বিশ্বরূপ মজুমদার

জয়নারায়ণ সরকার
আশি ছুঁইছুঁই তারিণী খুড়ো এখনও বেশ চনমনে। চেহারা বাড়বাড়ন্ত হলেও মনটা তাঁর পুরোপুরি সতেজ। তারিণী খুড়োর বউ মানে শান্তি খুড়ি বলেন, “তিনকাল গিয়ে এককালে ঠেকেছে, তবুও বুড়োর রস যায় না।”
ঠান্ডা স্বরে তারিণী খুড়ো বলে, “তুমি তো মিইয়ে গেলে। কুড়িতেই বুড়ি।”
হারুকাকার চায়ের দোকানে তারিণী খুড়োকে ঘিরে জমজমাট আড্ডার আসর বসে। বয়সের কোনও ভেদরেখা নেই ওই আসরে।
দু’-একদিন খুড়ো দোকানে না গেলে কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগে হারুকাকার। সেই দিনগুলোতে খরিদ্দারও কম হয়। বয়েসের সংখ্যাগুলো তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন তারিণী খুড়ো। একদিন হারুকাকা থাকতে না পেরে বলে, “এই বয়সেও আপনি...” কথা থামিয়ে মুচকি হেসে তারিণী খুড়ো বলেন, “যত রস, তত শ্বাস।”
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন