গরলপুত্র

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

কোনওকালেই বেঁচে থাকাটা এখনকার কালের মতো এমন লাঠালাঠির ব্যাপার ছিল না। সব সময়েই যেন যুদ্ধ করে বেঁচে থাকা। জীবন যুদ্ধ!

সেকালে মানুষ সকালে উঠে কী করতেন? এক গেলাস চিরতার জল খেয়ে ভোরবেলা মুক্ত বাতাসে বেড়াতে যেতেন। বেড়াতে যাওয়ার প্রয়োজন হত। তখনকার মানুষের শরীরে মন বলে একটা বস্তু ছিল। পাখির ডাকে, ভোরের বাতাসে, সে মনে পুলক লাগত। আকাশ, পৃথিবী, জল, ফল, ফুল দেখার অবকাশ ছিল। প্রাণ ছিল, এখন তো সব প্রাণহীন প্রাণ। ঘড়ির মতো টিকটিক করছে। চলে কিন্তু ভাবে না।

তখনকার মানুষের ভোগ ছিল, এখন দুর্ভোগ : রাতে গাওয়া ঘিয়ে ভাজা ফুলকো লুচি। বেগুন ভাজা, মুচমুচে আলুভাজা। মাছের কালিয়া অথবা ডিমের কারি। একবাটি ক্ষীর। তখন চিংড়ির মালাইকারি খুব হত বাড়িতে বাড়িতে, পাড়া ম ম করত মাংস রান্নার ফ্লেভারে। ভোরে না বেড়ালে হজম হবে কী করে! দীর্ঘদিন বাঁচতে হবে। কত ভোগ এখনও বাকি। তিন তীর্থ শেষ হয়েছে, সাত তীর্থ বাকি। বাতে ধরলেই বিপদ। বাবু তাই ভোরে চিরতার জল খেয়ে নেচে নেচে বেড়াচ্ছেন। ফেরার পথে পছন্দসই একটি রুই কি ইলিশ হাতে ঝুলিয়ে বাড়ি ফিরছেন। গৃহিণী দেউড়িতে দাঁড়িয়ে কর্তাকে অভিবাদন জানাচ্ছেন।

ওমা, কী সুন্দর মাছ এনেছ গো? আহা রূপোর বরণ কান্তি।

পুবে সূর্য উঠছে লাল হয়ে, এদিকে এয়োস্ত্রীর সিঁথিতে টকটকে সিঁদুর। পুত্রবধূদের উল্লাস, কলরব। পরিপূর্ণ সংসারের সুখ উথলে পড়ছে।

গিন্নি ভাবছেন, বাবা বলেছিলেন, দেখেশুনে তোকে ভালো হাতেই দিয়ে গেলুম মা। এখন তোর বরাত।

তখন মানুষ ক্রমশই বড় হত। এখন উলটোটাই হয়। ছোট হতে হতে জীবন ক্রমশই উঞ্ছবৃত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তখন নীতিবাক্য ছিল, ওহে সংসারী মানুষ, আয় বুঝে ব্যয় করো। কাট ইওর কোট অ্যাকর্ডিং টু ইওর ক্লথ। সেই বাক্যে আজ কর্ণপাত করলে, কোট আর কাটা হবে না, বড়োজোর লাল একটা ল্যাভোট হতে পারে।

মাঝে মাঝে ভাবি, যাদের ভালো, তাদের সব ভালো। ইউরোপ, আমেরিকা ধনীদের দেশ। ইচ্ছে করলেই মেয়েরা সেখানে বারো হাত, চোদ্দো হাত শাড়ি পরে ফরফরিয়ে ঘুরতে পারে। কিন্তু পারে না। তিন ছটাক কাপড়ের বিকিনি পরে জীবন কাটিয়ে দিচ্ছে। ওই পোশাকে যৌবনটিও কেমন খোলতাই হয়। মনে মনে বসন্তের জোয়ার বইতে থাকে। এদেশের পুরুষমানুষের মতো ওদেশের পুরুষকে অমন ছোঁক ছোঁক করে মরতে হয় না। সায়েবদের চোখের দৃষ্টি ওই জন্যে একেবারে সোজা। বীরের মতো, সাধুদের মতো চাহনি। আমাদের দৃষ্টি ওই জন্যই তেড়ছা, ছিঁচড়ে চোরের মতো। মেয়েরা অমন দৃষ্টি একেবারে পছন্দ করে না, প্রায়ই বলতে শুনি, দ্যাখ ভাই দ্যাখ, লোকটা কী রকম শকুনির মতো তাকাচ্ছে দ্যাখ।

মানুষ যা চায় তা না পেলে ছোঁচা হয়ে যায়। বেড়ালের মতো চুরি করে হাঁড়ি খেতে ছোটে। সারা মুখে চুনকালি মেখে ফিরে আসে। সব ব্যাপারটাই আমাদের হাঁড়িখেকো বেড়ালের মতো। শখ আছে সঙ্গতি নেই। ধনপতি সদাগর আকাশে উড়ছেন তো আমাদেরও উড়তে হবে। লাট খেয়ে পড়লেন হাজার টাকা মাইনের ছাপোষা কেরানি। পাওনাদার এসে প্যান্ট খুলে নিয়ে গেল।

রোজ দশ টাকার বাজার করতে যার দাঁত ছরকুটে যায় তিনি পাশের বাড়ির কালোয়ারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কিস্তিতে কিনে ফেললেন ফ্রিজ। এইবার সেই ফ্রিজ ভরতে কাবলীওয়ালার কাছে হাত পাতো। ফ্রিজের সঙ্গে ফ্রিজের মালিকও ফ্রিজ হয়ে গেলেন। ডিম খাচ্ছেন, মাছ খাচ্ছেন, আইসক্রিম খাচ্ছেন, লেমন স্কোয়াশ খাচ্ছেন, আর চোখ ক্রমশই কপালে উঠছে। টেঁসে না গেলে দেউলে হতে হবে।

অতীতের মানুষ বাজেট রেখে চলতেন। কাল দশ টাকার মাছ খেয়েছি এখন তিনদিন নিরামিষ। এ নিয়ে সংসারে কোনও বিদ্রোহ হত না। এ যুগের গৃহিনি বলবেন, সে কী কথা! আমাদের লকুবাবু মাছ না হলে একগাল ভাতও মুখে তুলবেন না। ছেলের এমন লবাবি মুখ হয়েছে না। আমরা ছেলেদের নবাব বানিয়েছি, আদরের আতিশয্যে, অতিমানব ধারার অতি আগ্রহে নিজেদের স্বভাবের বিরোধী করে তুলেছি। সংসারের স্বাভাবিক দু:খ-সুখের বাইরে রেখে এমন একটা মানসিকতা তৈরি করে দিয়েছি, তারা আর পরিবারের একজন নয়, একজন মহামান্য অতিথির মতো।

কারুর কিছু জুটুক না জুটুক, ছেলের সকালে চাই ডিমসেদ্ধ, একপো দুধ, রুটি, মাখন, কলা, মাছ চাই, মাংস চাই তার ওপর বিজ্ঞাপনে দেখা স্ট্যামিনা বাড়াবার টনিক চাই।

সে যুগের ছেলেমেয়ে কীভাবে মানুষ হত! বিদ্যাসাগর কি হাফবয়েলে খেয়ে অ্যাংলো স্কুলে পড়তে যেতেন? তিনি তো ছাত্রজীবন থেকেই ভাতে ভাত রেঁধে খেতেন, পিতাকে খাওয়াতেন। দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে যা হয়েছিলেন তার ধারে কাছে আজও কেউ যেতে পারলেন না। রবীন্দ্রনাথের প্রশস্তি পড়লে তিনি কী ছিলেন এই আত্মবিস্মৃত জানতে পারবে।

বিবেকানন্দ কি বিকেলে কাজুবাদাম খেতেন? ঠ্যাং তুলে বসে থাকতেন মহামান্য অতিথির মতো? পিতামাতা চারপাশে হুমড়ি খেয়ে পড়তেন কি? আহা, বাছা আমার বলে আমায় তুলে নৃত্য করতেন? নেতাজির শৈশব কীরকম ছিল? অগহর্ণ না পেলে থালা ছুঁড়ে বলতেন, ড্যাম ইট!

যাঁদের নাম ভাঙিয়ে বাঙালি এখনও চালাচ্ছে, তাঁরা কেউ ধনকুবের ছিলেন না। নিজেদের ব্যারন কিংবা লর্ড ভাবতেন না। বড় হওয়ার বীজ ভিটামিনে নেই, আছে চরিত্রে। আমাদের সবকিছুই এখন ক্যারিকেচারের মতো।

নিজেরাই নিজেদের কবর খুঁড়ে চলেছি। সংসার করছি, সংসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো ব্যক্তিত্ব নেই। আগেকার দিনের কর্তারা একবার না বললে, কারুর বাবার ক্ষমতা ছিল না, হ্যাঁ করার। সামান্য একটু গলা খাঁকারিতে সমস্ত বাড়িটাকে স্তব্ধ করে দিতে পারতেন। কী হচ্ছে কী, বললেই সব বাঁদরামি ঠান্ডা। এখন সংসার চালাবার ধারাটাই আমরা বদলে ফেলেছি। যিনি ভালোমানুষ তিনি সাত চড়েও রা কাড়বেন না। ন্যায়ে তাল দিচ্ছেন অন্যায়েরও তাল দিয়ে চলেছেন। সবাই মাথায় চড়ে নাচছেন। সংসারে তিনি প্রয়োজনের মানুষ। গরু যদ্দিন দুধ দেবে তদ্দিনই তার খাতির। দুধ ফুরোলেই খোঁয়াড়ে দিয়ে আসবে। খোঁয়াড়ে হয়তো দেবে না, তবে বাড়ির পরিবেশটাকে এমন করে তুলবে মনে হবে খোঁয়াড়।

সংসারে আর এক ধরনের গৃহী পাওয়া যাবে যাঁদের সমাজবিরোধী বললেও অন্যায় হবে না। সংসার করেছেন কিন্তু দায়িত্ব পালনে কাতর, স্ত্রী-পুত্র পরিবারের খবর রাখেন না। এঁরা ঠিক উদাসী নন, জোর করে ধরে সন্ন্যাসীকে গৃহী করা হয়েছে, তা নয়। এঁরা সূক্ষ্ম বিচারে এক ধরনের অপরাধী। চরিত্রে বাঁধন নেই। রেস খেলছেন, মদ্যপান করছেন, অন্যান্য ব্যাপারেও বেশ সড়গড়। সংসারে অহরহ চুলো জ্বেলে রেখেছেন।

আসল কথা, মানুষ আর নেই। কিছু প্রাণী আছে, যারা লক্ষভ্রষ্ট, আয়েসি। নাচালে নেচে ওঠে। কী করলে ভালো হতে পারে, সেই জ্ঞানটাই হারিয়ে গেছে। কোনও বাড়িতেই আর শান্তি নেই। খেয়োখেয়ি, চুলোচুলি। সবাই স্বাধীন। প্রাণ যা চায় তাই করব। মানামানি আবার কী!

যাঁরা শান্তিপ্রিয় মানুষ, তাঁরা পথ বের করে ফেলেছন। মুখ বুজে একপাশে পড়ে থাকি। যার যা প্রাণ চায় করে যাও। যদ্দিন পারব আবদার রাখার চেষ্টা করব।

এ যুগে সবচেয়ে বেশি মার খাচ্ছেন এই মনোবৃত্তির মানুষ, স্রোত বইছে উলটোদিকে, সরে থাকার উপায় নেই, ভেসে চলো। এঁদের প্রায়ই চোখে পড়বে, বাসে ওঠার দাঙ্গায় এঁরা নেই, একপাশে দাঁড়িয়ে আছেন উদাস মুখে। ভাবছেন, এ তো মানুষের আচরণ নয়, ক্ষিপ্ত পশুর। শাসকরা তো মানুষ চান না, পশুই চান। পশুর ছবি তিনটি, আহার, নিদ্রা, মৈথুন। র‌্যাশনে পচা চাল, খুপরিতে নিদ্রা আর মৈথুন। কোন কালে মহিলা এত সহজপ্রাপ্য ছিল! ফ্রি-সেক্সের নামে চতুর্দিকে পর্ণোগ্রাফির স্রোত বইছে। ছায়াছবি মানেই যৌনতা, খুন, জখম, রাহাজানি, বলাৎকার। এর বাইরে আর কিছু নেই।

মানুষকে প্রাথমিক স্তরে রাখতে পারলে রাজত্ব চালানো সহজ হয়ে যায়। 'মেটো' তো মানুষকে ফেলে রাখো। পোকার মতো কিলবিল করুক, এক জায়গায় অনেক মানুষ, মানে নিজেদের মধ্যে খেয়োখেয়ি। অন্য ব্যাপারে মাথা ঘামাবার অবকাশ কোথায়। প্রতি মুহূর্তের বাঁচার সংগ্রামেই ক্লান্ত। ভাবনা-চিন্তার অবকাশ নেই। বিচার-বুদ্ধি লুপ্ত, আকৃতি মানুষের চরিত্র পশুর, এই ধরনের জীবকে সহজে কিনে ফেলা যায়, খেপিয়ে তোলা যায়, যেমন খুশি ব্যবহার করা যায়।

গণতন্ত্রের প্রহসনে এরা একনম্বর উপাদান।

নিষ্ঠুর আত্মকেন্দ্রিক, অনুদার, নীচ। সামান্য কিছু পেলেই এরা হাত তুলে জয়ধ্বনি দেবে, কখনও এক হতে পারবে না। এদের সব দাবিই হবে ব্যক্তিগত। আমাদের বলে তেড়ে আসতে পারবে না। কয়েকটাকে কিছু দিলেই, তারা নেতা হয়ে বাকিগুলোকে নাচাতে পারবে। মানুষটাকে মারতে পারলেই সমস্যা সহজ। কুকুর কখনও দাবি করবে না, আমার জন্যে স্বর্গ তৈরি করে দাও। তার দাবি একটুকরো হাড়। মানুষের দেবশক্তি জেগে উঠলে ভয়ের কথা, সে আর তখন ভয় পাবে না। অথচ ভয়ই হল একমাত্র অস্ত্র।

অল্প কয়েকজনের জন্যে দানবীয় ব্যবস্থা রেখে বাকি সকলকে ঠেলে দাও নরকে। যমদূত তৈরি রাখো, সময় মতো ড্যাভোস মারো। পেশাদার গুণ্ডাদের কুচকাওয়াজ চলুক। কোনও কিছুই সহজপ্রাপ্য রেখো না। তেল নেই, চাল নেই, শিক্ষা নেই, বিদ্যুৎ নেই, পরিবহন নেই, জল নেই, স্বাস্থ্য নেই, বাসস্থান নেই। উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে থাকতে বাঁচার ইচ্ছেটাই চলে যাবে। ছেলেধরারা কলশির মধ্যে বাচ্চাকে রেখে বিকলাঙ্গ তৈরি করে। রাজনীতির কারখানায় বিকলাঙ্গ তৈরি হচ্ছে। ন্যালা খ্যাবলা মানুষের দল স্বভাবে শয়তান। কোন কালে বেঁচে থাকার অভিজ্ঞতা এমন ভয়ঙ্কর ছিল! প্রতি মুহূর্তে জীবনমরণ সমস্যা। সংস্কৃতির বড়াই। অন্য দেশের মানুষ গ্রহান্তরে চলে গেছে। আমাদের মুখে বড় বড় কথা। ব্রেশট, ডিস্কো, কামু, কাফকা, ১৯৮২ সাল। শতাব্দী শেষ হতে চলেছে, কম্পিউটার কোটি মাইল দূরের উপগ্রহকে নিয়ন্ত্রণ করেছে, আর এদিকে উন্মত্ত জনতা মানুষ থেঁতো করছে। চোখ খুবলে তুলে নিচ্ছে, পেট্রল ঢেলে জ্যান্ত মানুষ পোড়াচ্ছে; শিশু, নারী কারুকেই নিষ্কৃতি নেই। এরই নাম শাসন। এরই নাম নেতৃত্ব। এরই নাম রাজনীতি। এরই নাম প্রগতি।

কে বলেছিলেন, মানুষ অমৃতের পুত্র! মানুষ চিরকালই গরলপুত্র। বিশেষত আমরা।

সকল অধ্যায়
১.
কখগঘ
২.
মনোরঞ্জন অসুস্থ
৩.
নীপার বক
৪.
ফুল ফোটার আয়োজন
৫.
আমার বিয়ে
৬.
ট্রেন
৭.
মিলিটারি সিন্দুক
৮.
বত্রিশ নম্বর বিছানা
৯.
কাটলেট
১০.
অভয়ারণ্য
১১.
চলে যায়
১২.
শীর্ষ সম্মিলন
১৩.
যদি হই মুখ্যমন্ত্রী
১৪.
একদা 'একদিন'
১৫.
মৃত্যুর বয়স
১৬.
এক চড়েতেই রাজা
১৭.
অর্জুন
১৮.
সুন্দরী লেন
১৯.
দ্বিতীয় পক্ষ
২০.
সেই দিদি
২১.
ভালোবাসা মোরে ভিকিরি করেছে
২২.
চিড়িয়াখানা
২৩.
হনুমান টুপি
২৪.
দুই আর দুয়ে চার
২৫.
সন্ধানে কোনও ভালো ছেলে আছে
২৬.
ডা: অমৃত চৌধুরীর ডায়েরি
২৭.
কুকুরের ডাক্তারি
২৮.
পাঁচ বন্ধু
২৯.
ইঁদুর ও দাদু
৩০.
একটি মানুষ একটি বল
৩১.
দু:সাহসী দু-চাকা
৩২.
সব ভালো যার শেষ ভালো
৩৩.
পার ঘাট
৩৪.
কৃপা
৩৫.
সেতার
৩৬.
বোতাম
৩৭.
সুরঞ্জনা
৩৮.
গেল, গেল
৩৯.
বলদের গলায় গোড়ের মালা
৪০.
আর যা-ই করো,বিপজ্জনক রকমের বড়লোক হয়ো না
৪১.
ছদ্মবেশী
৪২.
চাঁদের আলো
৪৩.
বাঁদর
৪৪.
কোরা কাগজ
৪৫.
কোনওদিন শুনেছ,চোর এসে সাধ করে ধরা দিচ্ছে
৪৬.
বড়ি ও শ্বশুরমশাই
৪৭.
তাসের ঘর
৪৮.
দগ্ধ দরজা
৪৯.
গগনের মাছ
৫০.
তোয়াজ
৫১.
ফিরে আয়
৫২.
মাংস
৫৩.
পয়সা
৫৪.
বামুনের গরু
৫৫.
জলছাত
৫৬.
সাইডিং
৫৭.
শেষযাত্রা
৫৮.
বয়েসে
৫৯.
শেষ কুত্তা
৬০.
ছুটি
৬১.
অংশীদার
৬২.
কারণ
৬৩.
প্রেম
৬৪.
দু:খের আনন্দ
৬৫.
মা
৬৬.
ধড় আমার মুণ্ডু পাবলিকের
৬৭.
পুজোর আয়োজন সহজ নয়
৬৮.
'স্থান নেই কাল নেই পাত্র নেই'
৬৯.
লববর্ষের নকশা
৭০.
দক্ষিণ যেন বিলেত
৭১.
হাসি কোথায় হারিয়ে গেল
৭২.
শীত
৭৩.
গল্প লিখে কী বিপদ!
৭৪.
চিচিং ফাঁক
৭৫.
আগমনী
৭৬.
দেউলে হতেও রাজি
৭৭.
হারিয়ে গেল
৭৮.
কী জ্বালা
৭৯.
বেদনা
৮০.
বেঁচে থাকার সহজপাঠ
৮১.
প্রেম ও বিবাহ
৮২.
জীবন বেদ
৮৩.
জীবন দর্শন
৮৪.
নিজের ঢাক নিজে পেটালে
৮৫.
মরীচিকা
৮৬.
তোমার ম্যাও তুমি সামলাও
৮৭.
হাসতে মানা নেই
৮৮.
বাঙালির পুচ্ছ নৃত্য
৮৯.
যুগ যুগ জিও
৯০.
ভরাডুবি
৯১.
স্বভাব যখন অস্বাভাবিক
৯২.
ষষ্ঠীসংবাদ
৯৩.
নিমিত্তের ভাগী
৯৪.
ইচ্ছাপূরণ নগদে অথবা কিস্তিতে
৯৫.
দুই পুরুষে
৯৬.
সব জানা চাই
৯৭.
দুধের দাঁত
৯৮.
ছত্রিশটি বছর
৯৯.
বুনো ওল আর বাঘা তেঁতুল
১০০.
পদকে নই পদানত
১০১.
স্যাটা স্যাট
১০২.
গরু
১০৩.
ছাগল
১০৪.
বোকা পাঁঠা
১০৫.
হ্যাচাং করে কেতরে গেল
১০৬.
আমি আর তুমি
১০৭.
টাচ্
১০৮.
বেশ আছি রসে বসে
১০৯.
মেয়েদের ভাগ্য ফিরবে কবে!
১১০.
গিলে করা দম্পতি
১১১.
এটা কোন যুগ!
১১২.
জ্ঞানদা, মোক্ষদা
১১৩.
যাও পাখি
১১৪.
যোগসূত্র পটাং
১১৫.
কে উদার?
১১৬.
মান অপমান
১১৭.
পলায়ন নয় সম্মুখ সমর
১১৮.
আয়না
১১৯.
রোগ দুরারোগ্য
১২০.
গেল, গেল তবু যায় না
১২১.
নবীন বছরে প্রবীণ বাঙালি
১২২.
বিদায় পৃথিবী
১২৩.
বাতি জ্বলল, বাতি গলল, ভোর
১২৪.
মিলেনিয়াম
১২৫.
দীর্ঘ রজনী প্রভাত প্রায়
১২৬.
যাঁহা বাহান্ন তাঁহা তিপ্পান্ন
১২৭.
জীবনের কার্টুন
১২৮.
প্রেম-১
১২৯.
প্রেম-২
১৩০.
প্রতিষ্ঠিত প্রেম
১৩১.
ছেলে যেন মাছ
১৩২.
পুজোর বাজার
১৩৩.
কী চাই! (১)
১৩৪.
কী চাই! (২)
১৩৫.
ফুটবল
১৩৬.
এক দানা চাল
১৩৭.
মরিতে চাহি না আমি
১৩৮.
বিউটি পারলার
১৩৯.
ইংলিশ মিডিয়াম
১৪০.
সাগর
১৪১.
বাউল
১৪২.
জ্ঞান
১৪৩.
গৃহসুখ শাস্ত্র
১৪৪.
আশা
১৪৫.
বিশ্বাস
১৪৬.
স্বীকারোক্তি
১৪৭.
ভূতের সঙ্গে গল্প
১৪৮.
আর বোলো না ভাই!
১৪৯.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
১৫০.
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
১৫১.
শেয়ালেও কামড়ে দিতে পারে
১৫২.
জীবনের জাতীয় সঙ্গীত
১৫৩.
মেয়েদের সৌন্দর্য
১৫৪.
বাস-মিনিবাসের লাইনেঘোষ, বোস, মিত্তির
১৫৫.
ফরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, ফরে ফরে
১৫৬.
বাঁচতে ইচ্ছে করে না
১৫৭.
মৃত্যু একটা ড্রপসিন
১৫৮.
শান্তির সহজপাঠ
১৫৯.
বুদ্ধুকা দেশমে ধুর্তুকা রাজ
১৬০.
সকাল সকাল ভোট দিন
১৬১.
অনুসন্ধান
১৬২.
পকেটমারি
১৬৩.
কোথাকার জল কোথায় গড়ায়
১৬৪.
সবচেয়ে ভীতিপ্রদ মদতপুষ্ট কিছু মানুষ
১৬৫.
বেঁচে থাকার বিশ্রী ভয়টা আর নেই
১৬৬.
প্রেম শিকল পরায়, সংসারে ঢোকায়
১৬৭.
ভগবান হেরে গিয়েছেন
১৬৮.
যত দোষ নন্দ ঘোষ
১৬৯.
বাড়িওয়ালা
১৭০.
প্রেসার কুকার
১৭১.
সাত টাকা বারো আনা
১৭২.
আমার ভূত
১৭৩.
ভূমিকা
১৭৪.
ন্যাড়ার বেলতলা
১৭৫.
আজ আছি কাল নেই
১৭৬.
ট্রিটমেন্ট
১৭৭.
দিন আনি দিন খাই
১৭৮.
লেপ
১৭৯.
শাপে বর
১৮০.
স্পেশাল অফিসার
১৮১.
বিলিতি বাঁশ
১৮২.
টেলিফোন
১৮৩.
খ্যাঁকশিয়াল
১৮৪.
পি. এ.
১৮৫.
জরদগব
১৮৬.
মাসি
১৮৭.
গরলপুত্র
১৮৮.
শশধর হাকসলি অ্যান্ড গুজ
১৮৯.
চিন্তা
১৯০.
তুমি আমার আমি তোমার

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%