কোরা কাগজ

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

পরদা সরিয়ে প্রবীণা প্রিজাইডিং অফিসারকে ডাকলেন,

'স্যার! একবার আসবেন?'

ভোটার আইডেন্টিটি মেলানো হয়ে গেছে। ছবির সঙ্গে চেহারা মিলে গেছে। নখে ফুটকি পরানো হয়ে গেছে। নিরীহ চেহারার ভদ্রমহিলাকে বলা হয়েছিল, 'যান লাগিয়ে আসুন।'

তিনি পর্দার আড়ালে চলে গেলেন। পাঁচ দশমিনিট হয়ে গেল। বেরোচ্ছেন না। হলটা কী? লাইন বড় হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তীরা উতলা হচ্ছেন। চড়া রোদ। গুমোট গরম। গুমোট চেহারার কয়েকজন বন্দুকধারী। বিচ্ছিরি চেহারার একটা ঘর। এটা একটা কম দামি স্কুল। কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া, ভি আর এস পাওয়া মানুষদের ছেলেমেয়েদের এখানে মানুষ করা হয়। তেমন চেকনাইয়ের দরকার হয় না। পলেস্তারা খসা, নোনাধরা ঘর থেকে বেরবে বিবর্ণ ভবিষ্যৎ। যে ভবিষ্যতকে ঠেলতে হবে স্লোগান দিয়ে।

রংচটা, দাগরাজি কয়েকটা টেবিল। তাল তোবড়ান চেয়ার। ব্যাজারমুখো, রাতজাগা একদল ভোটকর্মী। পেট আটকানোর ট্যাবলেট খেয়েছেন প্রত্যেকেই। কারণ, যদি হঠাৎ পায়, রক্ষা নাই। গতরাতে প্রাণ ভরে যা খেয়েছেন, মশার কামড়। তারা রাত্তিরবেলা কাতারে কাতারে এসে অকাতরে ভোট দিয়ে গেছে। এই ঘরেই বছরে দুবার অবিরত দেশাত্মবোধক গান বাজিয়ে রক্তদান শিবির হয়। বড়, ছোট বক্তৃতা হয়। সেই ঘরেই আজ মতদান। গণতন্ত্রের মেশিন বসেছে। চটের পর্দা ঝুলছে। বন্দুকধারীরা সজাগ। দ্বিমত যেন না হয়। অনেক সময় বহুমূত্রের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

নিষিদ্ধ এলাকার বাইরে বিভিন্ন চরিত্রের মানুষের থমথমে জটলা। সজাগ দৃষ্টি, শক্ত চোয়াল। এরা সব গণতন্ত্রের গোলা। মুখ পুড়ে গেছে। স্বভাব বদলে গেছে। মানুষের এক ভিন্ন সংস্করণ। এরা দেখছে এই কথা ভাবলেই মতের স্বাধীনতা উধাও। হঠাৎ, হঠাৎ এক একটা জিপ লোহার প্রজাপতির মতো উড়ে উড়ে চলে যাচ্ছে। দূর আকাশে ফড়িং-এর মতো একটা হেলিকপ্টার। দূরবীক্ষণে এলাকা পর্যবেক্ষণ করছে। নানা রকমের তালি মারা একটা জামা পরে এক পাগল এলাকায় ঢুকে পড়েছিল। শুধু ঢোকেনি, গানও গাইছিল, মা আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল। একজন বললেন, হাইলি সাসপিসাস। হাউ এ পাগল ক্যান এন্টার দ্য সিন।

একজন খুব রসিকতা করছেন, এই ভাবে বললেন, 'এ আগের বার ইন্ডিপেন্ডেন্ট ক্যান্ডিডেট ছিল।'

সঙ্গে সঙ্গে আর একজনের মন্তব্য, 'আজ্ঞে না। উঠে যাওয়া কারখানার জেনারেল ম্যানেজার।'

'ধুর মশাই, ও হল ছদ্মবেশি। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক। আমি এতবছর ভোট দিচ্ছি, সেই ছেলেবেলা থেকে। ভোটকেন্দ্রে কোনও বার এইরকম মাল্টিকালারড পাগল দেখিনি।'

'আমি একবার ষাঁড় দেখেছিলুম। তখন ব্যাপারটা এত আঁটসাঁট ছিল না। গুঁতিয়ে ঢুকে পড়ল। এক গোছা ব্যালট পেপার চিবিয়ে ঢেঁকুর তুলে বেরিয়ে গেল। কাউন্টিং এর সময় ষাঁড়টাকে হাজির করা হয়েছিল।'

'কেন?'

'তার দেহটা তো লিভিং ব্যালট বক্স।'

'আরে কি হল মশাই, লাইন কেন এগোচ্ছে না?' পেছন থেকে অধৈর্য কণ্ঠস্বর।'

সামনের দিক থেকে খবর এল, 'ভোটের এনক্লোজারে এক মহিলা ঢুকে আর বেরোচ্ছে না।'

'বেরোচ্ছে না! মামার বাড়ি! বের করবার ব্যবস্থা করুন।'

'অভিনব কায়দায় বুথ জ্যাম! বিরোধীদের কারসাজি।'

এক জনের গায়ে লাগল, 'বিরোধী মানে? হোয়াট ডু ইউ মিন বাই বিরোধী।'

'আপনি। তা না হলে গায়ে লাগবে কেন?'

এক প্রবীণ বললেন, 'পার্লামেন্টারি ডেমক্রেসিতে দুটো দিক, ক্ষমতাসীন দল আর বিরোধী দল। বুঝলেন? ক্ষমতায় আসার জন্য অনেক সিট দখল করতে হয়। সেই সংখ্যাকে বলা হয় ম্যাজিক নাম্বার।'

'ধ্যার মশাই। রোদে মাথার চাঁদি ফেটে যাচ্ছে, ইনি ম্যাজিক নাম্বার বোঝাচ্ছেন।'

একজন ঐতিহাসিক এইবার মুখ খুললেন, 'গতবারে কোনও একটা বুথে এক ভদ্রলোক ভোট দিতে ঢুকলেন। ঢুকলেন তো ঢুকলেন। আর বেরোচ্ছেন না। শেষে দেখা গেল, তিনি হার্ট অ্যাটাকে মরে পড়ে আছেন। ওই বুথে ভোট বন্ধ হয়ে গেল।'

'এখানেও কি তাই হল?'

'আমার সন্দেহ, এখানে কেসটা অন্যরকম, ভদ্রমহিলা গলায় দড়ি দিয়েছেন।'

'সে আবার কী? গলায় দড়ি তো লোকে বাড়িতে দেয়। এখানে কী করতে দেবে?'

'নিউজ হবে বলে। নতুন কিছু হল। ইতিহাস।'

'তা পুলিশ কী করছে?'

'ধীরে ধীরে করবে। মাথা গরম করলে তো চলবে না।'

এদিকে প্রিজাইডিং অফিসার বাধ্য হয়ে ঘেরাটোপের মধ্যে ঢুকলেন। মেজাজ স্বভাবতই চড়া। ভোটের ডিউটি তিনি করতে চান না। প্রত্যেকবার জোর করে নাম পাঠিয়ে দেয় অফিস থেকে। মানুষ বিনা পয়সায় মানুষকে বিপদে ফেলতে পারলে ভীষণ আনন্দ পায়। জগতের নিয়ম। ভদ্রালোকের স্ত্রী কিন্তু বেজায় খুশি। এতকাল পোলিং অফিসার হতেন, এবার প্রিজাইডিং। কারণ অফিসে অনেক বছর পরে প্রাোমোশান হয়েছে। স্ত্রী হাটে, ঘাটে, মাঠে, বাজারে সব্বাইকে ডেকে ডেকে বলছেন, 'কী কাণ্ড! কম ক্ষমতা! গুলিও চালিয়ে দিতে পারে।'

অফিসার বিরক্তি মেশানো গলায় জিগ্যেস করলেন, 'কী সমস্যা?'

ভদ্রমহিলা শান্ত শীতল গলায় বললেন, 'বাবা! এই যে চিহ্নটা, এরাই এ রাজ্যের সব চেয়ে বড় দল। খুব পাওয়ার। এই বোতামটা যদি টিপি, তাহলে পুলিস কি অমিতাভকে যারা খুন করেছিল, তাদের কি এবার ধরবে? তুমি জানো না বুঝি—অমিতাভ আমার একমাত্র ছেলে। ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ফাইনাল ইয়ারের ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র ছিল। দুপুরবেলা রেল প্ল্যাটফর্মে একগাদা লোকের মাঝখানে গুলি করে মেরে ফেলল। নাম সই করার পর লোকে যে ভাবে পকেটে কলম গুঁজে চলে যায়, সেইভাবে রিভালবারটা পকেটে পুরে খুনিরা চলে গেল। তিন বছর হয়ে গেল। কোনও কিনারা হল না খুনের। বাবা! তুমি বলো, কোন বোতামটা টিপব? এইটা, এইটা, না এইটা?'

অফিসার বললেন, 'এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। যাকে ইচ্ছে ভোট দিন। এটা ভোটের জায়গা। আগে থেকে ভেবে এসে ভোট দিতে হয়। পুলিশ ডাকতে বাধ্য করবেন না।'

'পুলিশ ডাকবে? তা ডাকো। অমিতাভর খুনিকে যারা ধরতে পারল না, তারা আমাকেই ধরুক।'

বাইরে একটা সোরগোল। বড় দলের প্রার্থী এসেছেন। ঘরে ঢুকে তাঁর এজেন্টকে জিগ্যেস করলেন, 'সব ঠিক চলছে?'

'এতক্ষণ চলছিল। কোথা থেকে এক মহিলা এসে বুথ জ্যাম করে দিয়েছে।'

'দূর করে বাইরে ফেলে দে না।'

মহিলা চলে এসেছেন। প্রশ্ন করলেন, 'বাবা! তোমার মা আছে?'

'আছে বোধ হয়।'

'আচ্ছা! এইবার বলো কতকগুলো গুণ্ডা যদি তোমাকে খুন করে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়, তোমার মা কি করবেন!' ভদ্রমহিলার গলা এইবার সপ্তমে চড়ল, 'জবাব দাও। তোমার মা কী করবেন? দূর করে বাইরে ফেলে দেবে? তোমার পার্টির ছেলেরা, এই রাজ্যের যত গুণ্ডা, আকাশ থেকে পড়েনি। প্রত্যেকেই তার মায়ের পেটে দশ মাস ছিল। জবাব দাও।'

বন্দুকধারী দুজন পুলিশ ছুটে এসেছেন। ভদ্রমহিলা আঙুল উঁচিয়ে জিগ্যেস করলেন, 'তোমাদের মা আছেন?'

উত্তর নেই। প্রার্থী বললেন, 'আপনি বাইরে চলুন।'

'কেন, বাইরে যাব কেন?'

'আমি আপনাকে ব্যাপারটা বোঝাই।'

'আজ তিন বছর ধরে আমাকে বোঝানো হচ্ছে।'

'আপনি ভুল করছেন। এটা আদালতের ব্যাপার। ভোটের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।'

'স্বরাজের কারখানায় ঝাণ্ডা উড়ল। না খেতে পেয়ে স্বরাজ সপরিবারে আত্মহত্যা করল। এর সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক আছে? মল্লিকাকে গণধর্ষণ করার পর মেয়েটা পুড়ে মরল, এর সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক আছে?'

'না, নেই।'

প্রার্থীর সঙ্গে তাঁর দলবল। সকলেরই উগ্র চেহারা। কারও ডাবের মতো মুখ, কারও মুখ নারকোলের মতো। গভীর রাতে গেরস্থাবাড়ির জানলার গরাদ ধরে দাঁড়ালে কোলের ছেলে কঁকিয়ে উঠবে। সব মৃত্যুর পরোয়ানা। থান-কাপড়, ন্যাকড়ায় বাঁধা লোহার চাবি বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়। প্রীতি উপহার। উঠতি বয়সের মেয়েরা জলের মাছ। জাল ছেঁকে কাকে কখন তুলবে কেউ জানে না।

এঁদেরই একজন বললেন, 'কী ফালতু বকছে। চলুন, চলুন। এখনও পঞ্চাশটা বুথে চমকাতে হবে।'

মহিলাকে হাতের ঠেলায় প্রায় উলটে ফেলে দিয়ে জনগণমন অধিনায়করা চলে গেলেন। দুটো গাড়ি রাজসমারোহে প্রবল শব্দে, দক্ষিণে ছুটল। মহিলা স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন কিছুক্ষণ। বড় অসহায় সেই ছবি।

তিনি চিৎকার করে বললেন, 'ফালতু, ফালতু, সব ফালতু। সব ঝুট হ্যায়।' বয়েস হয়েছে। যৌবনে যথেষ্ট সুন্দরী ছিলেন। সামনে একটু ঝুঁকে হাঁটেন। বাতসর্বস্ব বঙ্গভূমি। হয় মুখে বাত, না হয় হাঁটুতে।

একজন ভোটার হঠাৎ যেন কিছু আবিষ্কার করে ফেলেছেন, সেই উল্লাসে বললেন, 'আরে, আরে এই তো সেই অমিতাভর মা, স্কুলশিক্ষিকা।'

'কোন অমিতাভ?'

'কাগজে পড়েননি? পর পর তিন দিন বিরাট নিউজ। টিভিতেও দেখিয়েছিল। ক্রাউডেড প্ল্যাটফর্মে শট ডেড।'

'কারণ?'

'অকারণ।'

'কারণ ছাড়া কিছু হয় না মশাই। ডেফিনিটলি দেয়ার ইজ কারণ। মে বি এ মেয়ে। একালের ছেলেরা পটাপট মরবে দুটো কারণে, পলিটিক্স আর প্রেম। নায়ক আর নায়িকা দেশটাকে শেষ করে দিলে। নিউজ না হয় হল, তারপর কী হল?'

'সংবাদমাধ্যমে দিনকতক লাফালাফি হল, তারপর সংবাদ মরে গেল।'

'সংবাদও মরে যায়?'

'বা:, মরবে না! কত দিন বাঁচবে? কেশপুর, বীজপুর, সবই মরল।'

'ইয়েস, দেয়ার ইজ এ বিগ ধামা। পড়ে গেল ধামা চাপা। আমাদের দুটো অ্যাসেট—মামা আর ধামা।'

'গ্রামের লোক গান গায়, মামা ধামা বাজাব, মামা শাউড়ি নাচাব।'

'এ সব গান শুনলে বাংলা ব্যান্ড লুফে নেবে।'

ভদ্রলোক গানের লাইনে উৎসাহ পেয়ে একটু আগের কথা ভুলে গেলেন।

'আমার কালেকশানে এইরকম আরও আছে,

যার নাকেতে নাকফুল, দুহাত মাপা চুল,

তার সঙ্গে পাতার আমি সজনাফুল।

বড় সাধ আছে মনে—

সজনা ফুল পাতার শাউড়ি তোর সনে।'

পাঁজকোলা করে নব্বই বছরের এক গণতান্ত্রিক মানুষকে আনা হল। 'ফসিল' ভোট দেবেন। বয়েসকালে সখের থিয়েটারে সখী সাজতেন। একটাও দাঁত নেই। কোল থেকে নেমেই বললেন, 'কই, ছবি তোলো ছবি।'

সন্তানহার মহিলা হাঁটতে হাঁটতে স্টেশানে এলেন। সেই স্টেশান। এক দুপুরে সেখান থেকে ছেলের শেষ ট্রেন ছেড়ে গিয়েছিল। রোজ আসেন। অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকেন সেই জায়গাটির দিকে। অমিতাভ উপুড় হয়ে পড়েছিল। ব্যস্ত, ব্যস্ত পা মাড়িয়ে মাড়িয়ে চলে যায়। প্রথম প্রথম আতঙ্কের গলায় বলে উঠতেন, 'না, না, মাড়িও না, মাড়িও না।' কেউ শুনতেই পেত না। কলরবে কে কার কথা শোনে!

একটা মেল ট্রেন তীব্র বেগে চলে গেল। গার্ডের কামরাটা একটা লন্ঠনের মতো ছিটকে চলে গেল। নি:সঙ্গ একটা মানুষ সেখানে দাঁড়িয়ে। পতাকা নাড়ছেন। মহিলা আচমকা ডেকে উঠলেন, 'অমিতাভ!' তারপর বললেন, 'জীবনের রং সবুজ, লাল নয়, লাল নয়!'

সেই কিশোরটি এল। কাঁধে চটের ঝোলা। কাগজ কুড়োয়। মহিলার সঙ্গে নিবিড় একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। ছেলেটি 'মা' বলে ডাকে। মা ডাকটা জীবন থেকে হারিয়ে যায়নি।

মহিলা বললেন, 'কাল এলি না কেন?'

'কাল ভোটের কাগজের মালা ঝোলাচ্ছিলুম যে।'

'তোরই লাভ, কত কাগজ পাবি কাল। আয়, আয়, সন্দেশ খা। এই কাগজে কী হয় রে?'

লেখা-টেখা সব মুছে যায়। কল থেকে বেরিয়ে আসে থান থান সাদা কাগজ।

'বুঝলে মা, সব ফালতু।'

সকল অধ্যায়
১.
কখগঘ
২.
মনোরঞ্জন অসুস্থ
৩.
নীপার বক
৪.
ফুল ফোটার আয়োজন
৫.
আমার বিয়ে
৬.
ট্রেন
৭.
মিলিটারি সিন্দুক
৮.
বত্রিশ নম্বর বিছানা
৯.
কাটলেট
১০.
অভয়ারণ্য
১১.
চলে যায়
১২.
শীর্ষ সম্মিলন
১৩.
যদি হই মুখ্যমন্ত্রী
১৪.
একদা 'একদিন'
১৫.
মৃত্যুর বয়স
১৬.
এক চড়েতেই রাজা
১৭.
অর্জুন
১৮.
সুন্দরী লেন
১৯.
দ্বিতীয় পক্ষ
২০.
সেই দিদি
২১.
ভালোবাসা মোরে ভিকিরি করেছে
২২.
চিড়িয়াখানা
২৩.
হনুমান টুপি
২৪.
দুই আর দুয়ে চার
২৫.
সন্ধানে কোনও ভালো ছেলে আছে
২৬.
ডা: অমৃত চৌধুরীর ডায়েরি
২৭.
কুকুরের ডাক্তারি
২৮.
পাঁচ বন্ধু
২৯.
ইঁদুর ও দাদু
৩০.
একটি মানুষ একটি বল
৩১.
দু:সাহসী দু-চাকা
৩২.
সব ভালো যার শেষ ভালো
৩৩.
পার ঘাট
৩৪.
কৃপা
৩৫.
সেতার
৩৬.
বোতাম
৩৭.
সুরঞ্জনা
৩৮.
গেল, গেল
৩৯.
বলদের গলায় গোড়ের মালা
৪০.
আর যা-ই করো,বিপজ্জনক রকমের বড়লোক হয়ো না
৪১.
ছদ্মবেশী
৪২.
চাঁদের আলো
৪৩.
বাঁদর
৪৪.
কোরা কাগজ
৪৫.
কোনওদিন শুনেছ,চোর এসে সাধ করে ধরা দিচ্ছে
৪৬.
বড়ি ও শ্বশুরমশাই
৪৭.
তাসের ঘর
৪৮.
দগ্ধ দরজা
৪৯.
গগনের মাছ
৫০.
তোয়াজ
৫১.
ফিরে আয়
৫২.
মাংস
৫৩.
পয়সা
৫৪.
বামুনের গরু
৫৫.
জলছাত
৫৬.
সাইডিং
৫৭.
শেষযাত্রা
৫৮.
বয়েসে
৫৯.
শেষ কুত্তা
৬০.
ছুটি
৬১.
অংশীদার
৬২.
কারণ
৬৩.
প্রেম
৬৪.
দু:খের আনন্দ
৬৫.
মা
৬৬.
ধড় আমার মুণ্ডু পাবলিকের
৬৭.
পুজোর আয়োজন সহজ নয়
৬৮.
'স্থান নেই কাল নেই পাত্র নেই'
৬৯.
লববর্ষের নকশা
৭০.
দক্ষিণ যেন বিলেত
৭১.
হাসি কোথায় হারিয়ে গেল
৭২.
শীত
৭৩.
গল্প লিখে কী বিপদ!
৭৪.
চিচিং ফাঁক
৭৫.
আগমনী
৭৬.
দেউলে হতেও রাজি
৭৭.
হারিয়ে গেল
৭৮.
কী জ্বালা
৭৯.
বেদনা
৮০.
বেঁচে থাকার সহজপাঠ
৮১.
প্রেম ও বিবাহ
৮২.
জীবন বেদ
৮৩.
জীবন দর্শন
৮৪.
নিজের ঢাক নিজে পেটালে
৮৫.
মরীচিকা
৮৬.
তোমার ম্যাও তুমি সামলাও
৮৭.
হাসতে মানা নেই
৮৮.
বাঙালির পুচ্ছ নৃত্য
৮৯.
যুগ যুগ জিও
৯০.
ভরাডুবি
৯১.
স্বভাব যখন অস্বাভাবিক
৯২.
ষষ্ঠীসংবাদ
৯৩.
নিমিত্তের ভাগী
৯৪.
ইচ্ছাপূরণ নগদে অথবা কিস্তিতে
৯৫.
দুই পুরুষে
৯৬.
সব জানা চাই
৯৭.
দুধের দাঁত
৯৮.
ছত্রিশটি বছর
৯৯.
বুনো ওল আর বাঘা তেঁতুল
১০০.
পদকে নই পদানত
১০১.
স্যাটা স্যাট
১০২.
গরু
১০৩.
ছাগল
১০৪.
বোকা পাঁঠা
১০৫.
হ্যাচাং করে কেতরে গেল
১০৬.
আমি আর তুমি
১০৭.
টাচ্
১০৮.
বেশ আছি রসে বসে
১০৯.
মেয়েদের ভাগ্য ফিরবে কবে!
১১০.
গিলে করা দম্পতি
১১১.
এটা কোন যুগ!
১১২.
জ্ঞানদা, মোক্ষদা
১১৩.
যাও পাখি
১১৪.
যোগসূত্র পটাং
১১৫.
কে উদার?
১১৬.
মান অপমান
১১৭.
পলায়ন নয় সম্মুখ সমর
১১৮.
আয়না
১১৯.
রোগ দুরারোগ্য
১২০.
গেল, গেল তবু যায় না
১২১.
নবীন বছরে প্রবীণ বাঙালি
১২২.
বিদায় পৃথিবী
১২৩.
বাতি জ্বলল, বাতি গলল, ভোর
১২৪.
মিলেনিয়াম
১২৫.
দীর্ঘ রজনী প্রভাত প্রায়
১২৬.
যাঁহা বাহান্ন তাঁহা তিপ্পান্ন
১২৭.
জীবনের কার্টুন
১২৮.
প্রেম-১
১২৯.
প্রেম-২
১৩০.
প্রতিষ্ঠিত প্রেম
১৩১.
ছেলে যেন মাছ
১৩২.
পুজোর বাজার
১৩৩.
কী চাই! (১)
১৩৪.
কী চাই! (২)
১৩৫.
ফুটবল
১৩৬.
এক দানা চাল
১৩৭.
মরিতে চাহি না আমি
১৩৮.
বিউটি পারলার
১৩৯.
ইংলিশ মিডিয়াম
১৪০.
সাগর
১৪১.
বাউল
১৪২.
জ্ঞান
১৪৩.
গৃহসুখ শাস্ত্র
১৪৪.
আশা
১৪৫.
বিশ্বাস
১৪৬.
স্বীকারোক্তি
১৪৭.
ভূতের সঙ্গে গল্প
১৪৮.
আর বোলো না ভাই!
১৪৯.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
১৫০.
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
১৫১.
শেয়ালেও কামড়ে দিতে পারে
১৫২.
জীবনের জাতীয় সঙ্গীত
১৫৩.
মেয়েদের সৌন্দর্য
১৫৪.
বাস-মিনিবাসের লাইনেঘোষ, বোস, মিত্তির
১৫৫.
ফরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, ফরে ফরে
১৫৬.
বাঁচতে ইচ্ছে করে না
১৫৭.
মৃত্যু একটা ড্রপসিন
১৫৮.
শান্তির সহজপাঠ
১৫৯.
বুদ্ধুকা দেশমে ধুর্তুকা রাজ
১৬০.
সকাল সকাল ভোট দিন
১৬১.
অনুসন্ধান
১৬২.
পকেটমারি
১৬৩.
কোথাকার জল কোথায় গড়ায়
১৬৪.
সবচেয়ে ভীতিপ্রদ মদতপুষ্ট কিছু মানুষ
১৬৫.
বেঁচে থাকার বিশ্রী ভয়টা আর নেই
১৬৬.
প্রেম শিকল পরায়, সংসারে ঢোকায়
১৬৭.
ভগবান হেরে গিয়েছেন
১৬৮.
যত দোষ নন্দ ঘোষ
১৬৯.
বাড়িওয়ালা
১৭০.
প্রেসার কুকার
১৭১.
সাত টাকা বারো আনা
১৭২.
আমার ভূত
১৭৩.
ভূমিকা
১৭৪.
ন্যাড়ার বেলতলা
১৭৫.
আজ আছি কাল নেই
১৭৬.
ট্রিটমেন্ট
১৭৭.
দিন আনি দিন খাই
১৭৮.
লেপ
১৭৯.
শাপে বর
১৮০.
স্পেশাল অফিসার
১৮১.
বিলিতি বাঁশ
১৮২.
টেলিফোন
১৮৩.
খ্যাঁকশিয়াল
১৮৪.
পি. এ.
১৮৫.
জরদগব
১৮৬.
মাসি
১৮৭.
গরলপুত্র
১৮৮.
শশধর হাকসলি অ্যান্ড গুজ
১৮৯.
চিন্তা
১৯০.
তুমি আমার আমি তোমার

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%