সম্পাদকের সমস্যা

অশোককুমার মিত্র, প্রসাদরঞ্জন রায়

রসিকরাজ রায়চৌধুরি আমাদের সঙ্গে ইশকুলে পড়ত৷ ছেলেটার বেশ মাথা; লিখতে-টিখতে পারত মন্দ না৷ শুনলাম সে নাকি আজকাল সাহসপুরের 'সরস সমাচার'-এর সম্পাদক৷

ম্যাট্রিকে ৩-৪ বার ইংরেজিতে ফেল করে সে বাংলা লেখা লিখতে আরম্ভ করে৷ ক্রমে তার নাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল৷ সে সম্পাদকি করে কাগজটাকে বেশ দাঁড় করিয়েছে৷ কাগজের নাম আগে ছিল 'সান্ধ্য সমাচার', ভালো চলত না৷ রসিক এসে 'সান্ধ্য সমাচার' নাম বদলিয়ে 'সরস সমাচার' করল৷ প্রথম তো ক-দিন নামের নূতনত্ব দেখেই লোকে কাগজ কিনতে লাগল৷ তারপর নানা রকমের খবর ক-দিন পাওয়া যেতে লাগল-যেমন, লড়াই, ভূমিকম্প, টাকাচুরি, ডাকাতি, ধূমকেতু, গণকের গণনায় প্রলয়ের ভয়, ঝড়ের আশঙ্কা, ছেলে ধরার উৎপাত ইত্যাদি৷ সেসব যখন ঠান্ডা হয়ে এল, তখন তার হেডিং লেখার কেরামতিতে ক-দিন আবার কাগজটা খুব চলল৷ দু-চারটা হেডিং শুনবে?-

(১) 'হনলুলুতে হাস্যকর হদিস',

(২) 'সাহসী শিম্পাঞ্জি-শিকারি',

(৩) 'চলচ্চিত্রে চর্বিতচর্বণ',

(৪) 'লন্ডনে লণ্ডভণ্ড',

(৫) 'কলিকালের কলিকাতা',

(৬) 'ব্যাগ্র ব্যাধের ব্যাঘ্রবধ',

(৭) 'কর্মকর্তার কর্ণ কর্তন',

(৮) 'বাড়বানলের বাড়াবাড়ি' ইত্যাদি ইত্যাদি৷

বলা বাহুল্য, হেডিং-এর চোটেই কিছুদিন কাগজ বিক্রি হল৷ অনেক বড়ো বড়ো সাহিত্যিক রসিককে খুব উৎসাহ দিয়ে চিঠি লিখলেন৷ একজন লিখলেন, 'আপনার প্রাক্তনজন্মার্জিত পুণ্যপ্রভাবে অনুপ্রাশ প্রয়োগের প্রচ্ছন্ন প্রতিভা প্রকৃতই প্রদীপ্ত প্রভাবৎ প্রকাশ পাইয়াছে৷' এরকম আরও কতজনে লিখলেন!

রসিকের তো আর মাটিতেই পা পড়ে না-অহংকারে বুক ফুলিয়েই আছে৷ কাগজও বিক্রি হচ্ছে বেশ৷ আজকাল কাগজে মাঝে মাঝে ছবিও ছাপা হয়৷

একদিন রাত্রে রসিক সেদিনের কাগজখানা হাতে করে পড়তে পড়তে হঠাৎ তার চোখে পড়ল 'জব্বলপুরের বর্বরশৈল';-একী? তার স্পষ্ট মনে আছে সে লিখেছে 'মর্মরশৈল'৷ Marble Rocks-এর এমন সুন্দর ছবিখানার নীচে কিনা শেষটায় 'বর্বরশৈল' ছাপা হল? রাগে গজগজ করতে করতে সে তখনই দৌড়ে গেল; গিয়ে দেখে কম্পোজিটাররা সকলেই চলে গেছে, শুধু হরিচরণ নামে নতুন একজন অল্পবয়স্ক কম্পোজিটার আছে৷ তাকে জিজ্ঞাসা করায় সে আমতা-আমতা করে বলল, 'মনে করলাম, শৈলের আবার মর্মর কী? তাই 'ম'-এর জায়গায় 'ব' করে দিলাম৷' রসিক রেগে বলল, 'অত বুদ্ধি না-ই বা খাটাতেন৷ স্পষ্ট দেখছেন 'ম' রয়েছে, 'ব' বসাতে যাবার দরকারটা কী ছিল?' হরিচরণ শুধু মাথা চুলকাতে লাগল, কিছু বলল না৷

এর পর একদিন কাগজে বের হল, 'মর্মরের দেশে'৷ এক ভদ্রলোক অসভ্যদের পাহাড়ে-দেশে প্রাণ হাতে করে কিছুদিন থেকে যেসব খবর সংগ্রহ করে এনেছেন তারই বিষয় তিনি 'বর্বরের দেশে' নাম দিয়ে 'সরস সমাচার'-এ লিখছেন; সেই লেখারই হেডিং ছাপা হয়েছে 'মর্মরের দেশে'৷ রসিকের আর কিছু বুঝতে বাকি রইল না৷ সে সকলের সামনে হরিচরণকে ধমক দিলে আর জরিমানা করল৷

কম্পোজিটাররা আড়ালে গিয়ে ফিসফিস করে কী যেন সব বলাবলি করতে লাগল৷ একজন বলল, 'যা-ই বলুন মশায়! রসিকবাবুর লেখারও দোষ আছে৷' আরেকজন বলল, 'কিন্তু এটা তো রসিকবাবুর লেখা নয়!' প্রথম লোকটি বলল, 'আগের লেখাটা রসিকবাবুর ছিল; সেটা আমি দেখেছিলাম; আমারও কিন্তু 'বর্বরশৈল' মনে হয়েছিল৷ এবারের হেডিংটা বোধ হয় রসিকবাবুর লেখা৷'

বিপিনবাবু সাহসপুরের নামজাদা উকিল৷ ভদ্রলোক খুব পরোপকারী, লোকের বিপদে-আপদে অনেক সাহায্য করেন; সকলেই তাঁকে শ্রদ্ধা করে৷ এবার তিনি মিউনিসিপ্যালিটির কমিশনার হবার চেষ্টা করছেন৷ তাঁর বিপক্ষে দাঁড়িয়েছেন আরেক উকিল, নাম তাঁর সত্যসহায় সেনশর্মা৷ ভদ্রলোকের দেদার টাকা; বেজায় ধড়িবাজ৷ বিপিনবাবুর বিরুদ্ধে তিনি কাগজে লেখাবার জন্য খুব চেষ্টা করছেন; রসিকের কাছে এক তাড়া নোট নিয়েও একদিন গেছিলেন৷ রসিক তাকে স্পষ্ট জবাব দিয়ে দিল, 'এমন ঘেন্নার কাজ আমি করি না৷' পরের দিনের কাগজে বের হল 'অসহায় সত্যসহায়'৷

এবার সভ্য নির্বাচনের ভোটের দিন কাছাকাছি আসছে৷ রাস্তার দু-ধারেই শুধু লাল কালিতে ছাপা প×Êাকার্ডে ভরতি-‘Vote for Bepin Babu, who stands for you’— 'আপনাদের প্রতিনিধি বিপিনবাবুকে ভোট দিবেন'; অথবা ‘Vote for the right man Satyasahai Babu’-'সত্যের সহায়, সত্যসহায়বাবুকে ভোট দিবেন৷'

সত্যসহায়বাবু দু-হাতে টাকা খরচ করছেন৷ বাড়িতে খাওয়া-দাওয়ার অসম্ভব রকমের ধুম-লুচি, মাংস, সন্দেশ, পান্তুয়া, রাবড়ির ছড়াছড়ি৷ কনসার্ট রোজ সন্ধ্যায় কান ঝালাপালা করে৷ পঁচাত্তর জন ছেলেকে টাকা দিয়ে, মেগাফোন হাতে বের করেছেন৷ তারা পাড়াময় মেগাফোন দিয়ে কেবলই চেঁচায় 'ভো-ও-ও-ট ফর সত্যসহায় বাবু'; লোকের তিষ্ঠানো দায়৷

লোকে কিন্তু তাঁর বাড়িতে বড়ো একটা ঘেঁষে না৷ সবাই বিপিনবিহারীবাবুরই নাম করে৷ সবাই বলে, 'বিপিনবাবুর মতো লোক পাবে না৷' কিন্তু অনেকে বলে, 'সরস সমাচার কেন বিপিনবাবুর কথা একদিনও লেখে না? সত্যসহায়বাবু কি ওদের কিছু ঘুষ দিয়েছেন? নাঃ! রসিকবাবু তো ঘুষ খাবার ছেলে না' ইত্যাদি৷

এসব কথা রসিকের কানে গেল৷ এতদিন সে এ বিষয়ে কিছু লেখেনি; কারণ সে জানে-সত্যসহায়বাবু যত টাকাই কেন খরচ করুন না, বিপিনবাবুর বিরুদ্ধে ভোটে এঁটে উঠবার কোনোরকম সম্ভাবনা নাই তাঁর; সবাই বিপিনবাবুকে চায়৷ তবু, লোকের কথায় রসিক ভাবল, 'একবার বিপিনবাবুর কাছে গিয়ে তাঁর নিজের মুখে শুনে আসি তিনি কী ভাবে মিউনিসিপ্যালিটিতে কাজ করতে চান, তাঁর মনের কথা কথা কী ইত্যাদি৷' সেদিনই সন্ধ্যায় বিপিনবাবুর কাছে গিয়ে সে এক ঘণ্টা ধরে তাঁর কথা সব শুনে, রাত্রে বসে এক পৃষ্ঠা লিখে ফেলল৷ পরের দিন ছাপাখানায় সেটা ছাপতে দিল৷

বিকেলে মামার বাড়িতে একটা দরকারি কাজে যেতে হবে বলে রসিক তার ম্যানেজারকে সেদিনের কাগজের সব কাজ বুঝিয়ে দিয়ে মামার বাড়ি রওয়ানা হয়ে পড়ল৷ ম্যানেজারকে বলে গেল, 'দেখুন! এই যে লেখাটা দিলাম, এর হেডিংটা আমাদের আজকের কাগজের প্লাকার্ডে দেবেন৷'

প্রতিদিনের কাগজের প্রধান খবর যেটি থাকে, সেটি একটা বোর্ডে বড়ো বড়ো অক্ষরে লিখে, কাগজ বের হবার একটু আগেই আপিসের সামনে টাঙিয়ে দেওয়া হয়৷ সেটিই হল কাগজের 'প্লাকার্ড'৷

রসিক সন্ধ্যার পর মামাবাড়ি থেকে ফিরেই সোজা তার অফিসের দিকে গেল৷ গিয়ে দেখে, আপিসের সামনে লোকে লোকারণ্য! কাগজের জন্য রীতিমতো কাড়াকাড়ি লেগে গেছে৷ অনেকে যেন বেজায় খেপে রয়েছে৷

ব্যাপারখানা কী বুঝতে না পেরে সে তাড়াতাড়ি এগিয়ে গেল৷ সামনেই প×Êাকার্ডে লেখা, 'বিপিনবিহারীর বর্বরতা'-সর্বনাশ! এ আবার কী?

অনেক লোকের মুখের ভাবখানা এমন, যেন রসিকবাবুকে পেলে হয় একবার! ব্যাপার সুবিধার নয় দেখে রসিক গলির দরজা দিয়ে চুপচাপ অফিসে ঢুকল৷ সামনেই ম্যানেজারের সঙ্গে দেখা; সে বেচারা তো মুখখানা হাঁড়ি করে মাথায় হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে৷ প্রেসে তখনও কাগজ ছাপা হচ্ছে৷ রসিক জিজ্ঞাসা করল, 'ব্যাপারটা কী? প্ল্যাকার্ডে 'বিপিনবিহারীর বর্বরতা' লেখা কেন?'

ম্যানেজার মুখখানা কাঁচুমাচু করে বলল, 'আর বলবেন না মশাই! এই হরিচরণটার কাণ্ড! আপনার লেখাটা কম্পোজ করতে করতে সুরেশকে জিজ্ঞাসা করল, 'বর্বকথা' আবার কী?' সুরেশ বলল, 'বর্বকথা বলে কোনো কথা নেই, বর্বরতা হতে পারে৷' তারপর দেখি, ছাপায় বেরিয়েছে 'বিপিনবিহারীর বর্বরতা'৷ আমি খেতে গেছিলাম, ইত্যবসরে কাগজ ছাপা হয়েছে, পরানবাবুও ওই হেডিং দেখে প্ল্যাকার্ডেও লিখে ফেলেছেন, 'বিপিনবিহারীর বর্বরতা'!'

রসিক বলল, 'কতক্ষণ কাগজ বেরিয়েছে?'

ম্যানেজার বলল, 'কাগজ বের হবার আগেই প্লাকার্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ সত্যসহায় বাবুর ভাগনে সেটা দেখতে পেয়ে তখনই নগদ পয়সা দিয়ে সব কাগজ কিনে নিয়ে গেছে৷ তাই আবার কাগজ ছাপতে দিয়েছি৷ এদিকে, কাগজের জন্য সামনে ভিড় জমে গেছে; লোকেরা খেপেও আছে মনে হচ্ছে৷'

রসিক বলল, 'কাগজ তো ছাপতে দিয়েছেন; ভুলটা সংশোধন করিয়েছেন কি?'

ম্যানেজার, 'আজ্ঞে হ্যাঁ! আমি নিজে কপি দেখে হেডিংটায় 'বর্বরতা'র জায়গায় 'মর্মকথা' করে দিয়েছি৷'

রসিক, 'কাগজ ছাপা আরম্ভ হয়েছে কি?'

ম্যানেজার,'এখনই আরম্ভ হবে৷ আগেকার ১০০ কাগজ ছিল, তাতে হেডিং-এর উপর 'বিপিনবিহারীর মর্মকথা' ছেপে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিয়েছি; এখন সেগুলোই দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে৷'

রসিক তখনই কাগজের শেষ পৃষ্ঠায় বড়ো বড়ো অক্ষরে কী যেন একটা লাইন ছেপে দেবার ব্যবস্থা করে, পরানবাবুকে ডাকতে পাঠাল৷ পরানবাবু আসতেই তাকে নিয়ে অফিসের সামনে গেল-পরানবাবুর হাতে প্ল্যাকার্ড লেখবার কালি তুলি৷

রসিকবাবুকে দেখে দু-চারজন খুব চেঁচিয়ে বলে উঠল, 'ছি! ছি! শেষটায় কিনা ঘুষ খেলেন!'

রসিকবাবু মুচকি হেসে পরানবাবুকে নিয়ে প্ল্যাকার্ডখানার কাছে গেলেন আর হাত নাড়িয়ে কী যেন সব দেখালেন৷ পরানবাবুও তখনই তুলি দিয়ে কীসব করলেন; তারপর দেখা গেল, প্ল্যাকার্ডে 'বিপিনবিহারীর বর্বরতা'র জায়গায় লেখা রয়েছে 'বিপিন-বিরোধীর বর্বরতা'! অমনি চারিদিকের লোকেরা হো-হো করে হেসে উঠল৷

পরানবাবু 'হ' কে দুই টানে 'র' করলেন, বাঁ-দিকে একার বসালেন; তারপর 'র' এর পুঁটুলি তুলে দিয়ে 'ব'-এর মাথায় বাঁ-দিকে শুঁড় বসিয়ে 'র'কে 'ধ' করে দিলেন-বাস!

আধ ঘণ্টা বাদে যখন কাগজ ছাপা বেরিয়ে এল, তখন রীতিমতো কাড়াকাড়ি পড়ে গেল৷ সকলেই দেখল, প্রথমেই 'বিপিনবিহারীর মর্মকথা' নামে একটি সুন্দর প্রবন্ধ বেরিয়েছে৷ যারা সত্যসহায়বাবুর সহায়, তাদেরও সেই প্রবন্ধ পড়ে বিপিনবাবুর প্রতি শ্রদ্ধা হবে৷ কাগজের শেষ পৃষ্ঠার নীচে বড়ো অক্ষরে ছাপা আছে 'বিপিন-বিরোধীর বর্বরতা' শীঘ্রই প্রকাশিত হইবে৷' বলা বাহুল্য, সকলেই কাগজ পড়ে খুশি হল-সত্যসহায়বাবুর জন কয়েক সাঙ্গোপাঙ্গ ছাড়া৷

ভাগনের কাছ থেকে একখানা 'সরস সমাচার' নিয়ে সত্যসহায়বাবু সেটা খুলেই দেখলেন, 'বিপিনবিহারীর বর্বরতা'! ওঃ কী খুশি সেটা দেখে! এক বার দেখলেন, দু-বার দেখলেন, দশ বার দেখলেন-তবু আশ মেটে না৷ হেসে গড়াগড়ি দিয়ে বললেন, 'রসকে ছেলেটা বেশ! শেষ মুহূর্তে বেশ চালটা চেলেছে৷ বিপিনবাবুর জিতবার আশার গুড়ে বালি!'

একটু বাদে আবার কাগজখানা হাতে নিয়ে বললেন, 'দেখা যাক, রসকেটা লিখেছে কী৷' দু-চার লাইন পড়েই কাগজখানা ছুড়ে ফেলে দিয়ে বললেন, 'রসকেলটার যত জোচ্চুরি! কী ফাঁকিটা দিয়েই এতগুলো কাগজের নগদ দাম নিল! ওরে! কাগজগুলো আর বিলোস নে- এখনই সব জ্বালিয়ে দে! রাবিশ লিখেছে!'

পরদিন মিউনিসিপ্যালিটির ভোটিং হল৷ ফল :

বিপিনবিহারী বসু         ৫,৭৯৫ ভোট

সত্যসহায় সেনশর্মা         ৪৯ ভোট

'সরস সমাচার' সে দিন আবার লিখল-'অসহায় সত্যসহায়'৷

চৈত্র ১৩৩৯

Cov79
সকল অধ্যায়
১.
চাং
২.
হাবুর বাবুগিরি
৩.
ভবম হাজাম
৪.
হুড়ুকবাজ সিং
৫.
হাতির ভয়
৬.
বোকা তাঁতি
৭.
ঝানু চোর চানু
৮.
বাঘ মামা
৯.
শ্বেতব্রাহ্মণের উপাখ্যান
১০.
এক হল দুই
১১.
রামভজনের ঘোড়া কেনা
১২.
দাশুর কীর্তি
১৩.
বুনো মোষ পোষমানা
১৪.
ষর্ণশের্ণ
১৫.
নেড়ুর ভয়
১৬.
হেঁড়ে-গর্জন দৈত্য
১৭.
চোর আর ঠগ
১৮.
আলি ভুলির দেশে
১৯.
বড়ো গদাই আর ছোটো গদাই
২০.
পুরস্কার
২১.
হেশোরাম হুঁশিয়ারের ডায়েরি
২২.
ঠেকে শেখা
২৩.
যুদ্ধের গল্প
২৪.
বন্ধুর দান
২৫.
মানুষের ইতিহাস
২৬.
সূর্যমুখীর কথা
২৭.
ন্যাপলা
২৮.
খেয়ালহারা
২৯.
পরিবর্তন
৩০.
আচ্ছা জব্দ
৩১.
সে
৩২.
মিষ্টি মুখ
৩৩.
চিচিং ফাঁক
৩৪.
অপরূপ রাজ্য
৩৫.
গরিবের দান
৩৬.
চোর ধরা
৩৭.
ময়ূরপঙ্খি
৩৮.
সম্পাদকের সমস্যা
৩৯.
তাইতো
৪০.
লাঠি-সমস্যা
৪১.
খুকির নাম
৪২.
স্বপ্নাদ্য ঔষধ
৪৩.
অজানা কুটুম
৪৪.
রায় মহাশয়ের গল্প
৪৫.
সমরের ষড়যন্ত্র
৪৬.
সুধাং-অ্যাং
৪৭.
ফাঁকিবাজের শিক্ষা
৪৮.
ঘঙ্গোপাধ্যায়
৪৯.
নিশুর বিপদ
৫০.
ফুটবল ম্যাচ
৫১.
এক ভাল্লুকের গল্প
৫২.
কৃপাময়
৫৩.
সেজমামার চন্দ্রযাত্রা
৫৪.
রূপসায়রী
৫৫.
দুই পড়শি
৫৬.
সন্দেশের চিঠি
৫৭.
সদাশিবের ঘোড়া-ঘোড়া কাণ্ড
৫৮.
ভবানন্দের কাশীযাত্রা
৫৯.
প্রথম পুরস্কার
৬০.
কালো মানিক
৬১.
চেঙ্গিস আর হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা
৬২.
গোবিন্দ গোয়েন্দা
৬৩.
দুগ্যো সদ্দার
৬৪.
ক্যাপ্টেন মুকুন্দরাম
৬৫.
অসমঞ্জবাবুর কুকুর
৬৬.
পিপীলিকা আতঙ্ক
৬৭.
মরুপ্রাসাদের রহস্য
৬৮.
সাতজনের তিনজন
৬৯.
গোরুর বিচার
৭০.
সংস্কার
৭১.
গঙ্গোত্রীর মহাপুরুষ
৭২.
মিনিয়েচারের বোম্বাই যাত্রা
৭৩.
চিতা কাহিনি
৭৪.
বটুকেশ্বরের আবির্ভাব
৭৫.
নিবারণের সমস্যা
৭৬.
ফোর্থ টেস্ট
৭৭.
টাক এবং ছড়ি রহস্য
৭৮.
কলাবতীর ময়দান রিপোর্টিং
৭৯.
ভোটরঙ্গ
৮০.
ঢেউয়ের পরে ঢেউ
৮১.
পাগলা গণেশ
৮২.
সেতু বন্ধন
৮৩.
চিপুরি বিলের মহাশোল
৮৪.
রামেশ্বরের অসমাপ্ত কাজ
৮৫.
বলো তো কে এসেছিল ডিনারে
৮৬.
বোকা রাজার বুদ্ধিমতী রানি
৮৭.
টিপলুর ইতিহাস চর্চা
৮৮.
সোনার মেডেল উধাও
৮৯.
তুতানের বন্ধু
৯০.
ভূত মরলে কী হয়
৯১.
কথারা সব বেরিয়ে পড়েছিল
৯২.
বড়দার কবে ভালো লাগবে
৯৩.
শিবের অসাধ্যি
৯৪.
জয়রামের সিন্দুক
৯৫.
সংবাদের নেপথ্যে
৯৬.
নাড়কান্ডার নানাকাণ্ড
৯৭.
করণপুরার টাঁড়
৯৮.
সাঁঝবাতি
৯৯.
ক্রিকেট খেলার উপকারিতা
১০০.
অলক্ষ্যে হাসে মহাকাল
১০১.
লেখক-পরিচিতি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%