বিশ্বরূপ মজুমদার

অমিতাভ গুপ্ত
পাড়ায় যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিলেন নিলেশবাবু, সেই কারণেই বাড়ির সামনে ভিড়। বিশেষ করে বাচ্চাগুলো যারা ওঁর বাগানে খেলতে আসত। ফল পাকুড় পাড়ত।
বাতানুকুল শববাহী গাড়িটা ঢোকার আগেই একটা অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স পাড়া কাঁপিয়ে ঢোকে। সত্তরোর্ধ্ব নীলেশবাবু পরলোকগমন করেছেন একটু আগেই। বিদেশে প্রতিষ্ঠিত ছেলেমেয়েরা এখনও এসে পৌঁছায়নি। ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা ওঁকে দু’দিন পিস হেভেন-এ স্থানান্তর করতে চাইছিল। কিন্তু তার আগেই ওঁর উত্তরাধিকারী এসে হাজির।
মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে পারিবারিক ডাক্তার বন্ধুকে নিজের উইল হোয়াটসঅ্যাপ করে গেছেন নিলেশবাবু সচেতন ভাবে।
চোখ থেকে শুরু করে লিভার, কিডনি, প্যাংক্রিয়াস সবই উনি দান করে গেছেন।
আর সেই সঙ্গে বিপত্নীক নীলেশবাবু তিন তলা বাড়িটা রেখে গেছেন একটা বৃদ্ধাশ্রমের জন্য।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন