বাঙালির পুচ্ছ নৃত্য

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

আমরা সাতিশয় ধার্মিক জাতি। বারো মাসে তেরো পার্বণ লেগেই আছে। ভারতে যত তীর্থক্ষেত্র আর মন্দির আছে, পৃথিবীর আর কোথাও আছে কি না সন্দেহ। আমরা ধার্মিক কোনও সন্দেহ নেই। তবে ধর্মের একটা দিকই কেবল নেই, সেটি হল মানবধর্ম।

ধর্ম আমাদের প্রেমিক করেছে। মানব-প্রেমে নয়। আমরা ক্ষমতা-প্রেমী, অর্থ প্রেমী। টাকার লোভে আমরা বাপের বুকে চাকু চালাতে পারি। হাত কাঁপছে না। গদিতে বসার জন্য আমরা অকাতরে নরবলি, ক্যাডারবলি দিতে পারি। বিবেকদংশনে ভুগতে হয় না। ধর্ম আমাদের নির্লোভ করেছে। সবচেয়ে বড় যে লোভ, অগ্রগতি, উন্নতি, জাতির বিকাশ, ভবিষ্যতের পাওনা, সেইসব লোভ আমাদের একেবারেই নেই। আজকের দিনটা কাটলেই হল, কাল কী হবে ভাবার প্রয়োজন নেই। বেদান্তে দেশের মানুষকে ভবিষ্যতের কথা ভাবতে নেই। নববেদান্তের বাণী—জিও আর পিও। ধর্ম আমাদের অভিমানশূন্য করেছে। জাতি পুঞ্জে উন্নত স্বাধীন দেশের সম্মান আমরা চাই না। আমাদের ধর্ম হল—লুট লে, লুট লে। যে যেখানে যেভাবে আছে, সুযোগ পেলেই লুটে-পুটে ফাঁক করে দাও।

এমন ধার্মিক একটি জাতির কাছে যে কোনও পুজোই হল এক ধরনের উৎসব। বিচিত্র এক হল্লা-গুল্লা। সে উৎসবে সাধারণ মানুষের যোগ না থাকলেও চলছে চলবে, স্লোগানের মতো, হচ্ছে, হবে। দেবী দুর্গা নাটের পুতুল। বিশাল প্যান্ডেল, বিচিত্র আলোকসজ্জা, মাইকে গ্যালন গ্যালন সঙ্গীতের নির্যাস। বাতাস পলিউশানে যতই দূষিত হোক না কেন, শহর প্রশাসকদের উদাসীনতায় যতই মলিন হোক না কেন, মানুষে মানুষে সম্পর্ক যতই হিংসাত্মক হোক না কেন, দারিদ্র্য পরনের শেষ বস্ত্রটুকু খুলে নিক না কেন, শিক্ষাব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শাসন ব্যবস্থা যতই বেহাল হোক না কেন, কিছুই তাতে যায় আসে না। জীবনের পর যেমন মৃত্যু আসে অনিবার্য গতিতে, বছরের খাঁজে খাঁজে তেমনই আসে উৎসব। আসতেই হয়, কারণ আমাদের সংস্কার এখন চলে গেছে ব্যাবসাদারদের হাতে, চলে গেছে সুযোগ সন্ধানীদের হাতে।

এ দেশের ধর্মও এক ধরনের ব্যাবসা। সহজ, সরল, বিশ্বাসী মানুষের আজন্ম লালিত সংস্কার সেই ব্যাবসার মূলধন। আমরা উদ্বোধন চাই না, উন্মোচন চাই না, দেহস্থ আত্মায় আমাদের বিশ্বাস নেই। বড় অসহায় আমরা। ভাগ্যই আমাদের শেষ সম্বল। বড় দরিদ্র আমরা। গাড়ি নেই, বাড়ি নেই, সুস্থ জীবিকা নেই। অর্থ ঢেলে উচ্চশিক্ষার দরজা খোলার সামর্থ্য নেই, আধুনিক চিকিৎসা আমাদের সাধ্যের বাইরে, মানুষের আদালতে ন্যায় বিচারের আশা নেই। হয় মারো, না হয় মরো, জগতে আমাদের ভরসা ঝাড়ফুঁক, তাগা-তাবিজ, জরিবুটি আর পুরোহিতের ভুল উচ্চারণে সংস্কৃত মন্ত্র।

দীপাবলি এল অন্ধকারের নামাবলি গায়ে। বাইরে দীপ জ্বালানো তেমন কঠিন কাজ নয়, অথচ এই উৎসবের, এই পুজোর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য ছিল অন্তরের দীপ জ্বালানো। সে যে বড় কঠিন কাজ! সাধক চাই, সাধনা চাই। এ দেশে তো সব সাধনার ইতি হয়ে গেছে। বেঁচে আছে শবসাধনা। জেগে আছে শ্মশান। আশার আলো ছড়াচ্ছে চিতার আগুন। সাধনার ধারা পালটেছে। সাধকদের গোত্র বদলেছে। সমাজ এখন সহজিয়াদের হাতে। গঠনের শক্তিও শক্তি, ভাঙনের শক্তিও শক্তি। চতুর্দিকে চলেছে সোল্লাসে চিৎকার—উড়িয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও। কয়েক লাখ টাকা, কয়েক শো মানুষ সহজেই উড়িয়ে দিতে পারে, হা-অন্ন কয়েক লাখ মানুষের উদাস চোখের সামনে।

একালের সব বারোয়ারি পুজোই প্রচ্ছন্ন ব্ল্যাকমেল আর সংখ্যাগরিষ্ঠের ওপর কিছু সংখ্যক স্থানীয় সংখ্যালঘিষ্ঠের নিগ্রহ। যাঁরা ক্ষমতায় বসে আছেন, যাঁরা ব্যাবসার নামে দু'নম্বরি কারবারে কালো টাকা লুটছেন, তাঁরা কর্মচারীদের কাঁচকলা দেখাতে পারেন, আইনের সাপ আর বাঘের মুখে চুমু খেতে পারেন, বিশাল ইমারতের সর্বোচ্চ কোঠায় ঐশ্বর্যের নিজস্ব জগতে পরিবারকে আগলে রাখতে পারেন, পারেন না স্থানীয় উগ্রযুবকদের ঘাড়ের দিকে এগিয়ে আসা হাত ঠেকাতে। ধর্মের সঙ্গে রাজনীতির যোগ হয় এই একটি সময়ে। সেকালে রঘু ডাকাত বিশু ডাকাত, ডাকাত কালীর পুজো চড়িয়ে গৃহস্থের ভাণ্ডার সাফ করতে বেরত। একালের রাজনীতির কেষ্টবিষ্টুরা পাল্লা দিয়ে মহামায়ার পুজো করেন। ধনপতি, শিল্পপতি সারা বছরের রক্ষাকবচ খোঁজেন মোটা অঙ্কের চাঁদা গুণে। তাঁরা জানেন, এ পুজো মায়ের নয়, পুরোহিতের। বিশাল অঙ্কের এই সব তামাশার ঘাটতি পূরণের জন্যে আছে মধ্যবিত্ত মূষিকের দল। যারা প্রতি মুহূর্তে লক্ষ রকম ভয়ে বিকারের রুগির মতো কাঁপছে। যারা জানালার ঝিল্লি ফাঁক করে সামনের রাস্তায় মানুষের নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেখে, আর ফিসফিস করে নিজের স্ত্রীকে বলে, খোকা বাড়ি আছে তো? যাদের জীবনধারণের মূল নীতি হল, নিজে ভালো খাব, ভালো পরব। নিজের পরিবারের সমৃদ্ধি সাধন করব। সমাজে বাস করব। কিন্তু দূরে সরে থাকব চার দেওয়ালের নিরাপত্তায়। ওরা এদের চেনে। জানে, বাকসর্বস্ব এইসব সুবিধাবাদীদের কীভাবে দোহন করতে হয়!

যে সমাজের সব মানুষই একঘরে, যে সমাজে মানুষে মানুষে সম্পর্ক হল দেঁতো হাসির, আর কী রকম আছ, কেমন আছ—সে সমাজে পুজো, পার্বণ, উৎসব সবই হবে জীবনের বহিরঙ্গ। আনন্দহীন প্রথা। চোখের সামনে ঘটে যাবে কিন্তু প্রাণের যোগ থাকবে না। জীববিজ্ঞানীরা কারণ জানেন, কেন ইলিশ এত তৈলাক্ত আর সুস্বাদু। গঙ্গার ভাসমান মৃতদেহে ইলিশের ঝাঁক আটকে থাকে। ভাসতে ভাসতে, খেতে খেতে, ক্রমশই তৈলাক্ত হতে হতে একদিন জালে গিয়ে আটকায়। মৃত সমাজের আষ্টেপৃষ্টে মেদলোভী মানুষ-ইলিশ ক্রমশই তৈলাক্ত, রূপালি হচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে এরা খাদক হলেও আর এক জীবের খাদ্য, সেই খাদক প্রাণীটির নাম রাক্ষুসে রাজনীতি।

গ্রামের পর গ্রাম অন্ধকার। ফসলের ক্ষেতে দলীয় কাকতাড়ুয়া। জলাধার ফেটে হয় বন্যা, না হয় জলাধার শুকিয়ে খরা। সামান্য অর্থ প্রাপ্তির আশায় দালালের নির্দেশে গ্রামের মানুষ শহরে রাজনীতির মিছিলে ভাড়া করা আন্দোলনকারী। পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে রাজনীতির বাস্তুঘুঘু। কাশের বনে হাঁসুলি হাতে ঘাতক। বাতাসের শব্দে মিশছে নিশীথ রাতে মানুষের মৃত্যু-চিৎকার। স্ত্রীর পাশে শুয়ে থাকা স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা। সেই গ্রামীণ জীবনের অনুষঙ্গ ফসলের উৎসব, প্রাচুর্যের উৎসব, দীপমালায় পল্লি সজ্জার উৎসব, অলক্ষ্মী বিদায় করে লক্ষ্মীকে বরণ করে নেওয়ার উৎসব নিরানন্দ গ্রাম ছেড়ে শহরে কোণঠাসা। শহরের ধর্মই হল আত্মাকে মেরে ফেলে বহিরঙ্গকে কদর্য করে তোলা। দরিদ্রের ঘরে স্বাধীন সরকার টেমি জ্বালাবার কেরোসিনটুকুও দিতে পারেননি। দু'বেলা ভরপেট আহার জোতদারি বিলাস। আলো আর প্রাচুর্যের উৎসব সরে এসেছে শহরে। স্বল্পবিস্তর শ্যাওলাধরা ছাদের আলসেতে কাঁপা কাঁপা বাতি। দীপাবলি আর প্রদীপে সাজে না। সেন্টিমিটার মাপের মোমবাতি যন্ত্রযুগের সহজ আলোকবর্তিকা। যত না জ্বলে, তার চেয়ে বেশি চমকায়। পয়সাওয়ালার কার্নিসে ঝোলে বিদ্যুৎমালা। চিনে লণ্ঠনের রকমারি বাহার। নীচের ফুটপাতে ছেঁড়া চটের আবরণীর তলায় গ্রামের মেয়ে শহরের হয়ে শিশুর মুখে গুজে দিচ্ছে শীর্ণ স্তন। পাঁচতলার ছাদে শিল্পপতির দামড়া ছেলে বাতির আগুনে কালো টাকা পোড়াচ্ছে। পার্কের চৌতারায় চাঁদার টাকায় লাখ মারা প্যান্ডেল উঠেছে সারনাথের বুদ্ধ মন্দিরের ধাঁচে। অন্তরালে শ্যামা মা বিদ্যুতের কেরামতিতে দৃশ্য আর অদৃশ্য হচ্ছেন। মায়ের ভক্তরা শাস্ত্রের বিধানে পরের পয়সায় অমৃত পান করে কচি ছাগের মহাপ্রসাদ লোভে শাস্ত্রসম্মত আর একটি ম'কার খুজছে।

তন্ত্র আমাদের পঞ্চ ম'কারের পথে শক্তির সন্ধানী হতে বলেছেন। মদ্য, মাংস, মৎস্য, মৈথুন, মুদ্রা। কালী তাই একালের শক্তি সাধকদের এত প্রিয়। মা দুর্গা অসুর নিধন করেন তাই অসুর সমাজে মাকালীর মতো ততটা প্রিয় নন। শ্যামা অনেক নির্ঝঞ্ঝাট। পরিবার শূন্য দেবী। শ্মশানবাসিনী। তাঁর অনুচরেরা হলেন ডাকিনী, যোগিনী, ভূত, প্রেত। দেশ যত শ্মশানের মতো হয়ে উঠবে, অনুচর অসুররা সংখ্যায় যত বাড়বে, মায়ের পুজো তত অসুর-প্রিয় হবে।

পারিবারিক পুজোয় শ্যামা মা ভীতির দেবী। পুজোর সামান্য ত্রুটিতে বংশ নির্বংশ হয়ে যেতে পারে। বারোয়ারি পুজোর মা উল্লাসের দেবী। ঘন ঘন বোমা বিস্ফোরণ, বিদ্যুৎ সংকটেও আলোকমালা ভূষিত। হাটে, ঘাটে, মাঠে, ময়দানে; নর্দমার পাশে, পার্কের কোণে বড় ছোট মূর্তি। সপ্তমী, নবমী, দশমীর বালাই নেই। ইচ্ছে করলে একমাসও ফেলে রাখা যায়। এই বেকার সমস্যার যুগে কিছুদিনের জন্যে মায়ের কৃপায় সাকার হওয়া যায়। প্যান্ডেলে অনেক চিড়িয়া আসে, দেখেও সুখ। কর্মকর্তাদের বেশ একটা নেতা নেতা ভাব। যেন বিরাট একটা কিছু করে ফেলেছে। এমন কিছু, যাতে দেশ জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসনে প্রতিষ্ঠিত হবে। উৎপাদন বেড়ে যাবে, দারিদ্র্য ঘুচে যাবে, জীবিকাহীন জীবিকা পাবে, বিদ্যুৎ সংকটের সুরাহা হবে, হাসপাতালে স্বর্গরাজ্য নেমে আসবে, ফুটপাথের সব মানুষ অট্টালিকায় গিয়ে উঠবে।

বড়লোকে আলোর মালা সাজায়। আকাশে ক্ষণে ক্ষণে চমকায় তারাবাজি। টাকা ওড়ে। খানাপিনার আসর বসে। হাজার হাজার নিরন্ন মানুষ হাঁ করে তাকিয়ে থাকে। বিসর্জনের অছিলায় অসভ্যতা আর বেলেল্লাপনায় দেশ ভেঙে পড়ে। সাধারণ মানুষ অবাক হয়ে দ্যাখে, রাজনীতি, নীতিহীনতা হানাহানির কীটদষ্ট পচা-গলা দেশে ঢোল সহরত করে নেচে নেচে চলেছে অন্ত:সারশূন্য মানুষের খোলস। জলুস চলেছে শ্মশানের ওপর দিয়ে। বিবেকসম্পন্ন মানুষ ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নেয়। ভূতের নৃত্য আর কতদিন ভালো লাগে। যে উৎসব সকলকে শামিল করে নিতে পারে না, সে উৎসব এক ধরনের নিপীড়ন।

দু:খ করার কিছু নেই। এই আমাদের চিরকালের দেশ। এ দেশের মানুষ বড় অসৎ। বোধবুদ্ধি শূন্য, স্বার্থপর, অহংকারী, আত্মম্ভর। বড় বড় পুজোর উদগাতা ছিলেন সে যুগের রাজা মহারাজা আর কোম্পানির অর্থে পুষ্ট বেনিয়ানরা। সব আয়োজনই ছিল নিজেদের ঐশ্বর্যের জাহির, বিদেশিদের সন্তুষ্ট করে আখের গোছাবার একটা উপলক্ষ্য। মাথার ওপর ঝাড় লণ্ঠন। নীচে দামি কার্পেট। নেচে চলেছে হিন্দুস্থানের সেরা দুই বাই—নিকি আর আসরুন। কোম্পানির পদস্থ সায়েবরা এসেছেন পুজো নয়, তামাশা দেখতে। শেরি আর শ্যাম্পেনের বোতল ফাটছে, কাটলিশ আর ফ্রাই উড়ছে জোড়া জোড়া। পঞ্চাশ মন চালের ভাত বিশাল কাঁসার থালায় সাজিয়ে মা দুর্গাকে নিবেদন করতেন জনৈক বিত্তশালী মানুষ।

একালের 'বারোয়ারি' সেই পূর্বের ধারাই অনুসরণ করে চলেছে। ধর্ম নয়, ভক্তি নয়, হুল্লোড়, মজা। সেকালেও গলায় গামছা দিয়ে চাঁদা আদায় করা হত। একালে আর একটু বেশি, ছোরাছুরি; বোমার খেলা চলে। পথ অবরোধ করে আটকানো হয়। পুলিশ দফতর হুমকি ছাড়ে, চাঁদার জুলুম হলে আমরা আছি। কে যে কোথায় আছেন জানা নেই। দেওয়ালির বড় আনন্দ হল আওয়াজ। লাখ লাখ বোমার শব্দে কুকুর কাঁপছে, রোগী আর্তনাদ করছে, পথচারী আহত হয়ে হাসপাতালে ছুটছে। যত দিন যাচ্ছে উৎপাত ততই বেড়ে চলেছে। মানুষের সংযমের ভালভটি অকেজো হয়ে গেছে। বিদেশিরা আমাদের দেখে হাসে। আমরা হাসি আমাদের নিয়ে। কেবল একটি প্রশ্ন বারে বারে নিজেকেই করি : শাস্ত্র বলছেন, আহার নিদ্রা ভয় মৈথুনঞ্চ। সামান্য মেতৎ পশুভির্নরাণাং।। ধর্ম্মে হি তেষামধিকো বিশেষ্য। ধর্ম্মেন হীনা: পশুভি:সমানা।। আহার, নিদ্রা, ভয়, মৈথুন পশুরও আছে, মানুষেরও আছে, তা হলে মানুষ আর পশুতে কী তফাত রইল। তফাত হল ধর্মের। বহু যুগ ধরে অনেক ধর্ম তো হল। অসংখ্য মন্দির। তেত্রিশ কোটি দেবদেবীর আরাধনা, নাম সংকীর্তন। তবে মানুষের আজ এ হাল কেন? প্রায় পশুর মতো অবস্থা। সারা দেশ জুড়ে ছুঁচোর কীর্তন। বুদ্ধু কা দেশমে ধুর্তুকা রাজ। তার মানে ধর্ম লোপ পেয়েছে। রোশনাই, ব্যান্ড, ব্যাগপাইপ, বোমা, তারাবাজি, আলোর মালা, বক্তৃতা, পরিকল্পনা, এদিকে ধর্মহীন মানুষের তিনটি মাত্র বর্ম : আহার (যদি জোটে), নিদ্রা (যদি আসে), মৈথুন (কেউ ঠেকাতে পারবে না)।

সকল অধ্যায়
১.
কখগঘ
২.
মনোরঞ্জন অসুস্থ
৩.
নীপার বক
৪.
ফুল ফোটার আয়োজন
৫.
আমার বিয়ে
৬.
ট্রেন
৭.
মিলিটারি সিন্দুক
৮.
বত্রিশ নম্বর বিছানা
৯.
কাটলেট
১০.
অভয়ারণ্য
১১.
চলে যায়
১২.
শীর্ষ সম্মিলন
১৩.
যদি হই মুখ্যমন্ত্রী
১৪.
একদা 'একদিন'
১৫.
মৃত্যুর বয়স
১৬.
এক চড়েতেই রাজা
১৭.
অর্জুন
১৮.
সুন্দরী লেন
১৯.
দ্বিতীয় পক্ষ
২০.
সেই দিদি
২১.
ভালোবাসা মোরে ভিকিরি করেছে
২২.
চিড়িয়াখানা
২৩.
হনুমান টুপি
২৪.
দুই আর দুয়ে চার
২৫.
সন্ধানে কোনও ভালো ছেলে আছে
২৬.
ডা: অমৃত চৌধুরীর ডায়েরি
২৭.
কুকুরের ডাক্তারি
২৮.
পাঁচ বন্ধু
২৯.
ইঁদুর ও দাদু
৩০.
একটি মানুষ একটি বল
৩১.
দু:সাহসী দু-চাকা
৩২.
সব ভালো যার শেষ ভালো
৩৩.
পার ঘাট
৩৪.
কৃপা
৩৫.
সেতার
৩৬.
বোতাম
৩৭.
সুরঞ্জনা
৩৮.
গেল, গেল
৩৯.
বলদের গলায় গোড়ের মালা
৪০.
আর যা-ই করো,বিপজ্জনক রকমের বড়লোক হয়ো না
৪১.
ছদ্মবেশী
৪২.
চাঁদের আলো
৪৩.
বাঁদর
৪৪.
কোরা কাগজ
৪৫.
কোনওদিন শুনেছ,চোর এসে সাধ করে ধরা দিচ্ছে
৪৬.
বড়ি ও শ্বশুরমশাই
৪৭.
তাসের ঘর
৪৮.
দগ্ধ দরজা
৪৯.
গগনের মাছ
৫০.
তোয়াজ
৫১.
ফিরে আয়
৫২.
মাংস
৫৩.
পয়সা
৫৪.
বামুনের গরু
৫৫.
জলছাত
৫৬.
সাইডিং
৫৭.
শেষযাত্রা
৫৮.
বয়েসে
৫৯.
শেষ কুত্তা
৬০.
ছুটি
৬১.
অংশীদার
৬২.
কারণ
৬৩.
প্রেম
৬৪.
দু:খের আনন্দ
৬৫.
মা
৬৬.
ধড় আমার মুণ্ডু পাবলিকের
৬৭.
পুজোর আয়োজন সহজ নয়
৬৮.
'স্থান নেই কাল নেই পাত্র নেই'
৬৯.
লববর্ষের নকশা
৭০.
দক্ষিণ যেন বিলেত
৭১.
হাসি কোথায় হারিয়ে গেল
৭২.
শীত
৭৩.
গল্প লিখে কী বিপদ!
৭৪.
চিচিং ফাঁক
৭৫.
আগমনী
৭৬.
দেউলে হতেও রাজি
৭৭.
হারিয়ে গেল
৭৮.
কী জ্বালা
৭৯.
বেদনা
৮০.
বেঁচে থাকার সহজপাঠ
৮১.
প্রেম ও বিবাহ
৮২.
জীবন বেদ
৮৩.
জীবন দর্শন
৮৪.
নিজের ঢাক নিজে পেটালে
৮৫.
মরীচিকা
৮৬.
তোমার ম্যাও তুমি সামলাও
৮৭.
হাসতে মানা নেই
৮৮.
বাঙালির পুচ্ছ নৃত্য
৮৯.
যুগ যুগ জিও
৯০.
ভরাডুবি
৯১.
স্বভাব যখন অস্বাভাবিক
৯২.
ষষ্ঠীসংবাদ
৯৩.
নিমিত্তের ভাগী
৯৪.
ইচ্ছাপূরণ নগদে অথবা কিস্তিতে
৯৫.
দুই পুরুষে
৯৬.
সব জানা চাই
৯৭.
দুধের দাঁত
৯৮.
ছত্রিশটি বছর
৯৯.
বুনো ওল আর বাঘা তেঁতুল
১০০.
পদকে নই পদানত
১০১.
স্যাটা স্যাট
১০২.
গরু
১০৩.
ছাগল
১০৪.
বোকা পাঁঠা
১০৫.
হ্যাচাং করে কেতরে গেল
১০৬.
আমি আর তুমি
১০৭.
টাচ্
১০৮.
বেশ আছি রসে বসে
১০৯.
মেয়েদের ভাগ্য ফিরবে কবে!
১১০.
গিলে করা দম্পতি
১১১.
এটা কোন যুগ!
১১২.
জ্ঞানদা, মোক্ষদা
১১৩.
যাও পাখি
১১৪.
যোগসূত্র পটাং
১১৫.
কে উদার?
১১৬.
মান অপমান
১১৭.
পলায়ন নয় সম্মুখ সমর
১১৮.
আয়না
১১৯.
রোগ দুরারোগ্য
১২০.
গেল, গেল তবু যায় না
১২১.
নবীন বছরে প্রবীণ বাঙালি
১২২.
বিদায় পৃথিবী
১২৩.
বাতি জ্বলল, বাতি গলল, ভোর
১২৪.
মিলেনিয়াম
১২৫.
দীর্ঘ রজনী প্রভাত প্রায়
১২৬.
যাঁহা বাহান্ন তাঁহা তিপ্পান্ন
১২৭.
জীবনের কার্টুন
১২৮.
প্রেম-১
১২৯.
প্রেম-২
১৩০.
প্রতিষ্ঠিত প্রেম
১৩১.
ছেলে যেন মাছ
১৩২.
পুজোর বাজার
১৩৩.
কী চাই! (১)
১৩৪.
কী চাই! (২)
১৩৫.
ফুটবল
১৩৬.
এক দানা চাল
১৩৭.
মরিতে চাহি না আমি
১৩৮.
বিউটি পারলার
১৩৯.
ইংলিশ মিডিয়াম
১৪০.
সাগর
১৪১.
বাউল
১৪২.
জ্ঞান
১৪৩.
গৃহসুখ শাস্ত্র
১৪৪.
আশা
১৪৫.
বিশ্বাস
১৪৬.
স্বীকারোক্তি
১৪৭.
ভূতের সঙ্গে গল্প
১৪৮.
আর বোলো না ভাই!
১৪৯.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
১৫০.
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
১৫১.
শেয়ালেও কামড়ে দিতে পারে
১৫২.
জীবনের জাতীয় সঙ্গীত
১৫৩.
মেয়েদের সৌন্দর্য
১৫৪.
বাস-মিনিবাসের লাইনেঘোষ, বোস, মিত্তির
১৫৫.
ফরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, ফরে ফরে
১৫৬.
বাঁচতে ইচ্ছে করে না
১৫৭.
মৃত্যু একটা ড্রপসিন
১৫৮.
শান্তির সহজপাঠ
১৫৯.
বুদ্ধুকা দেশমে ধুর্তুকা রাজ
১৬০.
সকাল সকাল ভোট দিন
১৬১.
অনুসন্ধান
১৬২.
পকেটমারি
১৬৩.
কোথাকার জল কোথায় গড়ায়
১৬৪.
সবচেয়ে ভীতিপ্রদ মদতপুষ্ট কিছু মানুষ
১৬৫.
বেঁচে থাকার বিশ্রী ভয়টা আর নেই
১৬৬.
প্রেম শিকল পরায়, সংসারে ঢোকায়
১৬৭.
ভগবান হেরে গিয়েছেন
১৬৮.
যত দোষ নন্দ ঘোষ
১৬৯.
বাড়িওয়ালা
১৭০.
প্রেসার কুকার
১৭১.
সাত টাকা বারো আনা
১৭২.
আমার ভূত
১৭৩.
ভূমিকা
১৭৪.
ন্যাড়ার বেলতলা
১৭৫.
আজ আছি কাল নেই
১৭৬.
ট্রিটমেন্ট
১৭৭.
দিন আনি দিন খাই
১৭৮.
লেপ
১৭৯.
শাপে বর
১৮০.
স্পেশাল অফিসার
১৮১.
বিলিতি বাঁশ
১৮২.
টেলিফোন
১৮৩.
খ্যাঁকশিয়াল
১৮৪.
পি. এ.
১৮৫.
জরদগব
১৮৬.
মাসি
১৮৭.
গরলপুত্র
১৮৮.
শশধর হাকসলি অ্যান্ড গুজ
১৮৯.
চিন্তা
১৯০.
তুমি আমার আমি তোমার

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%