অশোককুমার মিত্র, প্রসাদরঞ্জন রায়
হাজারিবাগ শহর থেকে বেরিয়ে বড়োবাজারের দিক থেকে এসে গোরস্থানের পাশ দিয়ে গিয়ে লালমাটির উঁচু-নীচু করোগেটেড একটা পথ মেঘের মতো গোন্দা বাঁধকে ডান দিকে রেখে চলে গেছিল টুটিলাওয়া হয়ে সীমারিয়ার দিকে৷ সেই পথেই হাজারিবাগ থেকে মাইল তিনেক গেলেই একটি লালমাটির পায়ে-চলা পথ ঝাঁটিজঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এঁকেবেঁকে গিয়ে শীর্ণ বোকারো নদী পেরিয়ে পৌঁছে গেছিল কুসুমভা বস্তিতে৷ বনাদাগ থেকে দু-আড়াই মাইল পথ হবে৷
পথের দু-পাশে বেশিই শালের এলোমেলো চারাগাছ আর ঝাঁটিজঙ্গল, যাতে অগণ্য কালি তিতির বর্ষার দুপুরে কোমরসমান উঁচু ঝোপে বসে ডাকত৷ তিতির এমনিতে জমিতে চরে বেড়াতেই ভালোবাসে, কিন্তু কালি তিতিরদের স্বভাব দেখে মনে হত তারা ব্যতিক্রম৷
এই কুসুমভা গ্রামের কথাই আছে বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সুবোধ ঘোষ মশায়ের লেখাতে৷ তাঁর যৌবনে তিনি এই পথেই চাতরার রুটের বাসে কনডাক্টর ছিলেন কিছু সময়ে৷ তখন যে-পথ দিয়ে বাস চাতরা যেত, তাকে-আমি যে-সময়ের কথা বলছি, প্রায় ৫০ বছর আগের কথা-বলত ওল্ড চাতরা রোড৷ ওই সমস্ত এলাকাই গভীর জঙ্গলময় ছিল, কিন্তু ওল্ড চাতরা রোড তখন কেউই ব্যবহার করতেন না বলে তার দু-পাশের জঙ্গল ছিল ভয়ানক৷ সেই চাতরা রোডেই সুবোধবাবু বাসের সামনে একটি বাঘের বাচ্চা দেখতে পেয়ে তাকে তুলে আনেন, পোষেন এবং তার নাম দেন 'বিলি'৷ এই বিলি পরে বড়ো হয়ে বিপজ্জনক হয়ে ওঠাতে প্রতিবেশীদের অনুরোধে উনি তাকে ওই কুসুমভা গ্রামে এনে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেন, মস্ত একটি অশ্বত্থ গাছের তলায়৷ সেই অশ্বত্থ গাছ আমিও দেখেছি ১৯৫০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০ দশকের শেষ অবধি৷ তার নীচে একটি বনদেবতার থান ছিল৷ গাঁয়ের মানুষেরা পুজো দিত৷ আর তার আগে গ্রামের ভিতরেই ছিল মস্ত একটি তেঁতুল গাছ৷ যার তলাতেই কাড়ুয়ার সঙ্গে আমার প্রথমবার আলাপ হয়৷
কাড়ুয়া ছিল কাকতাড়ুয়ার মতো দেখতে৷ সাড়ে পাঁচ ফিট মতো লম্বা, মাথায় কদমছাঁট চুল৷ কিন্তু পেছনে চার ইঞ্চি একটি টিকি-যা সে দৌড়ে গেলে বা এলে, লাফাতে থাকত৷ কাড়ুয়ার মুখ ছিল শ্রীহীন৷ কিন্তু তার ধবধবে দাঁত থার্টি-টু অল-আউট করে সে যখন হাসত, তখন সে-যে ভারি সরল এবং ভালো একজন মানুষ, তা বুঝতে কারোই অসুবিধে হত না৷ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের বন-পাহাড়ে, নদীতে, হ্রদে, নানা মানুষের সংস্পর্শে এসেছি গত ষাট বছরে, কিন্তু কাড়ুয়ার মতো জঙ্গলের মানুষ খুব কমই দেখেছি৷
তার পরনে থাকত হাঁটু অবধি খেটো মোটা ধুতি৷ গা প্রায় খালিই থাকত গরমের সময়ে৷ বর্ষাতেও৷ শীতে আমাদেরই কারও দেওয়া পুরোনো জামা বা গেঞ্জি৷ তার কাঁধে থাকত তার মুঙ্গেরি একনলা নড়বড়ে গাদা বন্দুকটা৷ তাতে 'হুম্মচকে' বারুদ ঠেসে, তার মুখে সিসের গুলি দিয়ে পেছনে পারকাসান-ক্যাপ লাগিয়ে বন্দুকের ঘোড়া তুলে ঘোড়া দাবত৷ জন্তুজানোয়ারের 'রাহান-সাহান', হাল-হকিকত তার নখদর্পণে ছিল৷ মাটির দেওয়াল, খাপরার চালের মাটির মেঝের ঘরে থাকত সে, গ্রামের পথের একপাশের একসার ঘরের একটি ঘরে৷ তার স্ত্রী ছিল, ছেলে-মেয়েও ছিল, কিন্তু সে সংসারী আদৌ ছিল না৷ তার সংসার যে কী করে চলত, তাই ছিল এক রহস্য আমাদের কাছে৷ তার জমিজমা বলতেও প্রায় কিছুই ছিল না৷ আমরা যারা ওকে ভালোবাসতাম, তারাও আর সারা বছর তাকে দেখতে পারতাম না৷ যখন যখন যেতাম তখন তখন যতটুকু পারি করতাম৷
কাড়ুয়ার দারিদ্র্য, তার জাগতিক সব অসুবিধের কোনোকিছুই তাকে ছুঁতে পারত না৷ সে ছিল অরণ্যপুত্র৷ কুসুমভার সেই বনদেওতার থান পেরিয়ে একটু এগিয়ে গেলেই অরণ্যের শ্যামলিমা মনকে স্নিগ্ধ, প্রসন্ন এবং উদাস করে দিত৷ সেই জঙ্গলে আমরা যে কত কিছুই শিকার করেছি একসময়ে! রাতে পায়ে হেঁটে ঘুরে এবং দিনে ছোটো ছোটো হাঁকোয়া করে৷ নানা জাতের হরিণ, শুয়োর, শম্বর, নেকড়ে ও চিতা ছাড়াও তিতির, বটের, বনমুরগির ঘাঁটি ছিল সেই অরণ্য৷ সেই অরণ্যের শেষে এক দিগন্তবিস্তৃত টাঁড় ছিল৷ আকাশের সঙ্গে গিয়ে মিশেছিল সে টাঁড়৷ কাড়ুয়া সেদিকে দেখিয়ে বলত, 'তারও পরে আছে করণপুরার টাঁড়৷ সে এক স্বর্গরাজ্য৷' আমরা কখনো সেখানে যাওয়ার সময় করতে পারিনি৷ এমনকী কাড়ুয়া নিজেও নয়৷ করণপুরার টাঁড় আমাদের কাছে এক স্বপ্নই রয়ে গেছে৷ করণপুরার টাঁড়ের দিকে তাকিয়ে কাড়ুয়া উদাস হয়ে যেত৷
কাড়ুয়ার এক জিগরি দোস্ত ছিল, তার নাম ছিল টাবড়৷ টাবড়কে একটা মস্ত বড়ো দাঁতাল শুয়োর পেট ফাঁসিয়ে মেরে ফেলেছিল৷ এক গ্রীষ্মের দিনে সন্ধ্যে নামার আগে আগে কাড়ুয়া যখন বনাদাগ থেকে কুসুমভার দিকে আসছিল, তখন বোকারো নদীটা পায়ে হেঁটে পেরোবার সময়ে সে নাকি এক আশ্চর্য এবং দুঃসাহসী কাড়ুয়ার কাছেও ভয়াবহ এক দৃশ্য দেখেছিল৷ বোকারো নদীটা সেখানে শীর্ণ এবং তার নাম বোকারো হলেও, বোকারো তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে যে নদী, এ নদী সে নদী নয়৷ আমাদের দেশে একই নামের অগণ্য পাহাড় ও নদী আছে বিভিন্ন অঞ্চলে৷ এই বোকারো দুই উঁচু ও খাড়া পাড়ের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছিল৷ তার দু-দিকেই খোয়াই৷ ভরা বর্ষা ছাড়া অন্য সময় এ নদী প্রায় শুকনোই থাকত৷
আকাশে চতুর্দশীর চাঁদ উঠেছে৷ তবে সবে উঠেছে৷ সন্ধ্যে বেলায় তার আলো তেমন জোর হয়নি৷ কাড়ুয়া-নদীতে নামার সময়েই লক্ষ করল যে, তার পেটের নাড়িভুঁড়ি বের হওয়া উলঙ্গ টাবড় একটি শুয়োরের মৃতদেহের উপরে বসে আছে৷ তার মাথাতে লম্বা লম্বা এলোঝেলো চুল৷ তার হাতের নোখগুলো বিরাট লম্বা লম্বা আর তার দু-টি চোখ জ্বলছে ভাঁটার মতো৷ আর তার মাথার উপরে অনেকগুলো প্যাঁচা ঘুরে ঘুরে উড়ে উড়ে কিঁচি-কিঁচির করে ডাকছে৷
মুহূর্তের জন্যে ভয় পেলেও, কাড়ুয়া টাবড়ের নাম ধরে যেই ডেকে উঠল, অমনি তার চোখের সামনে থেকে সেই দৃশ্য উধাও হয়ে গেল৷ আর, একটা হায়না খুব জোরে ডাকতে ডাকতে নদীর বুক ধরে দূরে দৌড়ে গেল৷
তার বন্ধুর মৃত্যুর বদলা নেওয়ার জন্যে কাড়ুয়া তার মৃত্যুর পর থেকেই হন্যে হয়ে সেই শুয়োরটাকে খুঁজে বেড়াত, কিন্তু তখনও দেখা পায়নি৷
বোকারো নদীর বুকে সেই সন্ধ্যার ভৌতিক ঘটনা কাড়ুয়াকে আরও জেদি করে তুলল, বন্ধুর মৃত্যুর বদলা নেওয়ার জন্যে৷ টাবড়ও নিশ্চয়ই চায় যে, কাড়ুয়া প্রতিশোধ নিক, নইলে শুয়োরের উপরে সে বসে থাকবে কেন? তার মাংস খাবে কেন?
ভাবত কাড়ুয়া৷ কেবলই ভাবত৷
এক বর্ষার রাতে কাড়ুয়া তার মাটির ঘরে শুয়েছিল৷ বাইরে টিপ টিপ করে বৃষ্টি পড়ছিল৷ ঠান্ডা, ভেজা হাওয়া বইছে বাইরে বৃষ্টির কণা উড়িয়ে৷ তার গাদা বন্দুকটি মাটির ঘরের দেওয়ালে একটি গজালের গায়ে ঝুলছিল৷ হঠাৎই কাড়ুয়ার মনে হল-কে যেন ফিসফিস করে কথা বলছে৷ কান খাড়া করে শুনল কাড়ুয়া৷ ফিসফিসানিটা আসছিল তার বন্দুকের কাছ থেকে৷ বন্দুক বলছে, 'এ কাড়ু৷ কাড়ু হো!'
অবাক হয়ে কাড়ুয়া বন্দুকের দিকে চোখ তুলে তাকাল অন্ধকার ঘরে৷ বাইরে টিপ টিপ করে বৃষ্টি পড়েই যাচ্ছিল৷ বন্দুক আবার বলল, 'এ কাড়ু, শটি খেতোয়ামে বড়কা শুয়ার আওলথু৷ নয়া তালাওকি পাস৷'
গাঁয়ের শেষপ্রান্তে একটি নতুন পুকুর খোঁড়া হয়েছিল গত গ্রীষ্মে৷ তখনও জলে ভরেনি৷ নতুন বর্ষায় জল জমে তাতে কোমরসমান জল হয়েছে, লালমাটি-ধোওয়া ঘোলা জল৷ তারই পাশে গাঁয়ের লোকেরা অনেকখানি জায়গা নিয়ে শটি বুনেছে৷
কাড়ুয়া আর সময় নষ্ট না করে তার বন্দুকটা নামিয়ে নিয়ে, তাতে চার আঙুল বারুদ গাদল৷ তারপর একটা মস্ত বড়ো সিসের গোল গুলিও গাদল৷ তারপর একটা পারকাসান-ক্যাপ লাগিয়ে, বন্দুকটা ঘাড়ে নিয়ে, শাল কাঠের দরজার হুড়কো খুলে বেরিয়ে পড়ল নয়াতালাও-এর দিকে৷
খুব সন্তর্পণে গুটিগুটি পায়ে সেখানে পৌঁছে দেখল যে তার বন্দুক যা বলেছিল, তাই ঠিক৷ সেই মস্ত বড়ো শুয়োরটা খেত তছনছ করে শটি খাচ্ছে৷ মেঘ-ছেঁড়া চাঁদের আলোতে তার বিরাট সাদা দাঁত দু-টি একবার চিকচিক করে উঠল৷ শুয়োরটা মনোযোগ দিয়ে মুখ নীচু করে শটি খাচ্ছে৷ অন্য কোনোদিকেই তার নজর ছিল না৷ কাড়ুয়া বন্দুক বাগিয়ে এক-এক পা করে এগিয়ে গিয়ে, শুয়োরের 'কানপাট্টিয়ামে' নিশানা নিয়ে হুম্মচকে দেগে দিল তার বন্দুক৷ চিতপটাং হয়ে মাটিতে পড়ে চরকির মতো ঘুরপাক খেতে লাগল শুয়োরটা, ওঠবার বৃথা চেষ্টাতে৷ আবার তার গাদা বন্দুক ভরতে অনেক সময় লাগত৷ তবে কানে গুলি লাগাতে শুয়োরের আর ক্ষমতা ছিল না উঠে দাঁড়াবার৷ যতক্ষণ না শুয়োর নিথর হয়ে যায়, ততক্ষণ কাড়ুয়া সেখানে দাঁড়িয়ে তার বন্ধুর খুনির শেষযাত্রা দেখল খুশি হয়ে৷ টাবড়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে পেরে বড়ো খুশি হল কাড়ুয়া৷
একবার আমি আর আমার হাজারিবাগের বন্ধু গোপাল সেন, মহম্মদ নাজিম আর কাড়ুয়ার সঙ্গে হাজারিবাগ থেকে বাসে চাতরা হয়ে এক প্রচণ্ড শীতের শুক্লপক্ষের রাতে গয়া জেলার জৌরিতে এসে নামলাম৷ শীতার্ত রাতে ছোটো ঘুমন্ত জায়গা জৌরিতে এক গরিব মৌলবির বাড়িতে বাজরার রুটি আর মুরগির ঝোল কবজি ডুবিয়ে খেয়ে, খালি মাদ্রাসাতে খড়ের উপরে শুয়ে রাত কাটিয়ে, ভোর হবার আগেই গোরুর গাড়িতে করে ফল্গু নদীর দুই শাখানদী জাঁম আর ইলাজান পেরিয়ে, সিজুয়াহরা পাহাড়ের উপরে রঘু শাহ-র ভাণ্ডারে গিয়ে পৌঁছোলাম৷ যেখানে ডেঁটে নাস্তা করে, সারাদিন ছুলোয়া শিকার করলাম, কিন্তু একটিও পশুপাখি শিকার হল না৷ সারাদিন পাহাড়ে উপত্যকায় বন্দুক ঘাড়ে করে, প্রায় মাইল দশেক হেঁটে ভাণ্ডারে ফিরে, রাতের খাবার খেয়ে, আবার জৌরির উদ্দেশে রওনা হলাম৷ ভোরে পৌঁছে বাস ধরব হাজারিবাগের৷
আমরা তিন জন গোরুর গাড়ির উপরে আর কাড়ুয়া আমাদের পেছন পেছন তার বন্দুক কাঁধে ওই প্রচণ্ড ঠান্ডাতে খালি গায়ে গান গাইতে গাইতে আসতে লাগল৷ ইলাজান আর জাঁম নদীর কাছে পৌঁছোবার পরে, রেফ্রিজারেটরের দরজা খুললে যেমন ঠান্ডা ধোঁয়া বেরোয়, তেমন ধোঁওয়া বেরোতে লাগল৷ সেই দুই নদীও কাড়ুয়া খালি পায়েই পেরোল৷ ও জুতোতে অভ্যস্ত ছিল না৷ দু-দু-বার দেওয়া সত্ত্বেও সে পরেনি৷ খালি পায়েই কাঁকর, কাঁটা উপেক্ষা করে জঙ্গলে ঘুরে বেড়াত সে৷ গয়া জেলার চাঁদনি রাতের পঞ্চাশ বছর আগের সেই সফর যেন মনে হয় গতকালেরই কথা৷ কাড়ুয়ার সেই গানটি এখনও মনে আছে৷ ক-দিন আগে জি-টিভির 'খোলা মনে' অনুষ্ঠানেও ওই গানের কয়েক কলি গেয়েছি; 'তু কেহরো কচমচ ছাতি... তেরা সুরত দেখি মোরা বসল নজারিয়া হো বসল নজারিয়া...'
ভোররাতে জৌরিতে পৌঁছে কাড়ুয়া বলল, 'কব যাইয়েগা আপলোগ? করণপুরাকি টাঁড়মে?'
আজকে জঙ্গলের সাথ-সঙ্গী কাড়ুয়া নেই৷ নাজিমসাহেব নেই৷ আমার বন্ধু গোপালও নেই৷ কিন্তু চোখ বুঁজলেই যেন দেখতে পাই কাড়ুয়া আমার পাশে দাঁড়িয়ে করণপুরার টাঁড়ের দিকে আঙুল তুলে বলছে, 'ইকদফে টাইম লেকর আইয়ে, চলেগা হামলোগ সব মিলকর করণপুরাকি টাঁড়মে৷'
আমার টাইম আজকেও আছে৷ কিন্তু ওদের টাইম শেষ হয়ে গেছে৷ প্রত্যেকের জীবনেই এমন কিছু স্বপ্ন থাকে, যা পূরিত হয় না৷ কিন্তু সেই স্বপ্ন ঠিকই বেঁচে থাকে, যতদিন জীবন থাকে৷ যদিও জানি, আর হবে না করণপুরার টাঁড়ে যাওয়া৷ আজ করণপুরার টাঁড়ে হয়তো ঘিঞ্জি জনপদ হয়ে গেছে৷
সারা পৃথিবী বড়ো দ্রুত বদলে যাচ্ছে৷ কিন্তু কাড়ুয়ার করণপুরার টাঁড়ের স্বপ্নকে তো কেউই কেড়ে নিতে পারবে না৷ শুধু কাড়ুয়ার একারই-বা কেন? সে-স্বপ্ন তো আমারও ছিল৷ কাড়ুয়াই দেখিয়েছিল৷
শারদীয়া ১৪১২

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন