জ্ঞানদা, মোক্ষদা

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

মানুষের অসভ্যতা মানুষকে সহ্য করতেই হবে। এসেছে যখন ভবে থাকার মাশুল দিতেই হবে। আমরা যাকে সভ্যতা বলি, সেটা হল মানুষের ডেকরেশন, মানুষের অলঙ্কার। বাইরের চাকচিক্য। আগে ছিল চার পকেট অলা ফতুয়া, খেঁটে ধুতি, এখন সেটা হয়েছে বারমুডা টিশার্ট। আগে ছিল শেমিজ, এখন ম্যাক্সি। আগে পুরুষরা পরত স্যান্ডো গেঞ্জি, এখন মেয়েরা পরে স্যান্ডো ব্লাউজ। কাঠের উনুন, তোলা উনুনের বদলে গ্যাস, মাইক্রোওভেন, কুকিং রেঞ্জ। আগে জল থাকত কুয়োয়, এখন থাকে বাড়ির মাথায়। আগে টয়লেট থাকত বাড়ির বাইরে। বর্ষার রাতে বেরোতে প্রয়োজন হলে যেতে হত টোপর মাথায়। আমার ছেলেবেলায় দেখেছি, বর্ষায় রাতে আমার এক আত্মীয় কী করেন! গুরুপাক পাক মেরেছে পেটে, বিয়ের টোপর মাথায় দিয়ে চলেছেন ডোবার ধারের টয়লেটে। সাপে ব্যাং ধরেছে, শেয়াল ডাকছে বাঁশ বাগানে। এখন সেই জিনিসই সভ্য হয়ে চলে এসেছে শোওয়ার ঘরে, খাটের পাশে! পা বাড়ালেই শান্তিলাভ। আগে মানুষ মাইলের পর মাইল হাঁটত। এখন মানুষ মাইলের পর মাইল বাহনের ভেতর হয় লাড্ডু পাকিয়ে থাকে, না হয় বাদুড়ের মতো ঝোলে। আর জপ করে, রাখে কেষ্ট মারে কে। আগে মানুষ আসনে বসে সপ্ত ব্যঞ্জন খেত, এখন পথের পাশে নর্দমার ধারে দাঁড়িয়ে নিউজ প্রিন্টের স্কার্ট পরা রোল খায়। আগে বাঁদিপোতার গামছা দিয়ে অঙ্গ মার্জনা করত, এখন ঢাউস তোয়ালে। যা কোনওদিনই শুকোয় না। সভ্য মানুষের নাম যন্ত্রসভ্যতার যাবতীয় গ্লানিতে ও সাইনোসাইটিসে ঘ্রাণশক্তি হারিয়েছে, তা না হলে বুঝতে পারত, তোয়ালে হল গন্ধ গোকুল। আগে মানুষের খিদে পেত। এখন পায় না। খাওয়া আছে খিদে নেই। আগে মানুষ একটা লক্ষে যেত, এখন মানুষের উপর দিয়ে যায়, একটু একটু করে বিবস্ত্র করতে করতে শ্মশানে নিয়ে গিয়ে ফেলে। আগে ফেলত কাঠের চিতায়, এখন ফেলে ইস্পাতের চাটুতে। এক ঘণ্টার মধ্যে পাউডার। এক ফুঁ। যা:, উড়ে গেল ম্যানেজিং ডিরেক্টর। কাচের ঘর, ঘোরানো চেয়ার, তিনটে ফোন, ইন্টারকম, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, বাইরে গরম, ভেতর ঠান্ডা গাড়ি, ছোট বড় হরেক বুলি, সেমিনার, কনফারেন্স, বোতল, বোনাস সব শেষ। ট্যালকম পাউডার। আগে মানুষ ছাই দিয়ে বাসন মাজত, প্রয়োজনে দাঁতও ঘষত, এখন লম্বা হাতল খেলান বুরুশ, পেট টেপা পেস্ট। আগে মানুষ গায়ে তেল মাখত, সরষের খোল মাখত, এখন মাখে বডি লোশন। বডি লোশনের বাংলা কী হবে? শরীর নির্যাস। শরীর নির্যাস তো বটেই। মাথায় অবশিষ্ট রয়েছে দশ পয়সার চুল, তাইতে ঢালা হল দশ টাকার শ্যাম্পু। সেই শ্যাম্পু আবার কতরকম! কোনওটা চুলের শিকড়ে ঢুকে প্রাোটিন খাইয়ে আসে, কোনওটা খুসকির সঙ্গে সম্মুখ সমরে নামে, কোনওটা চুলে পালিশ মারে। সব শ্যাম্পুই হল একালের নেতাদের মতো! অজস্র প্রতিশ্রুতি, কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা। নীচের তলা চেঁচিয়ে মরে গেল, এ লড়াই বাঁচার লড়াই, উপর তলায় হাওলা আর গণ্ডগোল।

ভেতরের মানুষটার কিছুই হল না। সবই কসমেটিক অ্যাপ্রাোচ। বাইরে কোঁচার পত্তন, ভেতরে ছুঁচোর কেত্তন। অ্যাটিকেট? সে আবার কী বস্তু? সভ্য মানুষের সভ্য সমাজে কিছু আচরণ মানতে হয়। ছাগলের মতো গুঁতোগুঁতি করতে নেই। যত্রতত্র খিস্তি করাটা অশোভন। যেখানে সেখানে ছড়ছড় গরু ধর্ম, মানুষের নয়। পথ চলার সময় যত তাড়াই থাক, পাশ কাটিয়ে যেতে হয়, পেছন থেকে তাকে খাবলাতে নেই। প্রেম তো অনেক পরের কথা, মেয়েদের আগে সম্মান করতে শিখতে হয়। সভ্যতা মানে রেপিস্ট হওয়া নয়। সব মহিলা বারবণিতা হলে অনেকের সুবিধা হলেও পৃথিবীটা জারজে ভরে যাবে। বাবা শব্দটা শুধু অভিধানে থাকবে। যদিও সমাজের গুরু, টিভি আর হিন্দি ছবি সেইরকমেরই একটা সমাজ তৈরি করতে চাইছে। ব্যাবসা মানে, স্মাগলিং, ড্রাগ ট্র্যাফিকিং। মানুষের সঙ্গে মানুষের ব্যবহার, গদাম গদাম ঘুষি আর ছুরি। আর নারীর প্রতি ব্যবহার? সব খুলে নিয়ে কৌপিন পরিয়ে নাচ, আর টেনে এনে বিছানায় ফেলা। নায়ক এসে শেষ সিনে ঘুসোঘুসি করে সব ব্যাটাকে কাবু করলেও, পরের ছবিতে আবার সব বেঁচে উঠবে। একজন প্রশ্ন করেছিলেন, 'মশাই! আপনার দেখারই বা কী দরকার, আর ভাবারই বা কী দরকার! আপনি কি ফাদার অফ দি নেশন, না ন্যাশনাল ফাদার! খাবেন, দাবেন, চিৎ হয়ে শুয়ে পড়বেন, নাক ডাকিয়ে ঘুমোবেন। মরার সময় মরে যাবেন। অত কী! জাতির চিন্তা মাথায় নিয়ে পেঁচার মতো রাত জাগা! আপনি রামমোহন রায়, না বিদ্যাসাগর! কে কাকে গুঁতোল, কে কার বস্ত্রহরণ করল, দেহ ব্যাবসা কেন বাড়ছে, কেন ডাকাতি হচ্ছে, কেন যুবশক্তি গেঁজে যাচ্ছে, কেন স্বামী বিবেকানন্দের সভায় লোক হল না, কেন চিত্রতারকাকে দেখার জন্যে স্ট্যামপিড হয়, আপনার এতে মাথা খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণটা কী! কিছু মানুষের অসভ্যতা কিছু মানুষকে সহ্য করতেই হবে। আগেও হয়েছে, এখনও হবে।'

ভেবে দেখলুম। ভাবতে গিয়ে ধরা পড়ল, আমিও কম শয়তান নই। মুখে বলি হরি, কাজে অন্য করি।' 'আরে এসব দেখা উচিত নয়' বলে নিজেই তারিয়ে তারিয়ে দেখি, যেন সেনসার কমিটির মেম্বার আমি। টিভি আমার, খরচ করে কেবল কানেকশনও নিয়েছি। তার ছিঁড়ে স্ক্রিন ভেঙে কই আমি তো একটা বিপ্লব করতে পারছি না। কই বাড়িতে খবরে কাগজ ঢোকা তো বন্ধ করতে পারিনি। ফাঁক পেলেই তো ওইসব ইতর খবর পড়ে ফেলি।

কেন এমন করি? ইন্দ্রিয়ের দাসত্ব থেকে নিজেকে মুক্ত করা কী সোজা মানিক! সে যে বড় কঠিন কাজ। ভণ্ড হওয়া অনেক সহজ, সাচ্চা হতে গেলে ইস্পাত হতে হবে। তার জন্যে আলাদা এক ধরনের শিক্ষা আছে, যা ঋষিকূলে দেওয়া হত অতীতের ভারতে। তাঁরা প্যান্ট, পাৎলুন, কোট, টাই পরা, শ্যাম্পু, ফুরফুরে কোলন গন্ধী, 'সভ্য অসভ্য' চোর-ছ্যাঁচোর চুল্লুসেবী, মদ্যপান, নারী নির্যাতনকারী প্রেমিক, অথবা রূঢ়ভাষী কেরিয়ার সর্বস্ব, আত্মকেন্দ্রিক শিশ্নোদরপরায়ণ একজিকিউটিভ, বাপ-মাকে পুকুরে চোবানো, জরুকা গোলাম তৈরি করতে চাননি। চেয়েছিলেন মূল্যবোধসম্পন্ন জ্ঞানী গৃহীর সমাজ তৈরি করতে। সে সমাজে সব নারী-পুরুষের পূর্ণ বিকাশ সম্ভব। তাঁরা শুরুই করলেন এইভাবে:-ঈশা বাস্যমিদং সর্বং যৎ কিষ্ণ জগত্যাং জগৎ। তেন ত্যক্তেন ভুঞ্জীথা মা গৃধ: কস্যচিদ্ধনম ধনম।।

এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের যেখানে যা কিছু আছে, সব কিছুর মধ্যেই ঈশ্বর বিরাজ করছেন। ভোগের বস্তু এখানে অনেক। ভোগ অবশ্যই করবে, তবে তার সঙ্গে যেন ত্যাগ থাকে। কখনও কারও ধনসম্পদে লোভ করবে না।

এই রে, এ আবার সমস্কৃত কপচায় রে! ডেড ল্যাঙ্গোয়েজ। ছাত্রজীবনে, বাপের সম্পত্তির সংস্কৃত করেছিল, বাপস্য সম্পত্তি। পণ্ডিত মশাই রেগে রেজিগনেশন দিয়ে স্কুল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। এখন বই খুলে কোটেশন ঝাড়ছে।

বেশ, তাহলে সায়েবদের দিক থেকেই আসি। সায়েবরা না বললে আমাদের শ্রদ্ধাও আসবে না। জগদবিখ্যাত এক সাইকোথেরাপিস্ট ও লেখক, ডক্টর ওয়েন. ডব্লু. ডায়ার লিখছেন, আচ্ছা বলত, Form কাকে বলে? আকার, আকৃতি। তোমার একটা ফর্ম, একটা আকৃতি আছে। সেটা কী দিয়ে তৈরি? Form includes the total weight of your bones, arteries, blood vessels, skin, eye-balls tonsils, heart, lungs, kidneys and anything else that you can name in your physiology, yet certainly you are much more them a pile of bones, skin and component parts. এটা তোমার খাঁচা। যেটাকে তুমি 'আমি' বলো, সেটা কোথায়।

খাঁচা খাঁচার নিয়মে চলবে। ওটা একটা যন্ত্র। সারা জীবনে ওই খাঁচা বহুবার পালটাবে। প্রথমে তুমি ছিলে ছোট্ট এতটুকু, একটা শিশুর খোলে, তারপর সেই খোল বেড়ে হল কিশোর, কিশোর থেকে যুবক, যুবক থেকে প্রৌঢ়। প্রতি সাত বছর অন্তর দেহকোষ পালটেছে; কিন্তু তোমার 'তুমি' সেই একই আছে।

ছাগল ছাগলের আকৃতিতে পাতামাতা খেয়ে বাড়ছে শেষে মানুষ তাকে পেঁয়াজ রসুন দিয়ে বেশ করে কষে খেয়ে ফেলছে। শূকর ময়লার গাদায় ছানাপোনা নিয়ে ঘোঁত ঘোঁত করছে। ছুঁচোর মতো ফানেল টাইপ, মুখ নিয়ে নর্দমার পাক খাচ্ছে। অবশেষে নিউ মার্কেটের স্টলে বেঁচে থাকার সেলামি দিচ্ছে। 'সালামি হয়ে।' মৃত্যুর পর অসম্মানের শুয়োর নাম ঘুচে সায়েবি বাহার, হ্যাম বেকন। মানুষের তফাৎটা কোথায়! The only talking and thinking animal. মানুষের গৌরবের ভাগটা পড়ে আছে ওই নিরানব্বই ভাগ অদৃশ্য অংশে, The largest chunk of who you really are is something beyond form. ডায়ার সায়েব আমাদের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথাই তাঁর দীর্ঘ উপলব্ধি থেকেই শোনাচ্ছেন। গেরুয়া নিয়ে গুহায় যেতে হয়নি। আধুনিক মানুষের তালগোল পাকানো মনের গভীরে তার আসল আমিটাকে খুঁজতে গিয়ে এই আবিষ্কার। খাঁচার ভেতর সেই অচিন পাখিটা কোথায়! আরে, সেটা তো শরীর নয়।

অয়ম অব্যক্ত:, অয়ম অচিন্ত্য: অয়ম অবিকার্য:

খাঁচার ইন্দ্রিয় দিয়ে এই আমিটাকে বোঝা যাবে না, মনেরও অগোচর এবং তার কোনও বিকার নেই। স্বামী পরমানন্দ আরও সুন্দর ও বোধগম্য। মরেছে, এ আবার স্বামীর কথা বলছে। আজকাল অ্যালর্জির বৃত্ত এত বিশাল যে, ভগবান, স্বামী, পরমানন্দ, আনন্দ, নির্বাণ, প্রয়াণ এইসব শব্দ কানে এলেই শরীর চিড়বিড় চিড়বিড় করে ওঠে। তখন কানের কাছে রাম নাম, হরি নাম নয়, বলাতে হয় মাল খাও, মালাই খাও, লাথি খাও, ঝ্যাঁটা খাও, তুমি যার স্বামী তার ধোলাই খাও। ডেলি প্যাসেঞ্জার হয়ে আসন থেকে ঘাড় ধরে বোনাফাইড প্যাসেঞ্জারদের তুলে দিয়ে, সেইখানে জাঁকিয়ে বসে কাঁচা খিস্তি করতে করতে গোলাম খানায় যাও। প্রবীণ, প্রবীণাদের ছুড়ে ফেলে দেওয়া যায়, নিজের উদরটিকে তো ফেলা যাবে না। ওই একই কামরায় নিজের ছেলে ছিল ওপাশে। সে এইবার স্কুলের বন্ধুদের বলছে, আমার বাবা, শালা একটা মাল। তারপর! সব কিছুরই তো একটা পর আছে। হিন্দি ছবির কায়দায় আয়, বাবা শালাকে খুন করি।

তবু শুনি, স্বামী পরমানন্দের কথা, 'অধিকাংশ মানুষের কাছেই এই স্থূল দেহটিই তার নিকটতম বাস্তব বস্তু। সূক্ষ্ম আধ্যাত্মিক শক্তি অথবা অন্ত:স্থ অদৃশ্য আত্মার কথা মুখে অনেকেই বলে থাকে বটে, কিন্তু খুব অল্পসংখ্যক মানুষই তাদের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে বা তা বুঝতে পারে...বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে আমাদের মধ্যে অতি অল্প লোকেরই স্বীয় শরীরের উপর কর্তৃত্ব আছে। যে শক্তি আমাদের এই দেহকে অবলম্বন করে প্রকাশ পায়, তার অনেকটারই অপচয় ঘটে—এবং সেই অপচয়ের ফলে চক্ষু আমাদের স্বচ্ছ দৃষ্টি দিতে পারে না, কর্ণাদি অপরাপর ইন্দ্রিয়ও দেয় মাত্র আংশিকজ্ঞান...কিন্তু যখন আমরা আপন সত্তার মূলে পৌঁছাই এবং সকল শক্তিকে একত্রিত করি তখনই তাদের আয়ত্তে আনতে সক্ষম হই।'

ডায়ার সাহেব বলছেন, Form শব্দটা লাগাও trans মানে beyond, above, over পেলে transform এরপর যোগ কর ation. মানে result, তাহলে নিজর form-কে কী করা হল transformation, অর্থাৎ going beyond on is form. ডায়ার বলছেন, ভাবনাটা উলটে নাও, ভাব, you are a soul with a body rather than a body with a soul.

—কে এত জ্ঞান কপচাচ্ছে গো?

—কে আবার, ওই যে!

—কান দিও না, ওসব জ্ঞানদা, মোক্ষদাদের যুগ শেষ, ও ব্যাটাও টেম্পো চাপা পড়ে টেঁসে যাবে। আ:, মান্তার মা পুঁইশাকটা যা রেঁধেছে, আত্তু দাও তো, বলদের মতো খাই।

—পেটে একটু জায়গা রাখো, আজ তো আবার নাদুর ছেলের বউভাত!

—ও ভেবো না, অ্যান্টাসিড মেরে চাপিয়ে দোব, জোলাপ মেরে খালাস করে দোব।'

সকল অধ্যায়
১.
কখগঘ
২.
মনোরঞ্জন অসুস্থ
৩.
নীপার বক
৪.
ফুল ফোটার আয়োজন
৫.
আমার বিয়ে
৬.
ট্রেন
৭.
মিলিটারি সিন্দুক
৮.
বত্রিশ নম্বর বিছানা
৯.
কাটলেট
১০.
অভয়ারণ্য
১১.
চলে যায়
১২.
শীর্ষ সম্মিলন
১৩.
যদি হই মুখ্যমন্ত্রী
১৪.
একদা 'একদিন'
১৫.
মৃত্যুর বয়স
১৬.
এক চড়েতেই রাজা
১৭.
অর্জুন
১৮.
সুন্দরী লেন
১৯.
দ্বিতীয় পক্ষ
২০.
সেই দিদি
২১.
ভালোবাসা মোরে ভিকিরি করেছে
২২.
চিড়িয়াখানা
২৩.
হনুমান টুপি
২৪.
দুই আর দুয়ে চার
২৫.
সন্ধানে কোনও ভালো ছেলে আছে
২৬.
ডা: অমৃত চৌধুরীর ডায়েরি
২৭.
কুকুরের ডাক্তারি
২৮.
পাঁচ বন্ধু
২৯.
ইঁদুর ও দাদু
৩০.
একটি মানুষ একটি বল
৩১.
দু:সাহসী দু-চাকা
৩২.
সব ভালো যার শেষ ভালো
৩৩.
পার ঘাট
৩৪.
কৃপা
৩৫.
সেতার
৩৬.
বোতাম
৩৭.
সুরঞ্জনা
৩৮.
গেল, গেল
৩৯.
বলদের গলায় গোড়ের মালা
৪০.
আর যা-ই করো,বিপজ্জনক রকমের বড়লোক হয়ো না
৪১.
ছদ্মবেশী
৪২.
চাঁদের আলো
৪৩.
বাঁদর
৪৪.
কোরা কাগজ
৪৫.
কোনওদিন শুনেছ,চোর এসে সাধ করে ধরা দিচ্ছে
৪৬.
বড়ি ও শ্বশুরমশাই
৪৭.
তাসের ঘর
৪৮.
দগ্ধ দরজা
৪৯.
গগনের মাছ
৫০.
তোয়াজ
৫১.
ফিরে আয়
৫২.
মাংস
৫৩.
পয়সা
৫৪.
বামুনের গরু
৫৫.
জলছাত
৫৬.
সাইডিং
৫৭.
শেষযাত্রা
৫৮.
বয়েসে
৫৯.
শেষ কুত্তা
৬০.
ছুটি
৬১.
অংশীদার
৬২.
কারণ
৬৩.
প্রেম
৬৪.
দু:খের আনন্দ
৬৫.
মা
৬৬.
ধড় আমার মুণ্ডু পাবলিকের
৬৭.
পুজোর আয়োজন সহজ নয়
৬৮.
'স্থান নেই কাল নেই পাত্র নেই'
৬৯.
লববর্ষের নকশা
৭০.
দক্ষিণ যেন বিলেত
৭১.
হাসি কোথায় হারিয়ে গেল
৭২.
শীত
৭৩.
গল্প লিখে কী বিপদ!
৭৪.
চিচিং ফাঁক
৭৫.
আগমনী
৭৬.
দেউলে হতেও রাজি
৭৭.
হারিয়ে গেল
৭৮.
কী জ্বালা
৭৯.
বেদনা
৮০.
বেঁচে থাকার সহজপাঠ
৮১.
প্রেম ও বিবাহ
৮২.
জীবন বেদ
৮৩.
জীবন দর্শন
৮৪.
নিজের ঢাক নিজে পেটালে
৮৫.
মরীচিকা
৮৬.
তোমার ম্যাও তুমি সামলাও
৮৭.
হাসতে মানা নেই
৮৮.
বাঙালির পুচ্ছ নৃত্য
৮৯.
যুগ যুগ জিও
৯০.
ভরাডুবি
৯১.
স্বভাব যখন অস্বাভাবিক
৯২.
ষষ্ঠীসংবাদ
৯৩.
নিমিত্তের ভাগী
৯৪.
ইচ্ছাপূরণ নগদে অথবা কিস্তিতে
৯৫.
দুই পুরুষে
৯৬.
সব জানা চাই
৯৭.
দুধের দাঁত
৯৮.
ছত্রিশটি বছর
৯৯.
বুনো ওল আর বাঘা তেঁতুল
১০০.
পদকে নই পদানত
১০১.
স্যাটা স্যাট
১০২.
গরু
১০৩.
ছাগল
১০৪.
বোকা পাঁঠা
১০৫.
হ্যাচাং করে কেতরে গেল
১০৬.
আমি আর তুমি
১০৭.
টাচ্
১০৮.
বেশ আছি রসে বসে
১০৯.
মেয়েদের ভাগ্য ফিরবে কবে!
১১০.
গিলে করা দম্পতি
১১১.
এটা কোন যুগ!
১১২.
জ্ঞানদা, মোক্ষদা
১১৩.
যাও পাখি
১১৪.
যোগসূত্র পটাং
১১৫.
কে উদার?
১১৬.
মান অপমান
১১৭.
পলায়ন নয় সম্মুখ সমর
১১৮.
আয়না
১১৯.
রোগ দুরারোগ্য
১২০.
গেল, গেল তবু যায় না
১২১.
নবীন বছরে প্রবীণ বাঙালি
১২২.
বিদায় পৃথিবী
১২৩.
বাতি জ্বলল, বাতি গলল, ভোর
১২৪.
মিলেনিয়াম
১২৫.
দীর্ঘ রজনী প্রভাত প্রায়
১২৬.
যাঁহা বাহান্ন তাঁহা তিপ্পান্ন
১২৭.
জীবনের কার্টুন
১২৮.
প্রেম-১
১২৯.
প্রেম-২
১৩০.
প্রতিষ্ঠিত প্রেম
১৩১.
ছেলে যেন মাছ
১৩২.
পুজোর বাজার
১৩৩.
কী চাই! (১)
১৩৪.
কী চাই! (২)
১৩৫.
ফুটবল
১৩৬.
এক দানা চাল
১৩৭.
মরিতে চাহি না আমি
১৩৮.
বিউটি পারলার
১৩৯.
ইংলিশ মিডিয়াম
১৪০.
সাগর
১৪১.
বাউল
১৪২.
জ্ঞান
১৪৩.
গৃহসুখ শাস্ত্র
১৪৪.
আশা
১৪৫.
বিশ্বাস
১৪৬.
স্বীকারোক্তি
১৪৭.
ভূতের সঙ্গে গল্প
১৪৮.
আর বোলো না ভাই!
১৪৯.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
১৫০.
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
১৫১.
শেয়ালেও কামড়ে দিতে পারে
১৫২.
জীবনের জাতীয় সঙ্গীত
১৫৩.
মেয়েদের সৌন্দর্য
১৫৪.
বাস-মিনিবাসের লাইনেঘোষ, বোস, মিত্তির
১৫৫.
ফরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, ফরে ফরে
১৫৬.
বাঁচতে ইচ্ছে করে না
১৫৭.
মৃত্যু একটা ড্রপসিন
১৫৮.
শান্তির সহজপাঠ
১৫৯.
বুদ্ধুকা দেশমে ধুর্তুকা রাজ
১৬০.
সকাল সকাল ভোট দিন
১৬১.
অনুসন্ধান
১৬২.
পকেটমারি
১৬৩.
কোথাকার জল কোথায় গড়ায়
১৬৪.
সবচেয়ে ভীতিপ্রদ মদতপুষ্ট কিছু মানুষ
১৬৫.
বেঁচে থাকার বিশ্রী ভয়টা আর নেই
১৬৬.
প্রেম শিকল পরায়, সংসারে ঢোকায়
১৬৭.
ভগবান হেরে গিয়েছেন
১৬৮.
যত দোষ নন্দ ঘোষ
১৬৯.
বাড়িওয়ালা
১৭০.
প্রেসার কুকার
১৭১.
সাত টাকা বারো আনা
১৭২.
আমার ভূত
১৭৩.
ভূমিকা
১৭৪.
ন্যাড়ার বেলতলা
১৭৫.
আজ আছি কাল নেই
১৭৬.
ট্রিটমেন্ট
১৭৭.
দিন আনি দিন খাই
১৭৮.
লেপ
১৭৯.
শাপে বর
১৮০.
স্পেশাল অফিসার
১৮১.
বিলিতি বাঁশ
১৮২.
টেলিফোন
১৮৩.
খ্যাঁকশিয়াল
১৮৪.
পি. এ.
১৮৫.
জরদগব
১৮৬.
মাসি
১৮৭.
গরলপুত্র
১৮৮.
শশধর হাকসলি অ্যান্ড গুজ
১৮৯.
চিন্তা
১৯০.
তুমি আমার আমি তোমার

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%