বিশ্বরূপ মজুমদার

বিশ্বরূপ মজুমদার
“বিয়ে করলে একজন শিক্ষিত বেকার ছেলেকেই করব।” সোজাসাপটা বলল দেবপ্রিয়া।
পাত্রীর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতেই অস্বস্তিতে মৈনাক। স্বামী বেকার মানে সংসার বিষময়। মেয়েটি কি রোজকার অশান্তি চায়? নাকি কোনও প্রেমঘটিত কারণ? শেষে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয় —
“চাকুরিজীবী ছেলেরা যদি নির্দ্বিধায় বেকার মেয়েদের বিয়ে করতে পারে, তবে আমাদের মতো চাকুরিজীবী মেয়েরা কেন বেকার ছেলেদের বিয়ে করতে পারবে না! এতে গোটা সংসারটা অর্থনৈতিকভাবে আমাদের উপর নির্ভরশীল থাকবে। পরিবারে নারীর সম্মান এবং মর্যাদা দুই-ই বাড়বে।”
সত্যিকারের নারী স্বাধীনতার কথা শুনিয়ে চলে গেল দেবপ্রিয়া। পার্কের বেঞ্চে একা বসে রইল মৈনাক। মেয়েটিকে একটু বেশিই ভালোবেসে ফেলেছে সে। ও ঠিক করে সামনের মাসেই কাস্টমসের চাকরিটা ছেড়ে দেবে!
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন