চণ্ডী লাহিড়ী

স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায় খুব শৈশবে পিতৃহীন হন। শিশুসন্তান নিয়ে মা সোনামণি দেবী দৃশ্যত খুব ভেঙে পড়েন। শিশুপুত্র কোলে নিয়ে তিনি প্রিন্স দ্বারকানাথের কাছে যান। গুরুদাসের বাবা দ্বারকানাথের কাছারিতে কাজ করতেন। দ্বারকানাথ কাছারির হিসাবরক্ষককে নির্দেশ দেন। ‘গুরুদাস বড় হয়ে উপার্জনশীল না হওয়া পর্যন্ত গুরুদাসের মা স্বামীর বেতন পেয়ে যাবেন।’ প্রিন্স দ্বারকানাথ কথা রেখেছিলেন। সোনামণি দেবী বাস করতেন শোভাবাজার স্ট্রিটে নিজ পিত্রালয়ে। গুরুদাস সেখানেই লেখাপড়া করতেন। প্রিন্স দ্বারকানাথও নিয়মিত বালক গুরুদাসের লেখাপড়ার খোঁজখবর নিতেন।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন