বিশ্বরূপ মজুমদার

জয়নারায়ণ সরকার
‘বড়দিন পার হয়ে গেলেও মোড়ের মাথায় মাঝে মাঝে সান্টা ক্লজকে দেখতে পাই।’ – পিকু কথাটা বলেছিল বাবাকে। ধমকে উঠেছিলেন বাবা।
সকালে হোমওয়ার্কগুলো চটপট সেরে নিয়ে ব্যালকনি থেকে ইতিউতি দেখতে থাকে পিকু।
পাঁচিল ঘেরা বাড়িতে দাদু-ঠাকুমার সঙ্গে আর থাকা হয়নি পিকুর। উঠোনে গাছের ডালে ঝোলানো দোলনায় বসিয়ে দোল দিতেন দাদু। হাসিতে ভরে উঠত সারা বাড়ি। ফ্ল্যাটে ব্যালকনিটা বড় হলেও দোলনা লাগানো হয়নি। বাবা-মায়ের নাপসন্দ!
এবছর সান্টা ক্লজের কাছে একটা দোলনা উপহার চেয়েছিল পিঙ্কু। ঘুমের ঘোরে বিছানা হাতড়ে খুঁজেও ছিল। ব্যালকনি থেকে সান্টাকে দেখতে পায়। সান্টার মুখটা হুবহু দাদুর মতো। হাতে ধরা দোলনা। গ্রিল ঘেরা ব্যালকনি থেকে চিৎকার করে ওঠে পিকু।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন