আগমনী

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

রামকুমারবাবুর গলায় একটি গান শুনেছিলুম এমনি সময়ে যখন আকাশ ছবির মতো নীল। ভোরের দিকে একটু শীত শীত ভাব, পাখির পালক ভিজে ভিজে গাছের পাতায় বর্ষার অঙ্গরাগের চিহ্ন, প্রথম সূর্যের আলো কাঁচা হলুদের মতো। মনে হয়েছিল কে সেই ভক্তকবি, যিনি প্রকৃতিকে এমন চোখে দেখতে পেরেছেন। তিনি নিশিকান্ত চক্রবর্তী। গানটি হল,

তব চরণ ধোয়াব শারদ শিশির, শেফালী অর্ঘ দেবে।

ধরনী শ্যামল আসন বিছাবে, তুমি মা আসিবে যবে।।

রক্ত ঊষাতে সিন্দুর টিপ পরাবে মা তো ভালে।

চাঁদিমা আরতি দিয়ে যাবে মাগো সুনীল গগন তলে।।

কত শতশত কমল কুমারী তোমারে পুজিতে চাহে।

দিকে দিকে তব আগমনী গীতি দোয়েল শ্যামা গাহে।।

যখনই শুনি আমার গ্রামের কথা আমার শৈশবের কথা মনে পড়ে যায়। অনুভব করতে পারি, জীবন থেকে কতটা দূরে চলে এসেছি, স্বাভাবিক থেকে কতটা কৃত্রিম হয়ে গেছি। মরার আগেই কেমন মরে গেছি। তিন পুকুরের মাঝখানে ছিল মাঠ। একটু ইট ফেলা রাস্তা। রাস্তার বিপরীতে বিশাল এক বাগান। বড় বড় গাছের ফাঁক দিয়ে উঁকি মারত মর্মর ধবল জমিদার বাড়ি। বিশাল দেউড়িতে লাঠিধারী দারোয়ান। মাথায় তার বিশাল পাগড়ি। দেউড়ি থেকে লাল সুরকিদানার পথ সোজা গিয়ে শেষ হয়েছে গাড়ি বারান্দায়। ডানদিকে আস্তাবল যেখানে তাগড়াই দুটো ঘোড়া। সামনের খোলা জায়গায় একটা ব্রুআস গাড়ি। ভরা বর্ষায় ওই তিন পুকুর ভেসে গিয়ে মাঠ ময়দান পথ সব একাকার হয়ে যেত। শৈশবের সে আর এক উত্তেজনা। এত অকৃপণ জল, এমন প্রাচুর্যে প্রাণ আনচান। ঘরেই থাকা দায়। যত বালক আর বালিকার দল সেই হাঁটু জলে মাছের সঙ্গে খলবল। গাছ বেড়া সব ডুবে গেছে। জলের তরঙ্গে পাতা নাচছে। গামছার জালে মাছ ধরার চেষ্টা। ধরার আনন্দে ধরা, খাওয়ার আনন্দে নয়। মাছ আর পাখি ধরার আনন্দ পাবে বলেই পালিয়ে বেড়ায়। ওরে সাপ আছে রে! বড়দের সাবধান বাণী। কে কান দিচ্ছে। মাথার ওপর আকাশ থেকে থেকে ভারী হয়ে আসছে। আলো কমছে। সকালেই সন্ধের ছায়া। দমকা বাতাস। ঝাঁঝরির মতো বৃষ্টি। আমরা চিৎকার করছি মিহিদানা, মিহিদানা। চতুর্দিকে কলরব, ওরে বাড়ি আয়, বাড়ি আয়, জ্বরজারি হবে। পুজোর মুখে বিছানায়। ভিজে মাটির দাওয়ায় উঠতে উঠতে দেখতে পেতুম, কয়লার উনুনের ধোঁয়া কত নীচে দিয়ে যাচ্ছে, বৃষ্টির পরদা ঠেলে উঠতে পারছে না। কুমু পিসি একপাশে জড়সড় হয়ে বসে দুহাতে ধরা চায়ের গেলাসে চুমুক দিচ্ছে। আলুর পুতুলের মতো চিড় খাওয়া মুখ ছুঁয়ে নরম ধোঁয়া মৃদু সুখের মতো বসছে। আমাদের হাঁটু পর্যন্ত ভিজে পায়ে ঘাসের কুঁচি, সবুজ ঝাঁঝি এক টুকরো, দু-টুকরো। পেছনের জানলা অল্প ফাঁক করে আমরা দেখতুম, তিন পুকুর, মাঠ, পথ বিশাল এক সমুদ্র। অবিরাম বৃষ্টিধারায় সেতারের ঝালা। কদমের ডালে জড়োসড়ো ভিজে কাক। মাছরাঙার শীর্ণ চিৎকার।

যেদিন শেষ রাতে মা একটা সাদা চাদর গায়ে টেনে দিতে দিতে বলতেন, 'ঠিক করে শো'। আধো ঘুম, আধ জাগরণ, মাথার দিকের জানলায় দূর পাহাড় রঙের আকাশের দিকে একপলক তাকিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়তে পড়তে মনে হত, এসে গেছে। শরতের 'শিশির আঁচল' উড়িয়ে মা আসছেন, শেফালীর পথ ধরে। তিন পুকুর তার সমস্ত বাড়তি জল ঢেলে নিয়ে টলটলে। আকাশ নেমেছে স্নানে। কাচের মতো নীল আকাশ। শালুক খুশিতে দুলছে। পাতার ওপর নাচছে জল মাকড়শা। যত হাঁস ছিল সব বেরিয়ে এসেছে। প্যাঁক প্যাঁক করে হর্ন বাজাচ্ছে। মাছরাঙা অবাক হয়ে দেখছে। মাঠটা ভরে উঠেছে নতুন সবুজ ঘাসে। ঘোষেদের গরু ইতস্তত করছে, ভাবছে, এ ঘাস খাওয়ার না দেখার। আমি আর আমার বোন, আমরা দুজনে সেই নরম ভোরে ছুটতে ছুটতে সেই মাঠটায় চলে যেতুম। ঘাস কী ভিজে। পায়ের তলা ভিজে উঠত শিশিরের জলে। সারা রাত আকাশ যেন নক্ষত্রের চোখে মা মা করে কেঁদেছে। সবুজ ঘাসের ওপর আমার বোনের ফরসা ফরসা দুটো পা। কেবলই মনে হত মা সরস্বতী হাঁটছেন। জমিদার বাড়ির বাগানে শিউলি গাছ ভরে আছে। সরবতের মতো বাতাসে শিউলির গন্ধ। মানকচু পাতায় শিশিরের নোলক টলটল করছে। অবিশ্রান্ত শান্তির ছবি। শরতে দোয়েল খুব মেতে ওঠে। এটা যেন তাদেরই কাল।

রোদের রং পাকতে না পাকতেই ঘাস শুকিয়ে যেত। এখানে ওখানে নাকছবি ফুল। সকালের সঙ্গেই প্রজাপতি জন্মায়। বেওয়ারিশ উড়ে বেড়ানোই তাদের কাজ। পুকুরের ধারেই পটুয়াপাড়া। এক সার চালা বাড়ি। চারপাশ খোলা একটা আটচালা। সেই আটচালাতেই মা আসছেন একটু একটু করে। আমরা অবাক হয়ে দেখতুম কুমুদদার কেরামতি। স্যাঁতসেঁতে মাটির দাওয়া। মাথার ওপর গোলপাতার ছাউনি। পাশে পাশে ঘাস আর আগাছা। একটু নয়নতারা ফুলে ভরে আছে। প্রথমে তৈরি হল বাখারির কাঠামো। যেন কিছুই নয়। আমাদের মাথাতেই আসত না, এই সামান্য জিনিসটা কেমন করে মা দুর্গা হয়ে উঠবেন। কোমরে গামছা জড়িয়ে কুমুদদা বিড়ি টানছেন। একপাশে ডাঁই হয়ে আছে এঁটেল মাটি আর খড়। কুমুদদার ছেলে আর মেয়েরা বেতের ধামি থেকে খুঁটে খুঁটে মুড়ি-মুড়কি খাচ্ছে। কুমুদদার বউ তোলা উনুনে পাখার বাতাস করছে ছোট্ট ছাউনির তলায় ছটা লক্ষ্মী। হাঁস পালক নিয়ে ব্যস্ত। বেড়ার পাশে ব্যাঙের বাচ্চা অকারণে হাই জাম্প প্র্যাকটিস করছে।

দিন যায়। আকাশ আরও নীল হয়। পুকুরের জল ছুঁয়ে উত্তুরে হাওয়ার ঝলক ভেসে আসে। আমরা বুঝতে পারি, হিমালয়ের দরজা খুলে গেছে। মায়ের পেছন পেছন শীত আসবে পশমের ওড়না গায়ে। কাল যা ছিল বাখারির কাঠামো আজ তার ওপর খড় চেপে গেছে। বিশ্বাসই হয় না এই হাস্যকর আকৃতিতে মা আসবেন। আমরা জানতুম আসতে তাঁকে হবেই। আকাশ এত নীল জল এমন শান্ত, রোদ এমন কাঁচা হলুদ, ছায়া এমন শীতল, মায়ের না এসে উপায় কী! নাওয়াখাওয়া ভুলে আমরা দাঁড়িয়ে থাকতুম। এক মেটে, দোমেটে, দশটা হাত। দেখতে দেখতে সবই হয়ে গেল। সিংহ এসে দাঁড়িয়ে গেল পায়ের তলায়। মহিষাসুর বুক চিতিয়ে। এইবার একদিন কুমুদদা চোখ আঁকবেন। শরতের নীল আকাশের মতো বিশাল চোখ। শিউলির মতো গায়ের রং।

জমিদার বাড়ি থেকে এক ভদ্রলোক মাঝেমধ্যে বেরিয়ে আসতেন স্বপ্নের মতো। সবাই বলত মেজোবাবু। শৌখিন ফিনফিনে মানুষ। চোখে সোনার ফ্রেমের চেশমা, ঠোঁটে সিগারেট। খুব হাসিখুশি, অমায়িক ছিলেন তিনি। কুমুদদার আটচালায় এসে মূর্তি গড়া দেখতেন। দেশবিদেশের গল্প বলতেন। কুমুদদা মূর্তিতে রং চাপাতে চাপাতে বলতেন, এবার পুজোয় যাচ্ছেন কোথায় মেজোবাবু? মেজোবাবু অমনি উত্তর ভারতের গল্প শুরু করতেন। কুমায়ুনের জঙ্গল, দেরাদুনের সহস্রধারা, মাউন্ট এভারেস্ট। আমরা কাছে কাছে সরে আসতুম। সেকালে রাজারা এইসময় মৃগয়ায় যেতেন। সুরথ রাজার কথা মনে হত। নামটা আমাদের খুব পছন্দের ছিল। মাঠটার উত্তর দিকে একটা জঙ্গলা মতো জায়গা ছিল। আমাদের মনে হত, হঠাৎ দুপুরে ওইখান থেকে শ্রীরামচন্দ্র আসবেন। এসে উঠবেন কুমুদদার দাওয়ায়। এটা তো বিশ্বামিত্রের আশ্রম।

দুপুরবেলা বারোটার পরই রাস্তায় ছায়া নেমে আসত। শরতে দিন ছোট হয়ে আসে। সেই আধো ছায়াপথে যেত ফেরিওয়ালা, পুজোর আকর্ষণ নিয়ে। কেউ হাঁকছে বোম্বাই চাদর, কেউ শায়া, সেমিজ, ব্লাউজ। ঠ্যাং ঠ্যাং বাজনা বাজাতে বাজাতে চলেছে কাঁসার বাসনওয়ালা। লম্বা লাঠিতে চুল বাঁধার ফিতে আর রিবন দুলিয়ে চলেছে একজন, পাতা পাতা সেফটিপিন চুলের কাঁটা হাতে গজ কাঠি নিয়ে ছিট কাপড়ওয়ালা। এই তো সেই রাজার দল। মৃগয়ায় চলেছেন।

সে এক অভিজ্ঞতা। কিশোর এসে বললে, একটা জায়গায় যাবি? দেখবি সে এক ব্যাপার। কোথায় সেই জায়গা? রেল লাইনের ধারে। ভয়ঙ্কর উৎকণ্ঠা। কী এমন জিনিস। কিশোর পাক্কা দুমাইল হাঁটল। আশ্বিনের রোদ যেন অসুর। বল্লমের খোঁচা মারছে।

উঁচু বাঁধের ওপর দিয়ে চলে গেছে জোড়া জোড়া রেললাইন। টেলিগ্রাফের তারে ঝিনঝিন শব্দ। খসখসে সিগন্যাল। সেই বাঁধের ধারে বিশাল এক জলসা। মানুষের নয়। ফুলের। কাশফুল। যে ফুলের ছবিই শুধু দেখেছি, সত্যিকারের সেই ফুল। সাদা পোশাক পরে একদল সুন্দরী যেন নাচছে। বাতাসে তাদের মাথা দোলানোর ফিসফিস শব্দ। আমাদের চোখে সম্ভ্রম, বিস্ময়। আমরা সেই জলসায় হারিয়ে গেলুম। এক একটা ফুল আমাদের চেয়েও বড়। আমাদের মাথা ছাড়িয়ে আরও ওপরে উঠে গেছে। বড় মানুষের মতো বড় ফুল। সেই কাশের জলসায় বসে আমরা অনেকক্ষণ গান শুনলুম, নাচ দেখলুম। দূরে কোথাও ঢাক বাজছে। উত্তরের বাতাসে সেই শব্দ ভেসে এল। জোড়া লাইনের ওপর দিয়ে চলে গেল দূর পাল্লার ট্রেন। পেট ঠাসা পুজোর ছুটির মানুষ। কেউ যাচ্ছে দেশে, কেউ যাচ্ছে পাহাড়ে বেড়াতে। সেইসময় আমাদের মনে হয়েছিল কাশ হল মায়ের ছেলে, লড়ুয়ে কার্তিক।

দিন তো এমনি করেই চলে গেল। সময় একমুখী রেল গাড়ি। লাইনের শেষে কোন স্টেশনে? কে স্টেশান মাস্টার? কী পান্থশালা? কেউ জানে না। এতদিন পরে এইটুকু বুঝেছি, আগমনীর অর্থ, হিমগিরি থেকে শুধু দেবী দুর্গার আগমন নয়, আমাদের বালক বয়সের আগমন। যা নেই তার স্মৃতি যখন শিশিরে, শেফালিতে ঝরে, দূরাগত ঢাকের বাদ্যের সমারোহ তখনই মনে তৈরি হয় শামিয়ানা, 'ওগো এত ফুল আছে বনে, এত গান আছে মনে/এত সৌরভ আছে গো বন-কুসুমের বাসে/জননী আমার আসে।।'

সকল অধ্যায়
১.
কখগঘ
২.
মনোরঞ্জন অসুস্থ
৩.
নীপার বক
৪.
ফুল ফোটার আয়োজন
৫.
আমার বিয়ে
৬.
ট্রেন
৭.
মিলিটারি সিন্দুক
৮.
বত্রিশ নম্বর বিছানা
৯.
কাটলেট
১০.
অভয়ারণ্য
১১.
চলে যায়
১২.
শীর্ষ সম্মিলন
১৩.
যদি হই মুখ্যমন্ত্রী
১৪.
একদা 'একদিন'
১৫.
মৃত্যুর বয়স
১৬.
এক চড়েতেই রাজা
১৭.
অর্জুন
১৮.
সুন্দরী লেন
১৯.
দ্বিতীয় পক্ষ
২০.
সেই দিদি
২১.
ভালোবাসা মোরে ভিকিরি করেছে
২২.
চিড়িয়াখানা
২৩.
হনুমান টুপি
২৪.
দুই আর দুয়ে চার
২৫.
সন্ধানে কোনও ভালো ছেলে আছে
২৬.
ডা: অমৃত চৌধুরীর ডায়েরি
২৭.
কুকুরের ডাক্তারি
২৮.
পাঁচ বন্ধু
২৯.
ইঁদুর ও দাদু
৩০.
একটি মানুষ একটি বল
৩১.
দু:সাহসী দু-চাকা
৩২.
সব ভালো যার শেষ ভালো
৩৩.
পার ঘাট
৩৪.
কৃপা
৩৫.
সেতার
৩৬.
বোতাম
৩৭.
সুরঞ্জনা
৩৮.
গেল, গেল
৩৯.
বলদের গলায় গোড়ের মালা
৪০.
আর যা-ই করো,বিপজ্জনক রকমের বড়লোক হয়ো না
৪১.
ছদ্মবেশী
৪২.
চাঁদের আলো
৪৩.
বাঁদর
৪৪.
কোরা কাগজ
৪৫.
কোনওদিন শুনেছ,চোর এসে সাধ করে ধরা দিচ্ছে
৪৬.
বড়ি ও শ্বশুরমশাই
৪৭.
তাসের ঘর
৪৮.
দগ্ধ দরজা
৪৯.
গগনের মাছ
৫০.
তোয়াজ
৫১.
ফিরে আয়
৫২.
মাংস
৫৩.
পয়সা
৫৪.
বামুনের গরু
৫৫.
জলছাত
৫৬.
সাইডিং
৫৭.
শেষযাত্রা
৫৮.
বয়েসে
৫৯.
শেষ কুত্তা
৬০.
ছুটি
৬১.
অংশীদার
৬২.
কারণ
৬৩.
প্রেম
৬৪.
দু:খের আনন্দ
৬৫.
মা
৬৬.
ধড় আমার মুণ্ডু পাবলিকের
৬৭.
পুজোর আয়োজন সহজ নয়
৬৮.
'স্থান নেই কাল নেই পাত্র নেই'
৬৯.
লববর্ষের নকশা
৭০.
দক্ষিণ যেন বিলেত
৭১.
হাসি কোথায় হারিয়ে গেল
৭২.
শীত
৭৩.
গল্প লিখে কী বিপদ!
৭৪.
চিচিং ফাঁক
৭৫.
আগমনী
৭৬.
দেউলে হতেও রাজি
৭৭.
হারিয়ে গেল
৭৮.
কী জ্বালা
৭৯.
বেদনা
৮০.
বেঁচে থাকার সহজপাঠ
৮১.
প্রেম ও বিবাহ
৮২.
জীবন বেদ
৮৩.
জীবন দর্শন
৮৪.
নিজের ঢাক নিজে পেটালে
৮৫.
মরীচিকা
৮৬.
তোমার ম্যাও তুমি সামলাও
৮৭.
হাসতে মানা নেই
৮৮.
বাঙালির পুচ্ছ নৃত্য
৮৯.
যুগ যুগ জিও
৯০.
ভরাডুবি
৯১.
স্বভাব যখন অস্বাভাবিক
৯২.
ষষ্ঠীসংবাদ
৯৩.
নিমিত্তের ভাগী
৯৪.
ইচ্ছাপূরণ নগদে অথবা কিস্তিতে
৯৫.
দুই পুরুষে
৯৬.
সব জানা চাই
৯৭.
দুধের দাঁত
৯৮.
ছত্রিশটি বছর
৯৯.
বুনো ওল আর বাঘা তেঁতুল
১০০.
পদকে নই পদানত
১০১.
স্যাটা স্যাট
১০২.
গরু
১০৩.
ছাগল
১০৪.
বোকা পাঁঠা
১০৫.
হ্যাচাং করে কেতরে গেল
১০৬.
আমি আর তুমি
১০৭.
টাচ্
১০৮.
বেশ আছি রসে বসে
১০৯.
মেয়েদের ভাগ্য ফিরবে কবে!
১১০.
গিলে করা দম্পতি
১১১.
এটা কোন যুগ!
১১২.
জ্ঞানদা, মোক্ষদা
১১৩.
যাও পাখি
১১৪.
যোগসূত্র পটাং
১১৫.
কে উদার?
১১৬.
মান অপমান
১১৭.
পলায়ন নয় সম্মুখ সমর
১১৮.
আয়না
১১৯.
রোগ দুরারোগ্য
১২০.
গেল, গেল তবু যায় না
১২১.
নবীন বছরে প্রবীণ বাঙালি
১২২.
বিদায় পৃথিবী
১২৩.
বাতি জ্বলল, বাতি গলল, ভোর
১২৪.
মিলেনিয়াম
১২৫.
দীর্ঘ রজনী প্রভাত প্রায়
১২৬.
যাঁহা বাহান্ন তাঁহা তিপ্পান্ন
১২৭.
জীবনের কার্টুন
১২৮.
প্রেম-১
১২৯.
প্রেম-২
১৩০.
প্রতিষ্ঠিত প্রেম
১৩১.
ছেলে যেন মাছ
১৩২.
পুজোর বাজার
১৩৩.
কী চাই! (১)
১৩৪.
কী চাই! (২)
১৩৫.
ফুটবল
১৩৬.
এক দানা চাল
১৩৭.
মরিতে চাহি না আমি
১৩৮.
বিউটি পারলার
১৩৯.
ইংলিশ মিডিয়াম
১৪০.
সাগর
১৪১.
বাউল
১৪২.
জ্ঞান
১৪৩.
গৃহসুখ শাস্ত্র
১৪৪.
আশা
১৪৫.
বিশ্বাস
১৪৬.
স্বীকারোক্তি
১৪৭.
ভূতের সঙ্গে গল্প
১৪৮.
আর বোলো না ভাই!
১৪৯.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
১৫০.
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
১৫১.
শেয়ালেও কামড়ে দিতে পারে
১৫২.
জীবনের জাতীয় সঙ্গীত
১৫৩.
মেয়েদের সৌন্দর্য
১৫৪.
বাস-মিনিবাসের লাইনেঘোষ, বোস, মিত্তির
১৫৫.
ফরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, ফরে ফরে
১৫৬.
বাঁচতে ইচ্ছে করে না
১৫৭.
মৃত্যু একটা ড্রপসিন
১৫৮.
শান্তির সহজপাঠ
১৫৯.
বুদ্ধুকা দেশমে ধুর্তুকা রাজ
১৬০.
সকাল সকাল ভোট দিন
১৬১.
অনুসন্ধান
১৬২.
পকেটমারি
১৬৩.
কোথাকার জল কোথায় গড়ায়
১৬৪.
সবচেয়ে ভীতিপ্রদ মদতপুষ্ট কিছু মানুষ
১৬৫.
বেঁচে থাকার বিশ্রী ভয়টা আর নেই
১৬৬.
প্রেম শিকল পরায়, সংসারে ঢোকায়
১৬৭.
ভগবান হেরে গিয়েছেন
১৬৮.
যত দোষ নন্দ ঘোষ
১৬৯.
বাড়িওয়ালা
১৭০.
প্রেসার কুকার
১৭১.
সাত টাকা বারো আনা
১৭২.
আমার ভূত
১৭৩.
ভূমিকা
১৭৪.
ন্যাড়ার বেলতলা
১৭৫.
আজ আছি কাল নেই
১৭৬.
ট্রিটমেন্ট
১৭৭.
দিন আনি দিন খাই
১৭৮.
লেপ
১৭৯.
শাপে বর
১৮০.
স্পেশাল অফিসার
১৮১.
বিলিতি বাঁশ
১৮২.
টেলিফোন
১৮৩.
খ্যাঁকশিয়াল
১৮৪.
পি. এ.
১৮৫.
জরদগব
১৮৬.
মাসি
১৮৭.
গরলপুত্র
১৮৮.
শশধর হাকসলি অ্যান্ড গুজ
১৮৯.
চিন্তা
১৯০.
তুমি আমার আমি তোমার

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%