পঁচিশ

প্রীতম বসু

মেসে ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেল পদাবলীর। খুব ক্লান্ত লাগছিল। মেসে খাবার ঢাকা দেওয়া ছিল। রুটিগুলো পাঁপড়ের মত কাঠ হয়ে গেছে। ঠাণ্ডা ডাল, তরকারিটাও তথৈবচ। অন্য সময় হলে মুখে দেওয়া যেত না। কিন্তু আজ সারাক্ষণ মনে ঘুরছে প্রাণনাথ অত বৈভবের মধ্যে মানুষ হয়েও দেশের জন্য কী আত্মত্যাগ করেছে! মাঠে, বনে কী কী না খেতে হয়েছে ওদের। সে তুলনায় মেসের এই ঢাকা দেওয়া খাবার তো রাজভোগ।

পদাবলী ভেবেছিল পেটে খাবার পড়লেই চোখে ঘুম নেমে আসবে। কিন্তু প্রাণনাথের কাহিনী এই দু‘দিন ওর চোখ থেকে ঘুম কেড়ে নিয়েছে। পদাবলী বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করল। কিছুতেই ঘুম আসছে না। পদাবলী বিছানা ছেড়ে উঠে এল ওর পড়ার ডেস্কে। গোটানো আর্ট পেপারটা পাশেই ছিল। ড্রয়িং বোর্ডে আর্ট পেপার ক্লিপ দিয়ে আটকে পদাবলী সালিম আলির বইটা খুলল। মুখ ডুবিয়ে নতুন বইয়ের গন্ধ নাকে টানল পদাবলী। তারপর ব্ল্যাক নেকড স্টর্ক এর পৃষ্ঠায় গেল। কালাগলা মানিকজোড় চোখের সামনে। চোখ বন্ধ করল পদাবলী। এই পাখিদুটোকে ছবিতে করতালতলীর ডহরের হিজল গাছে নিয়ে যেতে হবে। গা ঘেঁসাঘেঁসি করে বসে আছে। পেন্সিলের প্রথম আঁচড়ে ঠাম্মার কথা মনে পড়ল। ঠাম্মার মৃত্যুর পর আর সেভাবে স্কেচ করতে বসে নি পদাবলী। স্কেচ করতে শুরু করল সে। ছবিটা পেলে মুক্তার দু‘চোখে খুশি ঝিলিক দিয়ে উঠবে। পদাবলীর ক্লান্ত আঙুল পেনসিল আঁকড়ে ধরল। কালাগলা মানিকজোড় অবয়ব পাচ্ছে। কিছুক্ষণ আঁকার পর পদাবলী থেমে গেল। ও আঁকছে বটে কিন্তু প্রাণপ্রতিষ্ঠা হচ্ছে না ছবিতে। কারণ সে অন্যমনস্ক। এক চলমান ছবি অনেকক্ষণ ওর মনের কাগজে এসে হাজির হয়েছে –

***

কুয়া ভাঙ্গুম, কুয়া ভাঙ্গুম বেথলার আগে

সক্কল কুআ গেল ওই বরই গাছটির আগে।

বাইরে নারীকণ্ঠ শুনে প্রাণনাথের ঘুম ভেঙে গেল। সবে সকাল হয়েছে। আধো জাগরণে প্রাণনাথ বুঝল কণ্ঠস্বরটি মন্দিরার। বিছানায় উঠে বসল প্রাণনাথ। জানলার বাইরে সাদাটে-ধুসর কুয়াশা থম মেরে আছে। দূরের মাঠ কুয়াশায় হারিয়ে গেছে। কিছু গাছের ডাল হাতে নিয়ে উঠোনে পাঁচিলের পাশে দাঁড়িয়ে মন্দিরা। মন্দিরার স্নান সারা হয়ে গেছে। পরনের শাড়ির মাঝামাঝি একটা অতিরিক্ত পাড়। মা বলে এটা পাছাপাড় শাড়ি, মেয়েদের শরীরের লজ্জাস্থান ঢাকা থাকে। মন্দিরার শরীরে শাড়ির ওপর জড়ানো বনাত দিয়ে মাথাটা ঘোমটার মত আচ্ছাদিত। হাতের ডাল দুলিয়ে দুলিয়ে মন্দিরা বলছে কুয়া ভাঙ্গুম, কুয়া ভাঙ্গুম

প্রাণনাথ উঠোনে নামল। প্রাণনাথের পায়ের শব্দে পিছন ফিরে তাকাল মন্দিরা।

‘কী হচ্ছে এই সাত সকালে?” প্রাণনাথ ঘুম চোখে জিজ্ঞেস করল। প্রাণনাথকে দেখে মন্দিরা ব্যস্ত হয়ে বলল, “উঠে পড়েছ? মাথা ঢাকো, মাথা ঢাকো, ন্যাড়া মাথায় ঠাণ্ডা লেগে গেলে মুশকিল। ‘কী করছ তোমরা?”

‘ছিদামের বাড়ির বেড়া ফাঁক হয়ে গেছে, বাইরে থেকে আজকাল বাড়ির ভিতর দেখা যায়। দরমা পরে লাগাবে, আপাততঃ গাছের ডাল কেটে দরমার ফাঁকে লাগাবে,’ মন্দিরা বলল।

উঠোনের পিছনের দেওয়ালের ওপাশে ছিদাম জিওল গাছের ডাল কাটছে কাটারি দিয়ে, গাছের ডাল উঠোনে এসে পড়ছে আর মন্দিরা শাড়ি গাছকোমরে বেঁধে সেই গাছের ডাল এক জায়গায় জড়ো করছে। মন্দিরাদের বাড়ির পিছনে বিশাল বাগান – আমড়া, কামরাঙা, লিচু, আম, কাঁঠাল – সামনের দিকটা ফাঁকা। সামনের আঙিনার একপাশে বহির্বাটীতে শনের চালের একচালা। মৃদঙ্গম বলেছিল যখন করতালতলীতে কুমুদরঞ্জনের গৃহ নির্মাণ হচ্ছিল তখন উনি উঠোনের কোনে ছোট এই মাটির খড়টি ঘরটিও নির্মাণ করান অতিথিশালার জন্য। আগে কুমুদরঞ্জনের কাছে যেসব বৈরাগী, পুণ্যাত্মা অতিথি দেখা করতে আসত তাদের গাড়ুগামছা, অন্ন ও রাত্রিযাপনের জন্যই এই কুটির নির্মাণ করা হয়েছিল। কুমুদরঞ্জনের মনে সুপ্ত বাসনা ছিল এখানে তিনি কীর্তনের এক চতুষ্পাঠী খুলবেন যেখানে স্ত্রী মীনার সঙ্গে উনি ছাত্র-ছাত্রীদের পদাবলী কীর্তন শেখাবেন। কিন্তু বাস্তবে কুমুদরঞ্জনের অতিথিরা তাঁর কাছে মূলতঃ আর্থিক আনুকূল্য লাভের জন্য আসা যাওয়া করত। আর্থিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ধীরে ধীরে তাঁর কাছে আসা অতিথির সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পেল। দাতা যখন বনস্পতি, তখন তার ডালপালা নানা পাখির কাকলিতে মুখরিত হয়, দৈবাৎ সেই বনস্পতিতে বজ্রপাতের দহন হলে পাখিরা অন্য বনস্পতি খোঁজে। চতুষ্পাঠী অল্প ক’দিন চলেছিল কিন্তু কুমুদরঞ্জনের স্ত্রীর মৃত্যুর পর চতুষ্পাঠী সামলানো একা ভগ্নস্বাস্থ্য কুমুদরঞ্জনের পক্ষে সম্ভব হল না। তাছাড়া অনাবশ্যক রাজরোষের ভয়ে ছাত্রাভাবও এর আরেকটি প্রধান কারণ ছিল। তারপর বহুদিন ধরে অব্যবহৃত এই কুটির মূলবাটীর অনাবশ্যক বস্তুর বাসস্থান হয়ে উঠল ভাঙা স্বদেশী চরকা, ঢেঁকি, সুতো কাটার টেকো, ভাঙা জালা, শুকনো জ্বালানী কাঠ, ঘুঁটের বস্তা, ধুলটের তোষক, মাদুর – ইত্যাদি কুটির ও কুটিরের সামনের দালানে জমির আগাছার মত অযত্নে ছড়িয়ে যেতে লাগল। মৃদঙ্গম একবার বলেছিল পরিষ্কার করতে গেলে দু-একটা ভাড়াটে মেটে ইঁদুর বিরক্ত হয়ে এলোপাথাড়ি দৌড়ে গৃহত্যাগ করে। -

- প্রাণনাথ পাঁচিলের দরজা খুলে বাইরে যেতে উদ্যত হল, কিন্তু মন্দিরা বারণ করল - তুমি একদম ঘর থেকে বেরোবে না,’ মন্দিরা সন্ত্রস্ত দৃষ্টিতে বলল। “তুমি ভিতরে যাও। এখন খেজুর গাছের রসের হাঁড়ি নামাতে গ্রামের শিউলিদের যাতায়াত শুরু হবে। ওরা তোমায় দেখে ফেলবে।’

প্রাণনাথ জানে মন্দিরা ঠিকই বলেছে। প্রাণনাথ ঘরের ভিতরে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর মন্দিরা ভিতরে এল। “কার পদ্য আবৃত্তি করছিলে?”

মন্দিরা লজ্জার হাসি হাসল – “ওটা সকালের কুয়াশা ভাঙার মন্ত্র। তোমাদের শহরে দরকার পড়ে না। এটা আমাদের গ্রাম বাঙলার মেয়েলি ব্রত।’

“তুমি এত কিছু জান?’

“আমি না দাদা।’

‘মৃদঙ্গম?”

“হ্যাঁ, এগুলো দাদাই তো মাঠ-ঘাট-বন-বাদাড় থেকে জোগাড় করে করে এনে খাতায় লিখে রাখে। প্রচুর ব্রতগান জমা করেছে ওর খাতায়। এমন অনেক ব্ৰত আছে যে আমি বাজি রেখে বলতে পারি তুমি নামই শোননি।’

‘একটু চা খাওয়াতে পারবে?’ প্রাণনাথ বলল। ‘সকাল বেলা মনটা চা-চা করে।’

“চা?” মন্দিরা বলল। ‘চা তো আমাদের বাড়িতে কেউ খায় না। গ্রামেও চা খাওয়ার রেওয়াজ প্রায় একদমই নেই। এখানে প্রত্যেকের বাড়িতে দাওয়া একতাল করে তামাক আর হুঁকো রাখা থাকে। আমি বরং উদয়নপল্লীতে ছিদামকে পাঠিয়ে তোমার জন্য চা পাতা কিনে আনব।’

একদম ভুলে গেছিল প্রাণনাথ। মৃদঙ্গম নিজে চা খেত না। প্রাণনাথের চায়ের নেশা মৃদঙ্গম সুনজরে দেখত না। গতবার প্রাণনাথ চা খেতে চাওয়ায় টানা পনের মিনিট মৃদঙ্গমের লেকচার শুনতে হয়েছিল – ‘তুই জানিস কি যে বিজ্ঞানী -প্রফুল্লচন্দ্র রায় চা পানের বিলাসিতার ঘোরতর বিরোধী?”

মন্দিরাকে অপ্রস্তুত দেখে প্রাণনাথ বলল, ‘না না, ঠিক আছে। আমার অভ্যাস আছে। বরং ছিদাম বাজারে হঠাৎ চা কিনতে গেলে লোকে সন্দেহ করবে। তার চেয়ে ক’টা ব্রতের নাম বল শুনি।”

‘শ্রাবণ মাস পড়তেই সাপের কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বাড়ি বাড়ি থেকে মনসার পাঁচালী গানের সুর ভেসে আসে “পদ্মে গো পুরাও মনের বাসনা”- সেসব তো আজকাল তোমাদের শহরেও পড়া হয় বোধহয়, কিন্তু আদা-হলুদ ব্রত, দশ পুতুল ব্রত, মেছেনী ব্রত, যমপুকুর ব্রত,’ মন্দিরা কৌতুক চোখে থাকিয়ে থামল। শুনেছ এদের নাম?”

‘না, প্রাণনাথ বলল।

‘সেঁজুতি ব্রত, পাটাই ষষ্ঠী ব্রত, চাঁপাচন্দন ব্রত, নখ ছুটের ব্রত, সুবচনী ব্রত, মাকাল ব্রত, ভেঁপু ব্রত, মুসাফির ব্রত এসবের নাম নিশ্চয়ই শুনেছ?” -

প্রাণনাথ উত্তর দেবে কী, ওর মুখ হাঁ। সেদিকে তাকিয়ে মন্দিরা বলল, ‘ছোটবেলায় এ’রকম সব ব্রত উদযাপন করতে দেখেছি। আধুনিক কালে সব হারিয়ে গেছে। কুয়াশা তাড়াবার ব্রত তো ওখান থেকেই মুখস্থ করেছি। দাদা বলেছে অনেক লেখা জমা হলে তবে কলকাতা থেকে বাংলার ব্রতকথার বই ছাপিয়ে আনবে, যাতে এসব হারিয়ে না যায়। অবনঠাকুর নাকি অনেক ব্রতকথা সংগ্রহ করে বই ছাপিয়েছেন।’

‘আমি জানি মৃদঙ্গম এসব লোকগীতি জোগাড় করে আনে। ও বলে এসব

আমাদের গ্রাম বাংলার নিজস্ব সম্পদ। সব হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।’ বৃদ্ধ কুমুদরঞ্জন পাশের ঘর থেকে এ ঘরে এলেন, “হ্যাঁ। একদিন বাংলার কীর্তনেরও এই একই দশা হবে। আমরা কোনওরকমে একে বাঁচিয়ে রেখেছি। কিন্তু এই ইংরেজদের দৌরাত্ম্যে জানিনা কতদিন সম্ভব হবে।’ বৃদ্ধ মন্দির যাওয়ার জন্য তৈরি। বৃদ্ধ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, ‘এদিককার গ্রামের সব কীর্তনের আখড়া তো বন্ধ করে দিয়েছে। ইংরেজ পুলিশ নাকি নিশ্চিত যে এই কীর্তনের আখড়াগুলোই বিপ্লবীদের সংগঠন। এসব জায়গা থেকেই নাকি বিপ্লবের পরিকল্পনা হয়। অনুশীলনী সমিতি যেমন। লাল পাগড়ি পুলিশ এসে খুব ধমক লাগিয়ে বলে গেছে – সরকারের আদেশে আখড়া বন্ধ। আর কখনো আখড়ায় ওদের একসঙ্গে কীর্তন গাইতে দেখা গেলে ওদের গ্রেফতার করা হবে। তাই সব আখড়া বন্ধ, ব্যাস।’ -

প্রাণনাথ চুপ করে রইল। মৃদঙ্গম একদিন বলেছিল বাঙালির কীর্তনকে ইংরেজরা ভয় পায়। বাঙালির ভক্তি-আন্দোলন একসময় পদাবলী কীর্তনেই হয়েছিল। কাজী ভয় পেয়ে নবদ্বীপবাসীদের আদেশ দিয়ে গেছিল নবদ্বীপে কীর্তন বন্ধ। কাজী বলেছিল যদি কেউ কীর্তন কর তবে - সর্বস্ব দণ্ডিঞা তার জাতি ধন লব। চৈতন্যদেব এই অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছিলেন

সর্বনবদ্বীপে আজি করিমু কীর্তন।

দেখো মোরে কোন কর্ম্ম করে কোনজন।

তারপর হাজার হাজার মানুষ শাঁখ, ঘন্টা, খোল, করতাল, মন্দিরা, শিঙা, বাঁশি, জ্বলন্ত মশাল, বড় বড় সব তেলের প্রদীপ হাতে চৈতন্যদেবের সঙ্গে যোগ দিয়ে “তুয়া চরণে মন লাগুহুঁ রে, সারঙ্গধর তুয়া চরণে মন লাগুহুঁ রে ” গাইতে গাইতে আর উদ্দণ্ড নৃত্য করতে করতে কাজীর বাড়ির দিকে প্রতিবাদের মিছিল নিয়ে এগিয়ে গেছিল। অত শক্তিমান কাজীকেও ভয় পেয়ে হার মানতে হয়েছিল। সেটাই বাংলার প্রথম প্রতিবাদ মিছিল।

কুমুদরঞ্জন বললেন, “আমাদের এখানে বিরোধিতা করার মত নেতৃত্ব এখন কোথায়? মুকুন্দদাস ছিল, কিন্তু তাঁর চারণগীতিকেও তো নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে ইংরেজ সরকার।’ তারপর মন্দিরার দিকে তাকিয়ে বললেন, “আমি এগোচ্ছি, তুই আর ছিদাম আয়। প্রাণনাথ ঘরেই থাকুক।’

মন্দিরা ফুলবাগান থেকে কিছু গাঁদাফুল চটপট তুলে একটা কলাপাতা মুড়ে, প্রসাদের পিতলের রেকাব হেঁসেল থেকে এনে বাপকে অনুসরণ করল।

ওরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেই প্রাণনাথ ছোট ঘটটা নিয়ে উঠোনে নামল। মৃদঙ্গমের চিতাস্থির সমাধি দেবার এই সুবর্ণ সুযোগ। চারদিকে তাকাল প্রাণনাথ। মৃদঙ্গম বলেছে ওর মায়ের পাশে ওর চিতাস্থির সমাধি দিতে। কিন্তু ওর মায়ের সমাধি কোথায়? উঠোনের কোনে? নাকি বাড়ির পিছনে? আগের বার এসে এইসব অস্বস্তিকর প্রশ্ন তোলে নি প্রাণনাথ। প্রাণনাথ চারদিক দেখে ঠিক বুঝে উঠতে পারল না জায়গাটা কোথায়। যে কোনও স্থানে সমাধি দেবার কোনও প্রশ্নই নেই। বন্ধুর শেষ ইচ্ছা, আর তার দায়িত্ব মৃদঙ্গম প্রাণনাথের ওপর ভরসা করে দিয়ে গেছে। প্রাণনাথ ঠিক করল মন্দিরাকে গল্পে গল্পে আজ জিজ্ঞাসা করতে হবে ওর মায়ের সমাধিটা কোনখানে। কাল সকালে ওরা যখন মন্দিরে যাবে তখন ও মৃদঙ্গমের চিতাস্থির সমাধি দিয়ে দেবে।

সকল অধ্যায়
১.
প্রাককথন
২.
এক
৩.
দুই
৪.
তিন
৫.
চার
৬.
পাঁচ
৭.
ছয়
৮.
সাত
৯.
আট
১০.
নয়
১১.
দশ
১২.
এগার
১৩.
বারো
১৪.
তেরো
১৫.
চোদ্দ
১৬.
পনের
১৭.
ষোলো
১৮.
সতের
১৯.
আঠারো
২০.
ঊনিশ
২১.
কুড়ি
২২.
একুশ
২৩.
বাইশ
২৪.
তেইশ
২৫.
চব্বিশ
২৬.
পঁচিশ
২৭.
ছাব্বিশ
২৮.
সাতাশ
২৯.
আটাশ
৩০.
ঊনত্রিশ
৩১.
ত্ৰিশ
৩২.
একত্রিশ
৩৩.
বত্রিশ
৩৪.
তেত্রিশ
৩৫.
চৌত্রিশ
৩৬.
পঁয়ত্রিশ
৩৭.
ছত্রিশ
৩৮.
সাঁইত্রিশ
৩৯.
আটত্রিশ
৪০.
ঊনচল্লিশ
৪১.
চল্লিশ
৪২.
একচল্লিশ
৪৩.
বিয়াল্লিশ
৪৪.
তেতাল্লিশ
৪৫.
চুয়াল্লিশ
৪৬.
পঁয়তাল্লিশ
৪৭.
ছেচল্লিশ
৪৮.
সাতচল্লিশ
৪৯.
আটচল্লিশ
৫০.
ঊনপঞ্চাশ
৫১.
পঞ্চাশ
৫২.
একান্ন
৫৩.
বাহান্ন
৫৪.
তিপ্পান্ন
৫৫.
চুয়ান্ন
৫৬.
পঞ্চান্ন
৫৭.
ছাপ্পান্ন
৫৮.
সাতান্ন
৫৯.
আটান্ন
৬০.
ঊনষাট
৬১.
ষাট
৬২.
একষট্টি
৬৩.
বাষট্টি
৬৪.
তেষট্টি
৬৫.
চৌষট্টি
৬৬.
পঁয়ষট্টি
৬৭.
ছেষট্টি
৬৮.
সাতষট্টি
৬৯.
আটষট্টি
৭০.
ঊনসত্তর
৭১.
সত্তর
৭২.
একাত্তর
৭৩.
বাহাত্তর

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%