চাং

অশোককুমার মিত্র, প্রসাদরঞ্জন রায়

সেই যে দেশের মেয়েদের খুকির মতন ছোট্ট ছোট্ট পা হয়, আর ছেলেরা মাস্টারের দিকে পিছন ফিরে পড়া বলে; যে দেশের লোকেরা বাঁকা চোখে মিটমিট করে তাকায়, আর কাঠি দিয়ে ভাত আর আরশুলার চাটনি খেয়ে, সেই কাগজের ফানুসগুলো বানায়;-সেই চীন দেশে চাঙের বাড়ি ছিল৷

চাঙের বাপ ছিল দোকানদার; সে তার দোকানে বসে লাল লাল ফানুস আর রেশমি পাখা বেচত৷ চাং ছোট্ট ছেলেমানুষ, সে তার পুঁথি বগলে করে পাঠশালে পড়তে যেত৷ সে দেশের অক্ষরগুলো দেখতে জাহাজের মতো৷ চাং পাতলা কাগজের উপর সরু তুলি দিয়ে সেইরকম অক্ষরে চমৎকার কবিতা লিখত৷ তার গুরুমশাইয়েরা সেই কবিতা পড়ে ভারি আশ্চর্য হয়ে যেতেন; তেমন কবিতা আর কেউ কখনো লেখেনি৷

দেখতে দেখতে চাং বড়ো হল, তার পাঠশালার পড়া শেষ হয়ে গেল৷

তখন চাঙের বাপ বলল, 'লেখাপড়া তো হয়েছে, এখন দোকানে এসে কাজ কর৷'

চাং বলল, 'বাবা, দোকানের কাজ আমার একটুও ভালো লাগে না৷ আমাকে বিদেশে যেতে দাও, আমি করে খাব৷'

চাঙের বাপ বলল, 'তাও কি হয়!'

চাং আর কিছু বলল না, কিন্তু তার মন বড়ো খারাপ হয়ে গেল৷ সে পেট ভরে খায় না, হেসে কথা কয় না, আর খালি জিনিস বেচে তার দাম নিতে ভুলে যায়৷ কাজেই তার বাপ আর কী করে? সে বলল, 'আচ্ছা বাবা, তোর যেখানে ভালো লাগে সেখানে যা৷'

চাং অমনি তিন হাত উঁচু এক লাফ দিল, আর দু-হাতে করে বার বার তার বাপের পায়ের ধুলো নিল৷ সেই দিনই সে তার মা-বাপের কাছে বিদায় হয়ে, তার ছোট্ট পুঁটুলিটি বগলে করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ল৷ তারপর গ্রাম থেকে শহরে, শহর থেকে বন্দরে, এমনি করে সে সমুদ্রের ধারে এসে দেখল যে বড়ো বড়ো জাহাজ সব বাঁধা রয়েছে, তারা পাল খাটিয়ে সমুদ্র পার হয়ে পৃথিবীর নানান জায়গায় যাবে৷

চাং বলল, 'বাঃ! এর একটা জাহাজে চড়ে গেলে কী মজাই হবে৷' তখনই সে একটা জাহাজের মাঝিকে গিয়ে বলল, 'মাল্লা চাই? আমি মাল্লার কাজ করতে এসেছি৷'

Cov4

সেই জাহাজের মাল্লা হয়ে সে তো সমুদ্রে চলল, কিন্তু সে যেমন মজা হবে মনে করেছিল, তার কিছুই হল না৷ খানিক দূর গিয়েই সেই জাহাজ ঢেউ খেয়ে দুলতে লাগল; আর তখন চাং ভাবল বুঝি তার নাড়িভুঁড়ি সব বমি হয়ে যাবে৷ তারপর যেই সে একটু সামলে নিয়েছে, অমনি এমন ঝড় এল যে, ঝড় যাকে বলে৷ ঢেউয়ের ঘাড়ে ঢেউ চড়ে পাহাড়ের মতন উঁচু হয়ে সেই জাহাজের উপর ভেঙে পড়তে লাগল৷ দেখতে দেখতে জাহাজখানি গুঁড়ো হয়ে মাঝিমাল্লা সব কে কোথায় গেল, চাং তার কিছুই বুঝতে পারল না৷ সে খালি দেখতে পেল যে জাহাজের মাস্তুলটা তার কাছ দিয়ে ভেসে যাচ্ছে৷ সে প্রাণপণ করে সেইটাকে আঁকড়ে ধরে রইল৷ তারপর ঝড় থেমে গেলে সে দেখল যে মাস্তুলটা তাকে নিয়ে ভাসতে ভাসতে এসে ডাঙায় ঠেকেছে৷ সেইখানেই সে বালির উপরে ঘুমিয়ে পড়ল৷

ঘুমের ভিতরে কোনখান দিয়ে রাত কেটে গেছে চাং তা টের পায়নি৷ সকাল বেলায় জেগে সে দেখল তার চারধারে মেলাই লোক জড়ো হয়েছে৷ তাদের সকলেরই ভারি মজার চেহারা, আর বড্ড জমকালো পোশাক৷ তাদের মধ্যে একজন দেখতে খুব সুন্দর, আর তার জামায় আর পাগড়িতে আর ঘোড়ার সাজে খালি হিরা মোতি আর পান্না ঝলমল করছে৷ তিনি সেই দেশের রাজার ছেলে৷ তিনি চাংকে দেখে বললেন, 'আহা, না জানি তুমি কত কষ্ট পেয়েছ৷ তুমি কোথা থেকে আসছ?'

চাং বলল, 'আমার বাড়ি চীন দেশে৷ ঝড়ে জাহাজ ডুবে এইখানে এসে পড়েছি৷'

যেই এই কথা বলা, অমনি রাজার ছেলে কী খুশি যে হলেন, আর চাংকে কত যে যত্ন করতে লাগলেন, কী বলব! সে দেশের লোকে আর কখনো চীন দেশের লোক দেখেনি; তারা খালি শুনেছে যে চীনেরা বড়োই বুদ্ধিমান৷ রাজপুত্র মনে করলেন, 'ওঃ! কী আশ্চর্য! একটা জ্যান্ত চীনে মানুষ আমাদের দেশে এসেছে৷ একে নিয়ে বাবাকে না দেখালেই নয়৷'

তাঁরা তখনই চাংকে একটা চমৎকার ঘোড়ায় চড়িয়ে দিলেন৷ চাং তাতে বসে সবে ভাবছে, 'এইবারে বেশ মজা হবে' অমনি ঘোড়া তাকে নিয়ে ঝুপ করে সমুদ্রের ভিতরে ঢুকে গেল, তাকে ভালো করে 'মাগো' বলবারও সময় দিল না৷ কিন্তু কী আশ্চর্য, জলে ডুবে কোথায় সে দম আটকে মারা যাবে, না, তার বদলে দেখল যে সে যারপরনাই আরামে, আর সকলের সঙ্গে ঘোড়ায় চড়ে চলেছে; জল তাদের পথ ছেড়ে দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছে৷ সমুদ্রের তলায় এমন সুন্দর দেশ আছে, চাং তার কিছুই জানত না৷ সে মনে করত, তার চীন দেশই সকলের চেয়ে সুন্দর, কিন্তু এখন দেখল যে এদেশের কাছে সে দেশ কিছুই নয়৷ আর সে দেশের যে রাজবাড়ি, তা দেখে তো সে আর কথাই কইতে পারল না৷ রামধনুর রং দিয়ে, ঝিনুকের ঝিকিমিকি দিয়ে সে বাড়ি তৈরি করেছে৷ সেই বাড়িতে সমুদ্রের রাজা থাকেন৷ তিনি বুড়ো মানুষ; তাঁর দাড়ি গোঁফ দুধের মতন সাদা আর রেশমের মতো ফুরফুরে৷ এমন সুন্দর মানুষ আর কেউ কখনো দেখেনি৷ চাং বড্ড থতমত খেয়ে গিয়েছিল, তার বুকের ভিতরে যেন ঢেঁকি ধড়াস ধড়াস করছিল; কিন্তু রাজামশাইকে দেখে তার ভয় চলে গেল৷ রাজামশাইও তাকে দেখে ভারি খুশি হলেন, আর বললেন, 'আমি শুনেছি, তোমাদের দেশের লোক ভারি বুদ্ধিমান আর তারা চমৎকার কবিতা লিখতে পারে৷ আচ্ছা, আমার এই বাড়িটার কথা দিয়ে একটা কবিতা লেখো তো৷'

চাঙের মতো কবিতা তো আর কেউ লিখতে পারত না, কাজেই সে তখনই কাগজ কলম নিয়ে বসে মস্ত একটা কবিতা লিখে ফেলল৷ তেমন সুন্দর কবিতা আর সে নিজেও কখনো লেখেনি৷ রাজামশাই সেই কবিতা পড়ে এতই খুশি হলেন যে, তিনি ঘাড় নেড়ে হাত নেড়ে সুর করে বার বার খালি সেটাকে পড়তেই লাগলেন৷ চাংকে তিনি বাড়িঘর হাতি-ঘোড়া লোকজন জমিদারি কত কিছু তো দিলেনই; তাতেও তাঁর মন উঠল না, শেষে নিজের মেয়েটির সঙ্গে তার বিয়ে দিলেন৷ সে মেয়েটি দেখতে যেমন সুন্দরী, তেমনি সে লক্ষ্মী, তেমনি তার বুদ্ধি৷ তারপর বছরের পর বছর চাঙের সুখে কেটে গেছে৷ তাদের যারপরনাই সুন্দর দু-টি খোকা হয়েছে৷ চাঙের মতন সুখী লোক আর নাই, খালি এককথায় তার মনে বড়ো দুঃখ৷ যতই দিনের পর দিন যাচ্ছে, ততই তার মন তার বাপ-মাকে দেখবার জন্য পাগল হচ্ছে৷ তাদের কথা ভেবে তার চোখের জল পড়ে৷ শেষে সে একদিন রাজার মেয়েকে বলল, 'চলো না, একবার আমাদের দেশে যাই৷ আমার মাকে আর বাবাকে বড়ো দেখতে ইচ্ছে করছে৷'

রাজার মেয়ে বলল, 'হায়! আমরা কী করে যাব? এদেশের বাইরে গেলেই যে আমরা মরে যাই৷'

চাং বলল, 'তাই তো, তাহলে আর কী করে হয়৷'

রাজার মেয়ে বলল, 'আমরা নাই-বা গেলাম, তুমি তোমার মা-বাপকে দেখে এসো৷ কিন্তু দেখো, যেন এক বছরের বেশি দেরি কোরো না; তাহলে কিন্তু আমি কাঁদতে কাঁদতে মরেই যাব৷'

তারপর রাজার মেয়ে এক থলে মণিমুক্তা আর একখানি ছোট্ট আরশি এনে চাংকে দিয়ে বলল, 'এই থলেটি আমার শ্বশুর-শাশুড়িকে দিয়ো, আর এই আরশিখানি যত্ন করে তোমার সঙ্গে রেখো৷ দেশে গিয়ে তোমার যখনই ইচ্ছা হবে তখনই এই আরশির ভিতরে আমাকে দেখতে পাবে৷'

তখন সুন্দর একখানি গাড়ি সেজে এল; সেই গাড়িতে করে রাজার মেয়ে চাংকে সমুদ্রের ধারে এনে পৌঁছিয়ে দিয়ে গেল৷ সেখানে চীনদেশের অনেক জাহাজ ছিল, চাং তার একটাতে চড়ে দেশে এল৷

কিন্তু হায় হায়! দেশে এসে চাং দেখল যে তাদের সে বাড়িতে আর তার বাপ-মা নাই৷ দোকানটি আগুনে পুড়ে গিয়েছে, আর তার সঙ্গে তাদের আর যা কিছু ছিল, সব গিয়েছে; একটি ঘটি-বাটিও বাঁচে নাই৷ তার বাপ-মা এখন একটা পচা গলিতে একখানি কুঁড়ে ঘরে থাকে, ভিক্ষা করে খায়, অনেক দিনই তাও পায় না৷

অনেক কষ্টে চাং তাদের খুঁজে বার করল৷ তারা তো মনে করেছে চাং আর নাই, আর তাই ভেবে এতদিন ধরে তার জন্যে চোখের জল ফেলেছে৷ এর মধ্যে যখন চাং এসে তাদের প্রণাম করল, তখন তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে তাদের মনে হল যেন তাদের আর কোনো দুঃখ নাই৷ চাংও তখন হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল৷ যাহোক, সে কোনোমতে একটু শান্ত হয়েই ছুটে গিয়ে বাজার থেকে ভালো ভালো খাবার কিনে নিয়ে এল৷ বাজারে যতদূর ভালো খাবার পাওয়া যায়, তাই দিয়ে মা-বাপকে বেশ করে খাইয়ে তারপর সে সেই রাজার মেয়ের দেওয়া মণির থলিটি নিয়ে তাদের জন্যে বাড়ি খুঁজতে বেরোল৷

Cov5

সে সব মণির একটি একটি দিয়ে সাতটি রাজাকে কিনে ফেলা যায়৷ তার মা-বাপ যেমন কষ্টে ছিল, দেখতে দেখতে তাদের তেমনি সুখ হয়ে গেল৷ তারা যখন শুনল যে এত ধনের সবই সেই সমুদ্রের রাজার মেয়ে তাদের দিয়েছে, তখন তারা দিন-রাত খালি হাত তুলে তাকে আশীর্বাদ করতে লাগল৷

তারপর থেকে দিন খুব সুখেই যায়, চাং বাপ-মায়ের সেবা করে, আর রোজই সেই আরশিটি নিয়ে দেখে রাজার মেয়ে ভালো আছে কি না৷ দিন কতক তার মুখখানি বেশ হাসি হাসি দেখা গেল, তারপর থেকে মনে হল যেন তার চোখ দু-টি ছল ছল করছে৷ তা দেখে চাঙের মনে ভারি কষ্ট হল, সে আর দেশে চুপ করে বসে থাকতে পারল না৷ তারপর দিনই সে বাপ-মাকে বলল যে, 'আমার যাবার সময় হয়েছে, তোমরা খুশি হয়ে আমাকে যেতে দাও৷' তারাও তাকে অনেক আশীর্বাদ করে বিদায় দিল৷

তারপর তাদের ওখান থেকে চাং সমুদ্রের ধারে এসে জাহাজ ভাড়া করতে গেল৷ জাহাজের মাঝি জিজ্ঞাসা করল, 'কোথায় যাবে?'

তখন তো চাঙের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল; সে যেখানে যাবে, সে জায়গার নাম সে জানে না৷ সে জাহাজ ডুবে সেখানে গিয়ে পড়েছিল, কিন্তু কোনোদিন তার নাম শুনে নাই; কাউকে জিজ্ঞাসাও করে নাই৷ সে খালি জানত সেটা একটা দ্বীপ৷ কাজেই সে আর কী করে, সে মাঝিকে বলল, 'তোমরা যত দ্বীপের কথা জান, সেই সব দ্বীপ আমাকে দেখিয়ে আনবে৷'

মাঝি কত দ্বীপে জাহাজ নিয়ে গেল, কিন্তু তার একটাকেও চাং তার সেই দ্বীপ বলে চিনতে পারল না৷ এদিকে বছর প্রায় ফুরিয়ে এসেছে, রাজার মেয়ের চোখ দু-টি দিয়ে ঝরঝর করে জল পড়ছে৷ চাং বলল, 'হায় হায়, এখন উপায়?'

বলতে-না-বলতেই চাং চমকে উঠল৷ সে শুনল যেন জলের ভিতর থেকে কে তাকে ডাকছে, 'বাবা, বাবা!' সে চেয়ে দেখল, তারই নিজের ছেলে দু-টি তাকে তাদের ছোট্ট ছোট্ট হাত দু-খানি দিয়ে ডাকছে, আর সেই জলের ভিতর থেকে তাকে চুমো খাচ্ছে৷ তারা বলল, 'বাবা, আমাদের পিছু পিছু তোমাদের জাহাজ চালিয়ে নিয়ে এসো, তোমাকে নিয়ে যাবার জন্যে মা আমাদের পাঠিয়েছেন৷'

বলে সেই খোকা দু-টি ঢেউয়ের সঙ্গে খেলা করতে করতে মাছের মতন ছুটে জাহাজের আগে আগে চলল, আর মাঝিমাল্লারা পালের উপর পাল তুলে দিয়ে সবাই মিলে প্রাণপণে 'হেঁইয়ো' করে দাঁড় টেনে তাদের সঙ্গে সঙ্গে যেতে লাগল৷ আর একটু পরেই চাং লাফিয়ে উঠে বলল, 'আরে থামো, থামো, এই যে আমার সেই দ্বীপ৷' বলেই চাং ঝনাৎ ঝনাৎ করে তাদের এক থলির জায়গায় তিন থলি টাকা বকশিশ দিয়ে ছুটে গিয়ে সেই দ্বীপে নামল৷ মাঝিমাল্লারা খুশি হয়ে তাকে সেলাম করতে করতে জাহাজ ভাসিয়ে চলে গেল, আর তখনই তার ছেলে দু-টি হাসতে হাসতে ছুটে এসে তার কোলে লাফিয়ে উঠল৷

রাজার মেয়ে তো এর কত দিন আগে থাকতেই গাড়ি নিয়ে সেখানে এসে ভাবছিল, চাং কেন আসছে না৷ চাংকে দেখে সে কত যে খুশি হল, কী বলব! তারপর তারা গিয়ে রাজার বাড়িতে পৌঁছালে দেশের লোক আর রাজা নিজেও কম খুশি হলেন না৷ চাংও অবিশ্যি খুবই খুশি হল৷ সে কিছুই বলল না বটে, কিন্তু কবিতা লিখল হাজার দুই-তিন৷

বৈশাখ ১৩২০

অধ্যায় ১ / ১০১
সকল অধ্যায়
১.
চাং
২.
হাবুর বাবুগিরি
৩.
ভবম হাজাম
৪.
হুড়ুকবাজ সিং
৫.
হাতির ভয়
৬.
বোকা তাঁতি
৭.
ঝানু চোর চানু
৮.
বাঘ মামা
৯.
শ্বেতব্রাহ্মণের উপাখ্যান
১০.
এক হল দুই
১১.
রামভজনের ঘোড়া কেনা
১২.
দাশুর কীর্তি
১৩.
বুনো মোষ পোষমানা
১৪.
ষর্ণশের্ণ
১৫.
নেড়ুর ভয়
১৬.
হেঁড়ে-গর্জন দৈত্য
১৭.
চোর আর ঠগ
১৮.
আলি ভুলির দেশে
১৯.
বড়ো গদাই আর ছোটো গদাই
২০.
পুরস্কার
২১.
হেশোরাম হুঁশিয়ারের ডায়েরি
২২.
ঠেকে শেখা
২৩.
যুদ্ধের গল্প
২৪.
বন্ধুর দান
২৫.
মানুষের ইতিহাস
২৬.
সূর্যমুখীর কথা
২৭.
ন্যাপলা
২৮.
খেয়ালহারা
২৯.
পরিবর্তন
৩০.
আচ্ছা জব্দ
৩১.
সে
৩২.
মিষ্টি মুখ
৩৩.
চিচিং ফাঁক
৩৪.
অপরূপ রাজ্য
৩৫.
গরিবের দান
৩৬.
চোর ধরা
৩৭.
ময়ূরপঙ্খি
৩৮.
সম্পাদকের সমস্যা
৩৯.
তাইতো
৪০.
লাঠি-সমস্যা
৪১.
খুকির নাম
৪২.
স্বপ্নাদ্য ঔষধ
৪৩.
অজানা কুটুম
৪৪.
রায় মহাশয়ের গল্প
৪৫.
সমরের ষড়যন্ত্র
৪৬.
সুধাং-অ্যাং
৪৭.
ফাঁকিবাজের শিক্ষা
৪৮.
ঘঙ্গোপাধ্যায়
৪৯.
নিশুর বিপদ
৫০.
ফুটবল ম্যাচ
৫১.
এক ভাল্লুকের গল্প
৫২.
কৃপাময়
৫৩.
সেজমামার চন্দ্রযাত্রা
৫৪.
রূপসায়রী
৫৫.
দুই পড়শি
৫৬.
সন্দেশের চিঠি
৫৭.
সদাশিবের ঘোড়া-ঘোড়া কাণ্ড
৫৮.
ভবানন্দের কাশীযাত্রা
৫৯.
প্রথম পুরস্কার
৬০.
কালো মানিক
৬১.
চেঙ্গিস আর হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা
৬২.
গোবিন্দ গোয়েন্দা
৬৩.
দুগ্যো সদ্দার
৬৪.
ক্যাপ্টেন মুকুন্দরাম
৬৫.
অসমঞ্জবাবুর কুকুর
৬৬.
পিপীলিকা আতঙ্ক
৬৭.
মরুপ্রাসাদের রহস্য
৬৮.
সাতজনের তিনজন
৬৯.
গোরুর বিচার
৭০.
সংস্কার
৭১.
গঙ্গোত্রীর মহাপুরুষ
৭২.
মিনিয়েচারের বোম্বাই যাত্রা
৭৩.
চিতা কাহিনি
৭৪.
বটুকেশ্বরের আবির্ভাব
৭৫.
নিবারণের সমস্যা
৭৬.
ফোর্থ টেস্ট
৭৭.
টাক এবং ছড়ি রহস্য
৭৮.
কলাবতীর ময়দান রিপোর্টিং
৭৯.
ভোটরঙ্গ
৮০.
ঢেউয়ের পরে ঢেউ
৮১.
পাগলা গণেশ
৮২.
সেতু বন্ধন
৮৩.
চিপুরি বিলের মহাশোল
৮৪.
রামেশ্বরের অসমাপ্ত কাজ
৮৫.
বলো তো কে এসেছিল ডিনারে
৮৬.
বোকা রাজার বুদ্ধিমতী রানি
৮৭.
টিপলুর ইতিহাস চর্চা
৮৮.
সোনার মেডেল উধাও
৮৯.
তুতানের বন্ধু
৯০.
ভূত মরলে কী হয়
৯১.
কথারা সব বেরিয়ে পড়েছিল
৯২.
বড়দার কবে ভালো লাগবে
৯৩.
শিবের অসাধ্যি
৯৪.
জয়রামের সিন্দুক
৯৫.
সংবাদের নেপথ্যে
৯৬.
নাড়কান্ডার নানাকাণ্ড
৯৭.
করণপুরার টাঁড়
৯৮.
সাঁঝবাতি
৯৯.
ক্রিকেট খেলার উপকারিতা
১০০.
অলক্ষ্যে হাসে মহাকাল
১০১.
লেখক-পরিচিতি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%