বন্ধুর নাম কাকের ছানা

শৈলেন ঘোষ

এক ছিল ঠাম্মা। ঠাম্মা বললেই তো মনে হয়, বুঝি থুত্থুরে এক বুড়ি। আমাদের ঠাম্মা বুড়ি বটে, তবে থুত্থুরে বলা যাবে না। অবিশ্যি অনেকদিন বেঁচে থাকলে সে অন্য কথা। এখনও ঠাম্মা চলতে-ফিরতে টাল খায় না। ঘরকন্নার কাজ করতে বেহালও হয় না। এমনকী, আজকের যা করার কাজ, কালকে তা করব বলে ফেলে রাখে না।

ঠাম্মার সব ভাল। তবে সব মানুষের যা হয়। ভালয়-মন্দে মানুষ। বাড়িতে একা। একা থাকতে থাকতে মেজাজটা একটু তিরিক্ষে হয়ে গেছে, এই যা। তবে এমন তিরিক্ষে নয় যে, কাউকে না-পেলে ঘরের দেওয়ালের সঙ্গেই খটামটি লাগিয়ে দেবে! নিঃসঙ্গ মানুষের এই এক জ্বালা। কাজকম্ম সেরে হালকা মনে দুটো কথা কইবার কেউ না থাকলে ভাল লাগে?

তা বলব কী, ঠাম্মার এমনই বরাত, হঠাৎ একদিন তার কথা বলার একজন মানুষ জুটে গেল। একটি মেয়ে। সে-ও এক কাণ্ড বটে!

মেয়েটার এমন কিছু বয়স নয়। খুব বেশি হলে দশ-টশ হবে। এখন তো তার খেলাধুলো করার সময়। এখন সে ছুটবে, ছুটতে ছুটতে পড়বে। গান গাইবে। নাচবে। আর সময় হলেই বই-খাতা ব্যাগে নিয়ে ইস্কুলে যাবে। কিন্তু দুঃখের কথা কী, তা আর হয়নি তার। সে যে কোথায় ছিল, কোথা থেকে কোথায় এসেছে, কেন এসেছে কিছুই মনে করতে পারে না। আসলে তার মনে রাখার কলকবজাগুলোই আলগা হয়ে গেছে। বলতে পারো, মেয়েটা একেবারেই মনভোলা।

মনভোলা হলে যা হয়, আপনমনে পথে-ঘাটে ঘুরে বেড়ায়, আর চেয়ে-চিনতে পেট ভরায়। রাত হলে যেখানে মাথার ওপর ছাউনি দেখে, সেখানে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এমনকী, বাবা-মাকেও মনে পড়ে না।

তো হয়েছে কী, মেয়েটা একদিন ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে ঠাম্মার বাড়ির দোরগোড়ায় বসে বসে জিরোচ্ছিল। বাড়ির দোর বন্ধই ছিল। এমন সময় ঠাম্মা কী-না-কী কাজে বেরোবে বলে দোর খুলতেই মেয়েটাকে দেখতে পেয়েছে। তা বলতে নেই, মেয়েটা দোরগোড়ায় বসেছিল বলে ঠাম্মা ধমকা-ধমকি করেনি। উলটে নরম গলায় জিজ্ঞেস করেছিল, “কে রে তুই?”

মেয়েটা ভয়ে ধড়ফড় করে উঠে পড়েছে। ভাগ্য ভাল, সব কিছু ভুলে গেলেও সে তার নামটা ভুলে যায়নি! ভয় পেলে মানুষের কথা বলতে যেমন গলা কাঁপে, তেমনই কাঁপা গলায় সে বলে উঠল, “আমি কুট্টু।”

“এখানে কী করছিস?”

“পা ব্যথা করছে, তাই একটু বসে জিরিয়ে নিচ্ছি।”

“কোথায় থাকিস তুই?”

মেয়েটা ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল ঠাম্মার মুখের দিকে। কোনও উত্তরই দিতে পারল না।

“কী রে, কোথায় থাকিস বলছিস না কেন?”

মেয়েটা সে-কথা আর কানে না নিয়ে সেখান থেকে চলে যাবার জন্যে পা বাড়াল।

ঠাম্মা যেতে দিল না। তার পথ আটকাল। একটু চড়া স্বরেই বলল, “তুই পালিয়ে বেড়াচ্ছিস, না?”

মেয়েটা উত্তর দিল, “আশ্চর্য, আমি পালিয়ে বেড়াব কেন? আমি তো হেথাহোথা ঘুরে বেড়াই।”

“কেন, হেথাহোথা ঘুরে বেড়াস কেন? ঘর-বাড়ি নেই? মা-বাবা নেই?”

মেয়েটার মুখখানা ফ্যাকাশে হয়ে গেল।

“বল, কে বকেছে? মা বকেছে? না, বাবা বকেছে? কার ওপর রাগ করে পথে-ঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছিস?”

ঠাম্মার এই কথা শোনামাত্র তার চোখের দৃষ্টি যেন কোন দূরে, অনেক দূরে ভেসে গেল মুহূর্তে। তারপর সেই চোখের পাতা উছলে নেমে এল কান্নার জল। সেই কান্না দু’ হাত দিয়ে চোখে চেপে ধরে সে বলে উঠল, “আমায় ক’টা পয়সা দেবে?”

“কেন, কী করবি?”

“খিদে পেয়েছে, কিছু কিনে খাব।”

“আয়, আমার সঙ্গে! ঘরে আয়!” বলে ঠাম্মা মেয়েটার হাত ধরল। নিজের বাড়ির ভেতরে নিয়ে গেল।

“বস!” বলে মেয়েটার জন্যে মেঝের ওপর একটা আসন বিছিয়ে দিল।

মেয়েটা আসনে বসে ঘরের চার দেওয়ালে চোখ বোলাতে লাগল।

মেয়েটাকে দেখে ঠাম্মার কী মনে হয়েছিল সে ঠাম্মাই জানে। মেয়েটার হাত ধরে চানঘরে নিয়ে গেল। গায়ের ময়লা ধুয়েমুছে নতুন পোশাক পরিয়ে দিল। আর বলল, “তোকে আর রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে হবে না। এখন তুই আমার কাছে থাক। দেখি তোর বাবা-মা’র খোঁজ পাই কি না।”

না, অনেক চেষ্টা করেও বাবা-মার খোঁজ পেল না ঠাম্মা। অগত্যা মেয়েটা থেকেই গেল ঠাম্মার কাছে। যাক, তবু ভাল, ঠাম্মাকে আর মুখ বুজে বসে থাকতে হয় না। কথা বলার মতো একজন তো জুটে গেল! শুধু কথা বলা কেন, মেয়েটাকে ঘরকন্নার কাজেও তো লাগানো গেল!

তা, ঘরকন্নার কাজে লাগালে কী হবে, ওই তো ছোট্ট মেয়ে, সে আর কত পারবে! তুমি যদি গনগনে উনুনে হাঁড়িভর্তি জল বসাতে বলো সে পারবে কেন? কিংবা ধরো বস্তাভর্তি ঘাস মাঠ থেকে কেটে মাথায় নিয়ে ঘরে আনতে বলো, সে কাজ তার সাধ্যে কুলোবে কী করে? বলতে কী এই সব অসাধ্য কাজই ঠাম্মা তাকে দিয়ে করাত। আর এসব কাজ করতে যত কষ্টই হোক, সে মুখ বুজে করার চেষ্টা করত।

অবিশ্যি, ঠাম্মা বলতেই পারে, খেতে দিচ্ছি, পরতে দিচ্ছি, থাকতে দিচ্ছি, তার বদলে ঘরের এটা-ওটা কাজ তো তোমায় করতেই হবে। সে ভাল, কিন্তু তাই বলে ভারী ভারী কাজ! আর শুধু কাজই বা তাকে দিয়ে করাবে কেন, বই কিনে দাও! পড়াশোনাও করুক মেয়েটা। সেটাও তো তুমি দেখবে!

না, সে-কথা ভাবে না ঠাম্মা।

আর মনভোলা মেয়েটা যত কষ্টই হোক ঠাম্মার হুকুম শুনলেই ভয়ে থম মেরে যায়। ঠাম্মা যেটা করতে বলে তৎক্ষণাৎ সেটা করার জন্যে হাত লাগিয়ে দেয়। সে জানে, পানের থেকে চুন খসলেই ঠাম্মার চিৎকার শুরু হয়ে যাবে। তা হোক, রাস্তায় রাস্তায় ঘোরার থেকে এখন তো সে অনেক ভাল আছে। ঠাঁই মিলেছে। দু’বেলা দু’মুঠো খেতে পাচ্ছে। তা কাজ করতে গেলে একটু-আধটু ভুল হতেই পারে। ভুল হলে দুটো মন্দ কথা শুনতেই হয়। সুতরাং মুখ বুজেই সে ঠাম্মার মন্দকথা শুনত।

তা মনভোলা মেয়েটার, ভাল-মন্দ মেশানো দিনগুলো ঠাম্মার ঘরে এমনই করে কেটে যাচ্ছিল। ঠিক এরই ফাঁকে হঠাৎ একটা কাণ্ড ঘটে গেল। হল কী, একদিন সে দোকান থেকে কী যেন কেনার জন্যে রাস্তায় বেরিয়েছে। রাস্তার এপার থেকে ওপারে যেই গেছে, দেখে সামনের ওই বটগাছটার নীচে একটা কাকের ছানা পড়ে আছে। পড়ে পড়ে ডানা ঝাপটাচ্ছে। সেটা যে তার বটগাছের বাসা থেকে পড়েছে, তা আর কে না জানে।

মনভোলা মেয়েটা সঙ্গে সঙ্গে তাকে তুলে নিয়ে ছুটল বিলের ধারে। তার মুখে মাথায় জল দিয়ে, ছানাটাকে চাঙ্গা করল। আবার বটগাছের নীচে নিয়ে গিয়ে, তাকে ছেড়ে দিল। কিন্তু ছানাটা উড়তেই পারল না। এমনকী ছানার মা পর্যন্ত ছানাটাকে নিতে এল না। মেয়েটা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল সেখানে। কিন্তু বৃথাই দাঁড়ানো। অগত্যা ছানাটাকে নিয়ে চলল নিজের আস্তানায়, ঠাম্মার কাছে।

তা-ও যদি পিউ-পাপিয়া, দোয়েল-টিয়ার ছানা হত! মেয়েটার হাতে কাকের ছানা দেখেই ঠাম্মার গা ঘিনঘিন করে উঠেছে! ঠাম্মা শুরু করে দিল তড়পানি। ঝাঁঝিয়ে উঠল, “মরণদশা! আর কিছু পেলি না। কাকের ছানা ঘরে ঢুকিয়েছিস! এমন ইল্লুতে মেয়ে তো আমি জন্মে দেখিনি। যা, এক্ষুনি ফেলে দিয়ে আয়!”

এত দিন পরে আজই প্রথম সে ঠাম্মার কথা অমান্য করে বলে উঠল, “ছানাটা গাছের বাসা থেকে পড়ে মাটিতে ডানা ঝাপটাচ্ছিল। বেচারার খুব লেগেছে। আমি মাথায়-মুখে জল দিতে একটু সুস্থ হল। এখনও উড়তে পারে না। একটা দিন আমার কাছে থাক। কাল ভাল হয়ে গেলে নিশ্চয়ই উড়তে পারবে। তখন ছেড়ে দেব।”

মেয়ের কথা শুনে ভীষণ রেগে গেল ঠাম্মা। মেয়েকে যা ইচ্ছে তাই বলে ধাতিয়ে উঠল, “আমার কথার ওপর কথা বলছিস! তোর সাহস তো কম নয়! তুই কোথাকার কে জানি না। ফ্যাফ্যা করে রাস্তায় ঘুরছিলি। আমি ঘরে ঠাঁই দিলুম। এখন আমাকেই অমান্য করছিস! যা, এক্ষুনি ফেলে দিয়ে আসবি কাকের ছানা। নইলে আমার বাড়িতে তোর থাকা হবে না।”

মেয়েটা আর কথা বাড়াল না। কাকের ছানাটা যেমন তার হাতে ছিল তেমনই হাতে নিয়ে সে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। সেই যে বেরোল আর ফিরল না। কোথায় যে গেল ঠাম্মা তার হদিসই করতে পারল না। এদিকে ওদিকে ছোটাছুটি করল অনেক। একে-ওকে জিজ্ঞেসও করল। কিন্তু কিছুতেই কিছু হল না। সেই মনভোলা মেয়েটা ঠাম্মার কথা ভুলে হারিয়ে গেল অজানা পথে।

এই ভাল যে, এবার সে একা নয়। সঙ্গে একটি সঙ্গী আছে। একটি কাকের ছানা। তবে, এ সঙ্গীটির ওপরও কোনও ভরসা নেই। এখনও উড়তে পারে না। তার ওপর বেটক্কা গাছ থেকে পড়ে গেছে। লেগেছে। দু’দিন পরে সে তো আর সঙ্গী থাকবে না। ঠিক উড়ে যাবে। কে আর কবে শুনেছে, কাক গাছের বাসা ছেড়ে মানুষের হাতে বাসা বাধে। সুতরাং তখন আবার একা হয়ে যাবে মেয়েটা। একাই ঘুরবে পথে পথে। সেই আগের মতো।

আর ঠিক তা-ই। একদিন কাকের ছানাটা উড়তে শিখে গেল। একদিন মেয়েটার হাত থেকে সে ফুড়ুত করে উড়ে গেল। কিন্তু মেয়েটা কোনও দুঃখ পেল না। সঙ্গীহারা হয়ে তার চোখ দিয়ে একফোঁটাও জল গড়াল না। উলটে সে হাসল। হাসতে হাসতে নিজের মনে বলল, “আকাশই তো ওর বন্ধু, ওর সঙ্গী। এই ভাল, সে আমায় ছেড়ে আসল সঙ্গীর সন্ধান পেয়ে গেছে।”

তারপর সেই দুই সঙ্গী, মেয়েটা আর সেই কাকের ছানা, দু’জনই দু’জনের চোখের আড়ালে হারিয়ে গেল।

তা, তুমি যাই বলো দুঃখ যে মেয়েটা একেবারেই পায়নি, তা বলা যাবে না। কিছুই নয়, তুচ্ছ একটা কাকের ছানা। ঠাম্মা তাকে ঘেন্না করল বলেই তো ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে হল তাকে।

সে আর কী করা যাবে! তাই বলে তুমি তো আর কাকের ছানাকে দুষতে পারো না। তাকে ধরে-বেঁধেও রাখতে পারো না। রাখবেই বা কেন? অন্যকে কষ্ট দিলে নিজেকেই যে কষ্ট পেতে হয়!

এইসব নানান কথা ভাবতে ভাবতে মেয়েটা নদীর ধারে এসে বসল। নদীর জলে টুপুর-টাপুর ঢেউ উঠছে। মাঝদরিয়ায় নৌকো ভাসছে। মাঝি হাল ধরে গান গাইছে, আর মেয়েটা ভাবছে, আহা, মাঝি যদি তীরে এসে তাকে ডাকে! ডেকে বলে, এসো আমার নৌকোয়। চলো আমার সঙ্গে সাগরে, তা হলে কী মজা হয়!

হ্যাঁ, তাকে ডাকল। মাঝি নয়, একটা কাকের ছানা। সে চমকে তাকিয়ে দেখে, তাকেই ডাকছে সে কা-কা বলে। আকাশে উড়তে উড়তে। তারপরেই সে ঝপ করে নেমে বসে পড়ল তার বন্ধুর কোলে। মেয়েটা জড়িয়ে ধরল তাকে। আদর করল। আদর করতে করতে দু’ চোখ ভরে জল উপচে পড়ল তার আনন্দে। দাঁড়িয়ে পড়ল সে। ছানাটাকে ধরে দু’ হাত বাড়িয়ে দিল আকাশের দিকে। হাতের মুঠি খুলে গেল তার। কাকের ছানা উড়তে লাগল। উড়তে উড়তে ঘুরতে লাগল। মেয়েটা তাই দেখে হাসছে, না-হয় নাচছে। নাচতে নাচতে সে হাঁক পাড়ল, “ও মাঝি, তুমি কি একবার তীরে আসবে তোমাৱ নৌকো নিয়ে? আমার বন্ধুকে নিয়ে আমি সাগরে যেতে চাই! তুমি কি নিয়ে যাবে?”

মাঝি তীরে নৌকো ভেড়াল। গান থামিয়ে মেয়েটার মুখের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল খানিক। তারপর দোনোমনা করে জিজ্ঞেস করল, “তুই কুট্টু না?”

“হ্যাঁ।”

“ওমা! তুই এখানে এলি কেমন করে?” জিজ্ঞেস করল মাঝি। তারপর বলল, “তোর মা-বাবা তোকে হন্যে হয়ে খুঁজছে যে!”

আশ্চর্য, হঠাৎ যেন সেই মনভোলা মেয়েটার একে একে সব মনে পড়ে গেল। সে চিনতে পারল সেই মাঝিকে। এই নদী যে তাদের গ্রামের গা ছুঁয়ে বয়ে চলেছে, সেটাও সে খেয়াল করতে পারল।

মাঝি ব্যস্ত হয়ে বলল, “আয়, আয় নৌকোয় উঠে আয়। আমি তোকে তাদের কাছে পৌঁছে দিই।”

মেয়েটা খুশিতে উদ্বেল হয়ে বলল, “ওগো মাঝিভাই, এখন তো আমি একা নই, আমার এক বন্ধু আছে। সে-ও যাবে আমার সঙ্গে।”

“কই তোর বন্ধু? কোথায়?”

“ওই তো আকাশে উড়ছে।”

“ওটা তো একটা কাকের ছানা।”

“ওই কাকের ছানাই আমার বন্ধু। ওই বন্ধুই আমার সঙ্গে যাবে। তোমার আপত্তি নেই তো?”

মাঝি বলল, “আমার কেন আপত্তি হবে। তবে কাকের ছানা কেমন করে তোর বন্ধু হল, সেটা ভেবেই আমি আশ্চর্য হচ্ছি।”

মেয়েটা বলল, “সে-গল্প তোমাকে নৌকোয় দুলতে দুলতে বলব। এখন তুমি যদি বলো, আমার বন্ধুকে তবে ডাকি।”

“ডাক।”

বন্ধুকে ডাক দিল মেয়েটা। কাকের ছানা নেমে এল শূন্য থেকে মেয়েটার কোলে। তারপর নৌকোয় চড়ে দুলতে দুলতে ভেসে চলল সেই কাকের ছানা বন্ধুর দেশে। কী মজার দোলনা।

সকল অধ্যায়
১.
কাক্কাবোক্কার বিয়ের পদ্য
২.
ইতিমিচিসাহেবের স্বপ্নের গাধা
৩.
কাক্কাবোক্কার টোক্কা ফক্কা
৪.
কাক্কাবোক্কার কান্নাকাটি
৫.
কাক্কাবোক্কার গানের জলসা
৬.
ইতিমিচিসাহেবের ছাগলি-মা
৭.
কাক্কাবোক্কার বায়নাক্কা
৮.
কাক্কাবোক্কার ঘাড়ে ভূত
৯.
পিঠ নিয়ে পিঠোপিঠি
১০.
কাক্কাবোক্কার কাণ্ড বটে
১১.
গল্পের নাম ফিক
১২.
কাক্কাবোক্কার ভুতুড়ে কাণ্ড
১৩.
ইতিমিচিসাহেবের ঘোড়া
১৪.
রাজা বাপ্পাহুহুর দাড়ি
১৫.
ছি ছি, এ কী কাণ্ড
১৬.
ইতিমিচিসাহেবের নাচানাচি কাণ্ড
১৭.
আচ্ছা আজব ইচ্ছে বটে
১৮.
রগড় নিয়ে কাণ্ড জবর
১৯.
ইতিমিচিসাহেবের আম্মা বিল্লি
২০.
ভগবানের হাত
২১.
তাক্কাদুম
২২.
চ্যাং ঝোলা
২৩.
স্বপ্ন দেখি রূপকথায়
২৪.
দস্যি সেই ছেলেটি
২৫.
পাখিমের আকাশ
২৬.
সোনা-ঝুরঝুর হাসি
২৭.
ছুম আর ছবি
২৮.
টুক্‌কির ফুলবাগানে
২৯.
চাঁদ আর পাপুই
৩০.
কালো বেড়ালের গুপ্তধন
৩১.
মায়ের সোনা ছেলে আফজল
৩২.
এক বুড়ো আর একটি পাখি
৩৩.
আজবদেশের নাচন-পাখি
৩৪.
একলা ডিঙি যখন একা
৩৫.
সেই যে আলো নীল
৩৬.
আকাশের দুই বন্ধু
৩৭.
তিনটে বুড়োর গল্প
৩৮.
ভেলকির নাম ঘোড়া
৩৯.
বন্ধুর নাম কাকের ছানা
৪০.
টুং-এর বন্ধু ঝুমঝুমি
৪১.
উড়ুক্কু ভূত
৪২.
ঘণ্টা বাজে টুংটাং
৪৩.
সময়ের জাদুখেলা
৪৪.
আমি শূন্য
৪৫.
কেউ জানে না কে চোর
৪৬.
একটি মেয়ের গল্প
৪৭.
শুধুই গল্প অদ্ভুতুড়ে
৪৮.
আলোর সন্ধান
৪৯.
সোনার ঘণ্টা
৫০.
সে এক ভেলকি
৫১.
সুন্দর যাকে বলি
৫২.
সর্দার
৫৩.
বেড়াল-বাঁদর-গাধা আর লোকটা
৫৪.
রুমঝুম নূপুরের রূপকথা
৫৫.
হো-বুড়োর খুদে বন্ধু
৫৬.
ভালবাসি পশুপাখি
৫৭.
বুক্কুটা তা বলে বোক্কা নয়
৫৮.
ছোট্ট পাখি আর কেঁদো বাঘ
৫৯.
যার যা সাজে না
৬০.
কানকাটা বাঘ
৬১.
একটা গান শেখাবে
৬২.
হ্যাংলা
৬৩.
কুক্কু আর হাঁসছানা
৬৪.
ছোট্ট পাখি টুনটুন
৬৫.
ছাগল-বুড়োর মামা
৬৬.
চাচার গানে নাচানাচি
৬৭.
একটা ছিল নেংটিছানা
৬৮.
টুক্কুর হাসি
৬৯.
হুম-চক্‌কা
৭০.
কাণ্ড বটে আজব
৭১.
পিড়িং-পিড়িং গঙ্গাফড়িং
৭২.
একটা বুদ্ধু নেংটি
৭৩.
বনমানুষ না ভালুক
৭৪.
তিড়িং-তিড়িং পাখিটা
৭৫.
কীসের থেকে কী
৭৬.
গল্পের রং রকম রকম
৭৭.
দাদু ভুলে গেছে
৭৮.
মুক্তো আছে কোন ঝিনুকে
৭৯.
নীল গোলাপের গল্প
৮০.
ডাকু
৮১.
অদ্ভুত সেই ঘোড়ার গল্প
৮২.
সে কী আনন্দের দিন
৮৩.
আলোর ভোর
৮৪.
রাংতা
৮৫.
মুক্তো-আঁকা
৮৬.
ইয়াসিনের চিঠি
৮৭.
গুড়িয়া
৮৮.
ছই একটি মেয়ের নাম
৮৯.
মায়ের জন্য একটি গোলাপ
৯০.
এই সুন্দর পৃথিবীতে
৯১.
স্বপ্নের ঝলমলে আলো
৯২.
সাগরের বন্ধু জানলা
৯৩.
রহস্য
৯৪.
ফিকির ভাবনা
৯৫.
নির্দোষ দুই বন্দি
৯৬.
রতন
৯৭.
রোদ ঝিলমিল
৯৮.
রহস্যের নাম সুন্দরী
৯৯.
ঝড়ের বনে আতঙ্ক
১০০.
কুয়াশার তিন সঙ্গী
১০১.
মায়ের ডাকা নামটি
১০২.
ভোরের আলো ফুটছে
১০৩.
ভালবাসার পৃথিবী
১০৪.
এ সময়ের গল্প
১০৫.
উত্তর পাইনি এখনও
১০৬.
অরুর বিকেল হারিয়ে গেল
১০৭.
মিষ্টি হাসির খেলনা
১০৮.
ম্যাজিক
১০৯.
বন্ধ ঘরে কান্নার শব্দ
১১০.
পাকা ধানের গন্ধ
১১১.
সেতুপারের বন্ধুরা
১১২.
সুলতান
১১৩.
তুসি জাদু জানে
১১৪.
তিত্তি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%