কথারা সব বেরিয়ে পড়েছিল

অশোককুমার মিত্র, প্রসাদরঞ্জন রায়

জাদুকর বিশু বসু পুজোর কয়েক দিন পর পাড়ার ইশকুলের ছোটো মাঠে জাদু দেখাবেন৷ ইশকুলের খেলার জায়গার একদিকে একটি মঞ্চও তৈরি করা হয়েছে৷ প্রথমে গানবাজনা হবে, পাড়ার অনেক ছোটো ছেলে-মেয়ে গান গাইবে, বাজাবে, কেউ নাচবে, কেউ-বা কবিতা আবৃত্তি করবে৷ বিশু বসুমশাই বলেছিলেন ঠিক সাতটায় এসে পৌঁছোবেন, আর ঠিক দেড় ঘণ্টা জাদু দেখিয়ে তিনি চলে যাবেন, কারণ এ সন্ধ্যেয় তো আরও একটি জায়গায় জাদু খেলা দেখানোর কথা আছে৷ কিন্তু বিশু বসু ঠিক সময়ে আসতে পারলেন না৷

সাড়ে সাতটা বেজে যাওয়ার পর একজন টেলিফোন করে জানলেন জাদুকরমশাই প্রায় ঘণ্টা খানেক আগেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন৷ তখন সকলে ধরে নিলেন আজকাল কলকাতার রাস্তায় যা ট্র্যাফিক জ্যাম হচ্ছে তাতে দেরি হওয়াটা কিছু বিচিত্র নয়৷ এর মধ্যে গানবাজনা নাচ আবৃত্তি চলছে৷ আটটা বেজে গেল, বেজে গেল সাড়ে আটটাও৷ শেষ পর্যন্ত ন-টা বাজতে যখন মাত্র দশ মিনিট বাকি, তখন বিশু বসু এসে হাজির হলেন, সঙ্গে দুই সহকারী আর দুটো সুটকেস৷ ওর মধ্যে জাদুর খেলা দেখানোর জিনিসপত্র আছে৷

বিশু বসুর জন্য তৎক্ষণাৎ মঞ্চ ছেড়ে দেওয়া হল৷ ফেলে দেওয়া হল ড্রপ-সিন৷ তিন-চার জন ছেলে-মেয়ে মঞ্চ থেকে একটু দূরে বসে কেউ হারমোনিয়াম কেউ-বা তবলা বাজাতে লাগল-নেহাত সময় কাটানোর জন্যই৷ ড্রপ-সিনটা উঠে গেল৷ জাদুকর বিশু বসু রুমাল দিয়ে কপালের ঘাম মুছে বললেন, 'দেরির জন্য দুঃখিত, কিন্তু কী করব বলো, যখন আমার গাড়িটা গড়ের মাঠে জাদুঘরের কাছ দিয়ে আসছিল তখন গাড়িটার স্টার্ট হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল৷ মহা মুশকিল-ড্রাইভার গাড়ির পেছনের যন্ত্রপাতি রাখবার জায়গাটা খুলতেই আমার দু-টি সুটকেস থেকে সমস্ত কথা বেরিয়ে গেল!'

'কথা বেরিয়ে গেল?' সকলেই প্রশ্ন করল৷ 'কথা আবার কেমন করে বেরোয়-বিশেষ করে সুটকেস থেকে?'

বিশু বসু বললেন, 'তোমাদের কথার খেলা দেখাব বলে কতকগুলি কথা সঙ্গে করে আনছিলাম৷ এদিকে হয়েছে কী জান? ভুল করে দু-টি বাক্সই বন্ধ করা হয়নি ভালো করে৷ আর কি রক্ষে আছে? দুষ্ট কথাগুলি সব বোধ হয় গরমের ঠেলায় বাক্সবন্দি হয়ে ঘামছিল, গড়ের মাঠের চমৎকার হাওয়ায় তারা সব দুপদাপ করে বেরিয়ে হি-হি হা-হা করে ঘাসের মধ্যে গড়াগড়ি খেতে লাগল আর ছোটাছুটি করতে লাগল৷ আধা অন্ধকার জায়গা-কে যে কোথায় ভালো করে বোঝা যাচ্ছে না৷ ড্রাইভার গাড়ির ইঞ্জিন পরীক্ষা করছে টর্চ নিয়ে-আমি তখন খুবই বিপদে পড়ে গেলাম৷ বললাম, ওরে কথার দল, তাড়াতাড়ি আয় বাবারা, বড়ো দেরি হয়ে যাচ্ছে যে৷ ছোটোরা সব তোদের কেরামতি দেখবে বলে কতক্ষণ অপেক্ষা করছে৷ কিন্তু কে শোনে কার কথা৷

'ওরা ভারি আমোদ পেয়েছে খোলা হাওয়ায়৷ কাছে একটা গাছ ছিল, বুঝলাম কয়েকটি কথা সেই গাছে উঠে হাসাহাসি করছে৷ তাদের সব অনেক করে বুঝিয়ে-সুজিয়ে যখন কেউ এসে সুটকেসে ঢুকল না, তখন বললাম ওরে চলে আয় রে, আমাকে আর জ্বালাস নে, আমি কথা দিচ্ছি এর পর তোদের সপ্তাহে দু-একদিন খোলা হাওয়ায় খেলতে দেব আর কিছু কিছু খাবারও দেব৷ বোধ হয় এই কথাতেই কাজ হল, তারা তখন একে একে খিক খিক করে হাসতে হাসতে ফিরে এল৷ মনে হল সবাই ফিরে এসেছে-কিন্তু ওদের ওই খিক খিক হাসিটা আমার ঠিক পছন্দ হল না৷ ও হাসির মধ্যে একটু ইয়ার্কির গন্ধ ছিল৷ এর মধ্যে ড্রাইভারের গাড়ি মেরামত হয়ে গেছে-ওর কাছ থেকে টর্চ নিয়ে দেখি সর্বনাশ! কথারা যে ভাবে আগে ছিল সে ভাবে আর নেই৷ তারা সব নিজেদের আলাদা করে নিজেদের চেহারাই বদলে ফেলেছে৷ এই দেখো কী কাণ্ড!'

এই বলে জাদুকর বিশু বসুমশাই দুটো সুটকেসই খুলে ফেলে তা থেকে কথাগুলোকে একে একে বার করতে শুরু করলেন৷ সাহায্য করতে লাগলেন তাঁর দুই সহকারী৷ একটু পরে জাদুকর বললেন, 'তোমরা ওদের বার করে গুছিয়ে রাখো, আমি ততক্ষণ দু-একটা তাসের খেলা দেখাই!' সবাই দেখল কই কোনো কথা তো ছুটোছুটি বা হুটোপুটি করছে না! কথাগুলো সব বড়ো বড়ো কার্ডবোর্ডে চমৎকার করে লেখা যাতে দূর থেকে পড়া যায়৷

ছোটো মাঠটিতে ইশকুলের সব বেঞ্চ এনে পাতা হয়েছে-কেবল সামনের দিকে কিছু চেয়ার সাজিয়ে রাখা হয়েছে পাড়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য৷ জাদুকর টুপির ভেতর থেকে দু-প্যাকেট তাস বার করে টেবিলের এক ধারে রাখলেন, আর দেখিয়ে দিলেন দু-প্যাকেট তাসে কেবল সত্যি সত্যি এক-শোরও বেশি নানা রঙের তাসই আছে, অন্য কিছু নেই৷ এবার সবগুলো তাস মিশিয়ে শাফল করে টুপির মধ্যে রেখে কান পেতে কী শুনলেন৷ তাঁর একটি কানকে টুপির খুব কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, 'দুষ্টুমি করা হচ্ছে, না? সব চুপ করে থাকো বলছি!' এই সময় টুপির ভেতর থেকে খস খস কী সব আওয়াজ হতে লাগল৷ জাদুকর বললেন, 'আমি খুবই দুঃখিত ভাই-বোনেরা-আমার তাসেরা অস্থির হয়ে পড়েছে৷ যদি ওদের জন্যে কেউ এক ঠোঙা মুড়ি কিনে আন তো ভালো হয়৷' এই বলে তিনি একটি ছেলেকে একটা টাকা দিলেন৷ ছেলেটি মুড়ি কিনতে চলে গেল৷

এ দিকে দুই সহকারী বলছেন, 'বাবু, সর্বনাশ হয়ে গেছে৷ কথাগুলো আর আস্ত নেই৷ ওই যে বিচ্ছিরি রাস্তায় আসবার সময় গাড়িটিতে ঝাঁকুনি লেগেছিল তাতে বোধ হয়, এরা সব ভেঙে গেছে!'

জাদুকর কথাগুলোকে দেখে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন৷ বললেন, 'ওদের দিয়ে আজ আর খেলা দেখানো সম্ভব হবে না, এটা অতি দুঃখের বিষয়, অতীব দুঃখের বিষয়, অতিশয় দুঃখের বিষয়৷ আস্ত আস্ত কথাগুলো সব ভেঙে গেছে, হায় হায়, এখন আমি কী করি? ভাঙা কথাগুলোকে বোধ হয় ফেলেই দিতে হবে৷'

Cov187

এই শুনে একজন সহকারী বললেন 'বাবু ফেলে দেবেন না৷ ওদের ফের জুড়ে দেওয়া যেতে পারে৷'

জাদুকর মাথায় হাত দিয়ে বললেন, 'বলছ? জুড়তে পারবে তো? দেখো যদি পার৷'

তখন সহকারী দু-জন বললেন, 'আমরা তো বেশি ল্যাখাপড়া করিনি তাই ঠিক ঠিক করতে পারব কি না কে জানে৷'

জাদুকর তখন বললেন, 'যা পার তাই করো দেখি কী দাঁড়ায়৷ দেখি ভাঙা কথাগুলো কী রয়েছে?' সহকারী দু-জন তখন কথাগুলোকে দেখাতে লাগলেন৷ একজন সহকারী ধরে দেখালেন লেখা সন্দেহ অন্যজন দেখালেন সর৷ জাদুকর বড়ো একটা ব্ল্যাকবোর্ড আনিয়ে তাতে একদিকে লিখলেন 'সন্দেহ' আর তার ডান পাশে লিখলেন 'সর'৷ পাশাপাশি দুটো কথা মিলে হল 'সন্দেহ সর'! জাদুকর বললেন, 'এর মানে হয় না কিছু৷ সন্দেহ সর! সন্দেহ যার হলে একটা মানে হত৷ যাক এবারে দেখি আরও দুটো ভাঙা কথা৷' এবারে পাশাপাশি দুটো কথা দর্শকেরা দেখলেন-'অপ লংকা'৷ 'হায় হায়!' জাদুকর বলেন, অপ লংকা আবার কী বস্তু? যাক এরপর আরও দুটো ভাঙা কথা দেখাও!' এবারে এল 'বংশ' আর 'তেল'৷ জাদুকর বললেন, 'হায়, হায় বাঁশের আবার তেল কবে থেকে হতে শুরু করল৷ যাক তারপর?' (তিনি বোর্ডে লিখেই চলেছেন) এবারে এল গোলাপ আর প্রতি৷ এইভাবে যত কথা আসতে লাগল আর জাদুকর বিরক্তি প্রকাশ করতে লাগলেন-কিন্তু বোর্ডে লেখাও চলতে লাগল৷ এর পর এল কথাগুলো এইভাবে (পাশে বন্ধনীর মধ্যে জাদুকরের মন্তব্য) :

১. গুল মন্দ ('গাল মন্দ হলেও নাহয় একটা মানে হত!')

২. শাখা জল ('এ আবার কী রে বাবা!')

৩. রব চপ ('বাপ-রে বাপ!')

৪. রজনী দেব ('এ-কার নাম, রজনী দেবতা কী করে হয়৷')

৫. কান দম ('হুঁ কানে দম দেওয়া যায় বটে!')

৬. বন অঞ্চল ('হুঁ এটার কিছু মানে হচ্ছে!')

৭. জনক খাস ('আমি হতাশ!')

৮. কর্ম বরাহ ('কর্ম বরাহ? আমি কোথায় যাই?')

৯. ধর কাণ্ড ('কী কাণ্ডরে বাবা!')

১০. মন্দ ভাত ('ভাত আবার মন্দ হয় না কী?')

১১. মৃগ পান ('মৃগ কি তরল পদার্থ কিংবা তালের রস যে পান করা যাবে? বোধ হয় মৃগ পান খায় তাই!')

১২. বেগুন বাজ ('বাজ কি বেগুন খায়?')

১৩. ইন্দ্রনাথ প্রধান ('বাজে কথা-শ্রীকান্ত প্রথমে, তারপর ইন্দ্রনাথ . . . কিংবা . . . কে জানে এর কী মানে?')

১৪. দারু কম ('বাবা রে বাবা! অর্থহীন সব কারবার! দারু মানে তো মদ, আর মদ ওলটালে দম!')

জাদুকর বলতে থাকেন, ফের রুমাল দিয়ে দিয়ে কপালের ঘাম মোছেন৷ বললেন, 'একটু জল বাকি আছে খেয়েনি৷' গেলাস থেকে জল খেতে গিয়ে অবাক হন৷ অনেকক্ষণ বিহ্বল হয়ে থাকেন, বলেন-'সব্বোনাশ! খানিকটা জল ছিল কে খেল রে অ্যাঁ? তোরা খেয়েছিস কেউ?' সহকারী দু-জনও তাজ্জব হয়ে যাওয়ার ভঙ্গি করেন৷ এর মধ্যে ফের টুপির ভেতর থেকে কিচকিচ শুরু হয়৷ জাদুকর বলেন, 'কাকে যেন মুড়ি আনতে দিলাম সে মুড়ি তো আনেনি মনে হচ্ছে৷' এই সময় হন্তদন্ত হয়ে ছেলেটির প্রবেশ মুড়ির ঠোঙা নিয়ে৷ জাদুকর মুড়ির ঠোঙার সব মুড়ি টুপির ভেতর ফেলে দিয়ে বলল, তাস বন্ধুরা তোরা হতাশ হস না৷ কিন্তু আমার জল কে খেয়ে নিল? একজন আরও একটা গ্লাস জল এনে টেবিলে রাখল৷ একটু পরে জাদুকর সেই গ্লাস নিয়ে খেতে গিয়ে দেখেন কী ব্যাপার! এই গ্লাসের জলও যে নেই৷ জাদুকর বললেন, 'না আজ আর খেলা দেখাতে পারব না-গলা শুকিয়ে যাচ্ছে৷ এদিকে জল আসছে আর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে-এ তো অবাক করা জল, এ জল পান করা অসম্ভব!'

এবারে কে একজন এনে দিল একটা বোতলে করে জল৷ জাদুকর সেটি আর হাতছাড়া করলেন না-তাড়াতাড়ি চক চক করে আধ বোতল ফাঁকা করে দিয়ে তৃপ্তির সঙ্গে বললেন, 'আঃ ' তারপর টুপির কাছে গিয়ে বললেন, 'মুড়িগুলো খেয়ে তোরা আরাম কর আমি এখন কথার খেলাটা শেষ করে নিই৷ তিনি সহকারীদের ইঙ্গিত করতেই তাঁরা ফের ভাঙা কথাগুলো তাঁদের মতো করে জুড়তে লাগলেন৷ এবারে দেখা গেল :

১৫. গঙ্গা ধজ ('এটা কী হল-এত একজনের নাম হল-মহামুশকিল-এখন আমি করি কী?')

১৬. রস পোনা ('আর পারছি না! রসগোল্লা হলেও না হয় কথা ছিল, কিন্তু রস পোনা? একী কার কার?')

১৭. ছানা আনা ('ছানা আনা? এর একটা অর্থ দাঁড়াচ্ছে বটে ঠিক আছে৷ তারপর?')

১৮. বার তত্ত্ব ('বার মানে বাইরে আর তত্ত্ব মানে বিদ্যে-টিদ্যে কিছু হবে হয়তো, কিন্তু দুটো মিলে মানেটা কী হল?')

১৯. পুরা আম ('বেশ কথা-পুরো একটা আম ছিল-খাওয়ার মতো একটা জিনিস মন্দ কী? আমের যা দাম-বেশ তা এটা ভালোই হল!')

জাদুকর এবারে বললেন, 'কই তাড়াতাড়ি করো-কত আর দেরি হবে?' সহকারীরা তখন ব্যস্ত হয়ে ফের ভাঙা কথাগুলোকে তাঁদের মতো করে সাজাতে লাগলেন :

২০. ধামা পেটা ('ধামা পেটা আবার কী বস্তু রে! আমাকে উদবাস্তু করে ছাড়বে সব!')

২১. কর ধরা ('মানে খাজনা ধরা কিংবা হাত ধরা? হতে পারে, হতে পারে, হতে পারে!')

২২. গড়া চা ('কী কথা! গড়া চা-চা তৈরি করা বললেই ঠিক হত!')

২৩. দেশ দর সন ('অ্যাঁ-এ কী কাণ্ড? তিন-তিনটে ভাঙা কথা এসে হাজির? দেশ দর সন! বানানে হচ্ছে না দেশ দর্শন বানান ঠিক৷ এবারে সবাই পড়ুন-')

জাদুকর এবারে চেয়ারে বসে পড়লেন৷ তিনি নিজেই পড়তে শুরু করলেন৷ আর বলতে লাগলেন-'অসম্ভব কথাগুলোকে ঢেলে সাজাতে হবে৷ তোমরা কেউ পারবে কি?'

জাদুকর এই কথা বলে ফের বোতল থেকে জল খেতে গিয়ে দেখেন বোতলই নেই! তিনি বলে উঠলেন, 'এই জায়গায় নিশ্চয় ভূত আছে! আমি চললাম এমন স্থান ছেড়ে!'

গল্প তো এখানেই শেষ হল-আসল ব্যাপারটা সমাধান তো জাদুকর পরে অবশ্য করেছিলেন-কিন্তু তোমরা যারা এই গল্পটি এতখানি পড়েছ তারা কি ভাঙা ভাঙা কথাগুলোকে ফের ঠিক মতো সাজিয়ে দিতে পারবে? চেষ্টা করলে পারবে ঠিকই, কিন্তু যারা চেষ্টা করবে না তাদের বলে দিচ্ছি : উত্তর (১) সন্দেহজনক (২) অপকর্ম (৩) সরবরাহ (৪) লংকাকাণ্ড (৫) বংশধর (৬) গোলাপখাস (৭) প্রতিভাত (৮) তেল-বেগুন (৯) মন্দ মন্দ (১০) জলপান (১১) শাখামৃগ (১২) রব-ইন্দ্রনাথ (রবীন্দ্রনাথ!) (১৩) দেব দারু (১৪) চাপকান (১৫) দম দম (১৬) বনধন (বন্ধন) (১৭) অঞ্চল প্রধান (১৮) রজনীগন্ধা (১৯) আনারস (২০) ছানা-পোনা (২১) আম দরবার (২২) পুরাতত্ত্ব (২৩) ধামা-ধরা (২৪) চাকর (২৫) গড়া-পেটা (২৬) সনদেশ (সন্দেশ)৷ শেষে কী হল বলি-জাদুকর বললেন, 'সন্দেশ যখন লেখায় এসেছে, তখন এসো সকলে সন্দেশ খাওয়া যাক৷' এই বলে তিনি একটা থলে নিয়ে মন্ত্র পড়লেন, তারপর থলের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে একটা-একটা করে সন্দেশ বার করে বিলি করতে লাগলেন৷

সকলেই খুশি হল৷ ছোটোরা হইচই করতে লাগল আনন্দে৷

বইমেলা সংখ্যা ১৪০৮

সকল অধ্যায়
১.
চাং
২.
হাবুর বাবুগিরি
৩.
ভবম হাজাম
৪.
হুড়ুকবাজ সিং
৫.
হাতির ভয়
৬.
বোকা তাঁতি
৭.
ঝানু চোর চানু
৮.
বাঘ মামা
৯.
শ্বেতব্রাহ্মণের উপাখ্যান
১০.
এক হল দুই
১১.
রামভজনের ঘোড়া কেনা
১২.
দাশুর কীর্তি
১৩.
বুনো মোষ পোষমানা
১৪.
ষর্ণশের্ণ
১৫.
নেড়ুর ভয়
১৬.
হেঁড়ে-গর্জন দৈত্য
১৭.
চোর আর ঠগ
১৮.
আলি ভুলির দেশে
১৯.
বড়ো গদাই আর ছোটো গদাই
২০.
পুরস্কার
২১.
হেশোরাম হুঁশিয়ারের ডায়েরি
২২.
ঠেকে শেখা
২৩.
যুদ্ধের গল্প
২৪.
বন্ধুর দান
২৫.
মানুষের ইতিহাস
২৬.
সূর্যমুখীর কথা
২৭.
ন্যাপলা
২৮.
খেয়ালহারা
২৯.
পরিবর্তন
৩০.
আচ্ছা জব্দ
৩১.
সে
৩২.
মিষ্টি মুখ
৩৩.
চিচিং ফাঁক
৩৪.
অপরূপ রাজ্য
৩৫.
গরিবের দান
৩৬.
চোর ধরা
৩৭.
ময়ূরপঙ্খি
৩৮.
সম্পাদকের সমস্যা
৩৯.
তাইতো
৪০.
লাঠি-সমস্যা
৪১.
খুকির নাম
৪২.
স্বপ্নাদ্য ঔষধ
৪৩.
অজানা কুটুম
৪৪.
রায় মহাশয়ের গল্প
৪৫.
সমরের ষড়যন্ত্র
৪৬.
সুধাং-অ্যাং
৪৭.
ফাঁকিবাজের শিক্ষা
৪৮.
ঘঙ্গোপাধ্যায়
৪৯.
নিশুর বিপদ
৫০.
ফুটবল ম্যাচ
৫১.
এক ভাল্লুকের গল্প
৫২.
কৃপাময়
৫৩.
সেজমামার চন্দ্রযাত্রা
৫৪.
রূপসায়রী
৫৫.
দুই পড়শি
৫৬.
সন্দেশের চিঠি
৫৭.
সদাশিবের ঘোড়া-ঘোড়া কাণ্ড
৫৮.
ভবানন্দের কাশীযাত্রা
৫৯.
প্রথম পুরস্কার
৬০.
কালো মানিক
৬১.
চেঙ্গিস আর হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা
৬২.
গোবিন্দ গোয়েন্দা
৬৩.
দুগ্যো সদ্দার
৬৪.
ক্যাপ্টেন মুকুন্দরাম
৬৫.
অসমঞ্জবাবুর কুকুর
৬৬.
পিপীলিকা আতঙ্ক
৬৭.
মরুপ্রাসাদের রহস্য
৬৮.
সাতজনের তিনজন
৬৯.
গোরুর বিচার
৭০.
সংস্কার
৭১.
গঙ্গোত্রীর মহাপুরুষ
৭২.
মিনিয়েচারের বোম্বাই যাত্রা
৭৩.
চিতা কাহিনি
৭৪.
বটুকেশ্বরের আবির্ভাব
৭৫.
নিবারণের সমস্যা
৭৬.
ফোর্থ টেস্ট
৭৭.
টাক এবং ছড়ি রহস্য
৭৮.
কলাবতীর ময়দান রিপোর্টিং
৭৯.
ভোটরঙ্গ
৮০.
ঢেউয়ের পরে ঢেউ
৮১.
পাগলা গণেশ
৮২.
সেতু বন্ধন
৮৩.
চিপুরি বিলের মহাশোল
৮৪.
রামেশ্বরের অসমাপ্ত কাজ
৮৫.
বলো তো কে এসেছিল ডিনারে
৮৬.
বোকা রাজার বুদ্ধিমতী রানি
৮৭.
টিপলুর ইতিহাস চর্চা
৮৮.
সোনার মেডেল উধাও
৮৯.
তুতানের বন্ধু
৯০.
ভূত মরলে কী হয়
৯১.
কথারা সব বেরিয়ে পড়েছিল
৯২.
বড়দার কবে ভালো লাগবে
৯৩.
শিবের অসাধ্যি
৯৪.
জয়রামের সিন্দুক
৯৫.
সংবাদের নেপথ্যে
৯৬.
নাড়কান্ডার নানাকাণ্ড
৯৭.
করণপুরার টাঁড়
৯৮.
সাঁঝবাতি
৯৯.
ক্রিকেট খেলার উপকারিতা
১০০.
অলক্ষ্যে হাসে মহাকাল
১০১.
লেখক-পরিচিতি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%