চোদ্দ

প্রীতম বসু

এত রাতে নাইট্রোজেন জেগে!

সন্ধ্যার ট্রেন খুব লেট করায় ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেল। তাও পদাবলী সোজা গেল নাইট্রোজেনের বাড়ি। স্যারের বাইরের ঘরে আলো জ্বলছে। পদাবলী কলিং বেল বাজালো।

‘এসো এসো, নাইট্রোজেন দরজা খুললেন।

পদাবলী ভিতরে ঢুকল। বাকি সব ঘর অন্ধকার।

‘শুয়ে পড়েছিলেন?” পদাবলী বলল। ‘সব ঘর অন্ধকার।’

‘না, কী হবে মিছিমিছি কারেন্ট পুড়িয়ে ইলেকট্রিক বিল বাড়িয়ে? লোকটা খুবই কঞ্জুষ, পদাবলী সোফায় বসল।

“আজ কী হল?’ নাইট্রোজেন উদগ্রীব। ‘তোমার জন্যই জেগে থাকি।’ ‘আজ গোবিন্দ অধিকারী মন্দির খুলে দেখাল।’

‘ওরেব্বাবা,’ নাইট্রজেনের মুখ হাঁ। দাঁড়াও, জল আনি। কিছু খেয়েছ?” *না মেসে আমার খাবার ঢাকা আছে।’

নাইট্রোজেন গ্লাসে জল ঢালল আর বাটিতে আবার সেই ঘুগনি। পদাবলীর মনে হল নাইট্রোজেন একটু বেশিই আগ্রহ দেখাচ্ছে। নতুবা প্রথম দিন যেরকম বিরক্ত মুখে দরজা খুলেছিল সেই অনুপাতে চললে এখন এই রাতে ওকে ঢুকতেই দিত না নাইট্রোজেন। অথচ খাতির করে ঘুগনি খাওয়াচ্ছে।

‘মন্দিরের ভিতরটা দেখলাম, কিন্তু পদাবলী গ্লাসে চুমুক দিয়ে টেবিলে গ্লাস নামিয়ে রাখল। ‘অত শক্ত পাথরের মেঝে ভেদ করে কীভাবে একটা মানুষ অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে বুঝতেই পারছি না।’

“দুটো।”

‘ঠিক। ওখানে কিছু একটা রহস্য আছে। সনাতন কীর্তনটা ছিদাম বায়েনের থেকে জোগাড় করতেই হবে।’

“তুমি কি চেয়েছিলে?’

‘সাহস হয় নি। লোকটা এখন সবাইকে সন্দেহের চোখে দেখে। আমাকেও।’ “তবে সনাতন কীর্তনের পদগুলো দিলেই যে তুমি ওই কোড ক্র্যাক করতে পারবে সেটা ভেব না। তোমায় বদসি যদি‘র তালগুলো সম্বন্ধে খুব ভাল নলেজ রাখতে হবে। কীর্তনের তাল না জানলে কিছুতেই পারবে না।’

‘স্যার, তাল আমি একদমই বুঝি না। আপনি কাল বললেন দশকোশী তাল। কীর্তনের এই তালটা একদিন এসে আপনার থেকে শিখে যাব।’

‘ঘুগনিটা শেষ কর, প্রফেসর বললেন। ‘তারপর আমি এক্ষুনি শিখিয়ে দিচ্ছি। ব্যাপারটা খুবই সোজা।’

পদাবলী দেওয়াল ঘড়িটার দিকে চট করে এক নজর তাকাল। রাত দশটা বেজে গেছে। প্রফেসর না ঘুমিয়ে কীর্তনের তাল বোঝাচ্ছেন!

দশকোশী দিয়েই তোমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছি এই তাল ব্যাপারটা। দশকোশীতে দশটা কোশী থাকে তাই নাম দশকোশী। কোশী কাকে বলে জান?’ ‘না।’

“কোশী হল কীর্তনের দুই তালাঘাতের মধ্যের নিঃশব্দতা।

“বুঝলাম না।”

- ‘কীর্তন তালে গাইতে হয়। প্রভু শ্রীচৈতন্য হাতে তালি মেরে মেরে তালের প্রকৃতি বোঝাতেন। চৈতন্যভাগবতে লেখা আছে – দিশা দেখান প্রভু হাতে তালি দিয়া। তোমাকে দেখাচ্ছি ভালভাবে শোন। রূপক তাল, যেটা “বদসি যদি”র অষ্টতালের সপ্তম তাল। দ্রুতলয়ে ওটার ঠেকা এরকম হয়-,’ নাইট্রোজেন দু‘হাতে তালি দিতে দিতে বললেন, ‘ঝা গুরু ঝা তেনা তেনা থিনি তা গুরর তা তেনা তেনা থিনি। ভালভাবে লক্ষ্য কর আমার তালি পড়ছে দুটো ঝা তে গুরু ঝা, মাঝের গুরুটা যখন বলছি তখন কিন্তু আমার দু‘হাত তালি দিচ্ছে না, এই নিস্তব্ধতাকে বলে কোশী। দাঁড়াও একটা পৃষ্ঠা এনে লিখে লিখে বোঝাই।’ নাইট্রোজেন একটা পাতায় লিখলেন ঝা

ঝা গুরু ঝা তেনা তেনা থিনি তা গুরর তা তেনা তেনা থিনি

তারপর নিচে নিচে এক, দুই, শূন্য-টুন্য লিখলেন -

ঝা গুরু ঝা তেনা তেনা থিনি তা গুরর তা তেনা তেনা থিনি

১ ০ ২ ০ ০ ০ ৩ ০ ৪ ০ ০ ০

“বাব্বা, এতো রীতিমত অঙ্ক!’ পদাবলী বলল।

‘ঠিক বলেছ। এর প্রচলিত নাম গানের অঙ্কপাত,’ নাইট্রোজেন বললেন। ‘সংখ্যাগুলোতে তালের তালি পড়ে, আর শূন্যগুলোতে নিস্তব্ধতা। এটুকু শিখে গেলেই কীর্তনের তাল সব বুঝতে শিখে যাবে। এই অঙ্কপাত দেখেই চিনতে পারবে কোনটা দাসপ্যারী, কোনটা চঞ্চপুট, দশকোশী, তেওট, ললিতপ্যারী সমস্ত তাল। আর এই তালের মধ্যেই লুকিয়ে আছে প্রাণনাথ কীর্তনীয়ার অন্তর্ধানের রহস্য। তাই তোমাকে এটুকু অন্ততঃ শিখতেই হবে।’

পদাবলী কিছু বুঝল, কিছু বুঝল না। ওর মনে পড়ল ছিদাম বায়েনের কথা মধ্যম দশকোশীর ধা ধা ধিন না কীসব করছিল। পদাবলী বলল, “তাহলে দশকোশীতে কি দশটা শূন্য আছে?”

নাইট্রোজেনের দু‘চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। ঠিক বলেছ। এই দ্যাখো, দশকোশী কেমন দেখতে। খাতায় খস খস করে লিখলেন

ঝা তাখি নেতা খেতা তা তাখি নেতা খেতা তা উত্তরর তাত তা খিখি তাখি

১ ০ ২ ০ ০ ০ ৩ ০ ৪ ০ ০ ০

তারপর বললেন, ‘গোন, ক’টা শূন্য?’

“দশটা।”

“তাই দশকোশী। তালির মাঝে মাঝে মোট দশবার নিঃশব্দতা। আর তালে তালে মোট চারবার তালি পড়বে। প্রথম তালি ১ – ঝাতে, দ্বিতীয় তালি ২ তা’তে, তৃতীয় তালি ৩ তাতে, চতুর্থ তালি ৪ -তাতাতে। দশকোশী হল কীর্তনের তালগুলোর মধ্যে একটা কঠিন তাল।’ -

‘স্যার, আপনি বলছেন যে ঐ “বদসি যদি”র তালের মধ্যে প্রাণনাথ কীর্তনীয়ার অন্তর্ধানের রহস্যের চাবিকাঠি আছে। ঐ “বদসি যদি”র তাল আর কোশী কেমন হবে?”

পদাবলী দেখল নাইট্রোজেনের যেন এবিষয়ে অফুরন্ত এনার্জি। স্যার উৎসাহে বললেন, ‘ক্লাসে বলেছিলাম বদসি যদির মানে। ওটা জয়দেবের গীতগোবিন্দের বিখ্যাত দশম সর্গের প্রথম পঙক্তি। এই সর্গের বিখ্যাত হল পনেরতম পঙক্তি - স্মরগরলখণ্ডনং মম শিরসি মণ্ডনম্। এই পর্যন্ত লিখে কবি জয়দেব থেমে গেছিলেন।

অন্যান্য প্রায় সব বাঙালির মত পদাবলীও এই গল্প জানে। তবু স্যারের মুডে ব্যাঘাত না ঘটাবার জন্য ও চুপ করে শুনতে লাগল।

‘জয়দেব লিখছেন, রাধিকার মানভঞ্জন করতে কৃষ্ণ অনুনয় করে রাধাকে বলছেন তোমার উদার পদপল্লব আমার শিরের ভূষণস্বরূপ অর্পণ কর। জয়দেব “মম শিরসি মণ্ডনং” পর্য্যন্ত লিখলেন কিন্তু তারপর তাঁর হাত আর চলছে না। তিনি পরম বৈষ্ণব, কীভাবে লিখবেন যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মাথায় কেউ তার পা রাখবে? সে হোক না রাধিকা, কিন্তু ঈশ্বরের মাথায় পা রাখবে? জয়দেব অনেক ভাবলেন, তারপর নদীতে স্নান করতে গেলেন। কিছুক্ষণ পর জয়দেব স্নান সেরে ফিরে এসে মধ্যাহ্নভোজন করে তারপর আবার পুঁথি বের করে তাতে লিখতে বসলেন। জয়দেবের পত্নী পদ্মাবতী মধ্যাহ্নভোজনে বসেছেন এমন সময় দেখেন জয়দেব বাড়িতে ঢুকছেন। জয়দেব পদ্মাবতীকে দেখে অবাক, পদ্মাবতী কোনওদিন স্বামীর আহারের পূর্ব্বে অন্নগ্রহণ করে না, আজ তার জন্য অপেক্ষা না করে পদ্মাবতী খেতে বসে গেছে? পদ্মাবতীও বিস্মিত। সে স্বামীকে বলল আপনি তো কিছুক্ষণ আগেই ফিরে এলেন, অন্নসেবা করলেন, তারপর পুঁথি লিখতে বসলেন! পদ্মাবতীর কথা শুনে জয়দেব অবাক। আমি? বিস্মিত জয়দেব দ্রুত ঘরের ভিতরে গিয়ে পুঁথি খুলে দেখেন যে তাঁর অসম্পূর্ণ পঙক্তি “মম শিরসি মণ্ডনং,” সম্পূর্ণ করে গেছেন কেউ এসে “মম শিরসি মণ্ডনং, দেহি পদপল্লবমুদারম্”। জয়দেবের দু‘চোখে ঝরঝর করে অশ্রু ঝরতে লাগল। কাঁদতে কাঁদতে জয়দেব পত্নীকে বললেন আমি লিখতে পারছিলাম না প্রভুর মস্তকে অন্য কারোর চরণ পদার্পণের পঙক্তি, তাই প্ৰভু নিজে এসে লিখে দিয়ে গেলেন। পদ্মাবতী, তুমি ভাগ্যবতী। আমি এতদিন ধরে প্রভুর সেবা করে চলেছি কিন্তু প্রভুর দেখা পাইনি, আর প্রভু তোমাকে দেখা দিয়ে গেলেন।’ নাইট্রোজেন থামলেন, তারপর বললেন, ‘এই পঙক্তিটা যদি ভক্তির জন্য ভক্তসমাজে বিখ্যাত হয় তবে “বদসি যদি” পঙক্তিটা বিখ্যাত হল তালের জন্য। যেকথা আমি ক্লাসে বোঝালাম।’

“কিন্তু এই আটটা তাল কীভাবে সনাতন-কীর্তনের চাবিকাঠি হতে পারে?” “হ্যাঁ, লিখে দেখাচ্ছি এই আট তালের অঙ্কপাত,’ নাইট্রোজেন একটা কাগজে লিখলেন -

‘প্লাস হল প্রথম তালি। ওখান থেকে তাল শুরু হচ্ছে। এবার তোমাকে দেখাই “বদসি যদি”তে কীভাবে আটতাল ব্যবহার করা হচ্ছে।

পদাবলী এটা বুঝতে হিমসিম খেয়ে গেল। রাত সাড়ে দশটায় তালের ঠেকায় সে টালমাটাল। ‘এ আমার দ্বারা হবে না, পদাবলী উঠে দাঁড়াল। পদাবলী দেখল নাইট্রোজেনের মুখটা শুকিয়ে গেল হতাশায়।

তারপরই ওর মনে পড়ল দরকারি কথাটা। পদাবলী আবার বসল, ‘স্যার, আপনার একটা সাহায্য দরকার।”

‘কী সাহায্য?”

‘করতালতলীতে গোবিন্দ অধিকারীর কীর্তনের দলের অবস্থা খুব শোচনীয়। আপনাকে তো বললাম যে ওদের হারমোনিয়াম, খোল, টেম্পোভ্যানের কাচ সব ভেঙে দিয়েছে জমিদারের ছেলে। ওদের অনেক ধার, গোবিন্দ অধিকারী এত আপসেট যে ও এই কীর্তনের দল ভেঙে দিতে চাইছে।’

“তাই নাকি? না না, সেটা তো কিছুতেই হতে দেওয়া যায় না। করতালতলীর এত পুরনো ঐতিহ্য।”

“ওদের এখন কিছু কীর্তনের বায়না চাই যাতে দলটা অন্ততঃ টিঁকে থাকে। আপনার তো চেনাশোনা অনেক। আপনি এদের জন্য কিছু কীর্তনের বায়না এনে দিতে পারেন?’

‘একদম ঠিক সময়ে বললে কথাটা,’ নাইট্রোজেন উঠে দাঁড়ালেন। ‘ইংরাজির প্রফেসর আমার বিশেষ বন্ধু। ওঁর মায়ের শ্রাদ্ধ সামনের রবিবার। উনি আমাকে আজ সকালে ফোন করেছিলেন, ওঁর বড়দা নাকি শ্রাদ্ধের পর দুপুরে নামকীর্তন রাখতে চান। বড়দা নিজে কীর্তনের খুব সমঝদার। আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল যে মাথুর গাইবার মত ভাল কীর্তনের দল আমার চেনা আছে কিনা। দাঁড়াও আমি দেখি ওকে ফোন করে ওর কীর্তনের দল জোগাড় হয়ে গেছে কিনা। রাত অনেক হয়ে গেছে, জানিনা শুয়ে টুয়ে পড়েছে বোধ হয়, নাইট্রোজেন ডাইনিং রুমের আলো জ্বালালেন। তারপর ফোন ঘোরালেন। কিছুক্ষণ কথা হল। টুকরো টুকরো কথা কানে আসছে। একটা কাগজে কিছু লিখলেন উনি। তারপর ফোন রেখে হাসি হাসি মুখে এসে বসে বললেন, করতালতলী কীর্তন কোম্পানির কপালটা ভাল। সব শুনলেই তো। এই নাও ঠিকানা। রোববার নিউ আলিপুরে যেতে হবে। দুপুরবেলা শ্রাদ্ধ শেষ হলে নামকীর্তন শুরু হবে।’

‘থ্যাঙ্ক ইয়ু, স্যার, পদাবলী হাসিমুখে কাগজটা পকেটে ঢোকাল। আমি কাল গিয়ে ওদের এই সুখবরটা দেব।’ তারপরই পদাবলীর মনে পড়ল একটা কথা আর ও কপাল চাপড়াল।

‘কী হল?’

“হারমোনিয়াম তো ভেঙে দিয়েছে। হারমোনিয়াম ছাড়া কীর্তন গাইবে কীভাবে?”

“কে বলল হারমোনিয়াম ছাড়া কীর্তন হয় না? চৈতন্যদেব কি হারমোনিয়াম বাজিয়ে কীর্তন গাইতেন?’

আমি কী করে জানব চৈতন্যদেব কী বাজিয়ে কীর্তন গাইতেন?’

নাইট্রোজেন বললেন, ‘নীলাচলে চৈতন্যদেব চাইতেন সব বাজনা বাদ দিয়ে শুধু খোল করতাল বাজিয়ে কীর্তন হোক। চৈতন্যদেব এই খোলমঙ্গল শুরু করেছিলেন। বৈষ্ণবরা আজও খোল করতালের পুজো করে। অধিবাসে ফুল, বেলপাতা, মালা, চন্দন, ধূপ, ঘৃত, মধু, দধি দিয়ে খোলমঙ্গল করে খোল করতালের পুজো করা হয়। ওদের কাছে খোল আছে তো?’

“খোলটাও ছুরি দিয়ে কেটে ফেলেছে বদমাশটা। তবে ছিদাম বায়েনের কাছে একটা খোল আছে। মনে হয় ওটা আনতে পারবে গোবিন্দ অধিকারী। দেখি ওদের বলে।’ পদাবলী উঠে দাঁড়াল - স্যার, অনেক উপকার হবে ওদের। করতালতলী কীর্তনের দলকে ভাঙতে দেওয়া চলবে না। কিছুতেই না।’

আমি সঙ্গে আছি। চিন্তা কোরো না। আমি কীর্তনের আরও বায়না এনে দেব,’ প্রফেসর বললেন। তবে একটা কথা, ওদের তুমি বলতে পারবে না যে আমি ওদের এই বায়না জোগাড় করে দিচ্ছি।’

‘ঠিক আছে, স্যার। আপনি যদি না চান-‘

“না, ওটা তোমায় প্রমিস করতে হবে। আমি করতালতলীর কোনও ব্যাপারের সঙ্গে নিজেকে জড়াতে চাই না।’

পদাবলীর মনে সন্দেহ হচ্ছিল - স্যার কেন করতালতলীর কোনও ব্যাপারে নিজের নাম জড়াতে রাজি হয় না? অথচ নিজে এত সাহায্য করে চলেছেন এই করতালতলীর কীর্তনের দলের জন্য। কিন্তু এখন অত অনুসন্ধানের সময় নেই। পদাবলী রাজি হল। সময় নষ্ট করলে চলবে না। আজ রাত জাগতে হবে ঐ তাললিপি নিয়ে। সনাতন কীর্তনের যে দু‘লাইন পাওয়া গেছে সেখানে বদসি যদির তাললিপি মিলিয়ে দেখতে হবে কী পাওয়া যায়।

সকল অধ্যায়
১.
প্রাককথন
২.
এক
৩.
দুই
৪.
তিন
৫.
চার
৬.
পাঁচ
৭.
ছয়
৮.
সাত
৯.
আট
১০.
নয়
১১.
দশ
১২.
এগার
১৩.
বারো
১৪.
তেরো
১৫.
চোদ্দ
১৬.
পনের
১৭.
ষোলো
১৮.
সতের
১৯.
আঠারো
২০.
ঊনিশ
২১.
কুড়ি
২২.
একুশ
২৩.
বাইশ
২৪.
তেইশ
২৫.
চব্বিশ
২৬.
পঁচিশ
২৭.
ছাব্বিশ
২৮.
সাতাশ
২৯.
আটাশ
৩০.
ঊনত্রিশ
৩১.
ত্ৰিশ
৩২.
একত্রিশ
৩৩.
বত্রিশ
৩৪.
তেত্রিশ
৩৫.
চৌত্রিশ
৩৬.
পঁয়ত্রিশ
৩৭.
ছত্রিশ
৩৮.
সাঁইত্রিশ
৩৯.
আটত্রিশ
৪০.
ঊনচল্লিশ
৪১.
চল্লিশ
৪২.
একচল্লিশ
৪৩.
বিয়াল্লিশ
৪৪.
তেতাল্লিশ
৪৫.
চুয়াল্লিশ
৪৬.
পঁয়তাল্লিশ
৪৭.
ছেচল্লিশ
৪৮.
সাতচল্লিশ
৪৯.
আটচল্লিশ
৫০.
ঊনপঞ্চাশ
৫১.
পঞ্চাশ
৫২.
একান্ন
৫৩.
বাহান্ন
৫৪.
তিপ্পান্ন
৫৫.
চুয়ান্ন
৫৬.
পঞ্চান্ন
৫৭.
ছাপ্পান্ন
৫৮.
সাতান্ন
৫৯.
আটান্ন
৬০.
ঊনষাট
৬১.
ষাট
৬২.
একষট্টি
৬৩.
বাষট্টি
৬৪.
তেষট্টি
৬৫.
চৌষট্টি
৬৬.
পঁয়ষট্টি
৬৭.
ছেষট্টি
৬৮.
সাতষট্টি
৬৯.
আটষট্টি
৭০.
ঊনসত্তর
৭১.
সত্তর
৭২.
একাত্তর
৭৩.
বাহাত্তর

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%