শৈলেন ঘোষ

ওই তো দেখতে পাচ্ছ ছেলেটাকে। ওই যে দাঁড়িয়ে আছে। সামনেই একটা মন্দির, একটু দূরে। হ্যাঁ, এমনই করে রোজ সে দাঁড়িয়ে থাকে। এমনই করে রোজ সে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখে অনেক, অ-নে-ক মানুষ মন্দিরে ঢুকছে বেরোচ্ছে। তাদের হাতে হাতে ফুল। না-হয় পাতায় মোড়া মিষ্টি। সে শুনেছে ঠাকুরকে একমনে ডাকলে নাকি ঠাকুর সাড়া দেন। একদিন নাকি একজন মানুষ ঠাকুরের সঙ্গে কথাও বলেছে। সত্যি-মিথ্যে জানে না ছেলেটা। তবু তারও ইচ্ছে হয় সেও মন্দিরে ঢোকে, কথা বলে ঠাকুরের সঙ্গে। অনেক কথা বলার তার দরকার নেই। একটা কথাই সে জিজ্ঞেস করবে ঠাকুরকে “কেন তাকে মন্দিরে ঢুকতে নেই? কেন তাকে মন্দির থেকে বার করে দেবেন পূজারি?”
ছেলেটার কথাবার্তাও ভারী অদ্ভুত। তুমি যদি জিজ্ঞেস করো, “এই ছেলেটা, তোর নাম রাংতা কেন রে?” তোমার চোখের পাতা পড়ার আগেই সে উত্তর দেবে, “তোমরা আমায় রাংতা বলে ডাকো বলেই আমার নাম রাংতা।”
যদি জিজ্ঞেস করো, “রাংতা বানান করতে পারিস?”
আশ্চর্য তার জবাব, “বা রে বা, নাম রাখলে তোমরা, আর বানান বলব আমি!”
আবার যদি জিজ্ঞেস কর, “লাট্টু ঘোরে কেন রে?”
তার চটপট জবাব, “ঘোরাই বলে ঘোরে।”
এমনই করে হাজারটা কথা হাজারবার জিজ্ঞেস করো, সে হাজারটা উত্তর দেবে এমনই করে হাজারবার। কিন্তু সে নিজে একটা উত্তর নিজের মনকে বারবার জিজ্ঞেস করেও খুঁজে পায়নি, কেন, কেন তাকে মন্দিরে ঢুকতে নেই? কী দোষ করেছে সে?
রাংতা শুনেছে, মন্দিরের ঠাকুরের মূর্তিটা নাকি নিরেট সোনার। দেখলে নাকি চোখ ঝলসে যায়। পাছে চোর-ডাকাতে সোনার মূর্তি লুঠ করে নিয়ে পালায়, তাই সবসময় একজন পাহারাদার হাতে বন্দুক নিয়ে নজরদারি করছে। তবে কি পূজারি রাংতাকে চোর-ছ্যাঁচড় ভাবেন। তাই বুঝি তার মন্দিরে ঢোকা বারণ?
না, রাংতাকে তুমি এই বদনামটা মোটেও দিতে পারো না। বলো, কার কোন জিনিসটা সে চুরি করেছে? উলটে, সেদিন মন্দির থেকে বেরোবার সময় ঠেলাঠেলিতে একজনের শাড়ির আঁচল থেকে একটা দশ টাকার নোট খুলে পড়ে গেল। কেউ দেখেনি। দেখতে পেয়েছিল রাংতা। ইচ্ছে করলে সে তো নোটটা কুড়িয়ে নিজের জামার পকেটে লুকিয়ে ফেলতে পারত। কিন্তু সে তা তো করেনি। সে নোটটা রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যাঁর নোট তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছিল। সে চোর হলে কি দিত? কক্ষনও না। মিথ্যে বলব না, যাঁর নোট তিনি খুশি হয়ে রাংতার হাতে একটি সন্দেশ দিয়েছিলেন। পুজোর পেসাদ। বলেছিলেন, ‘খা।’ ছেলেটার তাতেই কী আনন্দ। পেসাদের সন্দেশ মুখে পুরে তার সে কী ফুর্তি। অবশ্য পেসাদ খেয়ে পেট না ভরলেও মনে মনে সে ভেবেছিল, ঠাকুরকে চোখে দেখতে না পেলেও তার পুজোর পেসাদ তো সে পেয়েছে। পেসাদ তো আর কেউ কেড়ে নিতে পারছে না। পেসাদ এখন তার পেটের ভেতর। পূজারিরও সাধ্যি নেই কেড়ে নেওয়ার।
যেদিন এই পূজারি তাকে মন্দির থেকে বার করে দিয়েছিলেন, সেইদিন থেকেই পূজারির ওপর ভীষণ খাপ্পা হয়ে আছে রাংতা। সেদিন থেকেই মনে মনে সে ফন্দি এঁটে রেখেছে, মন্দির থেকে বার করে দেওয়ার শোধ একদিন তুলবেই সে। কিন্তু কেমন করে শোধ তুলবে, রাংতার জানা নেই। কেন না, পূজারি তো মন্দির থেকে এক পা ও কোথাও নড়েন না। না-বেরোন রাস্তায়, না-যান বাজারহাটে। রাস্তায় একা পেলে তবেই না রাংতা শোধ তুলতে পারে।
মন্দিরের সিংহাসনে কোন ঠাকুর বসে আছেন, জানে না রাংতা। জানার দরকার নেই। জানবার চেষ্টাও করে না। শুধু কেমন করে সোনার ঠাকুর কথা বলেন, সেইটা জানার জন্যেই তার মন আকুলি-বিকুলি করে। অবিশ্যি দুগ্গা পুজোর সময় রাস্তায় রাস্তায় ঠাকুরের ছড়াছড়ি। রাংতা একটার পর একটা দুগ্গা ঠাকুর দেখে বেড়ায়। আপত্তি করে না কেউ। যেখানে ইচ্ছে চলে যাও, যত খুশি ঠাকুর দেখো, কেউ তাড়িয়ে দেয় না। কিন্তু সেসব ঠাকুরকে সে কোনওদিন কথা বলতে শোনেনি। দুগ্গা মায়ের হরেকরকম মূর্তি। হরেক রকমের সাজগোজ। কিন্তু তিনি তো মুখ টিপে দাঁড়িয়েই থাকেন। মুখে মুচকি মুচকি হাসি ভেসে বেড়াচ্ছে। সে-মুখে কথা নেই। একেবারে বোবা। অথচ মন্দিরের ঠাকুর যে কেমন করে কথা বলেন, কে জানে!
ওমা! ওই দ্যাখো পূজারি। রাস্তায় বেরিয়েছেন। কোথায় চললেন অমন হনহনিয়ে? দেখতে পেয়েছে রাংতা। ওঁর জন্যেই তো রাংতা ওত পেতে বসে আছে। দেখার একেবারে সঙ্গে সঙ্গে রাংতাও ওঁকে ধরতে ছুটল।
হ্যাঁ, রাংতা ধরে ফেলেছে। আর রক্ষে নেই। এবার দু’জনে লেগে গেল বুঝি। রাংতা পূজারির পথ আটকে একেবারে সামনে দাঁড়িয়ে পড়ল। চেঁচিয়ে উঠল, “এবার কোথায় যাবেন পূজারিঠাকুর?”
পূজারি একেবারে থতমত খেয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। রাংতাকে দেখে ধমক মারলেন, “তোর আস্পদ্দা তো কম নয়, আমার পথ আটকাস!”
রাংতাও তেমনই মেজাজ দেখিয়ে উত্তর দিল, “পথটা কি আপনার কেনা?”
পূজারি ধাতানি দিলেন, “সর আমার মুখের সামনে থেকে!”
“উঁঃ! চোখ রাঙাচ্ছেন? ভাবছেন, চোখ রাঙালেই আমি সরে যাব?” আগে বলুন, কেন সেদিন আপনি আমাকে মন্দির থেকে বার করে দিয়েছিলেন?”
“বেশ করেছিলুম।”
“বেশ আমিও করতে পারি।”
“তুই তো কড়িফটকা। তোর তো চেয়েচিন্তে দিন চলে। মন্দিরে ঢুকে ঠাকুর দেখতে হলে পয়সা ফেলতে হয়। তোর সে মুরোদ নেই। তার ওপর তুই বেজাত, না কুজাত কেউ জানে না। বেজাত হয়ে মন্দিরে ঢুকে ঠাকুর দেখলে চোখদুটো যে অন্ধ হয়ে যাবে তোর!”
“মানে?” যেন চমকে উঠল রাংতা। রাগে আগুন-জ্বলা চোখদুটো তার দপ করে নিভে গেল। বেজাত কাকে বলে জানে না রাংতা। সে বেজাত, না কুজাত, একথাটাও তার জানা নেই। ঠাকুর দেখতে হলে পয়সা দিতে হয়, সেটা না হয় জানে না সে। তবে কি, ওই যারা সকাল-সন্ধে মন্দিরে ঢুকছে, তারা বেজাত নয়! রাংতা চিৎকার করে উঠল, “তবে ওরা কী জাত?”
চিৎকার করে যাঁকে জিজ্ঞেস করল সেই পূজারি উত্তর দিলেন, “ওরা উঁচু জাত।”
“আর আমি।”
“তোর জাত নেই।
না, সে আর কথা বলল না পূজারির সঙ্গে। পূজারি চলে গেলেন গজগজ করতে করতে। একটা চাপা কষ্ট রাংতার বুকের ভেতর তোলপাড় শুরু করে দিল। সে অনেক কষ্টে সামলে রাখে নিজেকে।
ঠিকই তো, মন্দিরে ঢুকে রাংতা যদি সত্যিই অন্ধ হয়ে যায়, তবে যে সে ভয়ানক বিপদের কথা। অন্ধ মানে চারদিক অন্ধকার। এক পা-ও নড়া-চড়ার জো থাকবে না। মা-বাবার মুখদুটি সে দেখতে পাবে না। কে জানে, পূজারির কথা সত্যি, না মিথ্যে। অবশ্য রাস্তায় রাস্তায় সে অনেক ঠাকুর দেখেছে, কই সে তো অন্ধ হয়ে যায়নি। তবে সেসব ঠাকুর মাটির। আর মন্দিরের ঠাকুর সোনার। সোনার ঠাকুর বলেই কি সে ঠাকুর কথা বলেন! সোনার ঠাকুরের দিকে তাকালেই কি তার মতো যাদের জাত নেই, তাদের চোখ ঝলসে অন্ধ হয়ে যায়!
হঠাৎ একদিন রাংতা দেখে মন্দিরের গায়ে গায়ে আলোর মালা পরানো হচ্ছে। অনেক লোক এদিক ওদিকে ফুলে ফুলে সাজিয়ে দিচ্ছে মন্দিরটা। মন্দিরের ভেতরে কত লোক ঢুকছে, বেরোচ্ছে। একটা যেন মচ্ছব লেগে গেছে। বুঝতে পারে না রাংতা কীসের জন্যে এত তোড়জোড়। ইচ্ছে থাকলেও সে মন্দিরের ত্রিসীমানা মাড়ায় না। দূর থেকে দ্যাখে। দূর থেকেই যত ভাবনা উঁকি দেয়।
পরের দিনই হঠাৎ ঘটা করে কাঁসর ঘণ্টা বেজে উঠল। সেদিন রাত্রেই যত আলো মন্দিরের সারা গায়ে ঝলমলিয়ে জ্বলে উঠল। দলে দলে লোক মন্দিরের আনাচে-কানাচে, ভেতরে-বাইরে জমায়েত হল। হইহই পড়ে গেল চারদিকে। আচ্ছা, এই ফাঁকে তো রাংতা লুকিয়ে লুকিয়ে মন্দিরের ভেতরে ঢুকে ঠাকুরের মূর্তিটা দেখে আসতে পারে! অন্তত পরখ তো করতে পারে সে অন্ধ হয় কি না!
ঠিক এই সময়ে হঠাৎ একটা হট্টগোল শুরু হয়ে গেল। কেন? ভয়ে অমন চিৎকার-চেঁচামেচি করে কারা! এই সন্ধে-রাতে অমন পড়িমরি করে মানুষ কেন ছুটে বেরিয়ে আসছে মন্দিরের ভেতর থেকে। মন্দিরের মাথার চুড়োর গা ছুঁয়ে দাউ দাউ করে বেরিয়ে আসছে কালো ধোঁয়া। ছেয়ে যাচ্ছে চারদিকে। মন্দিরে আগুন লাগল নাকি। হ্যাঁ, ওই তো চারদিকে শিখা দেখা যাচ্ছে। ওই তো, চারদিকে মানুষের আর্তনাদ শুরু হয়ে গেছে, “বাঁচাও! বাঁচাও!”
দেখছিল রাংতা দূর থেকে। ছুটে এল সে। সামনেই পূজারি। ভিড়ের মধ্যে হাঁসফাঁস করছেন। ভিড় ঠেলে বেরোতে পারছেন না মন্দিরের দরজার বাইরে। আগুনের মুখের সামনে দাঁড়িয়ে রাংতা পূজারির হাতটা ধরে টানতে লাগল। এখন পূজারির কাছে জাত-বেজাত বলে কিছু নেই। তিনি প্রাণে বাঁচতে চান। সুতরাং তিনি হাত বাড়িয়ে দিলেন রাংতার দিকে। ওই অত লোকের জটলা থেকে পূজারি বেরিয়ে এলেন রাংতার হাতের টানে। তারপর একে একে আরও কতজনকে রাংতা টেনে টেনে বার করে আনল আগুনের মুখ থেকে। এমনকী ওই ভিড় টপকে ঢুকে গেল মন্দিরের ভেতরে। আগুন! আগুন! মন্দিরে আগুন লেগে গেছে। গিলে খাচ্ছে সব। এই আগুনের বিপদকে অগ্রাহ্য করে ও খুঁজছে আরও মানুষকে। আশ্চর্য, ছেলেটার নিজে মরার ভয় নেই। মন্দিরের আরও ভেতরে কেন যায় ছেলেটা! আর তো কেউ নেই মন্দিরের ভেতরে। তুই বেরিয়ে আয়! নইলে মরবি!
কে বলল, আর কেউ নেই। মন্দিরের ভেতরে ঠাকুর আছেন। তোমরা নিজেরা বাঁচলে, তাঁকে বাঁচাতে হবে না? যাঁকে এতদিন পুজো করেছ কিছু পাওয়ার আশায়, আজ তাঁকে একলা ফেলে পালাচ্ছ? কী স্বার্থপর তোমরা।
হঠাৎই তার নজর পড়ে গেল সোনার ঠাকুরের দিকে। চারদিকে আগুন। তার আঁচ লাগছে। আগুনকে তুচ্ছ করে সেইদিকেই ছুটে গেল রাংতা। আগুনের জ্বলন্ত আলোয় এই প্রথম সে দেখল মন্দিরের ঠাকুরকে। পলকে থমকে দাঁড়াল সে। সে হাত বাড়াল। সোনার ঠাকুরকে সে তুলে নিল হাতের মুঠিতে। তারপর ছুটতে ছুটতে বেরিয়ে এল রাংতা মন্দিরের বাইরে। পুড়েছে, তার হাত পুড়েছে। পা পুড়েছে। তবু সে ঠাকুরকে পুড়তে দেয়নি। ছুটতে ছুটতে সে চেঁচাতে লাগল, “পূজারিমশাই আপনার ঠাকুর।”
কই পূজারি?
পূজারিমশাইকে ডাকতে ডাকতে তার গলা ভাঙল। পূজারিমশাইয়ের দেখা নেই। কোনও সাড়াও নেই। মানুষটা গেলেন কোথায়?
এল দমকল। আগুনের সঙ্গে যুদ্ধ করার আগেই মন্দিরের চুড়োটা ভেঙে ধসে গেল। সোনার ঠাকুরের সাজানো সিংহাসন পুড়ে ছাই হয়ে গেল। মন্দির এখন যেন একটা ধ্বংসস্তূপ। রাতের অন্ধকারে ধিকিধিকি আগুনে ধুঁকছে। হয়তো আর-কিছুক্ষণ পরে আগুনও দেখা যাবে না। দেখা যাবে রাশি রাশি ছাই। ছড়িয়ে আছে। নয়তো হাওয়ায় উড়ছে।
এখন আর একটি মানুষও সেখানে দাঁড়িয়ে নেই। রাত হয়েছে গভীর। সব সুনসান। শুধু একটা ছেলে একলাটি খুঁজে বেড়াচ্ছে পূজারিকে। তার নাম রাংতা। তার হাতে সোনার ঠাকুর। এইসময় কোনও লোভী মানুষ যদি দেখতে পায় রাংতাকে, তবে নির্ঘাত ছিনিয়ে নেবে সোনার মূর্তিটি। তাই সে মূর্তিটি লুকিয়ে ফেলেছে জামার নীচে। কেউ আর দেখতে পাচ্ছে না।
না, দেখতে পেয়েছিলেন একজন। ওই যে দ্যাখো, পোড়া-মন্দিরের একটা ভেঙে-পড়া দেওয়ালের আড়ালে একটি মানুষ। স্পষ্ট দেখা যায় না, তবু মনে হয় মানুষটির চোখে জল চিকচিক করছে। রাংতাও দেখতে পেয়েছে তাঁকে। এ কী! এ যে পূজারি! কাঁদছেন?
রাংতা তার জামার নীচ থেকে সোনার মূর্তিটি বার করে পূজারির চোখের সামনে ধরে বলে উঠল, “পূজারিমশাই, আপনি এখানে? এই যে আপনার ঠাকুর। আমি মন্দিরের ভেতর থেকে উদ্ধার করে এনেছি। আপনার ঠাকুর আপনাকে দেব বলে কখন থেকে খুঁজছি। এই নিন!”

পূজারি হাত বাড়ালেন। ঠাকুরটি তুলে নিলেন নিজের হাতে।
রাংতা বলল, “পূজারিমশাই, আমি কিন্তু অন্ধ হইনি। বলুন, অন্ধ হলে কি আমি আপনাকে খুঁজে পেতুম! এই যে, দেখুন না, আমার চোখে আলো।” বলে রাংতা বসে পড়ল পূজারির সামনে, ছাই-এর ওপর।
পূজারি রাংতাকে জড়িয়ে ধরলেন। এতক্ষণ যে জল তাঁর চোখে চিকচিক করছিল, এখন তা অশ্রুধারায় ঝরে পড়ল তাঁর গাল বেয়ে মাটিতে। তিনি কোনও কথা বলতে পারলেন না। সজল চোখে অন্ধকারে রাংতার চোখদুটো খুঁজতে লাগলেন। দেখতে পেলেন কি না, কে জানে!
কিন্তু রাংতা দেখতে পেয়েছিল পূজারির চোখদুটি। সে চোখে জল। অবাক হয়ে গেল রাংতা। মনে মনে ভাবল মানুষটা কাঁদছেন কেন? কেন কাঁদেন তাকে জড়িয়ে ধরে? উত্তর পায়নি রাংতা।

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন