বাঘ মামা

অশোককুমার মিত্র, প্রসাদরঞ্জন রায়

রাজার বাড়ির পিছনে বাঁশ বনের ধারে এক মস্ত দিঘি৷ গ্রামের মেয়েরা রোজ সেখানে এসে স্নান করে, আর যাবার সময় কলসি ভরে জল নিয়ে যায়৷

কয়েকটি মেয়ে জলে নেমে খুব স্নান করছে আর গল্প করছে৷ একটি মেয়ে বলল, 'জানিস? আমাদের কেমন সুন্দর বাড়ি? কেমন চারদিকে ফুল বাগান?'

আরেকটি মেয়ে বলল, 'আমাদের পুকুরের বাঁধানো ঘাট, কেমন সাদা ধবধপে; যেন স্ফটিকের তৈরি৷' আরেকটি মেয়ে বলল, 'আমার বাবার কেমন গাড়ি আছে, ঘোড়া আছে৷ ঘোড়াটা যা ছোটে ভাই, ঠিক যেন পক্ষীরাজ৷' সকলেই একটা-না-একটা কিছু বলছে, কিন্তু তাদের মধ্যে সব চেয়ে ছোট্ট মেয়েটি চুপ করে আছে; সে কিছু বলছে না৷ বেচারি ভেবেই পাচ্ছে না যে কীসের কথা বলবে৷ অনেক পরে সে বলে উঠল, 'আমারও এক বাঘ মামা আছে, সে বড্ড ভালো৷' এই কথা বলতেই সকলে হেসে উঠল; একটি মেয়ে বলল, 'যা যাঃ হাবি! শিগগির স্নান করে ওঠ'-আবার আরেকটি মেয়ে বলল, 'উনি আর কথা খুঁজে পেলেন না, তাই বোকার মতো বলতে এসেছেন আমার এক বাঘ মামা আছে'-আরেকটি দুষ্টু কালো হিংসুটে মেয়ে বলল, 'সব মিছে কথা! 'বাঘ মামা' আছে, না 'হাতি মামা' আছে!' তাই শুনে ছোট্ট মেয়েটি কাঁদো-কাঁদো হয়ে বাড়ি চলে গেল৷

এদিকে হয়েছে কী, সেই বাঁশ ঝোপে এক বুড়ো বাঘ এসে তাদের কথা শুনছিল৷ ছোট্ট মেয়েটি তাকে 'মামা' বলাতে তার ভারি মজা লেগেছে৷ সে করল কী, সকলের স্নান হয়ে গেলে, গ্রামের রাস্তা দিয়ে বরাবর ভিতরে যেতে লাগল৷ একটা গাছতলায় ৪-৫ জন পালকি বেহারা, পালকি নামিয়ে বিশ্রাম করছিল-বাঘ একলাফে তাদের সামনে গিয়েই চোখ ঘুরিয়ে বলল, 'এইও! তোমরা শিগগির পালকি নিয়ে আমার সঙ্গে চলো৷' পালকি বেহারাগুলো এমন থতমত খেল যে, পালাতেও পারল না৷ তাড়াতাড়ি পালকি উঠিয়ে ভয়ে ভয়ে বাঘের সঙ্গে চলল৷ খানিক দূর যেতেই বাঘ দেখল এক দোকানে সারি সারি মিঠাই সাজানো রয়েছে৷ সে এক লাফ দিয়ে ঢুকে, একেবারে ময়রাদের মাঝখানে উপস্থিত৷ আর যে যেখানে ছিল 'পালা, পালা' 'খেলো, খেলো' করে একেবারে দৌড়৷ বাঘ তখন মজা করে হাঁড়ি হাঁড়ি মিঠাই পালকিতে উঠিয়ে নিল৷ তারপর আবার এক কাপড়ের দোকানে গিয়ে বাঘ 'হালুম' করতেই-'বাপরে, মারে', করে যে যেখানে পারে দে ছুট৷ বাঘ তখন সুন্দর সুন্দর শাড়ি বেছে, পালকিতে উঠিয়ে নিল৷ এমনি করে নানান দোকান ঘুরে নানান জিনিসে পালকি একেবারে ভরতি হয়ে গেল৷ বাঘ তখন কতগুলো বাছাবাছা জিনিস নিয়ে সেই ছোট্ট মেয়েটির বাড়ির দিকে চলল৷

মেয়েটি ঝাঁটা নিয়ে ঘর ঝাঁট দিচ্ছে, এমন সময় তার মনে হল দরজায় যেন 'ঠুক' 'ঠাক' কীসের শব্দ হচ্ছে৷ সে তাড়াতাড়ি দেখবার জন্য দরজাটা একটু ফাঁক করতেই-ও বাবা! একেবারে বাঘের সঙ্গে চোখাচোখি৷ তখন সে 'আমাকে বাঘে খেলো রে' বলে এমনি চেঁচাতে লাগল যে চিৎকার শুনে তার বাড়িসুদ্ধ সকলেই দৌড়ে এল৷ বাঘ দেখল বড়োই মুশকিল, ওরা বড্ড ভয় পেয়েছে, এমনিতে দরজা খুলবে না৷ তখন সে পালকি থেকে মিঠাই, শাড়ি, খেলনা বার করে দরজার সামনে রেখে, নিজে চোখ বুজে হাত-পা ছড়িয়ে মাটিতে শুয়ে রইল৷

তখন সকলে বলাবলি করতে লাগল যে বাঘ যখন এত ভালো জিনিসপত্র এনেছে তখন তার মনে কোনো দুষ্টু বুদ্ধি নাই, সে তাদের খাবে না৷ তখন তারা সাহস করে দরজা খুলে বেরিয়ে এল৷ বাঘ তখন 'হায়, হায় ভাগনি! মামাকে ডেকে শেষে তাড়িয়ে দিচ্ছ!' এই বলে ছটফট করতে লাগল, যেন কতই মনে কষ্ট তার৷ তখন মেয়েটির সেই স্নান করতে যাওয়া থেকে সব মনে পড়ে গেল৷ সে তার মা, বাপকে সব খুলে বলল৷

তার কথা শেষ হতেই বাঘ লাফিয়ে উঠে বলল, 'তাহলে এখন একবার মামার বাড়ি চলো'-শুনে সকলে কাঁদতে লাগল৷ এমন লক্ষ্মীমেয়েকে কি কেউ বাঘের বাড়ি পাঠাতে পারে? ছোট্ট মেয়েটি বলল, 'বাঘ মামা, তোমার পায়ে পড়ি৷ আমাকে যেতে বোলো না৷ ও বাঘ মামা তোমার পায়ে পড়ি'-বাঘ তখন রেগে বলল, 'দেখো যদি তুমি আমার সঙ্গে যাও, তবে আমি বলছি তোমার খুব ভালোই হবে৷ আর যদি না যাও, তবে এক্ষুনি সকলকে খেয়ে ফেলব৷' মেয়েটি তখন ভয়ে ভয়ে পালকিতে উঠল৷ আর দেখতে দেখতে পালকি বেহারারা বাঘের হুকুমে মেয়েকে নিয়ে বনে এসে উপস্থিত৷ মেয়েকে নামিয়ে দিয়েই তারা যে যার প্রাণ নিয়ে দৌড়, মেয়েটি আরও ভয়ে কাঁদতে লাগল৷ বাঘ যতই বলে, 'আরে, আরে অত কেঁদো না, চুপ করো' মেয়েটি ততই কাঁদে৷ শেষে বাঘ বলল, 'দেখো আমি গভীর বনে শিকার খুঁজতে যাচ্ছি, তুমি আমার জন্য পাতা দিয়ে একটা বিছানা করে রেখো৷ আর ওই গাছে খুব মিষ্টি মিষ্টি ফল আছে তুমি খেয়ো৷' এই বলে বাঘ চলে গেল৷

মেয়েটি অনেকক্ষণ খুব কেঁদে, শেষে আস্তে আস্তে উঠে বাঘের জন্য শুকনো পাতা দিয়ে সুন্দর করে বিছানা করল৷ গাছের ডাল ভেঙে, তাই দিয়ে আশেপাশের জঞ্জাল পরিষ্কার করল৷ নিজে ফল-টল কিছু খেল না৷

বাঘ এসে বিছানা দেখে মহা খুশি৷ তার আর দেরি সইল না, গা মোড়ামুড়ি দিয়ে হাই তুলে বলল, 'ভাগনি, আমার পাটা একটু টিপে দাও তো!' মেয়েটি তক্ষুনি বাঘের পা টিপে দিতে লাগল৷

খানিক পরে বাঘ বলল, 'আচ্ছা ভাগনি, আমার লেজটা কেমন?' মেয়েটি বলল, 'বাঃ! বড়ো সুন্দর-কেমন মখমলের মতো নরম, আবার কেমন হলদে কালো ডোরা৷' 'আচ্ছা আমার কানটা কেমন ভাগনি?' 'বাঃ! ঠিক যেন সোনার পিদ্দিম খানি!' 'আচ্ছা-আমার চোখ দুটো কেমন ভাগনি?' 'চমৎকার! কেমন লাল-আবার রাত্রে জোনাকির মতো জ্বলে৷' 'আচ্ছা-ভাগনি, আমার দাঁতগুলো কেমন?' 'আহাহা! যেমনি ধপধপে সাদা, তেমনি ধারালো৷' 'আচ্ছা-ভাগনি, বলো তো কাঁচা মাংসের গন্ধটা কেমন?' এই বলে বাঘ 'ঘেউক' করে এক ঢেকুর তুলল৷ মেয়েটির তো গন্ধের চোটে প্রায় বমি হয়ে যাবার জোগাড়, তবু সে সামলিয়ে নিয়ে বলল, 'খুব ভালো মামা, খুব ভালো৷ ঠিক যেন আতরের গন্ধ৷'

বাঘ তো বেজায় খুশি, সে বলল, 'আহা, তুমি তো বড়ো লক্ষ্মী মেয়ে৷ এখন দেখো ওই গাছের তলায় কত টাকা, কত গহনা, মণি মুক্তা কত কী রয়েছে৷ যত পার নিয়ে বাড়ি যাও৷' মেয়েটির তো আনন্দ ধরে না৷ সে ছুট্টে গিয়ে মস্ত পুঁটলি বেঁধে অনেক টাকা, শাড়ি, গহনা নিল৷ তারপর বাঘ তাকে গ্রামের পথ পর্যন্ত এগিয়ে দিল৷ তারপর সে বাড়ি যেতেই কী যে আনন্দ হল! পাড়ার সকলে এসে তার জিনিসপত্র দেখে অবাক হয়ে গেল৷ সকলেই খুশি হয়েছে, কেবল সেই দুষ্টু কালো হিংসুটে মেয়েটা মুখ হাঁড়ি করে বাড়ি ফিরে গেল৷

Cov18

তারপর আরেক দিনও আবার মেয়েরা স্নান করতে নেমেছে৷ আর সেই হিংসুটে মেয়ে নিজে থেকেই বার বার বলছে 'আমার এক বাঘ মামা আছে, আর কিছু নাই; শুধু এক বাঘ মামা আছে আর কিছু নাই'-বাঘটা সে দিনও সব শুনতে পেল৷ আর ঠিক সেইরকম করে শাড়ি, মিঠাই, খেলনা নিয়ে হিংসুক মেয়ের বাড়ি গেল৷

এদিকে মেয়ে তো বাড়ি গিয়েই একেবারে দরজায় দাঁড়িয়ে বাঘের জন্য অপেক্ষা করছে৷ বাঘও পালকি-টালকি নিয়ে এসে হাজির৷ কিন্তু কেউ কিছু ব্যস্তও হল না এবং বাঘকে দেখে খুশিই হল৷ মেয়ে তো আগেই পালকিতে উঠে বসেছে, আর দেখতে দেখতে বনের কাছে এসে পড়েছে৷ তারপর সে পালকি থেকে নেমেই আগে চারদিকে চেয়ে দেখছে যে, শাড়ি, গহনা কোথায় আছে৷ বাঘ বলল, 'দেখো আমি বনে যাচ্ছি শিকার খুঁজতে৷ তুমি আমার জন্য পাতা দিয়ে বিছানা করে রেখো, আর ওই গাছে মিষ্টি ফল আছে, খেয়ো৷'

মেয়ের বড্ড রাগ হল৷ বাঘ চলে গেলে পরে সে প্রথমে খুব করে ফল পেড়ে খেলো, তারপর কোথাও কিছু টাকা, গহনা পায় কি না খুঁজতে লাগল৷ বিছানাও হল না কিছুই হল না৷

বাঘ এসে বিছানা করা হয়নি দেখে মাটিতেই শুয়ে মেয়েকে ডাকল, 'একটু পা-টা টিপে দাও তো৷' পাছে বাঘ খেয়ে ফেলে সেই ভয়ে মেয়ে পা টিপতে গেল৷ বাঘ বলল, 'আচ্ছা- বলো তো আমার লেজটা কেমন?' হিংসুটে মেয়ে বলল, 'রাঃম! যেন নারকেলের দড়ি৷' 'আচ্ছা-আমার কানটা কেমন?' 'ছিঃ! যেন জুতোর চামড়ার মতো!' 'আচ্ছা-আমার দাঁতগুলো বেশ, না?' 'থু-থু-যেন ব্যাঙের ছাতা৷' বাঘের ক্রমেই রাগ হচ্ছে, সে আবার বলল, 'আচ্ছা-বলো তো বাপু কাঁচা মাংসের গন্ধটা লাগে কেমন?' এই বলে 'ঘেউক' করে এক ঢেকুর তুলল৷ মেয়েটা তো বমি করেই ভাসিয়ে দিল৷ তখন বাঘ বলল, 'তোকে গহনা, শাড়ি, খেলনা কিচ্ছু দেব না৷ ভালো চাস তো এখনই আমার সামনে থেকে পালা, না হলে একেবারে গিলে ফেলব৷' মেয়েটা তো তখন 'বাপরে, বাপরে' করে একেবারে ছুট৷ একবার ফিরেও তাকায় না, সেই বাড়ির ভিতরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে তবে হাঁপ ছাড়ল৷ সে আর লক্ষ্মী মেয়ের সঙ্গে ঝগড়া করত না৷ বাঘের ভয়ে দিঘিতে স্নান করতে যাওয়াও বন্ধ করল৷

জ্যৈষ্ঠ ১৩২৩

সকল অধ্যায়
১.
চাং
২.
হাবুর বাবুগিরি
৩.
ভবম হাজাম
৪.
হুড়ুকবাজ সিং
৫.
হাতির ভয়
৬.
বোকা তাঁতি
৭.
ঝানু চোর চানু
৮.
বাঘ মামা
৯.
শ্বেতব্রাহ্মণের উপাখ্যান
১০.
এক হল দুই
১১.
রামভজনের ঘোড়া কেনা
১২.
দাশুর কীর্তি
১৩.
বুনো মোষ পোষমানা
১৪.
ষর্ণশের্ণ
১৫.
নেড়ুর ভয়
১৬.
হেঁড়ে-গর্জন দৈত্য
১৭.
চোর আর ঠগ
১৮.
আলি ভুলির দেশে
১৯.
বড়ো গদাই আর ছোটো গদাই
২০.
পুরস্কার
২১.
হেশোরাম হুঁশিয়ারের ডায়েরি
২২.
ঠেকে শেখা
২৩.
যুদ্ধের গল্প
২৪.
বন্ধুর দান
২৫.
মানুষের ইতিহাস
২৬.
সূর্যমুখীর কথা
২৭.
ন্যাপলা
২৮.
খেয়ালহারা
২৯.
পরিবর্তন
৩০.
আচ্ছা জব্দ
৩১.
সে
৩২.
মিষ্টি মুখ
৩৩.
চিচিং ফাঁক
৩৪.
অপরূপ রাজ্য
৩৫.
গরিবের দান
৩৬.
চোর ধরা
৩৭.
ময়ূরপঙ্খি
৩৮.
সম্পাদকের সমস্যা
৩৯.
তাইতো
৪০.
লাঠি-সমস্যা
৪১.
খুকির নাম
৪২.
স্বপ্নাদ্য ঔষধ
৪৩.
অজানা কুটুম
৪৪.
রায় মহাশয়ের গল্প
৪৫.
সমরের ষড়যন্ত্র
৪৬.
সুধাং-অ্যাং
৪৭.
ফাঁকিবাজের শিক্ষা
৪৮.
ঘঙ্গোপাধ্যায়
৪৯.
নিশুর বিপদ
৫০.
ফুটবল ম্যাচ
৫১.
এক ভাল্লুকের গল্প
৫২.
কৃপাময়
৫৩.
সেজমামার চন্দ্রযাত্রা
৫৪.
রূপসায়রী
৫৫.
দুই পড়শি
৫৬.
সন্দেশের চিঠি
৫৭.
সদাশিবের ঘোড়া-ঘোড়া কাণ্ড
৫৮.
ভবানন্দের কাশীযাত্রা
৫৯.
প্রথম পুরস্কার
৬০.
কালো মানিক
৬১.
চেঙ্গিস আর হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা
৬২.
গোবিন্দ গোয়েন্দা
৬৩.
দুগ্যো সদ্দার
৬৪.
ক্যাপ্টেন মুকুন্দরাম
৬৫.
অসমঞ্জবাবুর কুকুর
৬৬.
পিপীলিকা আতঙ্ক
৬৭.
মরুপ্রাসাদের রহস্য
৬৮.
সাতজনের তিনজন
৬৯.
গোরুর বিচার
৭০.
সংস্কার
৭১.
গঙ্গোত্রীর মহাপুরুষ
৭২.
মিনিয়েচারের বোম্বাই যাত্রা
৭৩.
চিতা কাহিনি
৭৪.
বটুকেশ্বরের আবির্ভাব
৭৫.
নিবারণের সমস্যা
৭৬.
ফোর্থ টেস্ট
৭৭.
টাক এবং ছড়ি রহস্য
৭৮.
কলাবতীর ময়দান রিপোর্টিং
৭৯.
ভোটরঙ্গ
৮০.
ঢেউয়ের পরে ঢেউ
৮১.
পাগলা গণেশ
৮২.
সেতু বন্ধন
৮৩.
চিপুরি বিলের মহাশোল
৮৪.
রামেশ্বরের অসমাপ্ত কাজ
৮৫.
বলো তো কে এসেছিল ডিনারে
৮৬.
বোকা রাজার বুদ্ধিমতী রানি
৮৭.
টিপলুর ইতিহাস চর্চা
৮৮.
সোনার মেডেল উধাও
৮৯.
তুতানের বন্ধু
৯০.
ভূত মরলে কী হয়
৯১.
কথারা সব বেরিয়ে পড়েছিল
৯২.
বড়দার কবে ভালো লাগবে
৯৩.
শিবের অসাধ্যি
৯৪.
জয়রামের সিন্দুক
৯৫.
সংবাদের নেপথ্যে
৯৬.
নাড়কান্ডার নানাকাণ্ড
৯৭.
করণপুরার টাঁড়
৯৮.
সাঁঝবাতি
৯৯.
ক্রিকেট খেলার উপকারিতা
১০০.
অলক্ষ্যে হাসে মহাকাল
১০১.
লেখক-পরিচিতি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%