বিশ্বরূপ মজুমদার

মুক্তি দাশ
হায়ার সেকেন্ডারির পর কলেজে ভর্তি হতে না হতেই সায়নের বায়না, তার বাইক চাই। এই ব্যাপারে ঘোর আপত্তি আরতিদেবী ও সৌমেনবাবুর। অবশেষে একমাত্র ছেলের জিদের কাছে হার মানতেই হল বাবা-মাকে। অগত্যা ছেলের সাধপূরণ করলেন বাবা। পইপই করে ছেলেকে সতর্কও করে দিলেন, “একদম জোরে চালাবি না কিন্তু। খুব সাবধানে চালাস বাবা!”
তবু বাবা-মা’র চোখের সামনে দিয়ে রোজ বাইক নিয়ে বেপরোয়া গতিতে হুস করে সায়ন কলেজে বেরিয়ে যায়। স্পিডোমিটারের কাঁটা আশি-একশোর মধ্যে ঘোরাফেরা করে। আর সারাটা দিন ভয়ে, উদ্বেগে, চিন্তায় দিন কাটে বৃদ্ধ দম্পত্তির।
অতঃপর একশো কিলোমিটার গতিবেগে বাইক চালানো ছেলে সায়ন এখন খুব সাবধানে চালায়।
বাইক নয়, হুইল চেয়ার।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন