বিশ্বরূপ মজুমদার

শ্যামা নন্দী
একেবারে মুখোমুখি। মুখ ঘুরিয়ে এড়ানোর বিন্দুমাত্র উপায় নেই।
উত্তর দিতে গিয়ে গলার কাছটায় কিছু আটকে গেল যেন। নিজেকে গুছিয়ে প্রবঞ্চনার পুরনো অভ্যেসগুলো আরও একবার ঝালিয়ে নিয়ে মুখের হাসিটাকে চওড়া করে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার চেষ্টা করলাম।
হো হো করে ছদ্ম হাসিতে তুনীরকে ভ্যাবাচ্যাকা খাইয়ে বলে উঠি, “তুই আজও ঠিক করে কথা বলতে শিখলি না। ওরে এ যে সুখের প্রলেপ। একে মুটিয়ে যাওয়া বলে না।”
ভাগ্যিস রোদ চশমায় চোখদুটি ঢাকা ছিল। নইলে বিনিদ্র রাতের অত্যাচারের ক্লান্ত বিধ্বস্ত চাহনিতে অসুখী মনটা ধরা পড়ে যেত ঠিক!
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন