সমরের ষড়যন্ত্র

অশোককুমার মিত্র, প্রসাদরঞ্জন রায়

দু-বছর বাদে পুজোর ছুটিতে সমর দেশে এসেছে৷

অনেক রাত্তিরে স্টিমার এসে ঘাটে পৌঁছেছিল, তারপর সেখান থেকে নৌকো করে বাড়ি এসেছে আরও বেশি রাতে৷ কাজেই তখন আর সঙ্গীসাথি কারও সঙ্গে দেখা করবার ফুরসতও হয়নি, উপায়ও ছিল না৷

ভোর হতেই সে চোখ কচলে বট গাছতলার আড্ডার দিকে রওনা হচ্ছিল-ঠাকুমা পেছু ডেকে বললেন, 'সেই শেষ রাত্তিরে এলি, কিছু হাতে তুলে দিতে পারলুম না, কাক না ডাকতেই আবার বাড়ি ছেড়ে কোথায় চললি?'

সমর বলল, 'বা রে! দু-বছর পর বাড়ি এলাম-গণেশ, বঙ্কা, ছোটকা, পটলা ওদের সঙ্গে দেখা না করে বুঝি তোমায় পাহারা দিতে বসব?'

মিশি দেয়া ফোকলা দাঁতে ফিক করে হেসে ঠাকুমা বললেন, 'তেমন ভাগ্যি কি আমার হবে যে তোদের রাতদিন আমার চোখে চোখে রাখতে পারব? দিব্যি বড়ো বড়ো ঢ্যাপের মোয়া তৈরি করে রেখেছি৷ দু-বছর তো আর তোর হাতে তুলে দিতে পারিনি-আয় খাবি আয়!'

মাথা নেড়ে সমর বলল, 'কবে ছেলেবেলায় ঢ্যাপের মোয়া খেতাম, তাই তুমি মনে করে বসে আছ ঠাকুমা? কলকাতায় ফিরপোর কেক খেলে আর তুমি কথা কইতে পারতে না৷ এখনও আমার সুটকেসে এক ডজন আছে৷'

এই বলে সে হনহন করে বটতলার আড্ডার দিকে রওনা হল৷

ছেলেদের মজলিশ এরই মধ্যে জমে উঠেছে৷ বঙ্কা বলল, 'কী রে সমর, মহরমের লেঠেলের মতো ঘাড় ছাঁটাই করেছিস কেন? লাঠি খেলতে শুরু করলি নাকি?'

তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে সমর বলল, 'পাড়া গাঁয়ে থাকিস কিনা, একে বলে 'ববড হেয়ার'৷ কলকাতার বড়ো বড়ো সেলুনে লাট সাহেব থেকে শুরু করে আমরা পর্যন্ত সবাই সেইখানে চুল কাটাই৷ যদি যাস কখনো আমাদের রাজধানীতে তো দেখিয়ে দেব৷'

আর একটু বেলা হওয়ার সঙ্গেসঙ্গে দলের মোড়ল গণেশ এসে হাজির৷ বলল, 'এরই মধ্যে সবাই জুটে গেছিস? বেশ-বেশ! তাহলে ওই 'কুম্ভকর্ণের নিদ্রাভঙ্গ' পালাই ঠিক হল৷ আজ সন্ধ্যে বেলা সবাই আমাদের বৈঠকখানায় যাবি, সেইখানে কে কোন পার্ট নেবে ঠিক করা যাবেখন৷' সমর অবাক হয়ে বলল, 'সে কী রে গণেশ? 'কুম্ভকর্ণের নিদ্রাভঙ্গ' আবার কী?'

গণেশ তার দিকে তাকিয়ে বলল, 'আরে, সমর যে, কখন এলি? আজই বুঝি? বেশ, বেশ! তোর জন্যেও আমি পার্ট ঠিক করে রেখেছি৷'

সমর বলল, 'কীসের পার্ট? আমি তো ব্যাপার কিছুই বুঝতে পাচ্ছিনে!'

গণেশ বিজ্ঞের মতো মাথাটা একবার দু-দিকে দুলিয়ে বলল, 'আরে, আস্তে আস্তে সবই বুঝতে পারবি৷ আমরা পুজোর পরই 'কুম্ভকর্ণের নিদ্রাভঙ্গ' অভিনয় করব যে!'

উৎসাহে সমর লাফিয়ে উঠে বলল, 'আরে বলিস কী? তবে তো চমৎকার আইডিয়া বের করেছিস! কলকাতার শিশির ভাদুড়ির সমস্ত প্যাঁচ আমার মুখস্থ আছে, যখন যেটা বলবি লাগিয়ে দেব৷ শুনবি-?'

এই বলে সমর উঠে দাঁড়িয়ে হাত দুটো ওপরে তুলে-চিৎকার শুরু করে দিল-

'রঘুয়া, রঘুয়া, রঘুবীর নহি আর-'

বামুন পাড়ার দীনু খুড়ো দাঁতন করতে করতে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন৷ হঠাৎ একটি ছোকরাকে লাফিয়ে উঠে চিৎকার করতে দেখে এগিয়ে এসে বললেন, 'ওরে ছেলেটাকে পেঁচোয় পেলে নাকি রে? তোরা কেউ ছুটে গিয়ে চাঁড়াল পাড়া থেকে মেঘু ওঝাকে ডেকে নিয়ে আয়৷'

ব্যাপার শুনে সমরের সমস্ত রস এক মুহূর্তে জমে গেল৷

গণেশ সবাইকে ফিসফিস করে জানিয়ে দিল, 'চুপ! এখানে কারও আর কিছু বলবার দরকার নেই; নইলে দীনুখুড়ো এবার সত্যি সত্যিই মেঘু ওঝাকে ডেকে নিয়ে আসবে৷ সন্ধ্যে বেলা আমার বাসায়-মনে থাকে যেন৷ এখন যে যার বাড়ি যাও৷'

সেদিন অসময়ে শিশু মজলিশ ভেঙে গেল বটে, কিন্তু আবার গম গম করে জমে উঠল সন্ধ্যে বেলা গণেশের পড়বার ঘরে৷

বঙ্কু বলল, 'ষাঁড়ের মতো আমি কিছুতেই চেঁচাতে পারব না, আমায় অন্য পার্ট দাও গণেশ৷'

সমর অবাক হয়ে বলল, 'ষাঁড়ের মতো চেঁচাতে হবে-সে আবার কীরকম পার্ট?'

গণেশ তখন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, 'সবাই চুপ করো, আমি ব্যাপারটা তোমাদের বুঝিয়ে বলি৷'

দলপতির আদেশে ছেলের দল অনর্গল বাক্যস্রোত বন্ধ করল৷

গণেশ বলল, 'হ্যাঁ, আমরা কুম্ভকর্ণের নিদ্রাভঙ্গই অভিনয় করব৷ এতে কী কী ধরনের পার্ট আছে তোমাদের শোনাচ্ছি৷-

'একদল লোক দরকার যারা কুম্ভকর্ণের কানের কাছে প্রাণপণ ঢাক বাজাবে৷ তারপর দরকার একদল লোক যারা মরিয়া হয়ে ষাঁড়ের মতো চেঁচাতে পারবে৷ এমন একটি লোক দরকার যে কুম্ভকর্ণের চুল ধরে ক্রমাগত দোল খাবে, আর একটি ছোটো ছেলে চাই যে কুম্ভকর্ণের নাকের ভেতর সুড়সুড়ি দেবে৷ তারপর চাই একজন রাক্ষসী যে কেঁদে তার ঘুম ভাঙাবার চেষ্টা করবে৷ কিন্তু সব চাইতে বড়ো কথা-কে সাজবে কুম্ভকর্ণ?'

পটলা লাফিয়ে উঠে বলল, 'আমি হব কুম্ভকর্ণ৷' গণেশ বলল, 'চুল ধরে দোল খেলে তুমি সহ্য করতে পারবে?' পটলা ইতস্তত করে বলল, 'না৷'

গণেশ বলল, 'নাকে সুড়সুড়ি দিলে চুপচাপ সয়ে থাকতে পারবি?'

পটলা বলল, 'না৷'

গণেশ রেগে-মেগে বলল, 'যাও তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না৷'

বঙ্কা বলল, 'কেন, ওপাড়ার গোবর্ধন রয়েছে-! যেমন চেহারা তেমনি তার সহ্য করবার ক্ষমতা৷ সেবার 'কর্ণবধে' কাটা সৈনিকের পার্ট নিয়েছিল৷ এক ঘণ্টা স্টেজের ওপর মরে পড়ে থাকবার কথা৷ ঠিক ঠিক ছিল, একটুকু নড়েনি৷ ড্রপ পড়লে যখন উঠে দাঁড়াল তখন দেখা গেল ছারপোকা আর মশায় তার পিঠ আর পা ফুলিয়ে দিয়েছে, কিন্তু সে এক চুলও নড়েনি৷'

সবাই একবাক্যে স্বীকার করল, গোবর্ধনই কুম্ভকর্ণের পার্ট করার উপযুক্ত লোক৷

তারপর যথারীতি বাদবাকি ভূমিকাগুলি অন্যান্য ছেলেদের ভেতর ভাগ করে দেওয়া হল৷

কেঁদে কেঁদে ঘুম ভাঙাবার ভার পড়ল সমরের ওপর৷ ও নাকি এমন মড়াকান্নার ভান করতে পারে যে লোকে শুনে মনে করবে সে সদ্য শ্মশান থেকে উঠে এসেছে৷

তার পরদিন যথারীতি মহলাও শুরু হল, কিন্তু সব গোপনে-পাছে অভিভাবকের দল কিছু জানতে পারেন৷

অভিনয়ের তিন দিন আগে একদিন দুপুর বেলা সমর হাঁপাতে হাঁপাতে গণেশকে এসে বলল, 'ভাই আমার পার্ট ফিরিয়ে নাও৷'

গণেশ বলল, 'কেন বলো তো?' সমর মুখখানা কাচুমাচু করে জবাব দিল, 'গত বছরও পাশ করতে পারিনি বলে বাবা কাল ডেকে বললেন, গোটা ছুটিটা হইহই করে বেড়ালে চলবে না, কাল থেকে জনার্দন মাস্টার রোজ সন্ধ্যে বেলা পড়াতে আসবে৷ তাহলে কি আর সন্ধ্যে বেলা রিহার্সেল দিতে আসব?'

দলের সবাই সব শুনে বলল, 'কী সর্বনাশ! সমরের মতো অমন মড়াকান্না কাঁদবে কে? তাহলে প্লের সমস্তই মাটি!'

গণেশ বলল, 'তোকে কিছু ভাবতে হবে না সমর৷ দুপুর বেলা এসে তুই রিহার্সেল দিয়ে যাস৷'

ভয়ে ভয়ে সমর বলল, 'কিন্তু পরের দিন সন্ধ্যায়-?'

গণেশ বলল, সেদিন মাস্টারমশাইকে এক ফাঁকে সরিয়ে দিলেই হবে৷ তোর বাড়ি তো আমার বাড়ির পাশেই-এক ব্যবস্থা হবেখন৷'

কিন্তু যেখানে বাঘের ভয়, সেইখানেই সন্ধ্যা৷

অভিনয়ের দিন সন্ধ্যা বেলা তাড়াতাড়ি খাওয়া-দাওয়া শেষ করে পোশাকের জন্য ঠাকুমার বালাপোশ আর ছোটো বোনের ডুরে শাড়িটা বগল তলায় লুকিয়ে সমর যেই খিড়কির দরজা দিয়ে বেরোতে যাবে অমনি তার বাবা বৈঠকখানা থেকে হাঁকলেন, 'ও রে সমরা, মাস্টার-মশাই এসেছে তোর শোবার ঘরে নিয়ে যা!'

মুখে সমর বলল বটে, 'যাই বাবা', কিন্তু কী করে যে এই বিষম সংকটে পরিত্রাণ পাবে তা কিছুই সে স্থির করতে পারল না৷

হঠাৎ তার মনে পড়ে গেল সমস্ত দিনের খাটুনির পর পড়াতে পড়াতে মাস্টারমশাই ঘুমে ঢুলতে থাকেন৷ এক মুহূর্তে তার মাথা যেন একেবারে সাফ হয়ে গেল৷ ছুটে গিয়ে তাড়াতাড়ি খাটের ওপর বিছানাটা পেতে দিল৷ তারপর দক্ষিণ দিকের জানলাটা খুলে দিতেই ঝিরঝির করে হাওয়া আসতে লাগল৷ জানলার সামনেই রজনীগন্ধার ঝাড়৷ চমৎকার মিষ্টি হাওয়া আসছিল৷

এতেও যদি মাস্টারমশায়ের ঘুম না আসে তো সমর নিয়ে আসবে জ্যাঠামশায়ের ভালো পরিমল নস্যির কৌটোটা৷ মাস্টারমশায় নস্যি নিতে বড়ো ভালোবাসেন৷

সমস্ত ষড়যন্ত্র সমাপ্ত করে সমর মাস্টারমশাইকে বাইরে থেকে ডেকে নিয়ে এল৷

মাস্টারমশায় ঘরে ঢুকে ধবধবে বিছানা পাতা দেখে দিব্যি আরামে গা এলিয়ে দিয়ে বললেন, 'জোরে জোরে শব্দরূপ মুখস্থ করো৷'

একবার মাস্টারমশায়ের দিকে আড়চোখে চেয়ে সমর শুরু করল-

নঃর নরৌ নরাঃ

তারপর চেয়ার ছেড়ে লাফিয়ে উঠে বলল, 'গোবিন্দকে তামাক দিতে বলব স্যার? জ্যাঠামশায় বিষ্ণুপুর থেকে ভালো তামাক আনিয়েছেন৷'

মাস্টারমশায়ের তখন সমস্ত দিনের খাটুনির পর বেশ আমেজ লেগে এসেছে৷ জড়িত কন্ঠে বললেন, 'বেশ আনতে বলো!'

তামাক টানার সঙ্গেসঙ্গেই মাস্টারমশায়ের নাকের ডাক শোনা গেল৷

তখন আর সমরকে পায় কে! বইপত্তর ছুড়ে ফেলে দিয়ে সে ছুট দিল পাশের বাড়ির দিকে৷

ততক্ষণে কনসার্ট শুরু হয়ে গেছে৷ দর্শক বলতে গ্রামের মহিলা আর শিশুর দল৷ পুরুষদের বলা হয়নি শাসনের ভয়ে৷

অল্পক্ষণের ভেতরই অভিনয় শুরু হয়ে গেল৷ সে কী সবার উৎসাহ!

ক্রমে এল সমরের পালা৷

কুম্ভকর্ণের পিসি মড়াকান্না কাঁদতে কাঁদতে বলছে, 'ওরে কুম্ভ, তুই না উঠলে যে সোনার লঙ্কা ছারেখারে যায় রে-!'

তারপর ডাক ছেড়ে সে কী কান্না!-যেন এইমাত্র কাউকে বাড়ি থেকে শ্মশানে নিয়ে যাচ্ছে!

সমরের বাবারও সন্ধ্যের মুখে বেশ একটু ঢুল এসেছিল৷ মড়াকান্না শুনে তিনি ধড়মড় করে উঠে বসলেন৷

চাকরকে বললেন, 'দেখ তো গোবিন্দ, ও বাড়িতে এত কান্নাকাটি কীসের?'

তারপর কান্নার রোলটা ক্রমেই যখন বাড়তে লাগল তখন নিজেই ছুটতে ছুটতে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হলেন৷

তখন যে অভিনয়টা আরম্ভ হল তো তোমরাই আঁচ করে নাও৷

কার্তিক ১৩৪১

Cov95
সকল অধ্যায়
১.
চাং
২.
হাবুর বাবুগিরি
৩.
ভবম হাজাম
৪.
হুড়ুকবাজ সিং
৫.
হাতির ভয়
৬.
বোকা তাঁতি
৭.
ঝানু চোর চানু
৮.
বাঘ মামা
৯.
শ্বেতব্রাহ্মণের উপাখ্যান
১০.
এক হল দুই
১১.
রামভজনের ঘোড়া কেনা
১২.
দাশুর কীর্তি
১৩.
বুনো মোষ পোষমানা
১৪.
ষর্ণশের্ণ
১৫.
নেড়ুর ভয়
১৬.
হেঁড়ে-গর্জন দৈত্য
১৭.
চোর আর ঠগ
১৮.
আলি ভুলির দেশে
১৯.
বড়ো গদাই আর ছোটো গদাই
২০.
পুরস্কার
২১.
হেশোরাম হুঁশিয়ারের ডায়েরি
২২.
ঠেকে শেখা
২৩.
যুদ্ধের গল্প
২৪.
বন্ধুর দান
২৫.
মানুষের ইতিহাস
২৬.
সূর্যমুখীর কথা
২৭.
ন্যাপলা
২৮.
খেয়ালহারা
২৯.
পরিবর্তন
৩০.
আচ্ছা জব্দ
৩১.
সে
৩২.
মিষ্টি মুখ
৩৩.
চিচিং ফাঁক
৩৪.
অপরূপ রাজ্য
৩৫.
গরিবের দান
৩৬.
চোর ধরা
৩৭.
ময়ূরপঙ্খি
৩৮.
সম্পাদকের সমস্যা
৩৯.
তাইতো
৪০.
লাঠি-সমস্যা
৪১.
খুকির নাম
৪২.
স্বপ্নাদ্য ঔষধ
৪৩.
অজানা কুটুম
৪৪.
রায় মহাশয়ের গল্প
৪৫.
সমরের ষড়যন্ত্র
৪৬.
সুধাং-অ্যাং
৪৭.
ফাঁকিবাজের শিক্ষা
৪৮.
ঘঙ্গোপাধ্যায়
৪৯.
নিশুর বিপদ
৫০.
ফুটবল ম্যাচ
৫১.
এক ভাল্লুকের গল্প
৫২.
কৃপাময়
৫৩.
সেজমামার চন্দ্রযাত্রা
৫৪.
রূপসায়রী
৫৫.
দুই পড়শি
৫৬.
সন্দেশের চিঠি
৫৭.
সদাশিবের ঘোড়া-ঘোড়া কাণ্ড
৫৮.
ভবানন্দের কাশীযাত্রা
৫৯.
প্রথম পুরস্কার
৬০.
কালো মানিক
৬১.
চেঙ্গিস আর হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা
৬২.
গোবিন্দ গোয়েন্দা
৬৩.
দুগ্যো সদ্দার
৬৪.
ক্যাপ্টেন মুকুন্দরাম
৬৫.
অসমঞ্জবাবুর কুকুর
৬৬.
পিপীলিকা আতঙ্ক
৬৭.
মরুপ্রাসাদের রহস্য
৬৮.
সাতজনের তিনজন
৬৯.
গোরুর বিচার
৭০.
সংস্কার
৭১.
গঙ্গোত্রীর মহাপুরুষ
৭২.
মিনিয়েচারের বোম্বাই যাত্রা
৭৩.
চিতা কাহিনি
৭৪.
বটুকেশ্বরের আবির্ভাব
৭৫.
নিবারণের সমস্যা
৭৬.
ফোর্থ টেস্ট
৭৭.
টাক এবং ছড়ি রহস্য
৭৮.
কলাবতীর ময়দান রিপোর্টিং
৭৯.
ভোটরঙ্গ
৮০.
ঢেউয়ের পরে ঢেউ
৮১.
পাগলা গণেশ
৮২.
সেতু বন্ধন
৮৩.
চিপুরি বিলের মহাশোল
৮৪.
রামেশ্বরের অসমাপ্ত কাজ
৮৫.
বলো তো কে এসেছিল ডিনারে
৮৬.
বোকা রাজার বুদ্ধিমতী রানি
৮৭.
টিপলুর ইতিহাস চর্চা
৮৮.
সোনার মেডেল উধাও
৮৯.
তুতানের বন্ধু
৯০.
ভূত মরলে কী হয়
৯১.
কথারা সব বেরিয়ে পড়েছিল
৯২.
বড়দার কবে ভালো লাগবে
৯৩.
শিবের অসাধ্যি
৯৪.
জয়রামের সিন্দুক
৯৫.
সংবাদের নেপথ্যে
৯৬.
নাড়কান্ডার নানাকাণ্ড
৯৭.
করণপুরার টাঁড়
৯৮.
সাঁঝবাতি
৯৯.
ক্রিকেট খেলার উপকারিতা
১০০.
অলক্ষ্যে হাসে মহাকাল
১০১.
লেখক-পরিচিতি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%