষট্টি
৬৫.
চৌষট্টি
৬৬.
পঁয়ষট্টি
৬৭.
ছেষট্টি
৬৮.
সাতষট্টি
৬৯.
আটষট্টি
৭০.
ঊনসত্তর
৭১.
সত্তর
৭২.
একাত্তর
৭৩.
বাহাত্তর

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%