পাখিমের আকাশ

শৈলেন ঘোষ

বাড়িটা যেমন বড়, তেমনই সুন্দর। দোতলায় মস্ত বারান্দা। জাফরি-ঘেরা। কত রকমের ফুলের কারিকুরি জাফরির গায়ে। অঢেল আলো ছড়িয়ে পড়ছে জাফরির ফাঁক দিয়ে। বারান্দার ওপর ছুটে আসছে বাতাস। দেখা যাচ্ছে, সামনেটা ফাঁকা, ওপরে আকাশ। এখানে ওখানে গাছের ছড়াছড়ি। সবুজ আর সবুজ। গাছে গাছে কত পাখি। শূন্য আকাশে তারা খেলা করছে। আলোয় নাচছে। গান গাইছে। তাদের কাকলি ভেসে যায় এদিকে ওদিকে। ছড়িয়ে পড়ে ওই বারান্দাতে।

এই বারান্দাতেও থাকে একটা পাখি। তবে সে আকাশে উড়তে পারে না। আলোয় নাচতে পারে না। এমনকী গানও গাইতে পারে না। কারণ, সে একটা খেলনা পাখি। মাটির তৈরি। রং দিয়ে আঁকিবুকি করা। সারা গা। চোখদুটো তার নীল। ঠোঁটদুটো তার হালকা লাল। সবুজ ডানা। তাতে লালের আঁচড়। কোথাও হলুদ রঙের ছিটে। হলুদ-লালের ফাঁকে যেন জুঁইফুলের ছবি আঁকা। তাকে কেউ বলবে না পাপিয়া, কি পিউ। মৌটুসকি বা টুনটুনি। আকাশে কত পাখি ওড়ে। সে তেমন না। সে ছিল অন্যরকম আর-এক পাখি। তাই সবাই ডাকত তাকে পাখিম বলে। বুঝি, খেলনা-পুতুল বলেই তার এমন নাম।

হ্যাঁ, সত্যি বটে পাখিম খেলনা-পুতুল। কিন্তু এখন আর কেউ খেলা করে না তার সঙ্গে। মাটির পুতুল? দুর! দুর! এখন বুঝি কেউ খেলা করে মাটির পুতুল নিয়ে! এখন সব কত রকমের পুতুল এসেছে বাজারে। তাদের পেটের মধ্যে কলকবজা বসানো। মানুষ-পুতুল হাঁটছে। পাখি-পুতুল পালকের ডানা নাড়ছে। ভালুক-পুতুল বাঁশি বাজাচ্ছে। আর হাবদা-গোবদা ডাইনোসোর একবার হাঁ করছে, আর একবার বন্ধ করছে। কত বড় হাঁ রে বাবা! একটা আস্ত মানুষকে এই বুঝি গিলে খায়!

তা, পাখিম তো এইটুকুনি একটা মাটির পুতুল। তার সঙ্গে ওইসব পাখির তুলনা করাই মিথ্যে। তবে হ্যাঁ, পুতুল, সে পুতুলই। তার পেটে যতই যন্ত্র বসাও, সে তো আর সত্যি-সত্যি হাঁটতে পারে না। পারে না, মানুষের মতো চলতে ফিরতে! কিংবা সত্যি পাখির মতো আকাশে উড়তে! মানুষ ফুল আঁকতে পারে ঠিকই। কিন্তু সেই ফুলের গন্ধে মৌমাছি তো উড়ে আসে না।

যাক গে, যাক গে, ওসব কথা থাক। কথা বললেই কথা বাড়ে। আর, কথা বাড়লেই আসল কথা চাপা পড়ে যায়। আসলে, পাখিম নামে পাখিটার পেটের মধ্যে কলকবজা ছিল না বটে, কিন্তু অন্য একটা জিনিস ছিল। ছিল তার বুকের ভেতর। একটা মন। আমাদেরও সবার মন আছে। আছে বলেই না আমাদের এটা ভাল লাগে। ওটা দেখতে ইচ্ছে করে। এটা খাই, ওটা চাখি। তা, ওই পাখিমের বুকে আমাদের মতো মন ছিল বলে, তার চোখের তারায় আলোও ছিল। বারান্দার ওইখানটায় দেখা যাচ্ছে একটা দেরাজ। বইভর্তি। পাখিম থাকত এই দেরাজের ওপর। দেরাজের মাথার ওপর বসে বসে সে দেখতে পেত আকাশটা। দেখতে পেত গাছ-গাছালি। কত পাখি। আকাশে উড়ছে। গাছে গাছে খেলছে। তার মন বলত, আহা রে, সে-ও যদি উড়তে পারত! কিন্তু তা তো হবার নয়। পুতুল, সে পুতুলই। মিথ্যে তার ওড়ার শখ। অগত্যা এইখানেই বসে থাকো। একলাটি দ্যাখো আকাশ। জাফরির ফাঁকে ফাঁকে। যতটুকু চোখে পড়ে। এতবড় বাড়িটায় সারাদিন ধরে কত মানুষের আনাগোনা। কত হাসি। কত কথার কলকলানি। শুধু পাখিমের মুখেই কুলুপ আঁটা। বেচারি!

একদিন হল কী, ওই মস্ত বাড়িটা হঠাৎ কেমন নিঃঝুম হয়ে গেল। কোনও সাড়া নেই, শব্দ নেই! হাঁক নেই, ডাক নেই! বাড়ির মানুষগুলো গেল কোথায়? গেল তারা বেড়াতে। পাহাড়ে। সে তো আর পাখিম জানে না। সে তো জানে না, সারা বাড়িতে তালা পড়েছে। খাঁ-খাঁ করছে সারা বাড়ি। সে যদি দেরাজের মাথা থেকে নামতে পারত এখন! লাফিয়ে! তা হলে ভারী মজা হত। সে মনের আশ মিটিয়ে এখানে ওখানে ছুটত, বাড়ির ভেতরে। ছুটত, না-হয় উড়ত। ধ্যাত! উড়বে কেমন করে! সে তো নড়তেই পারে না। ওহো, তা-ও বটে! তবে থাকো দেরাজের মাথায় বসে। বসে বসে স্বপ্ন দ্যাখো আকাশে ওড়ার।

এমন সময় একদিন একটা কাণ্ড হল। হল কী, একটা কাক কোত্থেকে উড়ে জাফরির ফাঁকে এসে বসে পড়ল। বোধহয় জানতে পেরেছে, বাড়িতে কেউ নেই। কাকের চোখ তো। ভারী মুশকিল ফাঁকি দেওয়া। হয়তো দেখলে, এখন কাছেপিঠে কোনও কাক নেই। তুমি হয়তো সেই তক্কে ফেলে দিলে মাছের কাঁটা-পোঁটা ময়লা ফেলার জায়গায়। অমনই কোথাও কিছু নেই, চোখের পলকে ঝাঁকে ঝাঁকে কাক এসে হাজির। কোথায় যে ছিল কে জানে! এসেই লাগিয়ে দেবে কাড়াকাড়ি, ঝটাপটি, মারামারি। আর কান ফাটানো ক্যাক-ক্যাকানি, কা-কা। তবে এ-বাড়িতে যে কেউ নেই, মনে হয়, অন্য কাকেরা জানতে পারেনি এখনও। বোধহয় জানতে পেরেছে এই কাকটা, একাই। একাই এসে তাই উঁকিঝুঁকি মারছিল জাফরির ফাঁকে বসে। তার মাথা হেলছে এদিক ওদিক। চোখ ঘুরছে সামনে যেদিক। হঠাৎ থমকে গেছে তার চোখের চাউনি। হঠাৎ সে দেখতে পেয়েছে পাখিমকে। দেরাজের ওপর। একদৃষ্টে দেখছে। দেখতে দেখতে আচমকা ডেকে উঠেছে, ‘কা-আ-আ!’

কাকের ডাক শুনে পাখিমও চমকে তাকাল তার দিকে। ভাবল তাকে ‘কা’ বলে ডাকছে।

কাকও দেখে, পাখিমও দেখে।

দেখতে দেখতে পাখিমের ভারী ইচ্ছে হল কাকের সঙ্গে ভাব করতে।

এর আগে পাখিম কখনও কথা বলেনি কারও সঙ্গে। তবে কথা বলতে শুনেছে। তা, সে তো মানুষের কথা। মানুষের কথা শুনতে শুনতে অনেক কথা জমা আছে তার মনের ভেতরে। ইচ্ছে করলে সে মানুষের মতো কথা বলতেও পারে। কিন্তু মানুষের মতো কথা বললে কাক কি বুঝতে পারবে? নাই বুঝুক। বলেই দেখা যাক না। তাই সে চিনচিনে গলায় মানুষের মতোই বলে উঠল, “হাই আমার নাম ‘কা’ কেন হবে! আমার নাম পাখিম।”

কাকটা, মনে হয়, তার কথা বুঝল না। তাই আবার ডেকে উঠল, “কা-কা-আ-আ।”

পাখিম এবার খিলখিল করে হেসে ফেলল। হাসতে হাসতে বলল, “না, বাবা না। আমার নাম ‘কা-কা’ও নয়। আমার নাম পাখিম, পাখিম।”

ওমা! কাকটাও যে মানুষের মতো কথা কয়ে উঠল, “দুর হ, তোকে ‘কা-কা’ নাম ধরে ডাকব কেন! দেখছিলুম তুই কী বলিস। তুইও তা হলে কথা বলতে পারিস?”

আশ্চর্য, ‘দুর হ’ কথাটা শিখল কোথা থেকে কাক?

কেন, কাকটা তো কম দিন মানুষকে দেখছে না। দেখলে মনে হয় যথেষ্ট বয়েস হয়েছে কাকের। এই বয়সে নির্ঘাত মানুষের তাড়া খেয়েছে অনেকবার। কে না জানে, কাকেদের সবচেয়ে পছন্দের জায়গা রান্নাঘর। মাছভাজার গন্ধটা কাকেদের নাকে ঢোকে কোত্থেকে? এই রান্নাঘর থেকেই তো! তখনই তো কাকেরা উড়ে আসে রান্নাঘরের জানলার আলসেতে। বসে বসে এমনই কা-কা করে। তখন কার না রাগ ধরে বলো! বাড়ির গিন্নিমাই তো তখনই ‘দুর হ, দুর হ’ বলে তেড়ে যান। এই কাকটা সেই কথাটি বোধহয় রান্নাঘর থেকে শিখেছে।

তা, কাকের মুখে কথা শুনে পাখিম প্রথমটা একটু থতমত খেয়ে গেছল। সে উত্তর দেবার আগেই কাক জিজ্ঞেস করলে, “তুই কথা কইতে শিখলি কোথায়?”

পাখিম এবার আর থতমত খেল না। বেশ সাহস করেই বলল, “কথা বলতে আমি এখানেই শিখেছি। কথা বলতে পারি, অন্যের কথা বুঝতে পারি। চোখের পাতা নেড়ে দেখতেও পারি। শুধু নিজে নিজে নড়তে পারি না। তাই, চুপটি করে এখানেই বসে থাকি। বসে বসে দেখি, আকাশ। দেখি, তোমরা সব ডানা দুলিয়ে ওড়াউড়ি করছ। আমি শত চেষ্টা করেও ডানা নাড়তে পারি না। আমারও খুব উড়তে ইচ্ছে করে আকাশে। তোমাদের মতো। আকাশটা কত বড় গো?”

“ভাবা যায় না!” কাক উত্তর দিল।

“মানে?” অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল পাখিম।

“মানে, ভয়ানক বড়!”

“কতখানি উঁচু?”

“ভয়ানক, ভয়ানক উঁচু!”

পাখিমও ভয়ানক হতভম্ব হয়ে জানতে চাইল, “তা তুমি যে ওই ভয়ানক উঁচুতে উড়ে বেড়াও, তোমার ভয় করে না?”

পাখিমের কথা শুনে কাক কী জোর হেসে উঠল এবার। তারপর বলল, “নাহ্ তোকে নিয়ে আর পারি না। তুই হাঁদার একখানা। ওরে আকাশে ওড়ার জন্যেই তো আমাদের জন্ম। আর, আকাশে উড়তে না পারলে মানুষ কবেই আমাদের মেরেধরে শেষ করে ফেলত। জানিস, মানুষ পাখির মাংস খায়!”

“কাকের মাংসও খায়?”

“না।”

কাকের কথা শুনে পাখিম স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। বলল, “সেই যা বাঁচোয়া।”

কাক বলল, “তবে একটা কথা শুনে রাখো, মানুষ আমাদের মাংস খায় না বটে, তবে তাল পেলেই আমাদের মারবার জন্যে ইট ছোড়ে।”

“তা হলে বলো, আমি খুব ভাগ্যবান?”

পাখিমের কথা শুনে কাক খুব রেগে গেল। বলল, “তোর মুন্ডু? ভাগ্য, না ছাই। ভাগ্যটা দেখলি কোথায়? চোপরদিন দেরাজের মাথায় বসে আছিস মুখ গুঁজে। আমাদের মতো উড়তেও পারিস না। ঘুরতেও পারিস না। তুই কি পাখি? তুই একটা মাটির ডেলা।”

ছিঃ! কাক তাকে মাটির ডেলা বলল! মনটা তার ভারী খারাপ হয়ে গেল। মন খারাপ হলেই বা কী করা! কথাটা তো মিথ্যে নয়। তবে হ্যাঁ, মিথ্যে না হলেও খোঁটা দিয়ে কথা বলাটা কি কাকের ঠিক হল? তা, তুমি যদি ট্যারাকে খোঁটা দিয়ে ট্যারা বল, কিংবা খোঁড়াকে বল খোঁড়া, তবে তার দুঃখ হতেই পারে। আর, এখন তাই পাখিমের মনটা খারাপ হল বলে সে চুপ করে গেল।

কাক তো কম চালাক নয়। মাটির ডেলা বলার জন্যে পাখিমের মনে যে কষ্ট হয়েছে, সে বুঝতে পেরেছে। তাই পাখিমকে তুষ্ট করার জন্যে সে হেসে উঠল। বলল, “মাটির ডেলা বললুম বলে রাগ করলি?”

পাখিম উত্তর দিল, “না, রাগ করব কেন! আর রাগ করলেই বা কার কী! কে আর আমার তোয়াক্কা করছে। সত্যিই তো, আমি তো আর তোমার মতো কোনও দিনই উড়তে, ঘুরতে পারব না। কাজেই মিথ্যে রাগ করে লাভ কী!”

“তা যা বলেছিস”, উত্তর দিল কাক, “মাটির পুতুলকে কেউ পাত্তা দেয় না। তবে হতিস যদি সোনায় গড়া পাখি, দেখতিস খাতির কাকে বলে!”

“কেন? মাটির চেয়ে সোনার বুঝি অনেক দাম?”

“দাম মানে! কোথায় মাটি আর কোথায় সোনা! দামের তুলনা হয় না রে! মাটির কিছু দাম নেই। কিছু না।” উত্তর দিল কাক।

“আচ্ছা, আমি সোনায় গড়া হলে তোমার মতো উড়তে পারতুম?” উৎসাহে আটুপাটু হয়ে জিজ্ঞেস করল পাখিম।

কাক উত্তর দিল, “তা অবশ্য পারতিস না।”

“তবে?” কেমন যেন হতাশ হয়ে জিজ্ঞেস করল পাখিম।

“তোকে তখন কি কেউ এমন করে দেরাজের মাথায় ফেলে রাখত? নাকি তোর গায়ে ধুলো পড়তে দিত? তখন তুই থাকতিস সিন্দুকের ভেতরে। তোর তখন কত যত্ন।” উত্তর দিল কাক।

“সিন্দুকের ভেতর থেকে আকাশ দেখতে পেতুম?”

“দুর বোকা, সিন্দুকের ভেতরে আকাশ কোথায় পাবি!”

“আলো?”

“আলো, বাতাস, গাছ, পাখি, কিছু নেই সেখানে। কিছুই দেখতে পেতিস না।” উত্তর দিল কাক, “বন্ধ সিন্দুকের কপাট খুলে এসব কিছুই ঢুকতে পারে না। চাবি আঁটা বন্ধ।”

“তবে আমি সোনার পাখি না-হয়ে ভালই আছি। দামি সোনার চেয়ে আমার গায়ের এই মাটিই ভাল। যেখানে আকাশ নেই, আলো নেই, গাছ নেই, পাখি নেই সেই সিন্দুকে থাকতে চাই না আমি। আমি উড়তে না পারি, এই দেরাজের মাথায় বসে বসে দেখতে তো পাচ্ছি তোমাদের, দু’চোখ ভরে। কাক, সিন্দুকের ভেতরে বন্দির যত্ন চাই না আমি। আমি আকাশকে ভালবাসতে চাই।” বলতে বলতে পাখিমের চোখ যেন ছলছল করে উঠল।

এ কী! এ কী! হঠাৎ এ কী হল!

কী হল?

পাখিমের কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোথায় গেল সেই কালো কাক? এ যেন সামনে দাঁড়িয়ে এক আলোর মেয়ে। ছোট্ট। কী অপরূপ দেখতে তাকে! তার মুখে হাসি। তবে কি এই আলোর মেয়ে এতক্ষণ কাকের ছদ্মবেশে তাকে পরীক্ষা করছিল? পাখিম হতভম্ব হয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইল।

আলোর মেয়ে হাত বাড়াল। বলল, “পাখিম, আমার সঙ্গে চলো।”

পাখিম ভাঙা ভাঙা গলায় জিজ্ঞেস করল, “কোথায়?”

“আকাশে।” সে উত্তর দিল, “যে ভালবাসে আকাশকে, তাকে ভালবাসে আকাশও। আমি আকাশের আলোর মেয়ে। তাই, আমি তোমাকে নিয়ে যাব আকাশের বুকে।”

“কিন্তু আমি যে উড়তে পারি না!” জড়িয়ে আসে পাখিমের গলার স্বর।

“আমার হাত ধরলেই তুমি উড়তে পারবে। আমার হাত ধরলেই তোমার গায়ের মাটি খসে পড়বে। নরম রঙিন পালকে তোমার গা ভরে যাবে। আমার হাত ধরো।”

বলতে না-বলতেই পাখিম হাত ধরল আলোর মেয়ের। দ্যাখো! দ্যাখো! যেন শিউরে উঠল পাখিমের সারা শরীর! শিউরে উঠল তার বুকের ভেতরের সেই মন। পলক পড়ার আগেই সে একটি রঙিন পাখি হয়ে গেল। উড়ে গেল আকাশে। আলোয় দুলতে দুলতে কোথায় যে হারিয়ে গেল, আর দেখা গেল না।

সকল অধ্যায়
১.
কাক্কাবোক্কার বিয়ের পদ্য
২.
ইতিমিচিসাহেবের স্বপ্নের গাধা
৩.
কাক্কাবোক্কার টোক্কা ফক্কা
৪.
কাক্কাবোক্কার কান্নাকাটি
৫.
কাক্কাবোক্কার গানের জলসা
৬.
ইতিমিচিসাহেবের ছাগলি-মা
৭.
কাক্কাবোক্কার বায়নাক্কা
৮.
কাক্কাবোক্কার ঘাড়ে ভূত
৯.
পিঠ নিয়ে পিঠোপিঠি
১০.
কাক্কাবোক্কার কাণ্ড বটে
১১.
গল্পের নাম ফিক
১২.
কাক্কাবোক্কার ভুতুড়ে কাণ্ড
১৩.
ইতিমিচিসাহেবের ঘোড়া
১৪.
রাজা বাপ্পাহুহুর দাড়ি
১৫.
ছি ছি, এ কী কাণ্ড
১৬.
ইতিমিচিসাহেবের নাচানাচি কাণ্ড
১৭.
আচ্ছা আজব ইচ্ছে বটে
১৮.
রগড় নিয়ে কাণ্ড জবর
১৯.
ইতিমিচিসাহেবের আম্মা বিল্লি
২০.
ভগবানের হাত
২১.
তাক্কাদুম
২২.
চ্যাং ঝোলা
২৩.
স্বপ্ন দেখি রূপকথায়
২৪.
দস্যি সেই ছেলেটি
২৫.
পাখিমের আকাশ
২৬.
সোনা-ঝুরঝুর হাসি
২৭.
ছুম আর ছবি
২৮.
টুক্‌কির ফুলবাগানে
২৯.
চাঁদ আর পাপুই
৩০.
কালো বেড়ালের গুপ্তধন
৩১.
মায়ের সোনা ছেলে আফজল
৩২.
এক বুড়ো আর একটি পাখি
৩৩.
আজবদেশের নাচন-পাখি
৩৪.
একলা ডিঙি যখন একা
৩৫.
সেই যে আলো নীল
৩৬.
আকাশের দুই বন্ধু
৩৭.
তিনটে বুড়োর গল্প
৩৮.
ভেলকির নাম ঘোড়া
৩৯.
বন্ধুর নাম কাকের ছানা
৪০.
টুং-এর বন্ধু ঝুমঝুমি
৪১.
উড়ুক্কু ভূত
৪২.
ঘণ্টা বাজে টুংটাং
৪৩.
সময়ের জাদুখেলা
৪৪.
আমি শূন্য
৪৫.
কেউ জানে না কে চোর
৪৬.
একটি মেয়ের গল্প
৪৭.
শুধুই গল্প অদ্ভুতুড়ে
৪৮.
আলোর সন্ধান
৪৯.
সোনার ঘণ্টা
৫০.
সে এক ভেলকি
৫১.
সুন্দর যাকে বলি
৫২.
সর্দার
৫৩.
বেড়াল-বাঁদর-গাধা আর লোকটা
৫৪.
রুমঝুম নূপুরের রূপকথা
৫৫.
হো-বুড়োর খুদে বন্ধু
৫৬.
ভালবাসি পশুপাখি
৫৭.
বুক্কুটা তা বলে বোক্কা নয়
৫৮.
ছোট্ট পাখি আর কেঁদো বাঘ
৫৯.
যার যা সাজে না
৬০.
কানকাটা বাঘ
৬১.
একটা গান শেখাবে
৬২.
হ্যাংলা
৬৩.
কুক্কু আর হাঁসছানা
৬৪.
ছোট্ট পাখি টুনটুন
৬৫.
ছাগল-বুড়োর মামা
৬৬.
চাচার গানে নাচানাচি
৬৭.
একটা ছিল নেংটিছানা
৬৮.
টুক্কুর হাসি
৬৯.
হুম-চক্‌কা
৭০.
কাণ্ড বটে আজব
৭১.
পিড়িং-পিড়িং গঙ্গাফড়িং
৭২.
একটা বুদ্ধু নেংটি
৭৩.
বনমানুষ না ভালুক
৭৪.
তিড়িং-তিড়িং পাখিটা
৭৫.
কীসের থেকে কী
৭৬.
গল্পের রং রকম রকম
৭৭.
দাদু ভুলে গেছে
৭৮.
মুক্তো আছে কোন ঝিনুকে
৭৯.
নীল গোলাপের গল্প
৮০.
ডাকু
৮১.
অদ্ভুত সেই ঘোড়ার গল্প
৮২.
সে কী আনন্দের দিন
৮৩.
আলোর ভোর
৮৪.
রাংতা
৮৫.
মুক্তো-আঁকা
৮৬.
ইয়াসিনের চিঠি
৮৭.
গুড়িয়া
৮৮.
ছই একটি মেয়ের নাম
৮৯.
মায়ের জন্য একটি গোলাপ
৯০.
এই সুন্দর পৃথিবীতে
৯১.
স্বপ্নের ঝলমলে আলো
৯২.
সাগরের বন্ধু জানলা
৯৩.
রহস্য
৯৪.
ফিকির ভাবনা
৯৫.
নির্দোষ দুই বন্দি
৯৬.
রতন
৯৭.
রোদ ঝিলমিল
৯৮.
রহস্যের নাম সুন্দরী
৯৯.
ঝড়ের বনে আতঙ্ক
১০০.
কুয়াশার তিন সঙ্গী
১০১.
মায়ের ডাকা নামটি
১০২.
ভোরের আলো ফুটছে
১০৩.
ভালবাসার পৃথিবী
১০৪.
এ সময়ের গল্প
১০৫.
উত্তর পাইনি এখনও
১০৬.
অরুর বিকেল হারিয়ে গেল
১০৭.
মিষ্টি হাসির খেলনা
১০৮.
ম্যাজিক
১০৯.
বন্ধ ঘরে কান্নার শব্দ
১১০.
পাকা ধানের গন্ধ
১১১.
সেতুপারের বন্ধুরা
১১২.
সুলতান
১১৩.
তুসি জাদু জানে
১১৪.
তিত্তি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%