বিশ্বরূপ মজুমদার

মুক্তি দাশ
সেই কোন ছোটবেলায় প্রথম কাকতাড়ুয়া দেখেছিল রূপু। তা দেখে বেজায় ভয় পেয়ে গেছিল। ভেবেছিল, ভূত বুঝি। ভাগ্যিস বাবা সঙ্গে ছিল। বাবা বুঝিয়েছিল, “ওটা ভূত নয়রে পাগলা, কাকতাড়ুয়া। জন্তু-জানোয়ার পাখপাখালিরা যাতে জমির ফসল নষ্ট করতে না পারে, তাদের ভয় পাওয়ানোর জন্যে চাষীরা এরকম কাকতাড়ুয়া বানিয়ে রাখে, যাতে ফসল রক্ষা পায়।”
বাবার মৃত্যুর পনেরো বছর পর প্রোমোটারের লালসার শিকার হয়ে যখন রূপু মাকে নিয়ে পথে বসতে চলেছে, বাবার স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটাও হাতছাড়া হয়ে যায়-যায়, সেইসময় একদিন স্বপ্নে বাবাকে দেখল। বাবা যেন এসে বলছে, “ভয় কী রে? আমি তো রয়েছি।”
রূপু বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে চমকে উঠল। অবিকল সেই ছোটবেলায় দেখা কাকতাড়ুয়া!
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন