বিশ্বরূপ মজুমদার

মুক্তি দাশ
রোজকার মতো বিকেলবেলা বেরিয়ে দেখি, পার্কের ভেতর চুলবুলি সাইকেল শিখছে। ঠিকমতো ব্যালেন্স রাখতে পারছে না। বার বার পড়ে যাচ্ছে।
চুলবুলি পাশের ফ্ল্যাটের অনুপের সেভেনে পড়া মেয়ে। আমার নাতনির গলায় গলায় বন্ধু। বললাম, “কি গো দিদিমণি, সাইকেল শিখছ?”
কপালের ঘাম মুছে নিয়ে দু’দিকে বেণী দুলিয়ে চুলবুলি বলল, “ধুর! কিচ্ছু হচ্ছে না। খালি পড়ে পড়ে যাচ্ছি।”
বললাম, “তাহলে এক কাজ করো। তুমি সাইকেলে উঠে নিয়ে আস্তে আস্তে চালাও। আমি পেছনে আলতো করে ধরে থাকব।”
তীব্রভাবে দু’দিকে মাথা নাড়িয়ে চুলবুলি বলল, “না না, লাগবে না।”
চারিদিকে সতর্ক দৃষ্টি বুলিয়ে নিয়ে চুলবুলি ফিসফিসিয়ে বলল, “তুমি এখন যাও তো! আমার বয়ফ্রেন্ড দেখলে সন্দেহ করবে।”
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন