প্রীতম বসু
‘বেশ্যাবাড়ি! না না, আমি ওসব জায়গায় যেতে পারব না।’
পরদিন পদাবলীর প্রস্তাবে গোবিন্দ অধিকারী তুমুল আপত্তি জানাল। ‘আমি ব্রহ্মচারী মানুষ, কৃষ্ণ নাম জপি। প্রেমের জগৎ ছেড়ে আমি কামের জগতে যাব? অসম্ভব! তুমি যাও গিয়ে।’
সকালে টেম্পোভ্যানের ভিতর বসে গোপাল ঠাকুরের ভাঙা হারমোনিয়ামের রীডগুলো টিপে টিপে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান দেখছিল গোবিন্দ অধিকারী, আর তখন করতালতলী পৌঁছে পদাবলী গণিকালয়ে যাওয়ার প্রস্তাবটা দিল।
“আপনি এমনভাবে বলছেন যেন আমার সোনাগাছিতে রেগুলার যাওয়া আসা আছে,’ পদাবলী চটেমটে বলল। ‘আমি জীবনে কক্ষনো যাইনি ওসব এলাকায়। শুধু কীর্তনের কথা ভেবে কত ঘোরাঘুরি করে তবে হরি বায়েনের খবর জোগাড় করেছি। ওকে পেতে হলে একমাত্র রতি বাঈয়ের ওখানেই পেতে পারেন।’
“বেশ্যাবাড়ি গেছি শুনলে আমায় লোকে সমাজচ্যুত করবে। ভদ্রলোকেরা বেশ্যা সংশ্রবে যায় না।’
“আচ্ছা! আমি তো বইতে পড়েছি যে বুদ্ধদেব নিজে অনেক পতিতাকে তাঁর ধর্মে আশ্রয় দিয়েছিলেন। পতিতা উদ্ধার বৌদ্ধধর্মে এক মহান পবিত্র কাজ বলে মানা হত।’
গোবিন্দ অধিকারী কিছুক্ষণ মৌন হয়ে বসে ভাবল। তারপর নিজেই বলল, ‘নটী বিনোদিনী জাতবোষ্টম পতিতার মেয়ে ছিলেন। তাঁর ছেলেবেলায় বিয়েও হয়েছিল এক জাতবোষ্টম পরিবারে। সেই জন্যই না তিনি অত ভাল চৈতন্যের অভিনয় করে রামকৃষ্ণকে কাঁদিয়ে দিয়েছিলেন।’
“তাহলে? সবই তো জানেন। তবু –’
‘ফালতু কথা বলিস নে। শুনেছি ওসব এলাকায় অনেক খারাপ লোক ঘোরাফেরা করে।
‘আমাদের উদ্দেশ্য তো ভাল, তাহলে দ্বিধার কী আছে?”
“না রে, আমার দ্বারা হবে না। আমায় ছেড়ে দে।’ গোবিন্দ অধিকারী উঠে দাঁড়াল। ‘তুই বাবার সঙ্গে গপ্পো কর, আমার একটু দরকারি কাজ আছে।” ‘ঠিক আছে,’ পদাবলী আর জোর করল না। ‘কোথায় চললেন?”
‘মনোহর মহাজনের কাছে,’ গোবিন্দ অধিকারী চিন্তার স্বরে বলল। ‘লোকটা সুদখোর। চড়া সুদে ধার দেয়। দেখি ও কিছু কর্জ দেয় কিনা। টেম্পোভ্যানটা সারাতে তো হবে।’
‘চলুন, আমিও সঙ্গে যাই,’ , পদাবলী সঙ্গ নিল।
করতালতলী স্টেশনের গায়েই মনোহর মহাজনের সুড়কির গুদাম। এখানেই সেদিন শাপলার ঝুড়ি নামিয়েছিল বিশে ড্রাইভার। গুদামের অফিসে বসে পান চিবোতে চিবোতে ক্যালকুলেটার টিপে টিপে কী সব যোগ করছিল মনোহর মহাজন। গোবিন্দ অধিকারীকে দেখে ওর চোখে যে বিরক্তি খেলে গেল তা পদাবলীর নজর এড়াল না।
‘বসুন, বসুন, মনোহর মহাজন ভদ্রতা করে চেয়ার দেখিয়ে দিল। ‘সব শুনেছি। আজকালকার ছেলে ছোকরাদের মাথা এত গরম থাকে! যাক, বলুন আমাকে কী করতে হবে।”
‘আমার কীর্তন কোম্পানি বদমাশটা একদম ধ্বংস করে দিয়েছে, গোবিন্দ অধিকারী দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
“থানায় এফ আই আর করিয়েছেন?”
‘না।’
‘এটা একটা বুদ্ধিমানের কাজ করেছেন,’ মনোহর মহাজন পেণ্ডুলামের মত মাথা নাড়ল। ‘জমিদারবাবু এবার ইলেকশনের টিকিট পাচ্ছে গুজব আছে। আমাদের এলাকা ওর আণ্ডারেই ‘
গোবিন্দ অধিকারী উত্তর দিল না। মহাজনের পিছনের দেওয়ালে ক্যালেণ্ডারে ভগৎ সিং খালি গায়ে গোঁফে তা দিচ্ছে, পাশে মিলিটারি ইউনিফর্মে সুভাষ বোস। “বলুন আমার কাছে কেন এসেছেন?” মহাজন সময় নষ্ট না করে সোজাসুজি পয়েন্টে এল। ‘আজ তো মনে হচ্ছে শাপলা বেচতে আসেন নি।’
‘কিছু টাকা ধার চাই,’’ গোবিন্দ অধিকারী কুণ্ঠার সঙ্গে বলল। ‘ধার? কত?’
‘কুড়ি হাজার মত – বাকিটা আমি ম্যানেজ করে নেব -‘
‘কত?’ মহাজন নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছে না। টোয়েন্টি থাউজ্যাণ্ড!”
‘ভ্যানটা মেরামত করতে হবে, তাছাড়া হারমোনিয়াম, খোল
‘আপনার কাছ থেকে আমি অলরেডি কত পাই?”
“আজ্ঞে, আট হাজার টাকা বাকি আছে।’
“ওটা প্রিন্সিপাল। সুদ মিলিয়ে ন’হাজার ছ’শো হয়ে গেছে। আপনি সুদের কিস্তি দেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন।’ পিকদানিতে পুচ করে পানের পিক ফেলল মহাজন। ‘এত টাকা শোধ করতে পারবেন?’
শাপলার প্রত্যেক পেমেন্ট থেকে তো আপনাকে ফিফটি পার্সেন্ট ধার শোধের জন্য দিচ্ছি।’
“হে ভগবান। শামুক দৌড়োচ্ছে ম্যারাথন রেস ! শাপলা-ফাপলা বেচে ইনি আমার লোন শোধ করবেন?”
*একটু দেরি হয়তো হবে, কিন্তু কীর্তনের কিছু পয়সা পেলে শোধ করে দেব।’
অধিকারী বাবু, আমার সুদের কারবার। যত দেরি করবেন ইন্টারেস্ট তত বাড়বে। তত মুশকিল হবে আপনার টাকা ফেরত দেওয়া। আজকাল আপনি কীর্তনের প্রোগ্রামের বায়না পান কি?”
গোবিন্দ দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল। ‘অনেক কমে গেছে, তবে কিছু কিছু পাই এখনো।’ ‘কিছু কিছু!’ মহাজন পান চিবোতে চিবোতে বলল। শুনলাম আপনার কীর্তনের দলের কয়েকজন নাকি দল ছেড়ে জমিদারবাবুর কাছে নোকরি নিয়েছে?”
“হ্যাঁ,” গোবিন্দ অধিকারী মাথা নাড়ল। পদাবলী ভাবল এ ব্যাটা সব খবর রাখে।
‘দেখুন কিছু যদি মনে না করেন তবে একটা কথা বলি?”
‘হ্যাঁ বলুন,’ গোবিন্দ অধিকারী বলল।
*আপনাদের বাঙালীদের টিম স্পিরিট নেই। কবে সেই মোহনবাগান ক্লাব আলেয়ার মত দপ করে জ্বলে উঠেছিল, তারপর থেকে দল বেঁধে বাঙালিকে সাকসেসফুল কিছু করতে দেখলাম না।’ মহাজন ধুরন্ধর দৃষ্টিতে পদাবলীর চোখের বিরক্তি ধরতে পেরে পিকদানি টেনে আবার পুচ করে পানের পিক ফেলে বলল, ‘ইণ্ডিভিজুয়ালি, আই এগ্রি। বাঙালি ইজ গ্রেট – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সত্যজিৎ রায়, রবিশংকর। কিন্তু বাঙালি দলে কাজ করতে পারে না। সবাই একলা চলো রে।’
গোবিন্দ অধিকারীর মাথায় যেন দপ করে রাগ জেগে উঠল। ওর মুখ থেকে ঝাঁঝের সঙ্গে বেরিয়ে এল কথা - ‘জাতি তুলে কথা বলছেন কেন? টাকা জোগাড় না হলে আপনার টাকা আমি নিজে ভিক্ষে করে শোধ করে দেব।’
মহাজন বলল, ‘এই একটা কথা বাঙালির খুব ফেভারিট! ভিক্ষে! কথাটা বলতে আপনার সম্মানে বাধল না? ভিক্ষা করব - কথাটা বলার সময় বাঙালি দেখেছি খুব স্যাটিসফেকশন পায়। আসলে, কিছু মনে করবেন না, ভিক্ষা ব্যাপারটা আপনাদের বাঙালিদের ব্লাডে এখনও রয়ে গেছে। ওল্ড হ্যাবিট! শুনেছি আপনাদের বেঙ্গলে এক সময় হাজার হাজার বৌদ্ধ দ্বারে দ্বারে ভিক্ষে করত, তারপর সন্ন্যাস নিয়ে চৈতন্যদেবও ভিক্ষা করে খেতেন, তাই বৈষ্ণবরাও ধরল সেই ভিক্ষা। আবার ভিক্ষার একটা রোমান্টিক নাম দিল – মাধুকরী। ভিখিরি ইজ ভিখিরি। হাত পাততে আপনাদের লজ্জা করে না? আমার বাকি টাকাটা আমি এ মাসেই ফেরত চাই। ভগবান না করুন আপনার ভালমন্দ কিছু হয়ে গেলে কে লোন শোধ করবে? তখন এতগুলো টাকার ধার কে চোকাবে?” -
“আমার টেম্পোটা বন্ধক রেখে-’
“ওই ভাঙা টেম্পো!’ তাচ্ছিল্যের হাসি হাসল মহাজন। ‘ওটার অবস্থা এখন মড়ার গলার ফুলের মালার মত। বিনি পয়সায় দিলেও কেউ নেবে না।”
‘তাহলে আপনি আমায় টাকা ধার দেবেন না?” অধিকারী বলল।
‘আমি আর এ পৃথিবীতে জন্ম নিতে চাই না।’
‘আপনাকে কেন জন্ম নিতে হবে?’ পদাবলী ব্যাপারটা বুঝতে পারল না। ‘ধার দিলে উনি এজন্মে সে টাকা কিছুতেই শোধ করতে পারবেন না। তাই ওকে ধার শোধ করার জন্য আবার জন্ম নিতে হবে।’
‘ওনাকে জন্ম নিতে হবে, কিন্তু আপনাকে কেন?”
“ধারটা শোধ করবেন কাকে? তাকেও তো থাকতে হবে।’ নিজের রসিকতায় হেঁ হেঁ করে হাসল মহাজন। তারপর ক্যালকুলেটারটা ড্রয়ারে ঢুকিয়ে চাবি দিয়ে বলল, ‘আমায় উঠতে হবে। তবে হ্যাঁ – মহাজন থামল।
পদাবলী উৎসুক হয়ে তাকাল মহাজনের মুখের দিকে। ‘একটা অফার আমি আপনাকে দিতে পারি।’
‘অফার?’
‘কলকাতার এক প্রোমোটার আমার ব্রাদার-ইন-ল। বড় বিজনেস ম্যান। ওদের কতগুলো সিনেমা হল। আপনার চৈতন্যপুখুরী হল কচুরিপানা আর মশার বাসা। ওসব জলা বুজিয়ে ওখানে বড় বড় ফ্ল্যাটবাড়ি বানাবে। ওরা যাতে ভাল দাম দেয় সেজন্য আমি মিডল ম্যান আছি। মিছে কথা বলব না, আমারও টুপাইস থাকবে কিন্তু আপনি – ‘
‘চৈতন্যপুখুরী আর নীলমাধবের মন্দির দেবোত্তর সম্পত্তি -
‘আহা, কিন্তু কাগজ কলমে মালিক তো আপনার বাবা। জমিদারবাবু আপনার বাবাকে লেখাপড়া করে দিয়েছিলেন। এক কাজ করব, সামনের দিকের ওই চৈতন্যপুখুরী আর ধুলডাঙায় ফ্ল্যাটবাড়ি হবে আর পিছনের নীলমাধবের মন্দিরটা অ্যাজ ইট ইজ থাকবে। তাতে ওখানে বরং ভিড় বাড়বে আর আপনাদেরও একটা স্টেডি ইনকাম সোর্স হয়ে যাবে। আপনি হাসছেন?”
অর্ধকুক্কুটী ন্যায় মনে পড়ে হাসি পেল।’
*সে আবার কী?”
“কুক্কুটীর গোবিন্দ অধিকারী মহাজনের বিস্মিত দৃষ্টির দিকে তাকাল পশ্চাদভাগ ডিম প্রসব করে। তাই সেটা অটুট রেখে কুক্কুটীর সামনের অর্ধেক কেটে আহার করলে সেই পশ্চাদভাগ কি আর ডিম প্রসব করতে পারে? এটা হল অর্ধকুক্কুটী ন্যায়ের উদাহরণ। সামনের দিকের চৈতন্যপুখুরীতে ইনকাম নেই বলে পুরো ইতিহাসটাই মুছে দেবেন?” তারপর গোবিন্দ অধিকারী শান্তস্বরে বলল, ‘দেখুন মনোহরজী, আমি এমন কুলাঙ্গার নই যে ওই দেবোত্তর জমি আর মন্দির বিক্রি করে পূর্বপুরুষের অভিশাপ কুড়োব। আপনি আমায় টাকা ধার না দিতে চান ঠিক আছে। আমি উঠি।’ গোবিন্দ উঠে দাঁড়াল।
- “আপনাকে একটা সত্যি কথা বলি?” মনোহর মহাজন বলল “এখন হিন্দী গানের যুগ। বাংলা গান এখন আর আসর জমাতে পারে না। আমি ভবিষ্যৎবাণী করছি, আর পঁচিশ বছরের মধ্যে দেখবেন বাংলার সব বড় বড় স্টেজ ফাংশনে হিন্দি গানই বাজবে।
“আমি দুটো কথা বলি?” পদাবলী খুব ভদ্রভাবে বলল।
‘আপনিও বলবেন?” মহাজন তাচ্ছিল্যের সুরে বলল। ‘বলুন!’
“মাধুকরী বা আপনার ভাষায় ভিক্ষা অন্য মানুষের শান্তি ধ্বংস করত না। বুদ্ধ বা শ্রীচেতন্যের দীক্ষিত বাঙালি যখন মাধুকরী করত, তখন অন্যান্য অনেক জাতি আগ্রাসনে যুদ্ধ, হত্যা, ধ্বংস, লুঠতরাজ করে তাদের প্রভাব, প্রতিপত্তি, অর্থ বাড়াত। কোনটা আপনার মতে ভাল? কেউ আপনার দ্বারে এসে ভিক্ষা চাইতে আসুক, নাকি কেউ আপনার দরজায় লাথি মেরে খুলে আপনার গালে ঠাঁটিয়ে একটা থাপ্পড় মেরে আপনার এই ক্যাশবাক্সটা কেড়ে নিয়ে যাক?”
“আমি সেভাবে কথাটা বলিনি,’ মহাজন গালে হাত বোলাতে বোলাতে হেঁ হেঁ করে বলল। ‘আপনি তো মাইও করে গেলেন।
‘আমার কথা এখনো শেষ হয় নি,’ পদাবলী বলল। ‘আমার পিসেমশাইয়ের আয়ুর্বেদ মেডিসিনের ফ্যাক্টরি আছে। শাপলা দিয়ে আম্বাল নামে একটা ওষুধ বানায়। ডাইজেশনের ওষুধ। খুব ডিমাণ্ড বাজারে। ভাল শাপলা পেলে পাইকাররা বাড়ি থেকে এসে কিনে নিয়ে যায়। তাই শাপলার বাজার-দর বেশ ভালই। তাছাড়াও ওদের কেমিস্টরা শাপলার ফুল আর বীজ দিয়ে ডায়াবেটিসের ওষুধ বানায়। তাছাড়া হার্টের রোগ, পেচ্ছাপের জ্বালা, আমাশা এসব রোগের ওষুধ বানাতেও শাপলা লাগে। আমার মনে হয় ইনি আপনাকে শাপলা না বেচে আমার পিসেমশাইয়ের কোম্পানীতে শাপলা-ফাপলা বেচলে আরেকটু তাড়াতাড়ি আপনার লোন শোধ করতে পারবেন। আর ফাপলা বলে ওভাবে তাচ্ছিল্য করে কথা বলবেন না। শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। শ্রীলঙ্কারও। একটু সম্মান করুন। চলি নমস্কার।’ মহাজনের ড্যাবড্যাবে দৃষ্টির সামনে পদাবলী গোবিন্দ অধিকারীকে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল।
বাইরে এসে গোবিন্দ অধিকারী বলল, ‘তোমার পিসেমশাইয়ের সত্যি ব্যবসা আছে ওষুধের?”
‘এগুলো আমার জানা ছিল। চালিয়াত মহাজনটাকে একটু চমকে দিলাম। এবার মনে হয় আপনি দামটা একটু বাড়াতে পারবেন।”
দীর্ঘশ্বাস ফেলল গোবিন্দ অধিকারী ‘সেদিন ছোটকর্তা শুধু কীর্তনকে অপমান করেছিল, আজ মহাজন গোটা বাঙালি জাতের নামে নিন্দা করল। আমার জন্য জাতটাকে ভিখিরি বলল। ছিঃ ! এই অপমানের জবাব দিতেই হবে। কাল ক’টার সময় সোনাগাছি যেতে হবে?”
পদাবলী মনে মনে মনোহর মহাজনকে ধন্যবাদ জানাল। গোবিন্দ অধিকারীর জেদি দৃষ্টির দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এগারটায় আপনি ফুলবাগানের বাটার সামনে চলে আসুন। আমি থাকব।’
‘ঠিক আছে। কাল দেখা হবে। করতালতলীর কীর্তনকে বাঁচিয়ে রাখতেই হবে। কারোর বাপের সাধ্য হবে না কীর্তনকে চিতায় পাঠায়।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন