তেরো

প্রীতম বসু

মন্দিরের দরজার তালা খুলছে না।

বৃষ্টি-বাদলায় তালাতে মরচে ধরে গেছে। গোবিন্দ অধিকারী চাবির গর্তে চাবি ঢুকিয়ে অনেকক্ষণ চেষ্টা করে চলেছে।

পিছনে দাঁড়িয়ে পদাবলী অধৈর্য, বুক উত্তেজনায় ধুকপুক করছে। কী আছে ভিতরে? এর ভিতর থেকে জলজ্যান্ত দু‘জন মানুষ – প্রাণনাথ কীর্তনীয়া আর জমিদার অখিলরঞ্জন উধাও হয়ে গেছিল?

তালাটা কড়াক্ করে খুলে গেল। গোবিন্দ অধিকারী দরজার কবাটে ঠেলা দিল। কবাট খুলতেই ভ্যাপসা দুর্গন্ধ পদাবলীর নাকে ধক করে এসে লাগল। দুর্গন্ধ উপেক্ষা করে গোবিন্দ অধিকারীর কাঁধের পিছন থেকে দরজার ফাঁক দিয়ে ভিতরে তাকাল পদাবলী। মন্দিরের ভিতরটা স্যাঁতসেঁতে, ইটের জোড়ের ফাঁক থেকে কবে চুন সুড়কি ঝরে গিয়ে হাঁ হয়ে রয়েছে। দেওয়ালে দাঁত বের করা নোনা ধরা ইটের ওপর মাকড়সার বিরাট বিরাট জাল। মন্দিরের মেঝেতে চারপাশে ইঁদুরের নাদি। মন্দিরের ঠিক মাঝখানে নীলমাধব, পাশে শ্রীরাধা।

গোবিন্দ অধিকারী গোটা মন্দিরটা উপর থেকে নিচ জরিপ করার দৃষ্টিতে , ‘এতটা খারাপ অবস্থা ভাবতেই পারিনি।’

দেখল। তারপর বিমর্ষ মুখে বলল‘এ মন্দির সারাতে অনেক খরচা করতে হবে,’ পদাবলী বলল। ‘মনে হচ্ছে যখন তখন ভেঙে পড়বে।’

“হ্যাঁ, গোবিন্দ অধিকারী দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল। ‘আমাদের অত সামর্থ্য কোথায়? এ অসম্ভব। নীলমাধবের দুয়ারে এলাম। এসেছি যখন শেষবারের মত মন্দিরে বসে প্রভুর নামকীর্তন করে যাই। বসো।’ গোবিন্দ অধিকারী মেঝের একপুরু ধুলো-নাদির ওপরই শুয়ে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করল।

পদাবলীর বসতে গা ঘিনঘিন করছিল, তবু বসল।

‘কী মাধুৰ্য্যময় দেখেছ এই মানবকিশোর সচ্চিদানন্দ নীলমাধব আর মহাভাব স্বরূপিনী শ্রীরাধা ! জয় প্রভু কল্যাণ করো, গোবিন্দ অধিকারী দু‘হাত কপালে ঠেকিয়ে বলল।

নীলমাধব এবং রাধিকা দু‘জনেরই মূর্তি ধাতু নির্মিত। নীলমাধবের বিপিনবিহারী বেশের ওপর মাকড়সার জালের আলখাল্লার আবরণ। মাথায় ময়ুরপুচ্ছের শিরোভূষণ, গলায় আজানুলম্বিত পঞ্চবর্ণময়ী হার, পীতবাস সবই ধুলোর আচ্ছাদনে মলিন। পদাবলীর চোখ গেল পাথরের মেঝেতে। মোটা মোটা পাথরের তৈরি মেঝে। মেঝে খুঁজে লাভ নেই, ভাবল পদাবলী। ড্যানিয়েল সাহেব, জমিদার অখিলরঞ্জন সকলে তন্নতন্ন করে মেঝে খুঁজেও কোনও উপায় বের করতে পারেনি। কিন্তু এর মধ্যে দিয়ে কীভাবে প্রাণনাথ কীর্তনীয়া উধাও হয়ে যেতে পারে?

গোবিন্দ অধিকারী উঠে বসে পকেট থেকে ধূপকাঠির বাক্স, দেশলাই বের করে ধূপকাঠি জ্বালাল। তারপর ধূপকাঠি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আরতি করতে করতে গোবিন্দ অধিকারী নিচু গলায় গাইতে লাগল -

গুরু দুরুজন, বলে কুবচন,

সে মোর চন্দন চুয়া।

শ্যাম অনুরাগে, এ তনু বেচিনু,

তিল তুলসী দিয়া।।

পড়শি দুৰ্জ্জন, বলে কুবচন,

না যাব সে লোক পাড়া।

চণ্ডীদাসে কয়, কানুর পিরীতি,

জাতি কুল শীল ছাড়া।।

গান শেষ হলে, গোবিন্দ অধিকারী মাটিতে কপাল ঠেকিয়ে প্রণাম করল। পদাবলী বিস্ময়ের সঙ্গে বলল, ‘আপনি নিজে এত ভাল কীর্তন গান করেন? তাহলে আপনি নিজেই কেন আসরে কীর্তন গান না?”

‘পাপের প্রায়শ্চিত্ত,’ গোবিন্দ অধিকারী বলল। ‘ডাক্তার একদম বারণ করেছে যেন কীর্তন না গাই। এভাবেই আমার পাপমোচন হচ্ছে।’ “পাপ? কীসের পাপ?’

গোবিন্দ অধিকারী দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল, ‘সেসব কথা ভাবলেই মন ভারী হয়ে যায়। তাই আমি ভাবি না।’

‘আপনার কষ্ট হয় না কীর্তন না গেয়ে থাকতে?”

গোবিন্দ অধিকারী মলিন হেসে বলল, ‘গাই তো। মনে মনে গাই। আমার বাহির দুয়ারে কপাট লেগেছে ভিতর দুয়ার খোলা চণ্ডীদাসকে আঁকড়েই দুঃখ ভুলে থাকি। মনে মনে অহরহ গেয়ে যাই – এক পর্যায় থেকে পরের পর্যায়ে। পূর্বরাগ থেকে অনুরাগ, অনুরাগ থেকে অভিসার। এই গানটা রসিক দাস নাকি করতালতলীর ধুলটে এসে গেয়েছিলেন।’ -

পদাবলী আর প্রশ্ন করে নিজের হয়রানি বাড়াল না। কিন্তু গোবিন্দ অধিকারীর অভিজ্ঞ দৃষ্টি ওকে ফুঁড়ে বেরিয়ে গেল, ‘রসিক দাসের নাম শোনো নি, তাইতো?” “আজ্ঞে না,’ পদাবলী স্বীকার করল।

‘তোমাকে প্রশ্ন করেছিলাম বাংলার গত দু‘শো বছরের সেরা কীর্তনীয়া কে? রসিক দাস। বাঙালি হয়ে রসিক দাসের নাম না জানা লজ্জার ব্যাপার। পদাবলী কীর্তন বাঙালির একান্ত নিজস্ব সম্পদ, গর্ব করে বিশ্বের দরবারে দেখাবার মত।’

- পদাবলী লজ্জায় কুঁকড়ে গেল। ও গোবিন্দ অধিকারীর ভর্ৎসনা মাখা দৃষ্টি থেকে চোখ সরিয়ে সিলিং এর দিকে তাকাল আর সঙ্গে সঙ্গে ওর মাথায় একটা বিদ্যুৎ তরঙ্গ খেলে গেল – সিলিং থেকে বিশাল লম্বা আর মোটা এক জোড়া দড়ি ঝুলছে আর দড়ির প্রান্তে বাঁধা একজোড়া পিতলের ঘন্টা। পদাবলীর মনে পড়ে গেল প্রাণনাথ কীর্তনীয়ার অন্তর্ধানের মুহূর্তের কথা। দরজা বন্ধ করে প্ৰাণনাথ কীর্তনীয়া সনাতন কীর্তন গাইছিল। তারপর মন্দিরের ভিতরে ঘন্টা ঢং ঢং করে বাজল। ছিদাম বায়েন ঘন্টাধ্বনি শুনে ভিতরে গিয়ে দেখল প্রাণনাথ ভ্যানিশ। আর পুলিশ সুপার ড্যানিয়েল ছুটে ভিতরে গিয়ে দেখল ভিতরে কেউ নেই। মন্দির খালি! শুধু বিগ্রহের মাথার ওপর ছাত থেকে ঝুলে নেমে আসা দড়িতে দোদুল্যমান পিতলের ঘন্টাদ্বয় ঢং ঢং করতে করতে ধীরে ধীরে থেমে গেল। ঘন্টা দুলিয়েছিল কে? প্রাণনাথ কীর্তনীয়া? কেন?

গোবিন্দ অধিকারী তখনও রসিক দাসে নিমজ্জিত ছিল। শ্রোতাকে বিশেষ আমল না দিয়ে নিজেই বলে চলেছে রাঢ়ের কান্দরার সাঁজি উৎসবে তখন বাংলা কীর্তনের নক্ষত্রেরা উপস্থিত। মানকরের নন্দ দাস, ইলামবাজারের মনোহর চক্রবর্তী, ময়নাডালের বৈকুণ্ঠ ঠাকুর এসেছেন। তাছাড়া গঙ্গা নাপিত, কাল হৃদয়, জামাই হৃদয়, আখুরে গোপালের ভাগনে বেণী দাস এসেছেন। রসিক দাসের বাবা অনুরাগী দাস এসেছেন। প্রথম পক্ষের এই ছেলে তাঁর দু‘চোখের বিষ। বাবাকে না জানিয়ে পনের বছরের কিশোর রসিক দাসও তার দল নিয়ে কীর্তন গাইতে কান্দরায় পৌঁছালেন।’

- পদাবলীর কানে রসিক দাসের বাহাদুরির গল্পকথা ঠিকমত ঢুকছে না। ও তাকিয়ে আছে বটে গোবিন্দ অধিকারীর চোখের দিকে, কিন্তু মাথায় ঘুরছে এক অদ্ভুত চিন্তা – সনাতন বায়েন যে রাতে মন্দির থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছিল তখনও মন্দিরে ঢং ঢং করে ঘন্টা বেজেছিল। তবে কি মন্দিরের ঘন্টা বাজাবার সঙ্গে সঙ্গে কোনও গোপন পথের দ্বার খুলে যায়? তা কি কখনো সম্ভব? কিন্তু প্রাণনাথ বা সনাতন বায়েন কেন ঘন্টা বাজাল? একবার বাজিয়ে দেখা যাক ঘন্টাটা?

গোবিন্দ অধিকারীর মুখে এখন এক প্রশান্তি ছেয়ে রয়েছে। অসীম তৃপ্তিতে লোকটা গল্প বলে চলেছে। ‘অনুরাগী দাসের ঠিক পরেই রসিকের আসর রাখা হল। বড় বড় কীর্তনীয়ারা একের পর এক এসে গাইবেন। পালা শুরু হত রাধার পূর্বরাগ থেকে, রসপর্যায় অনুসারে পরের কীর্তনীয়ারা একে একে গাইবে অনুরাগ, অভিসার, মান, কলহান্তরিতা, প্রেমবৈচিত্ত, আক্ষেপানুরাগ, মাথুর। লীলাকীর্তনের পালার একটা নিয়ম আছে। সেটা হল রাধা ও কৃষ্ণের মিলন দিয়ে লীলাকীর্তন শেষ করতে হয়। এখন মনে কর চার-পাঁচ দিন ধরে লীলাকীর্তন চলছে, আট-দশজন কীর্তনীয়া ক্রমান্বয়ে একের পর এক পালা করে এসে লীলাকীর্তন পালাকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। এখন রাধাকৃষ্ণের মিলন তো হবে সকলের শেষ দিনে, অথচ মিলন না গেয়ে কোনও কীর্তনীয়া আসর ছাড়তে পারবেন না এটাও নিয়ম। তাই কীর্তনীয়া তখন তাহলে নিজের নিজের অংশের শেষে দুই পঙক্তি পয়ারের মিলনের গান গেয়ে আসর থেকে উঠে যান। একে বলে ঝুমুর। আর শেষ দিনে মিলন গেয়ে পালা সমাপ্ত করেন। কিন্তু কখনো কখনো কোনও কীর্তনীয়া পরবর্তী কীর্তনীয়ার রসজ্ঞতা পরীক্ষা করার জন্য এমন অবস্থায় গান ছাড়তেন যে পরের কীর্তনীয়ার পক্ষে গৌরচন্দ্রিকা ঠিক করাই সমস্যা হয়ে দাঁড়াত। অনুরাগী দাস তার পুত্র রসিক দাসের জন্য এমন অবস্থায় গান ছাড়লেন যে পরের গৌরচন্দ্রিকা স্থির করা আসরে উপস্থিত অনেক অভিজ্ঞ কীর্তনীয়াদের পক্ষেও প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠল।’

পদাবলীর মাথায় কিচ্ছু ঢুকছে না। ও অস্থির হয়ে গেছে। ওই ঘন্টায় কোনও রহস্য আছে। পদাবলী উঠে দাঁড়াল।

‘কী হল?’ গোবিন্দ অধিকারী অবাক। ‘উঠে পড়লে?”

‘ঘন্টাটা একবার বাজাই?” পদাবলী গোবিন্দ অধিকারীর অনুমতির অপেক্ষা না করেই ঘণ্টা ধরে জোরে নিচে টান মারল। আর সঙ্গে সঙ্গে পদাবলীর মনে হল কড়কড় শব্দে বজ্রপাত হল আর ঝনঝন শব্দে মন্দিরের মেঝে কেঁপে উঠল। পরমুহূর্তে পদাবলী ধরাশায়ী।

পদাবলী ধুলো ঝেড়ে উঠে বসল। পায়ের কাছে একটা কেজি দুই ওজনের ঘন্টা মেঝেতে লুটিয়ে আছে। অন্যটা পাঁচ ফুট দূরে একটা লোহার পুলির সঙ্গে আটকে মেঝেতে গড়াচ্ছে। হ্যাঁচকা টানে পুলিটা ছাতের পুরানো কাঠের বিম থেকে খুলে নেমে এসেছে। দু‘জনেই জোর বাঁচা বেঁচে গেছে। মাথায় ওই লোহার পুলি পড়লে বাকি এপিসোড রসিক দাসের মুখ থেকেই শুনতে হত।

গোবিন্দ অধিকারীর দিকে তাকাবার মত সাহস পদাবলীর ছিল না। লজ্জাশরমে ও কুঁকড়ে গেল। গোবিন্দ অধিকারী ঘন্টা দুটো এক এক করে মেঝে থেকে তুলল। তারপর বলল, ‘ভাগ্যিস এই দুর্ঘটনাটা মন্দিরের পুজো শুরু হওয়ার আগে ঘটল। কোনও ভক্ত যদি এটা টানত তবে নীলমাধব জানেন কী পরিণতি হত তার। চল এখন যাওয়া যাক।’

গোবিন্দ অধিকারী মন্দিরের কবাটে তালা লাগাল। দু‘জনে নেমে এল, একজন পিওন গোছের লোক বাইরে সাইকেল নিয়ে ওদের জন্য অপেক্ষা করছিল। গোবিন্দ অধিকারীকে দেখে পিওন বলল, ‘আপনার বাড়ি গেসলাম, গোঁসাই। বিডিও সাহেব অফিসে ডেকেছেন। পরশু আসতে বলেছেন।’

‘বিডিও সাহেব ডেকেছেন? আমাকে?’ গোবিন্দ অধিকারী অবাক। ‘কেন?’

‘এই মন্দির, জলা, জমির দলিল নিয়ে ওনার সঙ্গে দেখা করতে বলেছেন।’ ‘ঠিক আছে এত কষ্ট করে এদ্দুর এলি, এটা রাখ,’ গোবিন্দ অধিকারী ফতুয়া থেকে দু‘খানা দু‘টাকার নোট পিওনের হাতে দিল। পিওন খুব তৃপ্তির সঙ্গে নোটটা পকেটে রেখে ঘাড় ঘুরিয়ে এদিক ওদিক দেখে নিচু গলায় বলল, ‘জমিদারবাবু বিডিও সাহেবের খাস বন্ধু। নিজে বিডিওর অফিসে এয়েছিলেন। দরজা বন্ধ করে দু‘জনের গুজগুজ করে কিছু কথা হচ্ছিল। আমি যখন জলের গেলাস হাতে ভিতরে ঢুকলাম আমাকে দেখে দু‘জনে চুপ হয়ে গেল। তারপর জমিদারবাবু চলে যেতেই বিডিও সাহেব আমাকে ডেকে বললেন আপনার কাছে গিয়ে খবর দিতে যে আপনি যেন দলিল নিয়ে ওনার সঙ্গে পরশু দেখা করেন। পদাবলী বুঝল জমিদার এখন সর্বশক্তি দিয়ে উঠে-পড়ে লেগেছে। ছলে-বলে-কৌশলে যেভাবেই হোক গোবিন্দ অধিকারীর হাত থেকে জমি কেড়ে নেবেই। পদাবলী বলল, “আপনি দলিল নিয়ে যাবেন?”

‘পাগল!’ গোবিন্দ অধিকারী বলল। ‘আমি গরিব কিন্তু আহম্মক নই।’ গোবিন্দ অধিকারী পিওনকে বলল, ‘তুই যা, বিডিও সাহেবকে বল গিয়ে আমি পরশু এসে দেখা করব।’

পিওন সাইকেল নিয়ে চলে যেতে পদাবলী বলল, ‘রসিক দাস পারলেন বাবার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে?’

‘পরদিন সমস্ত অভিজ্ঞ কীর্তনীয়ারা আসরে এসে বসলেন। বনমালী ঠাকুর, বেণী দাস এসে কিশোর রসিককে উৎসাহ দিচ্ছেন। তারপর রসিক দাস গান ধরলেন একদম সঠিক গৌরচন্দ্রিকা গেয়ে। তারপর সুমিষ্ট গলায় আবেগ মথিত গানে ভক্ত দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে দিলেন। বাবা অনুরাগী দাস অন্তরাল থেকে শুনছিলেন পুত্রের গান। রসিকের গান শেষ হতেই তিনি ছুটে এসে গলদশ্রুলোচনে পুত্রকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। পিতাপুত্রের মিলন হল। আসরে সকলে ধন্য ধন্য করে উঠলেন।’ গোবিন্দ অধিকারী পিছন ফিরে মন্দিরের দিকে তাকিয়ে বলল এসব গল্প মন্দিরের ঘন্টার মত মেঝের ধুলোয় মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। ধুলো ঝেড়ে তোলার কেউ নেই।’ -

পদাবলী আর কথা বাড়াল না। ওর সারা মন জুড়ে অনুতাপের তিক্ততা। এই তিক্ততা দূর হতে সময় লাগবে।

সকল অধ্যায়
১.
প্রাককথন
২.
এক
৩.
দুই
৪.
তিন
৫.
চার
৬.
পাঁচ
৭.
ছয়
৮.
সাত
৯.
আট
১০.
নয়
১১.
দশ
১২.
এগার
১৩.
বারো
১৪.
তেরো
১৫.
চোদ্দ
১৬.
পনের
১৭.
ষোলো
১৮.
সতের
১৯.
আঠারো
২০.
ঊনিশ
২১.
কুড়ি
২২.
একুশ
২৩.
বাইশ
২৪.
তেইশ
২৫.
চব্বিশ
২৬.
পঁচিশ
২৭.
ছাব্বিশ
২৮.
সাতাশ
২৯.
আটাশ
৩০.
ঊনত্রিশ
৩১.
ত্ৰিশ
৩২.
একত্রিশ
৩৩.
বত্রিশ
৩৪.
তেত্রিশ
৩৫.
চৌত্রিশ
৩৬.
পঁয়ত্রিশ
৩৭.
ছত্রিশ
৩৮.
সাঁইত্রিশ
৩৯.
আটত্রিশ
৪০.
ঊনচল্লিশ
৪১.
চল্লিশ
৪২.
একচল্লিশ
৪৩.
বিয়াল্লিশ
৪৪.
তেতাল্লিশ
৪৫.
চুয়াল্লিশ
৪৬.
পঁয়তাল্লিশ
৪৭.
ছেচল্লিশ
৪৮.
সাতচল্লিশ
৪৯.
আটচল্লিশ
৫০.
ঊনপঞ্চাশ
৫১.
পঞ্চাশ
৫২.
একান্ন
৫৩.
বাহান্ন
৫৪.
তিপ্পান্ন
৫৫.
চুয়ান্ন
৫৬.
পঞ্চান্ন
৫৭.
ছাপ্পান্ন
৫৮.
সাতান্ন
৫৯.
আটান্ন
৬০.
ঊনষাট
৬১.
ষাট
৬২.
একষট্টি
৬৩.
বাষট্টি
৬৪.
তেষট্টি
৬৫.
চৌষট্টি
৬৬.
পঁয়ষট্টি
৬৭.
ছেষট্টি
৬৮.
সাতষট্টি
৬৯.
আটষট্টি
৭০.
ঊনসত্তর
৭১.
সত্তর
৭২.
একাত্তর
৭৩.
বাহাত্তর

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%